নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • বেহুলার ভেলা
  • আমি অথবা অন্য কেউ

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

জাহানারা নূরী এর ব্লগ

পাহাড়ের প্রাণে তাপাও আগুন


বাঙ্গালী জাতিয়তাবাদী সাম্প্রদায়িকতার হেমলক পান করছি আমরা। এক চুমুক চুমুক করে নিচ্ছি বলে গোটাটা হিংড়িয়ে পড়ে ধ্বসে যাচ্ছি না, একটু একটু করে মরছি। সোমেন চন্দরা নানাভাবে আছে আমাদের ঘিরে। খাগড়াছড়ির বনে জঙ্গলে এখন শুধু শীতের হাওয়ায় শোঁ শোঁ শুনবেন না। পাতাঝরার এই হিমেল কালে খাগড়াছড়িতে একটি হত্যা সংঘটিত হয়েছে। মিঠুনের ভাসানে পাহাড়ীদের দাঁড় করিয়ে দিলে, অভিজিত, বাবু, নীলয়দের মাইনাস করে দিলে, বাংলাদেশ বেমালুম বি বি ঝেড়ে সাফ করতে থাকা সাম্প্রদায়িক দেশপ্রেমী মুক্তি হীন যুদ্ধপ্রেমী লুটেরা এবং হীনমণ্য ধর্মান্ধদের হল্লায় হুলিয়া হাতে ঘুরে বেড়াবে।
মিঠুন হত্যার বিচার করতে হবে-পাহাড়ে এই ধ্বনি ওঠার আগে সমতলেই উঠুক।

সন্ত্রাসের শব্দাবলী ও সংস্কৃতি


মাত্র দিন দু’য়েক পূর্বে পাকিস্তানে ধর্ষক ভাইয়ের অপকর্মের বদলা নিতে সাম্প্রদায়িক ইসলামী কূপমণ্ডুক সমাজের গোত্রপতিরা রায় দেয় তার বোনের গণধর্ষনের পক্ষে। তখন পাকিস্তানীদের ইতর প্রাণী আখ্যা দিয়েছিলেন এই আপনারাই তো, না কি? আপনি কখনও আয়নায় নিজের মুখ দেখেছেন? দেখুন। আপনার আজকের আর্টিকেলটি আবার পড়ুন। পাকিস্তানের ঐ ধর্ষনের রায় প্রদানকারীদের স্থান আপনি নিয়ে নিয়েছেন। আপনি তো পাকিস্তানে জন্মান নি। তবে আপনি কিভাবে বোনের গণধর্ষনকারীদের সাথে এক কাতারে নিজেকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে এই প্রশ্ন উত্থাপন করলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি ও আপনার মেয়ে কবে ধর্ষিত হবেন?...আপনার নাতনী কবে ধর্ষিত হবে?’

স্যাটানিক ভার্সেস এবং খাদিজা


ইসলাম মাতৃতান্ত্রিক সমাজ বিরোধী কারণ প্যাগানিজমের কোনও বৈশিষ্ট্যই মেনে নিতে এটি প্রস্ত্তত নয়। অথচ প্রাচীন সমাজে নারীর শাসন তখনও স্বীকৃত। নারী মানুষ উৎপাদন করে, অসুস্থতা থেকে বাঁচিয়ে তোলে, তার হাতে বীজ থেকে বৃক্ষ হয়। এসব অব্যাখ্যাত কাজকর্ম নারীকে অপৌরুষেয় বা অলৌকিক করে রাখে। তার অলৌকিক ক্ষমতায় সমাজ ভীত ও সন্দিহান থেকে যায়। অপরদিকে হত্যা, খুন, আরবের পথে মক্কা মদিনায় যাত্রারত বণিকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের সম্পদ ও প্রাণ লুণ্ঠনই কুরাইশ এবং অন্যান্য মরুকেন্দ্রিক গোত্রের অন্যতম পেশা। উট চালায় পুরুষ। উটের রশি দক্ষহাতে ডানবাম করে দ্রুত আগত কাফেলার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের সবকিছু কেড়ে নেয়ায় যারা গোত্রে সেরা তাদের নিয়ে মুহম্মদের প্রথম আল্লাহর সৈনিকেরা তৈরী হয়েছিল। কুরাইশ গোত্রের এই দলটি তাই অন্য ধর্মীয় বণিকদের আতংকের কারণ হয়ে ওঠে। এই পথ যেহেতু কার্যকর পন্থা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে সুতরাং নারীদের পূর্ণ দাসত্ব নিজ দলে নিশ্চিত করায় কোনও সমস্যা হয় নি। পুরুষরা বাধা দেয় নি কারণ নারীকে দাসরূপে অধীনস্ত করে দিয়ে তাদের ইগো কিনে নেয়া হয়েছে। আল্লাহ, তার প্রতিনিধি বা রসূল ও কুরানে পূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা এ কারণেই বারবার বলা হয়ে থাকে। কারণ সন্দেহ রয়ে যায় যে, যে নারী মানুষ উৎপাদন করে সে লিলিথের উত্তরসূরী, সে সহজে মেনে নেবে না। তাকে পদে পদে সবার নিচে রাখতে হবে। মাথা তুলতে দেয়া হবে না। তার জীবন ধারণের সমস্ত কিছু সে তার মলিক পুরুষের হাত থেকে নিতে বাধ্য থাকবে।

মসজিদ রাষ্ট্র থেকে পৃথক হলে সমস্যা কি?


এই মসজিদগুলো মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে তৈরী হবে কেননা প্রকল্পটিতে আট হাজারেরও বেশি কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে সউদি সরকার। সউদী সুপ্রিমেসীর কাছে এভাবে আত্মসমর্পন করতে হবে আমাদের? কারণ বাংলাদেশের নাগরিকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান?

সব মুসলমান জঙ্গি না, তবে বাংলাদেশে সব জঙ্গিই মুসলমান


নতুন ধর্মের একমাত্র প্রকট বৈশিষ্ট্য তা মাতৃতান্ত্রিক ও মাত্রসূত্রীয় সমস্ত ধ্যান ধারণাকে একেবারে প্রত্যাখ্যান করে পুরুষকেন্দ্রিক একটি নতুন বিশ্বাসের ধারণাকে প্রবর্তন করেছে। যদিও প্রাক্-ইসলামিক গড আল্লাহকেই তারা গ্রহণ করেছে, কিন্ত্ত আল্লাহর কন্যারূপে প্রচলিত অন্য প্রধান তিনটি দেবী এবং অন্যান্য অসংখ্য দেব-দেবীকে প্রত্যাখ্যান করে, তাদের মূর্তি মন্দির ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন ধর্মের আগ্রাসী কাফেলা ছুটিয়েছে।

প্রচারণা পর্যালোচনায় হেফাজত, জামাত শিবির ও ক্বওমী সম্পর্ক


জিহাদে (আসলে ওরা বোঝাচ্ছে ‘ক্বিতাল, খুন হত্যা, রক্তপাত”) উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কোন কোন ধরণের মানুষের বিরুদ্ধে; শাসক, যারা নবী ও রাসুলকে অর্ধেক মানে অর্ধেক অন্য জাতির বৈশিষ্ট্যে চলে-সিভিল সোসাইটির অগ্রসর মানুষেরা যারা বাঙ্গালয়িনার পক্ষে, যারা নবী রাসুলকে বিদ্রুপ করে (ব্লগার, লেখক, এথেয়িস্ট, অনলাইন এ্যাকটিভিস্ট), যারা কাফের (ইবনে তাইমিয়াহ মতে), মুনাফেক (বিশ্বাসঘাতক, নিশ্চিতভাবেই ৭১ এ যারা বিশ্বাসঘাতকরূপে চিত্রিত হয়েছিল-আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতার সমর্থকগণ), এবং যারা শেরক করে (হেফাযত মতে হিন্দু তো বটেই বৈশাখ পালনকারী বাঙ্গালী মুসলিম পর্যন্ত শিরককারী,আল্লাহর সাথে প্রতিতুলনায় আর কাউকে ভজনা করা শিরক)।

বোর্ডিং কার্ড

জাহানারা নূরী
জাহানারা নূরী এর ছবি
Offline
Last seen: 3 months 2 weeks ago
Joined: বুধবার, মার্চ 22, 2017 - 2:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর