নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

সাদিক আল আমিন এর ব্লগ

ওদের জন্য দু'টুকরো বেদনা


'যেভাবেই হোক মুক্তি চাই, আমরা রোহিঙ্গা'
পুনর্বাসনের হাহাকার শুনে শুনে পঁচছে কান
অথচ মানবিকতার স্থানটি খোলা করোটির মতো
পড়ে আছে এখনও—

কাঁটাতারে ঝোলা ছিলো আমাদের বোন, ফেলানী
আর বালুচরে চাপা পড়া আইনাল, ছোট্ট শিশুটি
চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমাদের
অকর্মণ্যতা, অনুভূতিহীন পাশবিককর্ম—

বোধের উদয় হলে রাজনীতি, কূটনীতি কদাচিৎ
নাফ নদী কি ভরে যাবে হাড়ে আর মাংসে?
যতদূর দেখি শুধু লাশের স্রোতোবহা, যেন এসব
আমাদেরি নির্লিপ্ততার ফসল—

সম্পর্ক


'কিসের বাতিক আছে ছেলেটার?
আলট্রামর্ডান নাকি পুরোপুরি গেঁয়ো টাইপ
আবেগ বোঝেনা, নির্ভার কবি হলো কিভাবে?
যত্নে কি রাখতে পেরেছে একমাত্র বকুলচাঁপা?'

'এ্যাডজাস্টমেন্ট বোঝেনা বোলেই হয়তো
প্রাত্যহিক সম্পন্ন লাগাতার কলহ ওদের
বউটাও ভীষণ রাগী, ভালোবাসা-আদর এসব চায়
পুরনো কথা তুলতেই আগুনের স্পার্ক যেন'

'যাই হোক, অতীত তো সবারি আছে, নয়?
ভুলে গেলেই তো পারে যতকিছু নিরাবেগসারশূন্যতা
এভাবে আর উল্টোপিঠি হয়ে ঘুমোনো কতদিন?
ঘূণেপোকাদের দলে নাম লেখানো হলো বুঝি'

আপনার সন্তান কিভাবে বেড়ে উঠছে


একটা শিশুর বেড়ে ওঠা যেমন নিতান্তই যাচ্ছেতাই ব্যাপার নয়, তেমনি পিতামাতার এক্ষেত্রে হাত গুটিয়ে বসে থেকে তার সন্তানকে প্রকৃতিগতভাবে বেড়ে উঠতে দেওয়াটাও কোনো সহজ ব্যাপার নয়। শিশুর মানসিক এবং শারীরিকভাবে বেড়ে ওঠার পেছনে যতোটা না পারিপাশ্বিক পরিবেশ ভূমিকা রাখে, তার চেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে পরিবার। বিশেষ করে পিতা-মাতার কাঁধে শিশু লালনপালন করার গুরুদায়িত্বটা এসে পড়ে। আপনার সন্তান কিরকমভাবে বেড়ে উঠছে, তার মানসিক চিন্তাচেতনা কোন দিক দিয়ে বিকশিত হচ্ছে, তার মৌলিক চাহিদাগুলো কি কি আর কোন কোন কাজে সে উৎসাহবোধ করে এসব সম্পর্কে আপনাকে বাধ্যগতভাবে অবগত হতে হবে। একজন আদর্শ অভিভাবকের কাজ মাত্রই তার সন্তানের মন বো

ঝরা রক্তচূড়া চোখে ঘোরগ্রস্ত নেশা


তেষ্টার বাধ্যবাধকতা মেনে নিইনি কখনো,
মনে করেছি এইই যা--
চলছে চলুক বর্তমানপ্রিয় আমাদের দিনগুলো
'ঘোরগ্রস্ত মাতাল রাত আফিমে ডোবে হিসেব করে'
যদি হয় এটাই সত্য, যাক তবে নিচ্ছি ধরে--
কতোটুকু ঝরলে বলো রক্তচূড়া কৃষ্ণরুপে গড়াবেনা?
ব্যবহার্য কালোছায়া নষ্টীর শোকপাত্র সেজে
তিমিরান্তিক মধ্যসকালে
যদি ছেড়া ব্যাডশিট সাক্ষীস্বরুপ এনে বলে
'কারো প্ররোচনায় পরে ভুল করলেও তো সেটা ভুল'
তখন দাঁড়াবো কিভাবে হেন উত্তরবর্জিত প্রদোষে!
এতোটুকু হলেও বুঝি

অরুপার বিয়ে


ডাইনিং রুমের দরজা থেকে ড্রইং রুমের ভেতর উঁকি দিলো অরুপা। বর মহাশয় বিস্কুট মুখে দিয়ে চিবোতে চিবোতে বাবার সাথে মুচকি হেসে কথা বলছে। কোনো পাত্রপক্ষ পাত্রী দেখতে এলে অন্তত নূনতম লজ্জাটা চেহারায় বজায় রাখে। এই ব্যাটার তো দেখি তাও নেই। দিব্যি ভবিতব্য শ্বশুরের সাথে হাসিমুখে কথা বলে যাচ্ছে। বিয়ে করতে এসেছে নাকি ঘটকালি করতে এসেছে!

রক ক্রিকেটার রকি মামা


রকি মামার সাথে আমাদের খুব কম দিনের পরিচয়। মাত্র কয়েকদিন হলো এ পাড়ায় এসেছে। এই অল্প কদিনে পাড়ার সবার নজর কেড়েছে মামা। তাকে এখন সবাই ক্রিকেটমামা নামে চেনে। যদি আপনি কখনো আমাদের মোল্লাপাড়ার খোঁজে আসেন আর পথ খুঁজে না পান, তাহলে রকি মামার কথা বললেই মানুষজন রাস্তা চিনিয়ে দেবে। এমনই জনগণখ্যাত তিনি। অবশ্য তাকে দেখে এতো পটু ক্রিকেটার মনে হয়না। রোগা শরীরে কদমছাট ছোট ছোট চুল আর ঠোঁটের উপর দিয়ে চলে যাওয়া চিকন গোঁফ দেখে আমারও প্রথম প্রথম তাকে ক্রিকেটার ভাবতে অসুবিধে হয়েছিল। রকি মামা যে একজন রক ক্রিকেটার সেটা আমি আর মিঠু যখন শুক্রবারের ফাইনাল ম্যাচের প্রতিযোগিতায় স্কুল মাঠে খেলা দেখতে যাই তখন বুঝলাম। আমা

সখ্যতার সঙ্গিনী


এখানে মরুভূমির মতো গলা শুকোনো রোদ, ভরদুপুরে সবুজ রঙ থেকে হালকা টিয়েতে রুপান্তর হয় যুবক বয়সী পাতাগুলো। ফাঁকা চারপাশ সারি সারি বিন্যস্ত বাড়িগুলোতে কিছুটা পূর্ণ। এক মাইলের মতো ভেতরে ঢুকলে তখন দেখা যায় আবাদি জমির বিস্ফোরণ। মস্ত এলাকা জুড়ে খাঁ খাঁ মাঠসমুদ্র। বৈশাখের শুরুতে এখন গাছপাকা ফল, জমিতে প্রাপ্তবয়স্ক হতে শুরু করা হলুদ-সবুজাভ ধান, গ্রামের বুক ছুঁয়ে চলে যাওয়া শান্ত শীতল নদী। সবকিছুর সাহচর্যে এসেছিলো লাবণ্য। অনেকটা নিজের ইচ্ছায়, কিছুটা নিতুর প্রলোভনে পরে; তার মুখে মামার বাড়ির গ্রামের বর্ণনা শুনে। আজ মধ্যসকালে পল্লবপুরে এসে পৌঁছেছে দুজন। নিতুর থেকে শোনা তার মামাবাড়ি সম্বন্ধীয় বর্ণনা নিরপেক্ষই

আমরা কি সঠিকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছি?


কিছু খবর শুনে নিজেই ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে যাই। হতাশ হই ভবিষ্যৎকে নিয়ে। আশঙ্কায় থাকি অবমূল্যায়নের। সম্প্রতি প্রাপ্ত সংবাদে প্রচারিত বিষয় হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হল থেকে উদ্ধারকৃত ইসলামের ইতিহাসের একশটি উত্তরপত্র। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সে একশজন পরীক্ষার্থীর কি ভাগ্য খারাপ ছিলো?

শিক্ষায় কতদূর এগোল সুবিধাবঞ্চিতরা


বিপুল সম্ভাবনার দেশ হওয়া সত্ত্বেও দৃষ্টিসীমার বাইরে কিছু দুর্বলতা থেকে যায়। সেদিকে চোখ পড়েও চোখ পড়েনা আমাদের। আমাদের নেই কোনো উদ্যোগ কিংবা উৎকণ্ঠা। যার কারণে চোখের সামনেই ধ্বসে পড়তে দেখি আগামীর জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত উঁচু মিনার। সুবিধাবঞ্চিতরা এভাবেই চিরতরে অবহেলিত হয়ে আসছে। পথশিশুদের কথাই ধরা যাক। এদের কিছু ভাগ রয়েছে-- টোকাই, শিশুশ্রমিকসহ জীবন চালনার তাগিদে আরো বিভিন্ন অমূলক কাজে নিয়োজিত শিশু-কিশোররা সবাই যথোপযুক্ত প্রতিপালন, বেড়ে ওঠা এবং সুযোগ-সুবিধা থেকে প্রত্যাখিত। শিক্ষার ক্ষেত্রেও পায়না কারো সাহায্য অথবা অনুপ্রেরণা। যেখানে পেট চালানোটাই মৌলিক হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে শিক্ষার মতো যৌগিক বিষয়ের ক

অ-কবিতাবলি


১.
গোলাপের গর্ভমুন্ডে একরত্তি গভীর প্রেমালাম ঢেলে দিলো মাঝরাতে জনপ্রিয় জোছনা। এবং কল্লোলিতা তটিনীর সার্বভৌম রুপ-লোনাজল পানে চোখ বাড়ালো অবজ্ঞার পরাগরেণু, পরস্পর সাহচার্য ভুলে গিয়ে।
(সতেজ নিষিক্তকরণের একশতাব্দী পূর্বকাল সময়ের আলোড়ন ঘটানো সংবাদ)

২.
সেঁটে থাকা প্রাচীরের আদিম জলনীলিকা জানে শুকনো পাতার মর্মরে শেকড়ে
পৌঁছোতে ঢের দেরী তার এখনও।
ভেজাতেই কেবল আশা পোষা যেতো আরেক ধাপ বড় হয়ে যুদ্ধাহতদের শরীরের টলতে থাকা
পায়ের চাপে টুকরো হতে;
বয়স্ক এখন নিজের ভেতর, যতোটুকু ছিলো বিদ্যমান, ততোটুকুই থেকে যেতে হবে তাকে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সাদিক আল আমিন
সাদিক আল আমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, মার্চ 28, 2017 - 6:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর