নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 16 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আল আমিন হোসেন মৃধা
  • পৃথু স্যন্যাল
  • বিজয়
  • রাজিব আহমেদ
  • নীল কষ্ট
  • জেন রসি
  • নুর নবী দুলাল
  • সার্জিন শরীফ
  • মূর্খ চাষা
  • তায়্যিব

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

ফারজানা সুমনা এর ব্লগ

সুখি সমকামি যুগল নাকি অসুখি বিষমকামী দম্পতি?


বছর পনের আগের কথা। আমাদের মহল্লার এক ছটফটে তরুনীর বিয়ে হল খুব ঘটা করে। মেয়ে দেখার দিনে ছেলে অনুপস্থিত কিন্তু ছেলেপক্ষ ডায়মন্ডের আংটি নিয়ে এসেছিল সাথে করে, মেয়ের আঙুলের মাপ না জেনেই। ঢ্যাঙা গোছের শ্যামলা মেয়ের হাতের চা খেয়ে দামী গাড়িতে চড়ে আসা ছেলের মা, মিসেস চৌধুরি এতই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে নিজের হাতের বেশ চওড়া বালাগুলো তৎক্ষনাৎ খুলে মেয়েটির হাতে পরিয়ে দিতেও এক মুহূর্ত দেরি করেননি। শুকনো দুহাতে ঢলঢলে বালাদুটো পরে মেয়েটা যখন বিকেলে পাড়ার আর সব মহিলা আর সমবয়সী মেয়েদের সাথে আড্ডা দিতে আসত, আমার কেন যেন হাতে বেড়ি পরা জেলখানার কয়েদী মনে হত ওকে। টানাপোড়েনের সংসারে বেড়ে ওঠা মেয়ে

বিশ্বাসী কে? আর অবিশ্বাসীই বা কে?


যদি স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করা হয় তাহলে মূলত তাকে বিশ্বাসী বলা হয়। আর যে করে না, সে অবিশ্বাসী। কিন্তু যে বলে যে সে স্রষ্টার অস্তিত্বে সন্দেহ পোষণ করে বা যে নিঃসন্দেহে বলে স্রষ্টার কোন অস্তিত্ব নেই, সেটাই তো তার বিশ্বাস। তাহলে তাকে কেন
অবিশ্বাসী বলা হবে? তাই সবাই বিশ্বাসী আবার সবাই কম বেশি অবিশ্বাসী ।

সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে !


আমাদের প্রচলিত একটি ভুল ধারনা হল কেবল ধষর্নই যৌন নিপীড়ন। তাহলে শিশু যৌননিপীড়ন কি? শিশু যৌন নিপীড়নের সংগা বিভিন্ন দেশের আইনে কিংবা গবেষনায় ভিন্ন রকম। খুব সহজভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি কতৃক কোন শিশুর প্রতি যে কোন শারীরিক, মৌখিক বা চাক্ষুষ যৌন আচরন হল শিশু যৌন নীপিড়ন।

ফুটন্ত গোলাপ নাকি শুধুই কাঁটা ?


১. আমাদের এক বন্ধুর গল্প বলি আজ। ধরি ওর নাম স। খুব খুব পড়ুয়া মেয়েটির জীবন বাসার চার দেওয়াল আর স্কুলের বইয়ের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। বন্ধু মহলে আমরা মজা করে বলতাম হঠাৎ কেউ যদি স-কে প্রশ্ন করে তার প্রিয় খাবার কী, সে খুব বিচলিত হয়ে পড়বে নিশ্চয়ই। কারণ স্কুলের বইয়ে নিজের প্রিয় খাবারের কথা বলা নেই যে! কোন খাবার কে প্রিয় বললে সবার চেয়ে সে উত্তর আলাদা হবে আর একটু বেশি নম্বর পাওয়া যাবে সে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যেত মেয়েটি। স্কুলের শেষ পরীক্ষা শেষে ওকে বলেছিলাম সামনে তো প্রায় মাস তিনেকের ছুটি আছে, তুই এবার গল্প -উপন্যাস পড়ে ফার্মের মুরগি থেকে একটু মানুষ হ!

শরীর, শরীর - তোমার মন নেই কুসুম?


আজ শুয়ে শুয়ে একটা লেখা পড়ছিলাম। মোটা কি সুন্দর নয়? বিষয়টা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে তর্ক চলে আসছে সেই কবে থেকেই।

আমরা যেমনটা মনে করি, কোন মেয়ে শুধুমাত্র কালো হলে অসুন্দর, মোটা হলে অসুন্দর, বেটে হলে অসুন্দর। তাহলে যে মেয়ে ফসর্া, লম্বা আর ক্ষীণাঙ্গী সেই কেবল সুন্দর? তার বিয়ে নিয়ে পরিবারের কোন চিন্তা নেই, মেয়ের একটা সদ্গতি হয়েই যাবে!

ব্যাপারটা এতটা ব্ল্যাক আ্যন্ড হোয়াইট নয় মোটেই। বরং, সাদা-কালোর মাঝে একটা গ্রে বা ধূসর লাইন থেকেই যায় সবসময়।

সব রোগের একমাত্র ঔষধ হল বিয়ে


সব রোগের একমাত্র ঔষধ হল বিয়ে। আরও ভালোভাবে বললে পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে 'বিয়ে দিয়ে ফেলা'কথাটার মধ্যে। যৈবতী কন্যার উচাটন মন বশে আনার একমাত্র উপায় চাঁদ সওদাগর এর মত হাট্টাকাট্টা পুরুষের সাথে বিয়ে। স্কুল -কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে দেখে রাস্তায় বা পাড়ার মোড়ে বখাটে ছেলেরা চটুল কোন গান গেয়ে ওঠে? সমাধান সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ফেলা।
পড়াশুনায় অমনোযোগী মেয়ে বা মেয়ের গায়ের রং টেনেটুনে শ্যামলায় ফেলা না গেলে একটাই উপায় আছে - যত দ্রুত পার মেয়ের বিয়ে দিয়ে ফেল।

ওরা তো লিভ-ইন করে!


ওরা তো লিভ-ইন করে!
কি! একথা শুনেই ঠোট টিপে হাসি আর চোখ ঘুরিয়ে ফিসফিস করে কটূ কথা বলা হয়ে গেল তো?
ভাই, থামেন। বিয়ে করে বউয়ের সাথে পঞ্চাশ বছর সংসার করার থেকে বিয়ে না করে কোন স্বাথর্ সিদ্ধির চিন্তা ছাড়া একবছর একই ছাদের তলে কারো সাথে বসবাস করা হাজার গুণ কঠিন কাজ।
বিয়ে করা মানেই হাজার লোককে ডেকে, কব্জি ডুবিয়ে খাইয়ে, রেশমী কাপড়ে আর অলংকারে মুড়ে জুবুথুবু বউকে নিজের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলা।

মাই লাইফ, মাই চয়েজ !


দীপিকা পাডুকোন এর মাই চয়েস ভিডিওটি নিয়ে বলার আসলে খুব বেশি কিছু নেই। ইতোমধ্যেই সবাই কয়েকবার করে দেখে ফেলেছে ভিডিওটি। এই ভিডিওটির উদ্যোক্তা ভোওগ ইন্ডিয়া নামের একটি ফাশন ও লাইফ স্টাইল ম্যাগাজিন।
মূল কথায় আসি। মাই চয়েস ভিডিওটির প্রতিপাদ্য হলঃ আমার শরীর, আমার মন, আমার ইচ্ছা। অথর্াৎ আমার জীবনের সিদ্ধান্ত শুধুই আমার।

ধার্মিক বনাম মানুষ


কোন পুরুষ সুন্দর উদ্যানে একা একা ঘুরে ফিরছিল। এত আরাম-আয়েশ কিছুই ভালো লাগছিল না তার। তাই আমার জন্ম হল তার মনোরজ্ঞনের জন্য। আমি রমণী- শুধুই রমণের যোগ্য। যদি বলি আমার স্রষ্টা এত কঠোর হতে পারে না, তিনি নিরাকার হয়ে পুরুষের পক্ষপাত মোটেই করতে পারেন না। আমার জন্মকে এত ঠুনকো আর ছেলেখেলার যোগ্য হতে আমি দেবো না।

বোর্ডিং কার্ড

ফারজানা সুমনা
ফারজানা সুমনা এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 29 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 21, 2017 - 7:39অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর