নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • হাসান নাজমুল
  • শ্রীঅভিজিৎ দাস
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • নিরব
  • সুব্রত শুভ

নতুন যাত্রী

  • নিনজা
  • মোঃ মোফাজ্জল হোসেন
  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী

আপনি এখানে

দীব্বেন্দু দীপ এর ব্লগ

মৃত্যুদণ্ড মানেই শুধু ন্যায়বিচার নয়, তাহলে বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হল কেন?


পৃথিবীতে ৫৮টি দেশে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড রয়েছে, বাকী দেশগুলোতে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড নেই। তাই একথা বলার উপায় নেই যে ন্যায় বিচার মানে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া।

কৈফিয়ত নেই কিছু আর বাকী




“২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখ রবিবার সকাল ৯টা

রাজনৈতিক সংগঠনের কমীর্রা বিশ্বজিৎ দাসকে বিনা কারণে

প্রকাশ্য-দিবালোকে শত শত মানুষ ও আইনরক্ষা বাহিনীর সদস্য

এবং সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে নৃশংসভাবে হত্যা করে।”

বিশ্বজিৎ কি হত্যাকারীদের মা-বোনকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছিল?

করেনি। তাহলে? কেন ওরা মারল এভাবে ওকে?

১৪০০ বছর আগের গ্রন্থ নিয়ে আপত্তি থাকলে, একই কারণে কম আপত্তি থাকলেও ২০০ বছর আগের গ্রন্থ নিয়েও আপত্তি থাকার কথা



কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসায়ীর তো একটা ব্যবসা। কিন্তু এইসব রাজনীতিক, আমলা, পুলিশের অনেক ব্যবসা। সবখানেই তারা ভাগ বসায়। শুধু ঢাকার ফুটপথের অর্থনীতি নিয়েই কেউ গবেষণা করে দেখেন না।

দূরে যাওয়ার দরকার নেই, ছোট ছোট নিচ ধরে গণমাধ্যম আপনারা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সদরঘাটের ফলের ব্যবসা নিয়ে এক মাস অনুসন্ধান চালালে কেউটে কুমির সব বেরিয়ে আসবে, কিন্তু প্রভাবশালী মিডিয়া থাকলেও সত্যানুসন্ধানী সেরকম কোনো মিডিয়া আমাদের দেশে নেই!

ছোটগল্প: দ্বন্দ্ব



রায়হান আব্দুল্লাহ এই এলাকার একমাত্র মানুষ যে দ্বিতীয় কোনো বই পড়েছে, ক্লাসের বই ধর্তব্য নয়। চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজের বাসিন্দা সে। এ এলাকার বেশিরভাগ লোক মাদ্রাসায় পড়েছে, এখন কিছু ছেলেমেয়ে অবশ্য স্কুলে যায়।

রায়হান ভোলা সরকারি কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে পাস করে স্থানীয় স্কুলে মাস্টার হিসেবে ঢুকেছে। ওর ইচ্ছে এলাকায় কিছু কাজ করবে। এলাকার কিছু উৎসাহী যুবকদের নিয়ে অনেক চেষ্টা করে একটি ক্রীড়া ক্লাব দাঁড় করিয়েছে মাত্র।

বিস্মৃত গণহত্যা এবং উত্তর প্রজন্মের দায়বদ্ধতা



স্বাধীনতার পর বহু বছর পার হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার খুব কম সময়ই ক্ষমতায় ছিল, ’৭৫ এর পর থেকে অধিকাংশ সময় ঘুরেফিরে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিই ক্ষমতায় আরোহণ করেছে। তারা তাদের মত করে ইতিহাস সাজিয়েছে, সত্য আড়াল করেছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ মানে শুধু সম্মুখ যুদ্ধ নয়, মুক্তিযুদ্ধ মানে শুধু বিজয়ের ইতিহাস নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের বহুমাত্রিক দিক রয়েছে, তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যন্ত্রণাদায়ক একটি দিক হচ্ছে গণহত্যা।

বেশ্যা বলে গালি দিয়ে বশ্য হয়ে রই




বিশ্বাস করো এ সভ্যতা?
এখানে কোনো সুখ পাখি বাসা বাঁধেনি আজও।


একবারে নয়,
আমরা সত্যি ক্রমাগত মরি।


আমায় বলেছিল সে একটি পাগলা কুকুরের গল্প,
বলেছিল, আমি যেন ওটার কাছে না যাই।
আজ দেখি সে ঘটা করে কুকুরটার সাথে খেলছে!


বেশ্যা বলে গালি দিয়ে বশ্য হয়ে রই।

কৃষি ব্যাংকে আমার চাকরির অভিজ্ঞতা এবং ‘প্রাণহরি দাস’দের কথা


ইতোমধ্যেই হয়ত প্রাণহরি দাসের খবরটি অনেকে পড়েছেন। তারপরেও লেখার শুরুতে বর্ণনা করছি যারা পড়েননি তাদের জন্য।
“লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রাণহরি দাস নামের এক অসহায় বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতা থেকে কৃষিঋণের টাকা জোরপূর্বক আদায় করার অভিযোগ উঠেছে কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। পাঁচ হাজার টাকার ঋণ পরিশোধের নামে গত আট বছরে বয়স্ক ভাতা থেকে ২২ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হলেও ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পাননি তিনি।”

বড় গল্প: কোথাও নেই (প্রথম পর্ব)


টাকার স্তুপ শুধু ক্লান্তিই বাড়াচ্ছে এখন। এত কষ্ট করে এত টাকা কেন যে আয় করেছি! জীবনের প্রতি পদে পদে যার যা প্রাপ্য দিয়ে দিলে এত জমত না নিশ্চয়ই। কিন্তু কেউই তা দেয় না, আমিও দিইনি।

ব্যাংকের হিসেব দেখলে মাঝে মাঝে মনে হয়, এ যেন পাপ জমছে রোজ। তবু নেশা, এ নেশা ভয়ঙ্কর। প্রতিদিন দশ লক্ষ টাকা ব্যাংক একাউন্টে যোগ না হলে মাথা ঝিম ঝিম করে, মনে হয় কোম্পানির সকল কর্মচারীদের ডেকে বিদায় করে দিই আজই।

“নারীবাদ এখন শহুরে অভিজাতবাদে নিমগ্ন থাকে” -এলিসন ওলফ


বর্তমান সময়ে চলতি নারীবাদের অন্যতম একজন সমালোচক হচ্ছেন, লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক, অর্থনীতিবিদ এবং নারীঅধিকারকর্মী এলিসন ওলফ (জন্ম: ১৯৪৯)। এক সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পলিসি এনালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন।

বিষয়ের ওপর ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্যা গার্ডিয়ানে তিনি একটি কলাম লেখেন। লেখাটির শিরোনাম ছিল-

কবে কিছু মানুষ এমন ঈশ্বর হল?



এখনই ছেড়ে যাবি জীবন?
যাস নে। কত যে হিসেব আছে বাকী!
মরা কি যায় এমন বেহিসেবে
নিজেকে সব দিয়ে ফাঁকি?


অক্ষরে অক্ষরে লিখে রেখেছি
যাদের মহাপাপ যত
দিয়ে যেতে হবে বিচারের ভার,
রেখে যেতে হবে পাণ্ডুলিপি সব অক্ষত।


হারিয়েছে অনেক অপ্রস্তুত হয়ে,
তবু প্রতিশোধে
রক্তপাত ঘটাতে চাইনি কারো,
শুধু অদৃশ্য তলোয়ারটা মুখের
সামনে উঁচিয়ে ধরে বলতে চেয়েছি-
তোরে এখন শেষ করে দিতে পারি, শয়তান, সাবধান!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

দীব্বেন্দু দীপ
দীব্বেন্দু দীপ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 16 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, মার্চ 20, 2017 - 11:34পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর