নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সুমিত রায়
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আরমান অর্ক
  • সত্যর সাথে সর্বদা

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

রাজিব আহমেদ এর ব্লগ

একজন হুমায়ূন আহমেদ ও কিছু হিমু,মিশির আলী


হিমু, শুভ্র, বাকের ভাই,
মির্জা সাহেব, কুসুম-- এমন অনেক
চরিত্র বইয়ের পাতা, টেলিভিশনের
পর্দা কিংবা সেলুলয়েড
থেকে উঠে এসে বাংলাদেশের
মানুষের আপনজন হয়ে উঠেছে। এদের
মাঝেই নিজের অস্তিত্বের ছাপ
রেখে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ৬৩ বছর
বয়সে চলে গেছেন হুমায়ুন আহমেদ।
তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘নন্দিত
নরকে’ অবলম্বনে সত্তরের
দশকে নির্মিত হয় টিভি নাটক।
নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয়
করেছিলেন বুলবুল আহমেদ, আল মনসুর,
মিতা চৌধুরী। আশির দশকে হুমায়ূন
আহমেদ টেলিভিশনের জন্য নিয়মিত

মুখোশের ভন্ডামী


চলার পথে কিছু কিছু মানুষ দেখে কষ্ট লাগে।,আবার অবাক ও হই।মনে মনে হাসিও পায়।
বুঝতে পারি না আমদের চোখে দেখা কোনটা ভুল,কোনটা সত্য।
প্রতারনার এই পৃথিবীতে সত্য-মিথ্যা যাচা্ই করতে অদ্ভুত লাগে।
কনফিউজ হয়ে যাই কোনটা সত্য,কোনটা প্রতারনা।
জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে মিথ্যের সম্মুখিন হয়ে থাকি।ধীরে ধীরে সত্যটা সমাজ থেকে বিলিন হয়ে যায়।
আমরা কেউই বলতে পারবো না আমরা প্রতারনার স্বীকার হচ্ছি না।
যদি আমরা মনে করি মিথ্যা আমােক কোন প্রকার গ্রাস করে নাই,,তবে সেটা হবে আমার জন্য চরম মিথ্যা,।

কেঁটে ফেলুন পুরুষত্ব,কলঙ্ক মুক্ত হউক পুরুষ


দৈনিক খবরের কাগজ খুললেই গোটা গোটা অক্ষরে চোখের সামনে ভেসে আসে পরিচিত একটা শিরোনাম। শিশু ধর্ষণ। পাঁচ, সাত, দশ, বারো,পনের বছরের শিশু ধর্ষণ। বিস্তারিত চোখ বুলাতে গেলে পুরুষত্ব নামক অন্ডকোষধারী আমরা পুরুষ জাতিকে ঘৃণা করতে ইচ্ছে করে। প্রতিটা ধর্ষণ প্রতিবেদনে দেখা যায় চল্লিশ,পঞ্চাশ বয়ষ্ক পুরুষের লালসার স্বীকার এইসব শিশু। যে শিশুটি জানে না নারী-পুরুষের ভেদাভেদ। শিশুটি জানে না সেক্স কি জিনিস। শিশুটি জানে না পুরুষের স্পর্শে নারীর কি অনুভুতি। অথচ সেই শিশুটি হয় পুরুষের অন্ডকোষের জ্বালাময়ী লালসার স্বীকার। আমার প্রশ্ন সেই সব অন্ডকোষী ধারী পুরুষদের কাছে। যারা এই সব নরপিচাশের মত আচরণ করছে এক একটা সদ্য

অন্য চোখ (উপন্যাস:পর্ব-ছয়)


নয়টা বাজে।সকালে নাস্তা না করে অবন্তি বের হলো।১০টায় অফিস শুরু।অবন্তি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে।
অবন্তি টিকিট কাউন্টারে দাড়িয়ে আছে।বিশাল লম্বা সিরিয়াল।ঢাকার শহরে প্রতিদিন অফিস টাইমে লোকাল বাসের অপেক্ষায় মানুষ লম্বা লাইনের পর লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে।ঘন্টার পর ঘন্টা সবাই দাড়িয়ে থেকে কর্মক্ষেত্রে যায়।তারপরে তো জ্যাম আছেই।

অন্য চোখ (উপন্যাস-পর্ব-পাঁচ)


ভোর সাড়ে ছয়টা বাজে।সবাই জেগে ওঠার আগে বাসায় পৌছায়। দুজন বসে আছে।কেউ কোন কথা বলছে না। কারও মুখে কোন ভাষা নেই।মনে হচ্ছে সব ভাষা ওরা হারিয়ে ফেলছে। অবন্তি নিরবে বিছানায় শুয়ে পড়ল।অবসাদে নেমে এলো নিদ্রা। হয়ত জেগে আছে নয়ত ঘুমিয়ে গেছে তা অবন্তি অবধি কারও পক্ষে জানা সম্ভব নয়।আনিস জানাল খুললো।দখিনের হাওয়া জানালায় উকি দিয়েছে।অদ্ভুত পৃথিবীর নিয়মে আনি খুব বিরক্ত। কোন অপরাধ না করেও আজ অবন্তির কাছে আনিস বড় অপরাধী।

অন্য চোখ (উপন্যাস-পর্ব-চার).


.রাত প্রায় ১.৩০।আনিস ও অবন্তি দুজনই বাসায় ফিরলো।বাড়িওয়ালা মজনু খানের ওখানে ভরপেট খেয়েছে।খাওয়ার চেয়েও আড্ডা ছিলো বেশ।আনিস তো আসতেই চেয়েছিল না গল্পের আসর ছেড়ে।অবন্তি জোর করে নিয়ে এসেছে।মজনু খান ও তার স্ত্রী দুজনই গল্প পাগল।আনিসও তেমন।অবন্তির কারনে আসর ভেঙ্গে চলে আসে ওরা দুজন।

অন্য চোখ (উপন্যাস-পর্ব-তিন)


সূর্য্য পশ্চিমা আকাশে ডুবে গেছে। আজকের মত দিনের আলোর ক্ষমতা শেষ। পরিশ্রোমী সূর্য্য সাধারনত রাতে বিশ্রোমে যায়।পৃথিবীর বুকে নেমে আসে রাত।রাতের নির্জনতার সঙ্গী কখনো পূর্ণিমার চাঁদ।আবার অমাবঁশ্যার ঘুটঘুটে আন্ধকার।এভাবেই প্রতিনিয়ত পৃথিবীর বুকে দিন শেষে রাত ধেয়ে আসে।

অন্য চোখ (পর্ব-২)


"সবই কপালের খেলা।কপালের লেখা অখন্ডনীয়। যাক বাবা তোমরা রাতে আমাদের সাথে খাবে।তোমার চাচি পোলাউ রান্না করবে সাথে চিংড়ী ভাজি।তোমার চাচি যা রান্না করে না।এক কথায় অসাধারন।পঁয়ত্রিশ বছর আগে তোমার চাচির রান্না খেয়েই ফেঁসে গেছি।আজ অবধি ঝুলে আছি।"

অন্য চোখ


সহসা অবন্তি আনিসের মুখের দিকে তাকালো।অবন্তি হটচকিয়ে গেল। কথার মোড় অন্য দিকে ঘুড়িয়ে দিলো।অবন্তি বুঝতে পারছে আনিস তার কথায় মন খারাপ করছে।অবন্তি ডান কনুই দিয়ে আনিসকে খোঁচা দিয়ে বললো। এই পাগল মন খারাপ করে দিছি?আমার পাগলটার মন খারাপ থাকলে আমার ভালো লাগে না।তোমার মত পাগল কাঁধে নিয়ে বয়ে বেড়াতে খুবই ইনজয়ব্যাল মনে করি।তুমি ছাড়া এত বড় সাহস কারও নেই আমার ঘাড় মটকাবে।লক্ষী বাবু মুখ গোমড়া করে থাকে না।একটু হাসো।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজিব আহমেদ
রাজিব আহমেদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 2 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 30, 2017 - 1:55পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর