নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রক্স রাব্বি
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

উর্বি এর ব্লগ

আঁকিবুঁকি চরিত -২ (তেল রঙ)


তেল রঙ বা oil paint জনপ্রিয় আঁকার মাধ্যম । মূলত এর প্রথম ছোটখাট ব্যবহার শুরু হয় ইউরোপে, দ্বাদশ শতাব্দীতে , হালকা ডেকোরেশনের জন্য তারা এটাকে ব্যবহার করত । কিন্তু চতুর্দশ শতাব্দিতে এর ব্যপক প্রচলন শুরু হয় আঁকার জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে । এটা জাহাজ,ব্রীজ , লোহা, কাঠের উপর ব্যবহার করে আনা হত নানা ডিজাইন ও রঙ এর মূর্ছনা। এমনকি এর বহুল ব্যবহার হয় ঘরের ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র ডিজাইনে। সর্বপ্রথম এই oil paint ব্যবহার করে ছবি আঁকা হয় ৬৫০ খ্রীষ্টাব্দে, আফগানিস্তানের ব্যামিয়ান ভ্যালির একটি গুহায় । তখন এতে ব্যবহার করা হয়েছিল walnut এবং poppy seed oils।
-

আঁকিবুঁকি চরিত -১ (তেল রঙ)


"I dream of painting and then I paint my dream."- Vincent Van Gogh
"Painting is just another way of keeping a diary" - Pablo Picasso

কুঞ্জবিথী (ভ্রমণ,ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও কারুকাজ পর্যবেক্ষণ) -১



একটা মানুষ কতটা রুচিশীল কতটা শৌখিন তা আঁচ করা যায় তার পছন্দ চাল চলন থেকে। আর সেটা আঁচ করার একটা বড়মাধ্যম হল তার গৃহস্থালির ব্যবস্থাপনা । আপনার ইন্টেরিয়র সাজানো যত সুন্দর হবে আপনার ব্যাক্তিত্ব তত মজবুতভাবে প্রকাশ পাবে।
আজকে কিছুটা ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও ভ্রমন বিষয় নিয়ে লিখব , কিন্ত তাতে একেবারেই আমি নবিশ।ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখার আহবান রইল ।

বলপেন স্কেচ


বলপেন খুবই পরিচিতি একটি লেখার মাধ্যম। কত শত সাহিত্য কবিতা লেখা হয়েছে। কিন্তু বলপেনে আঁকাও সম্ভব। তবে খুবই রিস্কি । কারন এটি যেহেতু পারমানেন্ট স্টেইন দেয় কাগজের উপর, তাই সামান্য এদিক ওদিক হলেই পুরো ছবিই নষ্ট।হাতের প্রেশার, ধৈর্য, অনুশীলন দরকার প্রচুর ।লাইট ডিপ শেডিং একটু এদিক ওদিক হলেই পুরো কাজ নষ্ট ।তাই বলপেনে আঁকতে হলে সতর্কতা অত্যন্ত জরুরী ।
বলপেনে আমার আঁকা কিছু স্কেচঃ
1. human face (1)

শহুরে বাগান -৪



আমাদের আশেপাশে সামান্য কিছু ছোট খাটো জিনিস এর সঠিক ব্যবহার আমাদের বাগান/ টবের গাছ করে তুলতে পারে মোহনীয়।
তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল আরেকটি টোটকা সলিউশন। আমরা অনেকেই অ্যাসপিরিন মেডিসিনের নাম শুনেছি। সাধারণত অ্যাসপিরিন ব্যবহার করা হয় মাথা ব্যথায়। এছাড়া এই মেডিসিনটা পড়েই থাকে বাক্সের এক কোণে।

শহুরে বাগান-৩


আমাদের আশেপাশে অনেক কিছুই আছে যা বাগান করার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক।বাগান করার ক্ষেত্রে ন্যাচারাল সার বা কীটনাশক অতুলনীয়। কারন সেগুলো তৈরীই শুধুমাত্র বাগান করার জন্য সঠিক পরিমানে ও সঠিক মিশ্রণে। তবে অনেক সময় দেখা যায় অনেক সার কীটনাশক আমরা কিনতে পারি না, কারন আমাদের জানার স্বল্পতা । আবার কিনতে গেলেও দেখা যায় অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত দোকানের স্টক ফুরিয়ে গেছে। হতাশ মনে ফিরে আসতে হয় । তবে হ্যা! এখন যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেগুলো হবে শুধুই বিকল্প উপায়। নেহায়েত হাতের কাছে না পাওয়া গেলে, খুঁজে না পাওয়া গেলে - আমরা কি কি উপায় অবলম্বন করতে পারি সেটার দিকেই আলোকপাত করার চেষ্টা করব ।

শহুরে বাগান- ২


দিন দিন আমাদের শহুরে জীবনে স্থান সংকুলান কমছে। দিনের পর দিন জায়গা কমছে। যার ফলে আজকাল বড় জায়গা নিয়ে বাগান করার ইচ্ছা অনেকটাই অলীক স্বপ্নের মতোই। যেখানে বাচ্চাদের খেলার মাঠই জোটেনা আবার সেখানে বিশাল জায়গা জুড়ে বাগান করতে চাওয়াটা অলীক কল্পনাই বটে। ক্ষেত্র বিশেষে ভাড়াবাড়ির ছাদটাও অনেক সময় জোটে না।
-

শহুরে বাগান -১


দুনিয়া উন্নত হচ্ছে! সেই সাথে উন্নত হচ্ছে আমাদের সভ্যতা,সংস্কৃতি কৃষ্টি কালচার। এখন হাতের মুঠো ফোনটিই আপনার রাজ্যের ইনফরমেশন দাতা তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে।তাহলে বনায়ন বা সবুজায়ন কেন উন্নত হবে না?
-
অনেকে দেখা যায় গাছ কিনেই পরে গেছেন বিপদে। কোন টবে রাখবেন, কিভাবে রাখবেন? মহা সমস্যায় পড়েন। টব টেনে হিচড়ে সরানো। অনেক সময় বাড়িওয়ালা ছোক ছোক-মেঝে নষ্ট হল টব রেখে,টব টেনে টেনে দাগ।কখনো কখনো গাছ কিনলেও দেখা যায় টব কিনতে গিয়ে মহা ভ্যাজালে পরেছেন।
শেষমেষ টব কেনাই হল না ,সাধের গাছ ও নষ্ট। তাহলে উপায়?
-

অদ্ভুত বাচালতা ১০



প্রিয়তমেষু,
ইদানিংকালে নিজের মাঝে
কোথায় যেন বৃষ্টির জলের সাথে মিল পাই।
অসম্ভব মন খারাপ করা দিন গুলোতে
কোথায় যেন আকাশটাও টের পেয়ে যায়।
মেঘ গুড় গুড়,ঘন কালো আঁধার নামায়,
দুটো আকাশেই ঝড় ঝড়িয়ে বাদল নামে।
আজো বোধগম্য না আবহাওয়ার সাথে
আমার শত্রুতা নাকি বন্ধুত্ব?
শত্রুতাও কি আজন্ম নাকি দিনে দিনে?
কখনো মন খারাপ করা বিকেল,
কখনো ঝড়ো ঝড়ো কষ্টের রাত,
কখনো বা বিষাদে ভরপুর দুপুর।
বারান্দায় ধূমায়িত চায়ের কাপ,
হাতে স্কেচ বুক আর.... আর....
এক টুকরো মন খারাপ।

চিকনগুনিয়া এটেনশন



যাদের হুট করে জ্বর হইসে। সাথে হালকা র‍্যাস দেখা যায়, হাড়ের জয়েন্টে বা মাংসপেশিতে প্রচন্ড ব্যথা হইতেসে তাদের জন্য টিপস.....
১- কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক চিকনগুনিয়ায় জন্য বিপদজনক। না জেনে ওষুধ খাবেন না।
২- প্রচুর ফ্লুইড খান। মানে পানি খান। ডাব খেলে ভাল। আর তরল খাবার।
৩- জ্বর ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল খেতে পারেন। পেইনকিলার খেতে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৪- ফুল রেস্টে থাকুক। যতটা সম্ভব বিশ্রাম চিকনগুনিয়া দ্রুত সারতে সাহয্য করবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

উর্বি
উর্বি এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 3 weeks ago
Joined: রবিবার, মে 21, 2017 - 1:29পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর