নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাফী শামস
  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ব্লগ

লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা


আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে না কেন?
প্রশ্নটি বেশ চক্কর দিচ্ছিল মাথায়। নিজের চিন্তা থেকে কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরলামঃ
১.আমরা যে বিদ্যালয়ে যাই সেই বিদ্যালয়ে নিশ্চয়ই শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকে। তাদের কথাবার্তা, আদেশ-অনুরোধ, সাজেশন -টিপস , চাল-চলন আমাদেরকে প্রভাবিত করে। এবং অত্যন্ত জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের শিশুমণ তাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ ও করে।
যদি এটা সত্যি হয়, তবে ধরতে পারি "লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি" করার মত কোন ফিডব্যাক এই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে আমরা পাই নি, পাচ্ছি না।

অভিজিৎ দা,আপনাকে


অভিজিৎ দা,
আপনি চলে যাবার পর
আরো বেশি করে আপনাকে কাছে পেয়েছি;
আপনার রক্তের প্লবতা
আমাকে এখনও ভাসিয়ে রাখে
মুক্তির নেশায়,
আপনার স্বপ্ন
নিয়তই আলোড়িত হয় -
আমার স্নায়ুর উত্তেজনায়।

দাদা, আমার অনুবীক্ষণেও
বিশ্বাসের ভাইরাস ধরা পড়ে;
অবিশ্বাসের দর্শন আমিও বুঝি;
প্রাণের রহস্য খুজতে গিয়ে -
রসায়নের দারুন জটিলতা আয়ত্বে আনি;
শূন্য থেকে পা বাড়াই মহাবিশ্বের প্রান্তরে-

দাদা, ভিতরে ভিতরে
খুব গভীরভাবে অনুভব করি -আপনাকে।

অবাক কিন্তু হতেই হয়


অবাক কিন্তু হতেই হয়
যখন দেখি যুবক যুবার আড্ডাতে
শুধুই বিকৃত যৌনতা, সিনেমা
চাকরী আর খেলাধুলা!
কিংবা নামী কোচিং সেন্টারের কত কথা!
অথচ ভূগোলের ছাত্রীটির
এখনো হল না -বদ্বীপের রহস্য সন্ধান,
তাতে তার কোন চিন্তাই নেই যেন!
ইতিহাস পাড়ার বন্ধু নির্মাল্যকেও
দেখি না গাঢ় কোন চিন্তায় ডুবে আছে!
ক্লাসের সেই ফার্স্ট বয়
আমাদের গর্বের অলোক
এখন বড় চাকরীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে!
এককালের অঙ্কের তুখোড় ছাত্রী
চোখে চশমা আটা ফরিদাও
অনেক দিন হল অঙ্কটা ছেড়েছে!

আমার লাইব্রেরিঃপর্ব-২


এর মধ্যে বই কেনার নেশাও বাড়ছে। মামা বাড়ি গেলে জামা প্যান্ট কিনতে টাকা দিলে বই কিনে ফেলি। মায়ের কাছ থেকে নিই। যদিও সত্যি কথাই বলি মায়ের কাছে। তবে এক্ষেত্রে এক দাদার কথা না বললেই নয়, সে তখন শহরে কলেজে পড়ত। প্রায় যায় কলেজে। ছোট বেলা থেকেই দাদা আমার যে কোন ধরনের বই কিনে এনে দিত।

তবে সে যে বই হোক কোন দিন বলে নি যে এ বই এখন পড়িস না। পরে কিনিস। নিজে বেকার হলেও মাঝে মাঝে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে বই কিনে এনে দিত। অবশ্য পরে মা সেই টাকা দিয়ে দিতেন। দাদার বক্তব্য ছিল,কি বই কিনব তার নাম আর লেখকের নাম বলব শুধু। এই ভাবে অনেক বই কিনে এনে দিয়েছে দাদা।

আমার লাইব্রেরিঃপর্ব-১


সেই প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' প্রবন্ধটি পড়ার পর থেকেই আস্তে আস্তে বইয়ের সাথে ঘনিষ্ঠতা।

অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর মত টেক্সটবুকই ছিল আমার সীমানা। যে গ্রামে থাকতাম সেখানে ছোট্ট একটা গ্রন্থাগার থাকলেও যাওয়া হত না। কিন্তু প্রমথ চৌধুরীর অকাট্য যুক্তি আমাকে সেটির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। ক্রমে শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো চিন্তার জালে ধরা পড়তে লাগল। বিদ্রোহভাব চাঙ্গা হতে লাগল। লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এক কবি দাদা। রোমান্টিক কবিতা লেখে। তবে গ্রামের কেউ ওনার কবিতা পড়ত বলে মনে হয় নি। আমিও অন্য সবার মত পড়তাম না। ভাবতাম কি সব আজেবাজে শব্দে ভরা কবিতা!

তোমাকে খুব দরকার ছিল


আমার কথাকে যখন ওরা বাজেয়াপ্ত করেছিল
তখন তোমাকে খুব দরকার ছিল ;
আমার উদ্বিগ্ন সময়ের স্তরে স্তরে
যখন বিষণ্ণতা জমেছিল
তখন তোমাকে খুব দরকার ছিল।

শহরের পথে একান্ত একাকিত্বে,
ভেঙ্গে পড়া শরীরের অবষন্নতায়
তোমাকে খুব দরকার ছিল ;
ম্রিয়মাণ সন্ধ্যার শুষ্কতায়
তোমাকে খুব দরকার ছিল ;
রাত্রিযাপনের অনিশ্চয়তায়
তোমাকে খুব দরকার ছিল।

কার্যকরী শিখন কৌশল-২


শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকার। কেননা, জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নে শিক্ষাই প্রধানতম নিয়ামক। এই জন্য গড়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থায় যখন অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে তখন জীবনযাত্রায়ও দেখা দেয় নানা সমস্যা। আমার নিজের দৃষ্টিতে তেমনই একটি অসামঞ্জস্যতা আমাদের ক্লাসগুলোতে কোন কিছুর ' শ্রেণীবিভাগ 'করার সময় পাঠদানের পদ্ধতি:

কার্যকরী শিখন কৌশল -১


অনেকেরই প্রতিদিন কিছু তথ্যের সংস্পর্শে আসতে হয়। যা মনে ও রাখতে হয়। বিশেষত ছাত্রছাত্রীদের। কিন্তু এর বিজ্ঞানসম্মত কোন পথ আছে কি?

ধরা যাক আপনি আপনার পাঠ্য বইয়ের একটি অধ্যায় কে কার্যকরী ভাবে অধ্যয়ন করতে চান। কিভাবে তা করবেন? চলুন দেখি কিভাবে তা করা যায় :

১.অধ্যায় টি খুলে বসে পড়ুন। শিরোনাম টি দেখুন। মোটা দাগে চিহ্নিত উপশিরোনাম গুলোর দিকে নজর দিন, ছবি, ক্যাপশন থাকলে চোখ বুলান, কোন ছক বা চার্ট থাকলে তাও দেখে নিন এক পলক। মোট কথা সারা অধ্যায়টি কি বলতে চাচ্ছে, জরিপ করার মত খুব কম সময়ে দেখে নিন। Survey করুন।

বোর্ডিং কার্ড

দীপ্ত সুন্দ অসুর
দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 14 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, মে 7, 2017 - 6:13পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর