নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অবাক ছেলে
  • মাহফুজ উল্লাহ হিমু
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ব্লগ

অনন্যার মুখ(বন্ধু জেরী কে)


জেরী,
সেই কবে তুমি এঁকেছিলে-
উপত্যকার অন্ধকারে কোন এক যুবকের মুখ?
তোমার স্বাধীন অভিব্যক্তি
তোমাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে-
চলমান সাম্রাজ্যের বিপরীতে।

জেরী,
তোমার তুলি আজ
কঠিন সময়ের মুখোমুখি;
চেতনার ক্যানভাসে
মূর্তমান কিছু জিজ্ঞাসা-
বারবার তোমাকে নাড়া দিয়েছে।
তুমি চিনে নিতে চেয়োছো-
পৃথিবীর সব রঙ,
নতুন এক নির্ঘণ্ট সাজিয়েছো
বিমুক্ত স্মৃতি জুড়ে।

জেরী,
চেয়ে দ্যাখো ইতিহাসে-
বারংবার প্রতিধ্বনিত মনস্তত্ত্বের
বিশাল চিত্র;
হয় তো তোমার কল্পনায়-
মহাকাব্যের জন্ম দিবে কোন।

কার্যকরী শিখন কৌশলঃ পর্ব-৪


ছাত্রছাত্রীদের দক্ষতার মূল্যায়নের সর্বাধিক প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে -"প্রদত্ত প্রশ্ন সেটের উত্তরদান"।বিভিন্ন বিষয়ের উপর বিভিন্ন টাইপের প্রশ্নের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ পরিমাপ করা হয়ে থাকে।তাদের উত্তরের যথাযথতার উপর নির্ভর করে তাদের বুদ্ধির বিকাশের রেজাল্ট।এখন প্রশ্ন হল,উত্তর দেওয়ার যথাযথতা কিসের উপর নির্ভর করে?অর্থাৎ তারা দক্ষতার কোন স্তরে পৌঁছালে নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারবে?
তবে আরেকটি প্রশ্ন করতেই হচ্ছে-'প্রশ্ন' আসলে কি?
সংক্ষেপে বলতে পারি-
তথ্যের সংকটসূচক বাক্যই হল প্রশ্ন।

কার্যকরী শিখন কৌশলঃপর্ব-৩


অন্যকে শেখালে নিজের শেখাটা আরো মজবুত হয়-এ কথা সবাই জানে।কিন্তু অন্যকে শেখানোর সাথে নিজের শেখার এই সম্পর্ক কেন?
সচেতন ভাবে কাউকে কিছু শেখাতে গেলে প্রথমত আমাদের উদ্দেশ্য থাকে খুব সহজে যেন সে বিষয়টা বুঝতে পারে।আর এ জন্য কোন কিছুকে সরলীকরণ করার দরকার পড়ে,নিজের বুদ্ধির প্রয়োগও করতে হয় নিপুণভাবে।
হয়তো এই জন্য আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন(যদিও উৎস নির্দিষ্ট নয়):
"যদি কোন কিছুকে সহজে ব্যাখ্যা করতে না পারো, তাহলে তুমি তা যথেষ্টভাবে বুঝতে পারো নি।"
এই ব্যপারটিকে বিপরীত চিন্তনের মাধ্যমে আমরা এই বলতে পারি-

কিন্তু কেনঃ অবিশ্বাসের পথে যাত্রা


এই টেকনিকটা সেই সব বন্ধুদের জন্য যারা অনেক কিছু সহজে মেনে নেন। তবে এটা যদি শেখেন একটা সমস্যা হবে আর কিছুই বিশ্বাস করতে পারবেন না।অন্তত প্রশ্ন ছাড়া কিছুই মানা সম্ভব হবে না আপনার পক্ষে।
তার আগে একটা কথা বলে নিই, এই পদ্ধতি অনুসরণ করা শুরু করলে খুব কম দিনে আপনি সবখানে কেমন যেন আলাদা হয়ে যাবেন,বলা চলে, খানিকটা বেমানান হয়ে ওঠাবেন। আর এই অবস্থার স্বীকার হতে যদি রাজি থাকেন তবেই আপনি আমার সাথে কিছুক্ষণ থাকুন। আমরা অসচেতন ভাবে অনেকবার হয়তো তাদের প্রয়োগও করেছি।চলুন দেখা যাক -

একটি উপলব্ধির সূত্রপাতঃ মাতৃভাষায় বসবাস


মাতৃভাষা হল মাতৃদুগ্ধ -মাতৃভাষার উপর এমন অনেক আপ্তবাক্য সেই ছোট্টবেলা থেকেই শুনে আসছি।মাতৃভাষা চর্চার গুরুত্ব নিয়েও কত কিছু পড়ে আসছি।কিন্তু যতদিন না নিজের ভিতর থেকে বিষয়টি আবিষ্কার করতে পারছিলাম না ততদিন 'মাতৃভাষা' আমার কাছে অন্য অনেক বিষয়ের মতই ছিল সাধারণ।অন্য সকলে আলাদা ক্রেডিট দিলেও আমার পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব ছিল না।

বলছি আমাদের বিজ্ঞান পড়ুয়াদের কথা


বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাদের অগ্রসর হবার কথা ছিল,তারা যদি অবৈজ্ঞানিক ধারনাকে ঠিক মনে করে তার পক্ষে সাওয়াল করে কিংবা জীবন ধারণে একান্ত নিবিড় করে নেয় তখন সন্দেহটা আরো জোরালো হয়-
আদৌ কি তারা বিজ্ঞান শিখছে?

প্রশ্নের কাঠগড়ায়


মুক্তচিন্তা খুব জুরুরী।অহরহ চিন্তার কত আঙ্গিক চারিদিক।সেখানে একটিকে অবলম্বন করে চলতে গেলে বেধে যেতে হবে। যেমনঃ কেউ মার্ক্সবাদী, কেউ গান্ধীবাদী,কেউ আম্বেদকরবাদী,কেউ বুদ্ধের অনুসারী, কেউবা আবার গোড়া ধার্মিক।এবং এটা সত্য যে, প্রত্যেকেই নিজেদের ওয়েটাকে সঠিক বলে ভাবতে অভ্যস্ত।কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনটা ঠিক??
হ্যা,এই ক্ষেত্রে মনকে খোলা না রাখলে বিচার করা সম্ভব নয়। কিন্তু কিভাবে মনকে খোলা বা যে কোন পূর্বধারণা (assumption) থেকে মুক্ত রাখা যায়?

আর এক্ষেত্রে আমাদের স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা কতটুকু?

চৈতি দিদিরা চলে গেছে


চৈতি দিদিরা চলে গেছে;
অনেক অন্ধকারে ঘর ছেড়েছে ওরা-
না,নিকটবর্তী কোন শহর ওদের গন্তব্য নয়
কিংবা দুদিন বাদে ফিরে আসার
কোনো অভিপ্রায়ে যাই নি ওরা।

বিধর্মী সিল লাগানো
চৈতি দিদিদের পাড়ার অন্যরা
বেশ আগেই পার হয়ে গেছে;
নিয়ত নিরাপত্তাহীনতার চাদরে মুড়ে থাকতে হত ওদের,
হুমকির ভয়ানক সেই স্মৃতি চৈতি দিদিরা ভুলে যায় নি।
ভুলতে পারেও না।

এক ছাত্রের নির্ধারিত লক্ষ্য


১.নিজের একাডেমিক পড়া শেষ করে যে কোনভাবে অর্থ সংগ্রহ করে "প্রাইভেট টিউটর ট্রেনিং কেন্দ্র " চালু করব। যারা স্কুল কলেজে মাস্টারি করে না তাদের জন্য।
২.তারপর তারা চাইলে আমাদের শিক্ষা অভিযান মঞ্চে যোগ দিতে পারবে। অথবা নিজেরা স্বাধীনভাবে শিক্ষকতা করতে পারবে।

নিজের সমালোচনাঃকঠিন একটি কাজ


সার্বিক দিক দিয়ে নিজের সমালোচনা(ভূল ধরতে পারা) করতে পারাটা আসলেই খুব কঠিন। প্রায়ই সময় আমরা নিজের পক্ষে থাকি। যাকে বলে "আত্নপক্ষ সমর্থন" করা।একটু ভেবে দেখলে দেখা যায়,নিজের ভূলগুলো ধরে নিজেকে পরিবর্তন করা যায় খুব দ্রুতই।
কিন্তু প্রশ্ন যেটা, নিজেদের ভূল ধরা সহজ নয় কেন?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

দীপ্ত সুন্দ অসুর
দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: রবিবার, মে 7, 2017 - 6:13পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর