নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

সাদিক আল আমিন এর ব্লগ

ঝরা রক্তচূড়া চোখে ঘোরগ্রস্ত নেশা


তেষ্টার বাধ্যবাধকতা মেনে নিইনি কখনো,
মনে করেছি এইই যা--
চলছে চলুক বর্তমানপ্রিয় আমাদের দিনগুলো
'ঘোরগ্রস্ত মাতাল রাত আফিমে ডোবে হিসেব করে'
যদি হয় এটাই সত্য, যাক তবে নিচ্ছি ধরে--
কতোটুকু ঝরলে বলো রক্তচূড়া কৃষ্ণরুপে গড়াবেনা?
ব্যবহার্য কালোছায়া নষ্টীর শোকপাত্র সেজে
তিমিরান্তিক মধ্যসকালে
যদি ছেড়া ব্যাডশিট সাক্ষীস্বরুপ এনে বলে
'কারো প্ররোচনায় পরে ভুল করলেও তো সেটা ভুল'
তখন দাঁড়াবো কিভাবে হেন উত্তরবর্জিত প্রদোষে!
এতোটুকু হলেও বুঝি

অরুপার বিয়ে


ডাইনিং রুমের দরজা থেকে ড্রইং রুমের ভেতর উঁকি দিলো অরুপা। বর মহাশয় বিস্কুট মুখে দিয়ে চিবোতে চিবোতে বাবার সাথে মুচকি হেসে কথা বলছে। কোনো পাত্রপক্ষ পাত্রী দেখতে এলে অন্তত নূনতম লজ্জাটা চেহারায় বজায় রাখে। এই ব্যাটার তো দেখি তাও নেই। দিব্যি ভবিতব্য শ্বশুরের সাথে হাসিমুখে কথা বলে যাচ্ছে। বিয়ে করতে এসেছে নাকি ঘটকালি করতে এসেছে!

রক ক্রিকেটার রকি মামা


রকি মামার সাথে আমাদের খুব কম দিনের পরিচয়। মাত্র কয়েকদিন হলো এ পাড়ায় এসেছে। এই অল্প কদিনে পাড়ার সবার নজর কেড়েছে মামা। তাকে এখন সবাই ক্রিকেটমামা নামে চেনে। যদি আপনি কখনো আমাদের মোল্লাপাড়ার খোঁজে আসেন আর পথ খুঁজে না পান, তাহলে রকি মামার কথা বললেই মানুষজন রাস্তা চিনিয়ে দেবে। এমনই জনগণখ্যাত তিনি। অবশ্য তাকে দেখে এতো পটু ক্রিকেটার মনে হয়না। রোগা শরীরে কদমছাট ছোট ছোট চুল আর ঠোঁটের উপর দিয়ে চলে যাওয়া চিকন গোঁফ দেখে আমারও প্রথম প্রথম তাকে ক্রিকেটার ভাবতে অসুবিধে হয়েছিল। রকি মামা যে একজন রক ক্রিকেটার সেটা আমি আর মিঠু যখন শুক্রবারের ফাইনাল ম্যাচের প্রতিযোগিতায় স্কুল মাঠে খেলা দেখতে যাই তখন বুঝলাম। আমা

সখ্যতার সঙ্গিনী


এখানে মরুভূমির মতো গলা শুকোনো রোদ, ভরদুপুরে সবুজ রঙ থেকে হালকা টিয়েতে রুপান্তর হয় যুবক বয়সী পাতাগুলো। ফাঁকা চারপাশ সারি সারি বিন্যস্ত বাড়িগুলোতে কিছুটা পূর্ণ। এক মাইলের মতো ভেতরে ঢুকলে তখন দেখা যায় আবাদি জমির বিস্ফোরণ। মস্ত এলাকা জুড়ে খাঁ খাঁ মাঠসমুদ্র। বৈশাখের শুরুতে এখন গাছপাকা ফল, জমিতে প্রাপ্তবয়স্ক হতে শুরু করা হলুদ-সবুজাভ ধান, গ্রামের বুক ছুঁয়ে চলে যাওয়া শান্ত শীতল নদী। সবকিছুর সাহচর্যে এসেছিলো লাবণ্য। অনেকটা নিজের ইচ্ছায়, কিছুটা নিতুর প্রলোভনে পরে; তার মুখে মামার বাড়ির গ্রামের বর্ণনা শুনে। আজ মধ্যসকালে পল্লবপুরে এসে পৌঁছেছে দুজন। নিতুর থেকে শোনা তার মামাবাড়ি সম্বন্ধীয় বর্ণনা নিরপেক্ষই

আমরা কি সঠিকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছি?


কিছু খবর শুনে নিজেই ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে যাই। হতাশ হই ভবিষ্যৎকে নিয়ে। আশঙ্কায় থাকি অবমূল্যায়নের। সম্প্রতি প্রাপ্ত সংবাদে প্রচারিত বিষয় হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হল থেকে উদ্ধারকৃত ইসলামের ইতিহাসের একশটি উত্তরপত্র। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সে একশজন পরীক্ষার্থীর কি ভাগ্য খারাপ ছিলো?

শিক্ষায় কতদূর এগোল সুবিধাবঞ্চিতরা


বিপুল সম্ভাবনার দেশ হওয়া সত্ত্বেও দৃষ্টিসীমার বাইরে কিছু দুর্বলতা থেকে যায়। সেদিকে চোখ পড়েও চোখ পড়েনা আমাদের। আমাদের নেই কোনো উদ্যোগ কিংবা উৎকণ্ঠা। যার কারণে চোখের সামনেই ধ্বসে পড়তে দেখি আগামীর জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত উঁচু মিনার। সুবিধাবঞ্চিতরা এভাবেই চিরতরে অবহেলিত হয়ে আসছে। পথশিশুদের কথাই ধরা যাক। এদের কিছু ভাগ রয়েছে-- টোকাই, শিশুশ্রমিকসহ জীবন চালনার তাগিদে আরো বিভিন্ন অমূলক কাজে নিয়োজিত শিশু-কিশোররা সবাই যথোপযুক্ত প্রতিপালন, বেড়ে ওঠা এবং সুযোগ-সুবিধা থেকে প্রত্যাখিত। শিক্ষার ক্ষেত্রেও পায়না কারো সাহায্য অথবা অনুপ্রেরণা। যেখানে পেট চালানোটাই মৌলিক হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে শিক্ষার মতো যৌগিক বিষয়ের ক

অ-কবিতাবলি


১.
গোলাপের গর্ভমুন্ডে একরত্তি গভীর প্রেমালাম ঢেলে দিলো মাঝরাতে জনপ্রিয় জোছনা। এবং কল্লোলিতা তটিনীর সার্বভৌম রুপ-লোনাজল পানে চোখ বাড়ালো অবজ্ঞার পরাগরেণু, পরস্পর সাহচার্য ভুলে গিয়ে।
(সতেজ নিষিক্তকরণের একশতাব্দী পূর্বকাল সময়ের আলোড়ন ঘটানো সংবাদ)

২.
সেঁটে থাকা প্রাচীরের আদিম জলনীলিকা জানে শুকনো পাতার মর্মরে শেকড়ে
পৌঁছোতে ঢের দেরী তার এখনও।
ভেজাতেই কেবল আশা পোষা যেতো আরেক ধাপ বড় হয়ে যুদ্ধাহতদের শরীরের টলতে থাকা
পায়ের চাপে টুকরো হতে;
বয়স্ক এখন নিজের ভেতর, যতোটুকু ছিলো বিদ্যমান, ততোটুকুই থেকে যেতে হবে তাকে।

বাড়তি একশো টাকা


আঁচলটা বুকের ওপর টেনে নিলো রত্না। শরীরের ওপর দিয়ে মিনিট দশেক আগে সাইক্লোন বয়ে গেছে। এখন নিজেকে সামলে নিতে নিতে লোকটাকে বললো, "আর একশো টাকা দেন না বাবু!" লোকটা প্যান্টের জিপার টেনে নিয়ে ভেংচি কেটে বললো, "খানকি, তোকে আরো একশো টাকা কম দেওয়া উচিত, ভালোভাবে সাড়া দিস নাই বিছানায়।"

মানবীয় দানবকান্ড


আমরা পত্রিকায় চোখ বুলালেই অথবা টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলেই নিয়মিত দেখতে পাই নৃশংশতার ঘটনা। মোটা কালির শিরোনাম সম্পর্কে সবাই প্রায় অবগত হই। যেমন, লেখা থাকে অমুক জায়গায় স্কুলছাত্রী ধর্ষিত। আবার অন্যান্য জায়গার অন্যসব দুর্বিষহ সংবাদের নির্যাতিত ঘটনা। এসব খবর আমাদের ভেতরে ঢোকে, আবার বের হয়ে যায়। এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেওয়ার মতোই। তবে সবাই এরকম নয়। অনেকেই আছে, যারা এসব নোংরামির চরমতা দেখে নাক সিটকিয়ে ঘৃণা প্রকাশ করতে ভুলে না। অনেকে আবার কিছু পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু সেই পদক্ষেপগুলো সদর দরজা পর্যন্ত পৌঁছোবার আগেই মিলিয়ে যায়। স্বেচ্ছাবোধ কাজ করে বলে আর এগোতে পারেনা। হয়তো ভাবে, এসবে ন

তৃতীয় প্রেমিক


নিউরন জুড়ে যে যন্ত্রনার ভেতর দিয়ে তুমি যাও প্রতিদিন,
তার চারপাশ জুড়ে থাকা আমার মনোজগত হালকা ছুঁয়ে ওঠে অসুস্থ কল্পনা কখনো।
দীর্ঘ প্রেম নিবেদনের পরে যেমন জড়তা প্রাণ ফিরে পায় তোমার প্রেমিকের ঠোঁটে, তেমন
রোজ এক বালতি অন্ধকার মুঠোয় ভরে তোমার ঘরের বারান্দায় পৌঁছে দিতে আমার দ্বিধা হয়।

যেই প্রাক্তন পুরুষের সংস্পর্শে ছিন্ন হয়েছিল তোমার পারিপাশ্বিক কষ্টনদীর উপশাখাগুলো,
তারই হাত ধরে বেদনাবোধের ঝর্ণাধারা বেগতিক আছড়ে পড়ছে বুকের বাম কোণে।
কিন্তু দেখো, আমার ওমন জড়তা হয়নি কিংবা মধ্যরাতে তপ্তশ্বাসের প্রবাহগুলো এখনো বয়ে যেতে পারেনি কতিপয় প্রত্যাশার দরজা ভেঙ্গে।

বোর্ডিং কার্ড

সাদিক আল আমিন
সাদিক আল আমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 2 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, মার্চ 28, 2017 - 6:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর