নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ফারজানা সুমনা এর ব্লগ

ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?


ইসলাম ধর্ম কী সমকামিতাকে অনুমোদন করে?

প্রচলিত উত্তর – “না, করে না”।

কিন্তু বর্তমান সময়ের বেশ কিছু রিসার্চারেরা তথ্য আর যুক্তির মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে সমকামিতার জন্য ইসলামে যে ধরণের শাস্তির কথা আমরা শুনে থাকি, তার কোন ভিত্তি কুরআন বা সুন্নাহতে পাওয়া যায় না। ।
“Progressive Muslims: On Justice, Gender, and Pluralism” গ্রন্থে যুক্তরাষ্ট্রের এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Scott Kugle দেখিয়েছেন যে জেন্ডার ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যের ব্যাপারে ইসলাম অনেক উদার। Kugle তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, ইসলাম সমকামী মানুষদের পরিত্যাগ করে না। বরং ইসলামে তাদের জায়গা আছে।

তোমার আমার মিল-অমিল-গড়মিল


মানুষ সামাজিক জীব, অথচ তার আচরন মূলত অসামাজিক- আমার এক বন্ধুর এই বাণী আমাদের আজকের জীবন ব্যবস্থাকে খুব নিখাদভাবে বর্ননা করে। আমরা অন্য সবার সাথে পাশাপাশি বসবাস করি বটে, তবে সে সহাবস্থান আমাদেরকে কাছাকাছি আনতে পারে না তেমন। বড় শহরের পাশের বাড়ি তো দূরের কথা, পাশের ফ্ল্যাটে কে বা কারা থাকে তাই জানা হয়ে ওঠে না আমাদের। এই যান্ত্রিক জীবনে যন্ত্র হয়ে উঠতে পারার স্বান্তনা কিংবা যন্ত্র-মানব না হতে পারার যন্ত্রনা - এ দুয়ের সম্মিলনই শহুরে কেতাদুরস্ত দৈনন্দিন যাপিত জীবনের সংগা।

সংযম


সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আজ থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। আমাদের দেশে রোজার শুরু আগামীকাল থেকে। রোজা বা রমজান হল আরবী নবম মাস, যে মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে বলে মুসলমানেরা বিশ্বাস করে। পুরো এক মাস জুড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা।

সুখি সমকামি যুগল নাকি অসুখি বিষমকামী দম্পতি?


বছর পনের আগের কথা। আমাদের মহল্লার এক ছটফটে তরুনীর বিয়ে হল খুব ঘটা করে। মেয়ে দেখার দিনে ছেলে অনুপস্থিত কিন্তু ছেলেপক্ষ ডায়মন্ডের আংটি নিয়ে এসেছিল সাথে করে, মেয়ের আঙুলের মাপ না জেনেই। ঢ্যাঙা গোছের শ্যামলা মেয়ের হাতের চা খেয়ে দামী গাড়িতে চড়ে আসা ছেলের মা, মিসেস চৌধুরি এতই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে নিজের হাতের বেশ চওড়া বালাগুলো তৎক্ষনাৎ খুলে মেয়েটির হাতে পরিয়ে দিতেও এক মুহূর্ত দেরি করেননি। শুকনো দুহাতে ঢলঢলে বালাদুটো পরে মেয়েটা যখন বিকেলে পাড়ার আর সব মহিলা আর সমবয়সী মেয়েদের সাথে আড্ডা দিতে আসত, আমার কেন যেন হাতে বেড়ি পরা জেলখানার কয়েদী মনে হত ওকে। টানাপোড়েনের সংসারে বেড়ে ওঠা মেয়ে

বিশ্বাসী কে? আর অবিশ্বাসীই বা কে?


যদি স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করা হয় তাহলে মূলত তাকে বিশ্বাসী বলা হয়। আর যে করে না, সে অবিশ্বাসী। কিন্তু যে বলে যে সে স্রষ্টার অস্তিত্বে সন্দেহ পোষণ করে বা যে নিঃসন্দেহে বলে স্রষ্টার কোন অস্তিত্ব নেই, সেটাই তো তার বিশ্বাস। তাহলে তাকে কেন
অবিশ্বাসী বলা হবে? তাই সবাই বিশ্বাসী আবার সবাই কম বেশি অবিশ্বাসী ।

সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে !


আমাদের প্রচলিত একটি ভুল ধারনা হল কেবল ধষর্নই যৌন নিপীড়ন। তাহলে শিশু যৌননিপীড়ন কি? শিশু যৌন নিপীড়নের সংগা বিভিন্ন দেশের আইনে কিংবা গবেষনায় ভিন্ন রকম। খুব সহজভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি কতৃক কোন শিশুর প্রতি যে কোন শারীরিক, মৌখিক বা চাক্ষুষ যৌন আচরন হল শিশু যৌন নীপিড়ন।

ফুটন্ত গোলাপ নাকি শুধুই কাঁটা ?


১. আমাদের এক বন্ধুর গল্প বলি আজ। ধরি ওর নাম স। খুব খুব পড়ুয়া মেয়েটির জীবন বাসার চার দেওয়াল আর স্কুলের বইয়ের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। বন্ধু মহলে আমরা মজা করে বলতাম হঠাৎ কেউ যদি স-কে প্রশ্ন করে তার প্রিয় খাবার কী, সে খুব বিচলিত হয়ে পড়বে নিশ্চয়ই। কারণ স্কুলের বইয়ে নিজের প্রিয় খাবারের কথা বলা নেই যে! কোন খাবার কে প্রিয় বললে সবার চেয়ে সে উত্তর আলাদা হবে আর একটু বেশি নম্বর পাওয়া যাবে সে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যেত মেয়েটি। স্কুলের শেষ পরীক্ষা শেষে ওকে বলেছিলাম সামনে তো প্রায় মাস তিনেকের ছুটি আছে, তুই এবার গল্প -উপন্যাস পড়ে ফার্মের মুরগি থেকে একটু মানুষ হ!

শরীর, শরীর - তোমার মন নেই কুসুম?


আজ শুয়ে শুয়ে একটা লেখা পড়ছিলাম। মোটা কি সুন্দর নয়? বিষয়টা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে তর্ক চলে আসছে সেই কবে থেকেই।

আমরা যেমনটা মনে করি, কোন মেয়ে শুধুমাত্র কালো হলে অসুন্দর, মোটা হলে অসুন্দর, বেটে হলে অসুন্দর। তাহলে যে মেয়ে ফসর্া, লম্বা আর ক্ষীণাঙ্গী সেই কেবল সুন্দর? তার বিয়ে নিয়ে পরিবারের কোন চিন্তা নেই, মেয়ের একটা সদ্গতি হয়েই যাবে!

ব্যাপারটা এতটা ব্ল্যাক আ্যন্ড হোয়াইট নয় মোটেই। বরং, সাদা-কালোর মাঝে একটা গ্রে বা ধূসর লাইন থেকেই যায় সবসময়।

সব রোগের একমাত্র ঔষধ হল বিয়ে


সব রোগের একমাত্র ঔষধ হল বিয়ে। আরও ভালোভাবে বললে পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে 'বিয়ে দিয়ে ফেলা'কথাটার মধ্যে। যৈবতী কন্যার উচাটন মন বশে আনার একমাত্র উপায় চাঁদ সওদাগর এর মত হাট্টাকাট্টা পুরুষের সাথে বিয়ে। স্কুল -কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে দেখে রাস্তায় বা পাড়ার মোড়ে বখাটে ছেলেরা চটুল কোন গান গেয়ে ওঠে? সমাধান সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ফেলা।
পড়াশুনায় অমনোযোগী মেয়ে বা মেয়ের গায়ের রং টেনেটুনে শ্যামলায় ফেলা না গেলে একটাই উপায় আছে - যত দ্রুত পার মেয়ের বিয়ে দিয়ে ফেল।

ওরা তো লিভ-ইন করে!


ওরা তো লিভ-ইন করে!
কি! একথা শুনেই ঠোট টিপে হাসি আর চোখ ঘুরিয়ে ফিসফিস করে কটূ কথা বলা হয়ে গেল তো?
ভাই, থামেন। বিয়ে করে বউয়ের সাথে পঞ্চাশ বছর সংসার করার থেকে বিয়ে না করে কোন স্বাথর্ সিদ্ধির চিন্তা ছাড়া একবছর একই ছাদের তলে কারো সাথে বসবাস করা হাজার গুণ কঠিন কাজ।
বিয়ে করা মানেই হাজার লোককে ডেকে, কব্জি ডুবিয়ে খাইয়ে, রেশমী কাপড়ে আর অলংকারে মুড়ে জুবুথুবু বউকে নিজের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলা।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ফারজানা সুমনা
ফারজানা সুমনা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 21, 2017 - 7:39অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর