নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • কুরুৎআলা পাবলিক
  • এন্টারকটিকায় পড়ছি
  • গোলাম সারওয়ার

নতুন যাত্রী

  • অনিক চক্রবর্তী
  • অনুভব রিজওয়ান
  • মোমিন মাহদী
  • নাঈম উদ্দীন
  • সাইফ উদ্দীন
  • সংগ্রামী আমি
  • মোঃ নাহিদ হোসোইন
  • পাপেন ত্রিপুরা
  • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
  • রজন্ত মিত্র

আপনি এখানে

দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ব্লগ

বলছি আমাদের বিজ্ঞান পড়ুয়াদের কথা


বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাদের অগ্রসর হবার কথা ছিল,তারা যদি অবৈজ্ঞানিক ধারনাকে ঠিক মনে করে তার পক্ষে সাওয়াল করে কিংবা জীবন ধারণে একান্ত নিবিড় করে নেয় তখন সন্দেহটা আরো জোরালো হয়-
আদৌ কি তারা বিজ্ঞান শিখছে?

প্রশ্নের কাঠগড়ায়


মুক্তচিন্তা খুব জুরুরী।অহরহ চিন্তার কত আঙ্গিক চারিদিক।সেখানে একটিকে অবলম্বন করে চলতে গেলে বেধে যেতে হবে। যেমনঃ কেউ মার্ক্সবাদী, কেউ গান্ধীবাদী,কেউ আম্বেদকরবাদী,কেউ বুদ্ধের অনুসারী, কেউবা আবার গোড়া ধার্মিক।এবং এটা সত্য যে, প্রত্যেকেই নিজেদের ওয়েটাকে সঠিক বলে ভাবতে অভ্যস্ত।কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনটা ঠিক??
হ্যা,এই ক্ষেত্রে মনকে খোলা না রাখলে বিচার করা সম্ভব নয়। কিন্তু কিভাবে মনকে খোলা বা যে কোন পূর্বধারণা (assumption) থেকে মুক্ত রাখা যায়?

আর এক্ষেত্রে আমাদের স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা কতটুকু?

চৈতি দিদিরা চলে গেছে


চৈতি দিদিরা চলে গেছে;
অনেক অন্ধকারে ঘর ছেড়েছে ওরা-
না,নিকটবর্তী কোন শহর ওদের গন্তব্য নয়
কিংবা দুদিন বাদে ফিরে আসার
কোনো অভিপ্রায়ে যাই নি ওরা।

বিধর্মী সিল লাগানো
চৈতি দিদিদের পাড়ার অন্যরা
বেশ আগেই পার হয়ে গেছে;
নিয়ত নিরাপত্তাহীনতার চাদরে মুড়ে থাকতে হত ওদের,
হুমকির ভয়ানক সেই স্মৃতি চৈতি দিদিরা ভুলে যায় নি।
ভুলতে পারেও না।

এক ছাত্রের নির্ধারিত লক্ষ্য


১.নিজের একাডেমিক পড়া শেষ করে যে কোনভাবে অর্থ সংগ্রহ করে "প্রাইভেট টিউটর ট্রেনিং কেন্দ্র " চালু করব। যারা স্কুল কলেজে মাস্টারি করে না তাদের জন্য।
২.তারপর তারা চাইলে আমাদের শিক্ষা অভিযান মঞ্চে যোগ দিতে পারবে। অথবা নিজেরা স্বাধীনভাবে শিক্ষকতা করতে পারবে।

নিজের সমালোচনাঃকঠিন একটি কাজ


সার্বিক দিক দিয়ে নিজের সমালোচনা(ভূল ধরতে পারা) করতে পারাটা আসলেই খুব কঠিন। প্রায়ই সময় আমরা নিজের পক্ষে থাকি। যাকে বলে "আত্নপক্ষ সমর্থন" করা।একটু ভেবে দেখলে দেখা যায়,নিজের ভূলগুলো ধরে নিজেকে পরিবর্তন করা যায় খুব দ্রুতই।
কিন্তু প্রশ্ন যেটা, নিজেদের ভূল ধরা সহজ নয় কেন?

এক যুবকের প্রাসঙ্গিক কিছু স্বপ্ন:পর্ব-১


লাইব্রেরীতে গেলে এমনিতেই মনটা ফুরফুরে থাকে। বইয়ে বইয়ে নিরব পাঠক দেখলেই আমার আবেগটা কেমন যেন উথলে ওঠে। ভাবি,না,এখনো আমরা ধ্বংসের পথে হাটছি না, সভ্যতার রাস্তা দিয়েই যাচ্ছি।
প্রায়ই আমার সামনে বসে ছেলেটি। প্রতিদিনই তাকাতাকি হয়, কিন্তু কথা হয় না। চোখে চশমা।তার নিচে চোখ দুটো খুব তীক্ষ্ণ মনে হলো।আর সেই তীক্ষ্ণতায় একদিন দেখতে পেলাম উঠতি কোন বিপ্লবের টুকটুকে সূর্যটাকে।
সেদিন কি এক প্রসঙ্গে কথা জমে গেল।
একপর্যায়ে জিজ্ঞাসা করলাম, "বন্ধু, হুমায়ুন আজাদের সেই কথা কি আমাদের জন্য সত্য হতে চলেছে যে,সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে যাবে? "

আমি চলতে থাকি


বহির্মুখ চেতনার উষ্ণ অনুভূতি
দৈনিক ঝরে পড়ে-
ইতিহাস বিকৃত;বিকৃত মগজ;
ঠিকানাছাড়া চলন্ত জীবন
চিলেকোঠায় বসে আকাশের স্বাদ নেয়।

আমি প্রান্তিকের কথা বলতে গিয়ে-
সাম্যতার কোন এক প্রচ্ছদে
বিস্মিত হয়ে ওঠি;

প্রত্নতত্ত্বের ধুলো-
স্নায়ুর নিরেট রসায়নে
সঞ্চিত করে রাখে হাজার বছর,
স্তরে স্তরে যার প্রতিহত সভ্যতার
বিমর্ষ ক্লান্তি, যুগের বঞ্চনা, শতাব্দীর প্রাপ্তি।

উন্মুক্ত মানুষের সমাজে-
প্রথাবদ্ধ স্থিরতা
আঁকড়ে ধরে পিছন থেকে;

আমার গণিত চর্চা এবং কিছু ব্যর্থতাঃপর্ব-১


ক্লাস নাইনে উঠেই স্যার একদিন ব্লাকবোর্ডে ত্রিকোণমিতির ২০/২২ টা সূত্র লিখে দিয়ে বললেন আগামী দিন এই সূত্রগুলো দেখে আসবে, প্রয়োজনে মুখস্থ করে ফেললে আরো ভালো। এত দিন গুটিকয়েক সূত্র নিয়ে ছিল কারবার, যা কিনা বীজগণিতের প্রাথমিক কিছু সূত্র, মনেই থাকত। কিন্তু এবার সূত্রের পরিমাণ এত বেশী যে রীতিমত মাথায় চাপ পড়ল। তাছাড়া পরিমিতিরও এক গুচ্ছ সূত্র আছে। যাই হোক, অন্য বন্ধুরা যখন মুখস্থের ধুয়ো তুলল আমি তখন অন্য পথ খুঁজতে লাগলাম।

লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা


আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে না কেন?
প্রশ্নটি বেশ চক্কর দিচ্ছিল মাথায়। নিজের চিন্তা থেকে কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরলামঃ
১.আমরা যে বিদ্যালয়ে যাই সেই বিদ্যালয়ে নিশ্চয়ই শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকে। তাদের কথাবার্তা, আদেশ-অনুরোধ, সাজেশন -টিপস , চাল-চলন আমাদেরকে প্রভাবিত করে। এবং অত্যন্ত জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের শিশুমণ তাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ ও করে।
যদি এটা সত্যি হয়, তবে ধরতে পারি "লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি" করার মত কোন ফিডব্যাক এই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে আমরা পাই নি, পাচ্ছি না।

অভিজিৎ দা,আপনাকে


অভিজিৎ দা,
আপনি চলে যাবার পর
আরো বেশি করে আপনাকে কাছে পেয়েছি;
আপনার রক্তের প্লবতা
আমাকে এখনও ভাসিয়ে রাখে
মুক্তির নেশায়,
আপনার স্বপ্ন
নিয়তই আলোড়িত হয় -
আমার স্নায়ুর উত্তেজনায়।

দাদা, আমার অনুবীক্ষণেও
বিশ্বাসের ভাইরাস ধরা পড়ে;
অবিশ্বাসের দর্শন আমিও বুঝি;
প্রাণের রহস্য খুজতে গিয়ে -
রসায়নের দারুন জটিলতা আয়ত্বে আনি;
শূন্য থেকে পা বাড়াই মহাবিশ্বের প্রান্তরে-

দাদা, ভিতরে ভিতরে
খুব গভীরভাবে অনুভব করি -আপনাকে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

দীপ্ত সুন্দ অসুর
দীপ্ত সুন্দ অসুর এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 2 দিন ago
Joined: রবিবার, মে 7, 2017 - 6:13পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর