নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শাম্মী হক
  • সলিম সাহা

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সত্যর সাথে সর্বদা এর ব্লগ

মুমিনদের বিবাহ বনাম ধর্ম বর্জনকারীদের বিবাহ


মুমিনদের দৃষ্টিতে বিবাহ মানে সেক্স। বিবাহবদ্ধ নারী স্বামীর সেক্স যন্ত্র। যখনই স্বামী চাইবে তখনই স্বামীকে পরিতৃপ্ত করতে হবে. স্ত্রীর মনের অবস্থা যখন যেমনি থাকুক না কেন। আর সারাজীবন গৃহিণী হয়ে চার দেয়ালের মধ্যে কাটিয়ে দেয়ায় খাটি মুমিনা স্ত্রীর কাজ। খাটি মুমিনা স্ত্রী ব্যস্ত থাকবে স্বামীকে তৃপ্ত করতে। ’স্বামী’ অর্থ তো প্রভু। স্ত্রী হল এক প্রকার যৌণ দাসি।

মুমিনদের বিবাহ বনাম ধর্ম বর্জনকারীদের বিবাহ


মুক্তচিন্তাবিদদের নিকট বিবাহ মানে বন্ধন।দু’টি মনের বন্ধন। দু’জন ব্যক্তির ভালবাসার বন্ধন।দু’জন দুজনার হওয়ার বন্ধন।মুক্তচিন্তাবিদদের নিকট বিবাহ হল সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ। স্ত্রী হলেন সন্তানের মা আর পুরুষ সঙ্গী হলেন সন্তানের বাবা।

চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হওয়ার রহস্য উন্মোচন!


লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ

মাথা ঠাণ্ডা করে বসুন: আজ প্রমাণ করার চেষ্টা করবো, মুহাম্মদ কীভাবে ও কবে চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত করেছিলেন! এটি একটি নিরস পোষ্ট, তাই মাথা ঠাণ্ডা থাকা জরুরী!

সূরা আল কামার (৫৪) (চন্দ্র); ১ থেকে ২ আয়াত;

১. সময় নিকটবর্তী এবং চন্দ্র অর্ধেক হয়েছে,
২. আর তারা কোনো নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলেঃ এটাতো প্রচলিত যাদু।

একটু খটকা লাগলো কি? কিয়ামত আর চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হওয়ার কথা আমার করা অনুবাদে পাওয়া যাচ্ছে না; তাই তো! সংযুক্ত থাকা ছবির অনুবাদের মতই হবে আপনার এতদিন ধরে পড়ে আসা অনুবাদ, তবে আজ এটা জেনে নিন, তা একটি ভুল অনুবাদ!

হিন্দু, খ্রিষ্টান ধর্মের ন্যয় ইসলাম ধর্মের যে সকল মিথ রয়েছে


আপনি মুসলিম বংশে জন্মগ্রহণ করার কারণে কুরআনে যত আজগুবি কথায় বলা থাকুক না কেন তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করে থাকেন, কিন্তু একজন সত্যান্বেষী মানুষ যিনি মুসলিম বংশে জন্মগ্রহণ করেনি তাকে আপনি যতবড় আজগুবি কথা বলবেন সে তার পক্ষে ততবড় শক্তিশালি প্রমান আশা করবে, এটায় স্বাভাবিক।
এবার লক্ষ্য করুন কুরআনে কতসব আজগুবি কাহিনী বিবৃত হয়েছে যা আপনি অন্ধভাবে বিশ্বাস করে থাকেন:

সহীহ ইসলামের অনুসন্ধান করছি


কুরআন বললে শুধু কুরআন বুঝায়, হাদিস বললে হাদিস বুঝায় কিন্তু ইসলাম বললে কি বুঝায়?জবাব হবে- ইসলাম বললে পুরো ইসলাম ধর্মটি বুঝায়। পুরো ইসলাম ধর্ম কথাটা বললেই আপনি কিন্তু এক গোলক ধাধায় পড়ে গেলেন। কারন-ইসলাম ধর্ম বললে নিশ্চয়ই কিছু আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও কিছু নির্দেশনার সমষ্টি,নয় কি?

সুন্দর একটি লেখা যাতে মুসলমানদের অনেক প্রশ্নের জবাব এসেছে


আমরা না দেখেই বিশ্বাস করি তিনি আছেন। আমার এই বিশ্বাস আরো দৃঢ় ভিত্তি লাভ করে যখন আমরা সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন দেখি। তার নিদর্শনের মাঝে তার বক্তব্যের/ অস্তিত্বের প্রমাণ পাই নানা ভাবে।

নিশ্চয়ই কোরান মানুষের রচনা!


নিশ্চয়ই কোরান মানুষের রচনা!
লিখেছেন: বেহুলার ভেলা

এক

আপনি কোরান পড়লে দেখবেন সেখানে ‘ইন্না’ যার অর্থ ‘নিশ্চয়ই’ – এ শব্দটির ছড়াছড়ি। কিন্তু এই ‘নিশ্চয়ই’ বলার মানে কী হতে পারে? সন্দেহের অবকাশ থাকলে এভাবে বারবার ‘নিশ্চয়ই’ বলতে হয়। মুহাম্মদের আশেপাশের মানুষ তখন আরবি জানত। বর্তমানে আরবি ভাষাভাষী ও আরবি জানা মানুষের পরিমাণ কম নয়। কোরানে এমন কোনো মাজেজা নাই যে তা পড়ে বা শোনেই বুঝা যাবে যে উহা আল্লাহর বাণী।

কাবা রক্ষার আবাবিল প্রেরণের তাৎপর্য


- মোহাম্মদের মক্কা বিজয়ের পূর্বে কাবা ঘরের মধ্য কী ছিল?
- ৩৬০ টি মূর্তি।
- মোহাম্মদের পিতা আবদুল্লা কোন ধর্মের অনুসারী ছিল?
- পৌত্তলিক ধর্ম।
- পৌত্তলিক ধর্ম কী?
- যে ধর্মে বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা ও উপাসনা করা হয়।
- উপাসনা এবং পূজার মধ্যে কোন পার্থক্য আছে?
- নাই।
- আরবের কুরাইশরা কোথায় উপাসনা করত?
- কাবা ঘরে।
- কাবা ঘরে কী রাখা ছিল?
- ৩৬০ টি মূর্তি।
- হিন্দুরা মুর্তি রাখে কোথায়?
- মন্দিরে।
- ৩৬০ টি মূর্তি কোথায় রাখা ছিল?
- কাবা ঘরে।
- কোন প্রধান দেবতার মূর্তি ছিল?
- চন্দ্র দেবতা হাবলের।

এটা স্বত:সিদ্ধ এবং চরম সত্য যে


১. কেউ যখন কোন কিছুর শ্রেষ্ঠত্ব খুজতে থাকে তা প্রকৃতার্থে যত খারাপই হোক না কেন তার দৃষ্টির বাইরে থেকে যায়। যার শ্রেষ্ঠত্ব খোজা হচ্ছে তার কুৎসিত কোন দিক কখনও যদি দৃষ্টিসম্মুখে এসে পড়ে তখন সে গোজামেলির ব্যখ্যা দিয়ে বা তার জবাব তার মত বিশ্বাসের বড় জ্ঞানী থেকে জানা যাবে এমন ধারনা নিয়ে মনকে স্বান্তনা দেয়। এভাবে তার বিশ্বাসকৃত বিষয়ের কুৎসিত দিক চিরদিনই দৃষ্টির আড়ালেই থেকে যায়।

কুরআনের অনুরূপ সুরা


মুসলমানরা দাবী করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআন স্বয়ং আল্লাহ নামের এক আরবীয় সৃষ্টিকর্তা নিজের হাতে লিখে লাওহে মাহফুজে সংরক্ষন করে রেখে দিয়েছিল সেই বিশ্বজগত সৃষ্টির প্রথম থেকেই। এবং পর্যায়ক্রমে ঈহুদী খ্রিস্টানদের ফেরেশতা জিব্রাইল বা গ্যাব্রিয়েলের মাধ্যমে ইসলামের একমাত্র ধর্তাকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়েছে। কিন্তু মুহাম্মদ ছাড়া অন্য কোন জীবন্ত মানুষই জিব্রাইলকে দেখেনি। শুধু মাত্র মুহাম্মদ দাবী করেছিল তার নিজের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহর আদেশে ফেরেশতা জিব্রাইলের মাধ্যমে তার কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। অথচ কেউই কোনদিন জিব্রাইলকে স্বচোক্ষে দেখেনি। মুহাম্মদ দাবী করেছে তারা অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছে মুহাম্মদের মুখ দিয়ে বলা কুরআনের আয়াতগুলো আল্লাহরই বাণী। কিন্তু মুহাম্মদ যেমন তার দাবীর কোন প্রমাণ দিতে পারেনি কখনই ঠিক একই ভাবে মুসলমানরাও প্রমাণ দিতে পারেনি কোনদিনই যে কুরআনের বাণীগুলো আসলেই কোন সৃষ্টিকর্তার বাণী কিনা। তারা শুধু বাপ-দাদার কাছ থেকে শুনে শুনে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে এসেছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সত্যর সাথে সর্বদা
সত্যর সাথে সর্বদা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 23 ঘন্টা ago
Joined: শনিবার, মার্চ 18, 2017 - 12:13পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর