নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ লীনা
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

সাদিক আল আমিন এর ব্লগ

এখনো সময় খেলে যায়


নিরবধি জেগে জোছনা এখনও, মনভোলানো রাতে
তার শাদারঙা মুখের ওপর ফুটে আছে সতরঞ্চির চাল
গেরুয়া প্রজাপতি অবচেতনে খুঁটে খেয়ে মগজ
ঢেঁকুর তোলে কৃতজ্ঞ বাসনায়; তার হারিয়ে যাওয়া,
হলদে পাঞ্জাবির কলারে লেখে গল্প; হ্যাঙ্কারে ঝোলে সুখ
আড়ালে বসে চড়কা কাটে রসিক রহস্যের মানুষ
আমি খুঁজি তাকে অনন্ত, বলি দেখা পেলে আড়ালে
"মিসির আলি, আপনি কোথায়?" আমিও অপ্রকৃতস্থ'
তিনি অন্য ভূ-লোকে বসে হাসেন মৃদু, কখনো বলেন,
'শোনো কবি, রহস্যের সাথে আবেগ মেশানো দুষ্কর'
আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে খুঁজি সন্ধানী প্রেম
তিনি জন্ম নিলেই আমি কবিতা লিখি, উৎসর্গী তাকে

আত্মকথন


আমি মূলত কোথাও নেই; না প্রেমে, না ফ্রেমে
এই সর্বোত্তম উত্তমপুরুষ আমি কখনো হাসি
ভাঙা পেষণ দাঁতের নিচে ঝোলে আমার ঠোঁট
সে, ইদানিং কালোর চেয়ে বেশি কালো হতে চায়

আদতে আমি অলস, নিমগ্ন বসে শালিক দেখি;
আঁকি আমার পেইন্টিং, কোলাজ রঙ সব শূণ্যে ভাসে
ওদের জড় করতে তৎপর হই; গোধূলি হলে প্রাক্তন-
বিরহের প্রিজমে মোহ ফেলে পেয়ে যাই প্রেম

আমি মূলত কোথাও নেই; না ভবে, না শবে
এই গতিধারা মেনে নিয়ে জানালায় এসে বসি, হাসি
দেখি প্রেমিকের ফিরে যাওয়া; আশ্চর্য দিনবদল
আমার আমি বন্দি হই কাঁচফ্রেমে, আমিত্বের ছল

কবিতা


দশমাস দশদিন পর একটা কবিতা প্রসব করবো
আজ তোমার দেওয়া অসংখ্য বর্ণমালা
আমার ভেতরে ঢুকে পড়লো, ক্ষণিকের কম্পনে
কোনটা শেষমেষ টিকতে পারবে—
তুমি কি জানো অনিকেত? কার বেশি ক্ষমতা!
তিনমাস পরেই দৌড়োদৌড়ি, ইসিজি, আল্ট্রাস্নোগ্রাফি
ডাক্তার-ক্লিনিক, ধীরে পায়চারি
আড়ালে থেকে শূণ্য জঠরে বড় হচ্ছে কবিতা

অথচ আমার কাব্য-প্রসব-বেদনা উঠলো যেদিন,
জানো অনিকেত! তুমি সেদিন কবিতার বাবা থেকে
গল্পের জনক হয়ে গেলে; আমি জেনে গেলাম সবি

তারপর থেকে আমার আর দশমাস দশদিনের
গল্প বলার কাহিনী ফুরোয় না

ওদের জন্য দু'টুকরো বেদনা


'যেভাবেই হোক মুক্তি চাই, আমরা রোহিঙ্গা'
পুনর্বাসনের হাহাকার শুনে শুনে পঁচছে কান
অথচ মানবিকতার স্থানটি খোলা করোটির মতো
পড়ে আছে এখনও—

কাঁটাতারে ঝোলা ছিলো আমাদের বোন, ফেলানী
আর বালুচরে চাপা পড়া আইনাল, ছোট্ট শিশুটি
চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমাদের
অকর্মণ্যতা, অনুভূতিহীন পাশবিককর্ম—

বোধের উদয় হলে রাজনীতি, কূটনীতি কদাচিৎ
নাফ নদী কি ভরে যাবে হাড়ে আর মাংসে?
যতদূর দেখি শুধু লাশের স্রোতোবহা, যেন এসব
আমাদেরি নির্লিপ্ততার ফসল—

সম্পর্ক


'কিসের বাতিক আছে ছেলেটার?
আলট্রামর্ডান নাকি পুরোপুরি গেঁয়ো টাইপ
আবেগ বোঝেনা, নির্ভার কবি হলো কিভাবে?
যত্নে কি রাখতে পেরেছে একমাত্র বকুলচাঁপা?'

'এ্যাডজাস্টমেন্ট বোঝেনা বোলেই হয়তো
প্রাত্যহিক সম্পন্ন লাগাতার কলহ ওদের
বউটাও ভীষণ রাগী, ভালোবাসা-আদর এসব চায়
পুরনো কথা তুলতেই আগুনের স্পার্ক যেন'

'যাই হোক, অতীত তো সবারি আছে, নয়?
ভুলে গেলেই তো পারে যতকিছু নিরাবেগসারশূন্যতা
এভাবে আর উল্টোপিঠি হয়ে ঘুমোনো কতদিন?
ঘূণেপোকাদের দলে নাম লেখানো হলো বুঝি'

আপনার সন্তান কিভাবে বেড়ে উঠছে


একটা শিশুর বেড়ে ওঠা যেমন নিতান্তই যাচ্ছেতাই ব্যাপার নয়, তেমনি পিতামাতার এক্ষেত্রে হাত গুটিয়ে বসে থেকে তার সন্তানকে প্রকৃতিগতভাবে বেড়ে উঠতে দেওয়াটাও কোনো সহজ ব্যাপার নয়। শিশুর মানসিক এবং শারীরিকভাবে বেড়ে ওঠার পেছনে যতোটা না পারিপাশ্বিক পরিবেশ ভূমিকা রাখে, তার চেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে পরিবার। বিশেষ করে পিতা-মাতার কাঁধে শিশু লালনপালন করার গুরুদায়িত্বটা এসে পড়ে। আপনার সন্তান কিরকমভাবে বেড়ে উঠছে, তার মানসিক চিন্তাচেতনা কোন দিক দিয়ে বিকশিত হচ্ছে, তার মৌলিক চাহিদাগুলো কি কি আর কোন কোন কাজে সে উৎসাহবোধ করে এসব সম্পর্কে আপনাকে বাধ্যগতভাবে অবগত হতে হবে। একজন আদর্শ অভিভাবকের কাজ মাত্রই তার সন্তানের মন বো

ঝরা রক্তচূড়া চোখে ঘোরগ্রস্ত নেশা


তেষ্টার বাধ্যবাধকতা মেনে নিইনি কখনো,
মনে করেছি এইই যা--
চলছে চলুক বর্তমানপ্রিয় আমাদের দিনগুলো
'ঘোরগ্রস্ত মাতাল রাত আফিমে ডোবে হিসেব করে'
যদি হয় এটাই সত্য, যাক তবে নিচ্ছি ধরে--
কতোটুকু ঝরলে বলো রক্তচূড়া কৃষ্ণরুপে গড়াবেনা?
ব্যবহার্য কালোছায়া নষ্টীর শোকপাত্র সেজে
তিমিরান্তিক মধ্যসকালে
যদি ছেড়া ব্যাডশিট সাক্ষীস্বরুপ এনে বলে
'কারো প্ররোচনায় পরে ভুল করলেও তো সেটা ভুল'
তখন দাঁড়াবো কিভাবে হেন উত্তরবর্জিত প্রদোষে!
এতোটুকু হলেও বুঝি

অরুপার বিয়ে


ডাইনিং রুমের দরজা থেকে ড্রইং রুমের ভেতর উঁকি দিলো অরুপা। বর মহাশয় বিস্কুট মুখে দিয়ে চিবোতে চিবোতে বাবার সাথে মুচকি হেসে কথা বলছে। কোনো পাত্রপক্ষ পাত্রী দেখতে এলে অন্তত নূনতম লজ্জাটা চেহারায় বজায় রাখে। এই ব্যাটার তো দেখি তাও নেই। দিব্যি ভবিতব্য শ্বশুরের সাথে হাসিমুখে কথা বলে যাচ্ছে। বিয়ে করতে এসেছে নাকি ঘটকালি করতে এসেছে!

রক ক্রিকেটার রকি মামা


রকি মামার সাথে আমাদের খুব কম দিনের পরিচয়। মাত্র কয়েকদিন হলো এ পাড়ায় এসেছে। এই অল্প কদিনে পাড়ার সবার নজর কেড়েছে মামা। তাকে এখন সবাই ক্রিকেটমামা নামে চেনে। যদি আপনি কখনো আমাদের মোল্লাপাড়ার খোঁজে আসেন আর পথ খুঁজে না পান, তাহলে রকি মামার কথা বললেই মানুষজন রাস্তা চিনিয়ে দেবে। এমনই জনগণখ্যাত তিনি। অবশ্য তাকে দেখে এতো পটু ক্রিকেটার মনে হয়না। রোগা শরীরে কদমছাট ছোট ছোট চুল আর ঠোঁটের উপর দিয়ে চলে যাওয়া চিকন গোঁফ দেখে আমারও প্রথম প্রথম তাকে ক্রিকেটার ভাবতে অসুবিধে হয়েছিল। রকি মামা যে একজন রক ক্রিকেটার সেটা আমি আর মিঠু যখন শুক্রবারের ফাইনাল ম্যাচের প্রতিযোগিতায় স্কুল মাঠে খেলা দেখতে যাই তখন বুঝলাম। আমা

সখ্যতার সঙ্গিনী


এখানে মরুভূমির মতো গলা শুকোনো রোদ, ভরদুপুরে সবুজ রঙ থেকে হালকা টিয়েতে রুপান্তর হয় যুবক বয়সী পাতাগুলো। ফাঁকা চারপাশ সারি সারি বিন্যস্ত বাড়িগুলোতে কিছুটা পূর্ণ। এক মাইলের মতো ভেতরে ঢুকলে তখন দেখা যায় আবাদি জমির বিস্ফোরণ। মস্ত এলাকা জুড়ে খাঁ খাঁ মাঠসমুদ্র। বৈশাখের শুরুতে এখন গাছপাকা ফল, জমিতে প্রাপ্তবয়স্ক হতে শুরু করা হলুদ-সবুজাভ ধান, গ্রামের বুক ছুঁয়ে চলে যাওয়া শান্ত শীতল নদী। সবকিছুর সাহচর্যে এসেছিলো লাবণ্য। অনেকটা নিজের ইচ্ছায়, কিছুটা নিতুর প্রলোভনে পরে; তার মুখে মামার বাড়ির গ্রামের বর্ণনা শুনে। আজ মধ্যসকালে পল্লবপুরে এসে পৌঁছেছে দুজন। নিতুর থেকে শোনা তার মামাবাড়ি সম্বন্ধীয় বর্ণনা নিরপেক্ষই

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সাদিক আল আমিন
সাদিক আল আমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 17 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, মার্চ 28, 2017 - 6:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর