নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • কাঠমোল্লা
  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

রাশেদ মেহেদী এর ব্লগ

বুকের ভেতরে সীমান্ত


বুকের ভেতরে এত সীমান্ত কেন
সীমান্তরক্ষীদের কাছে এ প্রশ্নের কোন উত্তর নেই
যদি সাদা রুমালে ঢেকে দেই নি:সঙ্গ আকাশ
তবে কি উত্তর দেবে জ্বলে যাওয়া দূরবর্তী গ্রহ?

গহীন জোস্নায় পুড়ে যাওয়া কক্ষপথ ছেড়ে
যদি ছুটে যাই পৃথিবীর প্রশান্ত মহাসগরে
সুখের সীমান্ত খুঁজে খুঁজে
তবে কি আমি দূর দিগন্ত হব তোমার অন্তরে?

সুপারনোভা একদিন সাইবেরিয়া হবে
মঙ্গল, বুধ, শুক্র সবকিছু মিশে যাবে চাঁদের সাথে
সেই অমাবস্যায় যদি পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে ছায়াপথে
তবে কি তুমি সীমান্তহীন আলো হবে আমার চোখে?

একজন শরনার্থী শিশুর আর্তনাদ


আমি বঙ্গোপসাগরে ভেসে যাওয়া রোহিঙ্গা শিশু
এবার মৃত্যু বিভীষিকায় মুখোমুখি হতে চাই
বিশ্বের সকল রাষ্ট্র প্রধানের-
চোখে চোখ রেখে বলতে চাই
আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন।

আমারও জন্ম হয়েছিল একটি দেশে,-
আমার জন্যও মায়ের কোল ছিল, বাবার ঘর ছিল
ছিল পলিমাটি, সবুজ শস্য ক্ষেত-
ছিল হাজার বছরের ইতিহাস, বংশ পরিচয়।

সব কিছু জ্বলে গেছে আজ-
স্বপ্ন, সম্ভাবনা, ভবিষ্যত যা কিছু ছিল
সব পুড়ে পুড়ে শেষ
পোড়ামাটি ছাড়া আর কিছুই নেই।

‘ফাঁসী আয়নাদেরই হয়’...আয়নাবাজিতে কি বলতে চাইলেন অমিতাভ রেজা?


দেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে একবাক্যে রায় দেওয়া হয়েছে এই সময়ে তুমুল আলোচনায় থাকা ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রে। ‘ফাঁসী আয়নাদেরই হয়’.... বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্দেশক সংলাপ বাস্তবতা বিজর্জিতি, বিভ্রান্তিকর এবং আপত্তিকরও মনে হয়েছে। একজন সিনিয়র রিপোর্টারকে দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে জ্ঞান দিতে গিয়ে এই সংলাপ উঠে এসেছে একজন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের মুখে। এই একটি সংলাপ পুরো চলচ্চিত্র নির্মাণে পরিচালকের অত্যন্ত দুর্বল হোমওয়ার্ক এবং তার দায়িত্বহীনতাকেও তুলে ধরে। খুবই চটুল সংলাপ পুরো চলচ্চিত্র জুড়েই। এ ধরনের একটা সংলাপ বেশ ভারিক্কি গলায় ওজনদার করে তোলার হাস্যকর চেষ্টাতেই ভয়ংকর দায়িত্বহীন একটা কাজ করে ফেলেছেন ছবির পরিচালক।

শকুনের জন্ম পরিচয়


লাশ দেখলে আনন্দে চোখ চক চক করে শুধু একটি প্রাণীর
তার নাম শকুন-
শাস্ত্র বলে এদের জন্মের ঠিক-ঠিকানা নেই
আনন্দ, বেদনা, অনুভূতি কোন কিছু নেই
ওরা শুধু ক্ষুধা বোঝে-
লোক সমাজে শকুনিরা আরও বেশী হৃদয়হীন
হত্যা, খুন, রক্ত দেখলেই ওরা পুনর্জন্মের প্রসব বেদনায় কাতর হয়।
পিতার স্মৃতি বুকে প্রগাঢ় শোকের ছায়ায়-
যেদিন চোখ ছলছল করে কোটি সন্তানের
বুড়ো শকুনি তখন ব্যস্ত হয়ে যায় ঘৃনত্যম জন্মদিনের আয়োজনে
হাততালি দিয়ে তার পাশে সমবেত হয় সাপ,বিচ্ছু,দাঁতাল শুয়োরের দল।

রাশেদ মেহেদী
ঢাকা
১৪ আগস্ট ২০১৬

মহাশুন্যের মানুষ


যে আকাশ কখনও সবুজ দেখেনি-
আমি সেই আকাশের বুকে বরফ-পাথর
মেঘের নামে সঙ সেজে আজন্ম অভিনেতা
আমারও পূজারি আছে লক্ষ কোটি।

যে আকাশ কখনও বৃষ্টি দেখেনি,
আমি সেই আকাশের নীচে ধূসর তেপান্তর
ধূলোয় মাখামাখি যৌবন ঋতুমতি নদীর
সঙ্গমবিহীন সংযমে কত শত ভক্ত অনুগামী।

যে আকাশ কখনও মেশেনি নিলীমায়
আমি সেই আকাশের গায়ে নি:সঙ্গ নক্ষত্র
নিশুতি রাতে আলোর রেখা বহুদূর
গভীর শুন্যে অরণ্য চেয়ে, কত না রোদন ভক্তকূলের।

ডিজিটাল যৌবনের কল্পচিত্র


একদল নির্লজ্জ সরীসৃপের দখলে যাচ্ছে
আমার উঠোন, বসত ভিটা, ফসলি জমি-
ফুলের বাগান, হলুদ শর্ষে ক্ষেত, শরতের কাশবন-
জোড়া দীঘির সৈকত-পদ্মা, মেঘনা, যমুনা সবকিছু!

লোকালয় ছেড়ে জঙ্গলে ছুটে গিয়েও দেখেছি
সেখানেও আছে বুনো শুয়োর,
জলার ধারে পড়ে থাকে ধর্ষিতা বোনের মৃতদেহ
তুলে নেওয়ার পর থেকে ভাইটি শুধু নিখোঁজের খাতায়
এক সিংহ শাবক কবির কাছে বাঁচার মন্ত্র চেয়েছিলাম
তিনিও বলে দিলেন এবার তবে তৃনভোজী হও!

কেউ কেউ বলে এখনও আছে জীবনের গান
ধর্মের কল বাতাসে নড়লে সে সুরে গেয়ে ওঠে
অন্ধ-বধির শেয়ালের পাল-
তারপর রক্ত গঙ্গায় ভাসে ইতিহাস!

কবির শংকিত উচ্চারণ


উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে
আমরা এগিয়ে যাচ্ছি মধ্যযুগের পথে,
সবুজ ব-দ্বীপে মরু শ্মশানের কালো ছায়া
একে একে রক্তাক্ত হচ্ছে পুকুড়, দীঘি, নদী
তরু লতা, গুল্ম-বৃক্ষ, দোয়েল, কোকিল
রক্তের স্রোতধারায় লালে লাল
মুছে যাচ্ছে পতাকার গাঢ় সবুজ-
তবু উল্লাস থামেনা উন্নয়নপ্রেমী কবিদের!
একদিন নুরুল দীনের কথা মনে পড়ত যাদের
বর্ণিল তারুণ্যে যারা বৃষ্টিকেও করেছিলেন বিদ্রোহী
তারাই আজ চোখ বন্ধ করে আছেন
উন্নয়নের ধাঁধা কিংবা ধোঁয়ার ভেতর!
অথচ ভীষণ আর্তনাদের আগুনে পুড়ছে বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত,
স্নিগ্ধ দূর্বাঘাস, ভোরের শিশির, গলে পড়া সোনা রোদ
পুড়ে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে শত নদীর মোহনা,

তবে কি চাপাতির আতংকে হেরে যাবে বাংলাদেশ?


বায়ান্ন’র বাংলাদেশ হারেনি, উনসত্তরের বাংলাদেশ হারেনি, একাত্তরের বাংলাদেশ হারেনি, নব্বই এর বাংলাদেশ হারেনি। হেরেছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি জাতির স্বপ্নকে হত্যা করে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। ঘাতক চক্রের বুলেটের ভয় পুরো জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ভয়, আতংকে প্রতিবাদ করার সাহসও হারিয়ে ফেলেছিলেন রাজনৈতিক নেতা, ছাত্র নেতা বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয়রাও। খুব ছোট করে ছাত্র ইউনিয়নের একটা মিছিলই ছিল ঢাকায় একমাত্র প্রতিবাদ।

ব্লগার নামধারী একজন বিকৃতমনস্ক ধান্দাবাজ প্রসঙ্গে


সাংবাদিক রীতা নাহারের একটি সিরিজ রিপোর্ট বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত হয়েছে গেল সপ্তাহে। রিপোর্টের বিষয়বস্তু ছিল দত্তক আইন না থাকা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান 'ছোটমনি নিবাস' থেকে দত্তকের নামে শিশু কেনা-বেচা। রিপোর্টে দেখা গেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিশু দত্তক নেওয়া পরিবার এবং দত্তকের নামে যারা বিদেশে শিশু বিক্রি করছেন তাদের সবার বক্তব্য আছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলোর সবকিছুই রিপোর্টে পূরণ করা হয়েছে। রিপোর্টটির মূল সুর ছিল,দত্তক আইন করা হলে অনেক নি:সন্তান দম্পতি অভিভাবকবিহীন এসব শিশুদের আইনগতভাবে দত্তক নিয়ে তাদের সুন্দরভাবে বড় করতে পারতেন,এ

নাগরিক নগ্নতার জলছবি


রাশেদ মেহেদী

এক.
নাগরিক নগ্নতায়
ক্রমশ বেড়ে ওঠা
সূর্যরশ্মির গ্রিবায় ঠোঁট রেখে
আমিও কবি হতে চাই।
পুড়ে যাওয়া বষন্ত দিনে
কোকিলের কন্ঠ ভেজে
বৃষ্টির ধোঁয়ায়,
আজ তবে এঁকে দেব জলছবি
আগুন হাওয়ায়-
মনুষ্যত্ব যখন ভীরু কাপুরুষ
সকরুণ লজ্জায়।
দুই.
নাগরিক শিশ্ন
কতটা সবল?
কেবলই উত্তাপ ছড়ায়
ঘেমে ওঠা জোস্নায়,
গাঁও গেরাম থেকে
ছুটে এলে শক্ত-সামর্থ্য পুরুষ
কতটা অক্ষত থাকে বালুচর-
ব্যস্ত রাজপথে?

রাশেদ মেহেদী
০৪.০৩.২০১৫

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাশেদ মেহেদী
রাশেদ মেহেদী এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 1 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 14, 2013 - 10:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর