নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আকাশ সিদ্দিকী
  • নুর নবী দুলাল
  • সৈকত সমুদ্র
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • ভিন্ন_মত
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার

আপনি এখানে

দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ব্লগ

এক যুবকের প্রাসঙ্গিক কিছু স্বপ্ন:পর্ব-১


লাইব্রেরীতে গেলে এমনিতেই মনটা ফুরফুরে থাকে। বইয়ে বইয়ে নিরব পাঠক দেখলেই আমার আবেগটা কেমন যেন উথলে ওঠে। ভাবি,না,এখনো আমরা ধ্বংসের পথে হাটছি না, সভ্যতার রাস্তা দিয়েই যাচ্ছি।
প্রায়ই আমার সামনে বসে ছেলেটি। প্রতিদিনই তাকাতাকি হয়, কিন্তু কথা হয় না। চোখে চশমা।তার নিচে চোখ দুটো খুব তীক্ষ্ণ মনে হলো।আর সেই তীক্ষ্ণতায় একদিন দেখতে পেলাম উঠতি কোন বিপ্লবের টুকটুকে সূর্যটাকে।
সেদিন কি এক প্রসঙ্গে কথা জমে গেল।
একপর্যায়ে জিজ্ঞাসা করলাম, "বন্ধু, হুমায়ুন আজাদের সেই কথা কি আমাদের জন্য সত্য হতে চলেছে যে,সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে যাবে? "

আমি চলতে থাকি


বহির্মুখ চেতনার উষ্ণ অনুভূতি
দৈনিক ঝরে পড়ে-
ইতিহাস বিকৃত;বিকৃত মগজ;
ঠিকানাছাড়া চলন্ত জীবন
চিলেকোঠায় বসে আকাশের স্বাদ নেয়।

আমি প্রান্তিকের কথা বলতে গিয়ে-
সাম্যতার কোন এক প্রচ্ছদে
বিস্মিত হয়ে ওঠি;

প্রত্নতত্ত্বের ধুলো-
স্নায়ুর নিরেট রসায়নে
সঞ্চিত করে রাখে হাজার বছর,
স্তরে স্তরে যার প্রতিহত সভ্যতার
বিমর্ষ ক্লান্তি, যুগের বঞ্চনা, শতাব্দীর প্রাপ্তি।

উন্মুক্ত মানুষের সমাজে-
প্রথাবদ্ধ স্থিরতা
আঁকড়ে ধরে পিছন থেকে;

আমার গণিত চর্চা এবং কিছু ব্যর্থতাঃপর্ব-১


ক্লাস নাইনে উঠেই স্যার একদিন ব্লাকবোর্ডে ত্রিকোণমিতির ২০/২২ টা সূত্র লিখে দিয়ে বললেন আগামী দিন এই সূত্রগুলো দেখে আসবে, প্রয়োজনে মুখস্থ করে ফেললে আরো ভালো। এত দিন গুটিকয়েক সূত্র নিয়ে ছিল কারবার, যা কিনা বীজগণিতের প্রাথমিক কিছু সূত্র, মনেই থাকত। কিন্তু এবার সূত্রের পরিমাণ এত বেশী যে রীতিমত মাথায় চাপ পড়ল। তাছাড়া পরিমিতিরও এক গুচ্ছ সূত্র আছে। যাই হোক, অন্য বন্ধুরা যখন মুখস্থের ধুয়ো তুলল আমি তখন অন্য পথ খুঁজতে লাগলাম।

লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা


আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে না কেন?
প্রশ্নটি বেশ চক্কর দিচ্ছিল মাথায়। নিজের চিন্তা থেকে কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরলামঃ
১.আমরা যে বিদ্যালয়ে যাই সেই বিদ্যালয়ে নিশ্চয়ই শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকে। তাদের কথাবার্তা, আদেশ-অনুরোধ, সাজেশন -টিপস , চাল-চলন আমাদেরকে প্রভাবিত করে। এবং অত্যন্ত জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের শিশুমণ তাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ ও করে।
যদি এটা সত্যি হয়, তবে ধরতে পারি "লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি" করার মত কোন ফিডব্যাক এই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে আমরা পাই নি, পাচ্ছি না।

অভিজিৎ দা,আপনাকে


অভিজিৎ দা,
আপনি চলে যাবার পর
আরো বেশি করে আপনাকে কাছে পেয়েছি;
আপনার রক্তের প্লবতা
আমাকে এখনও ভাসিয়ে রাখে
মুক্তির নেশায়,
আপনার স্বপ্ন
নিয়তই আলোড়িত হয় -
আমার স্নায়ুর উত্তেজনায়।

দাদা, আমার অনুবীক্ষণেও
বিশ্বাসের ভাইরাস ধরা পড়ে;
অবিশ্বাসের দর্শন আমিও বুঝি;
প্রাণের রহস্য খুজতে গিয়ে -
রসায়নের দারুন জটিলতা আয়ত্বে আনি;
শূন্য থেকে পা বাড়াই মহাবিশ্বের প্রান্তরে-

দাদা, ভিতরে ভিতরে
খুব গভীরভাবে অনুভব করি -আপনাকে।

অবাক কিন্তু হতেই হয়


অবাক কিন্তু হতেই হয়
যখন দেখি যুবক যুবার আড্ডাতে
শুধুই বিকৃত যৌনতা, সিনেমা
চাকরী আর খেলাধুলা!
কিংবা নামী কোচিং সেন্টারের কত কথা!
অথচ ভূগোলের ছাত্রীটির
এখনো হল না -বদ্বীপের রহস্য সন্ধান,
তাতে তার কোন চিন্তাই নেই যেন!
ইতিহাস পাড়ার বন্ধু নির্মাল্যকেও
দেখি না গাঢ় কোন চিন্তায় ডুবে আছে!
ক্লাসের সেই ফার্স্ট বয়
আমাদের গর্বের অলোক
এখন বড় চাকরীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে!
এককালের অঙ্কের তুখোড় ছাত্রী
চোখে চশমা আটা ফরিদাও
অনেক দিন হল অঙ্কটা ছেড়েছে!

আমার লাইব্রেরিঃপর্ব-২


এর মধ্যে বই কেনার নেশাও বাড়ছে। মামা বাড়ি গেলে জামা প্যান্ট কিনতে টাকা দিলে বই কিনে ফেলি। মায়ের কাছ থেকে নিই। যদিও সত্যি কথাই বলি মায়ের কাছে। তবে এক্ষেত্রে এক দাদার কথা না বললেই নয়, সে তখন শহরে কলেজে পড়ত। প্রায় যায় কলেজে। ছোট বেলা থেকেই দাদা আমার যে কোন ধরনের বই কিনে এনে দিত।

তবে সে যে বই হোক কোন দিন বলে নি যে এ বই এখন পড়িস না। পরে কিনিস। নিজে বেকার হলেও মাঝে মাঝে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে বই কিনে এনে দিত। অবশ্য পরে মা সেই টাকা দিয়ে দিতেন। দাদার বক্তব্য ছিল,কি বই কিনব তার নাম আর লেখকের নাম বলব শুধু। এই ভাবে অনেক বই কিনে এনে দিয়েছে দাদা।

আমার লাইব্রেরিঃপর্ব-১


সেই প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' প্রবন্ধটি পড়ার পর থেকেই আস্তে আস্তে বইয়ের সাথে ঘনিষ্ঠতা।

অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর মত টেক্সটবুকই ছিল আমার সীমানা। যে গ্রামে থাকতাম সেখানে ছোট্ট একটা গ্রন্থাগার থাকলেও যাওয়া হত না। কিন্তু প্রমথ চৌধুরীর অকাট্য যুক্তি আমাকে সেটির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। ক্রমে শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো চিন্তার জালে ধরা পড়তে লাগল। বিদ্রোহভাব চাঙ্গা হতে লাগল। লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এক কবি দাদা। রোমান্টিক কবিতা লেখে। তবে গ্রামের কেউ ওনার কবিতা পড়ত বলে মনে হয় নি। আমিও অন্য সবার মত পড়তাম না। ভাবতাম কি সব আজেবাজে শব্দে ভরা কবিতা!

তোমাকে খুব দরকার ছিল


আমার কথাকে যখন ওরা বাজেয়াপ্ত করেছিল
তখন তোমাকে খুব দরকার ছিল ;
আমার উদ্বিগ্ন সময়ের স্তরে স্তরে
যখন বিষণ্ণতা জমেছিল
তখন তোমাকে খুব দরকার ছিল।

শহরের পথে একান্ত একাকিত্বে,
ভেঙ্গে পড়া শরীরের অবষন্নতায়
তোমাকে খুব দরকার ছিল ;
ম্রিয়মাণ সন্ধ্যার শুষ্কতায়
তোমাকে খুব দরকার ছিল ;
রাত্রিযাপনের অনিশ্চয়তায়
তোমাকে খুব দরকার ছিল।

কার্যকরী শিখন কৌশল-২


শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকার। কেননা, জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নে শিক্ষাই প্রধানতম নিয়ামক। এই জন্য গড়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থায় যখন অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে তখন জীবনযাত্রায়ও দেখা দেয় নানা সমস্যা। আমার নিজের দৃষ্টিতে তেমনই একটি অসামঞ্জস্যতা আমাদের ক্লাসগুলোতে কোন কিছুর ' শ্রেণীবিভাগ 'করার সময় পাঠদানের পদ্ধতি:

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

দীপ্ত সুন্দ অসুর
দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 15 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, মে 7, 2017 - 6:13পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর