নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জলের গান
  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ সিদ্দিকী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

উন্মাদ কবি এর ব্লগ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং নৈতিকতাঃ অন্তরঙ্গতা নাকি যৌন হয়রানি!


প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি শিরোনামটির জন্য। শিক্ষকতা পেশাকে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এবং আদর্শ পেশা হিসেবে গণ্য করা হয়। শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত কাউকে দেখলেই যেকোন মানুষ ‘স্যার’ সম্বোধন করে যথাসাধ্য সম্মানটুকু দেয়ার চেষ্টা করে। এটি এমন একটি পেশা যার প্রতি সকল স্তরের মানুষের সমীহ আছে। কিন্তু সকল শিক্ষক কি শ্রদ্ধার জায়গাটুকু সমুন্নত রাখতে পারছেন? হয়তোবা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি সেটির জন্য কতিপয় শিক্ষক দায়ি কিন্তু সেই দায়টুকু কি বাকি শিক্ষকদের ঘাড়েও পড়ে না? যে শিক্ষকরা নিজের সহকর্মীদের অনৈতিক, অসুস্থ এবং বিকৃত মানসিকতার কাজকর্মগুলোকে দেখে দেখে এড়িয়ে যাচ্ছেন তাদের কি কোন দায় নেই? অসুস্থ এবং বিকৃত মানসিকতার কাজকর্মগুলোর বিপক্ষে দাঁড়ানোর মতো নৈতিকতা কি তাদের নেই? বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নৈতিকতা কি এই ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে না? যেখানে আমরা নীতিজ্ঞান লাভ করতে আসি, পাশবিক অস্তিত্বকে বশ করে মানুষ হবার জ্ঞান অর্জন করতে আসি সেখানকার কর্ণধারদের অবস্থা যদি এমন নৈতিকতা বিবর্জিত হয় তাহলে জ্ঞান লাভ করব কাদের কাছে? কতিপয় নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষকদের জন্য আপনারা আপনাদের শ্রদ্ধার জায়গাটুকু প্রশ্নবিদ্ধ করবেন? কতিপয় শিক্ষকের এমন হীন কাজের জন্য আপনারা আপনাদের অবস্থান নামিয়ে ফেলবেন নাকি সেই অসুস্থ এবং বিকৃত মানসিকতাগুলোর বিপক্ষে কথা বলবেন সেটা আপনাদের বিবেচ্য বিষয়।

অং সাং সুকিঃ বিশ্বের ব্যঙ্গচিত্রকরদের চোখে



শিরোনামঃ দ্য সাইলেন্স অফ অং সাং সুকি।

মিয়ানমার সামরিক জান্তা নৃশংসভাবে হত্যা করছে রোহিঙ্গাদেরকে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে রাখাইন রাজ্য ত্যাগ করার জন্য বাধ্য করছে। সামরিক জান্তার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড গণহত্যায় রূপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহল এটাকে 'জাতিগত নির্মূল' করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকারের প্রধানমন্ত্রী শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত অং সাং সুকি নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। সামরিক জান্তার আঙুলের ইশারায় চলছে সুকি'র পা থেকে মুখ পর্যন্ত! বিভিন্ন দেশের ব্যঙ্গচিত্রকররা তাদের ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে প্রতিবাদ রূপে ফুটিয়ে তুলেছেন সুকি'র অবস্থান কে।

ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোঃ আমি চিনি গো চিনি তোমারে ওগো বিদেশিনী


রবীন্দ্রনাথের এই গানের বিদেশিনী কে? কেউ কেউ ধারনা করেন যে, ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো ই এই গানে উল্লেখিত বিদেশিনী। কিন্তু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এই বিদেশিনী, রবি-বিদেশিনী ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো নয়। ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো’র সাথে দেখা হওয়ার অনেক আগেই রচিত হয়েছিল এই গানটি। “মূল গানটি কবি রচনা করেছিলেন শিলাইদহে বহুদিন আগে – সেই ১৮৯৫ সালে”

রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর একটি প্রবন্ধ!



সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের পবিত্র আমানত। দেশ ও জাতির দিকনির্দেশনা কি হবে, সরকারি কাঠামো ও আইন, অর্থনৈতিক নীতিমালা, সামাজিক আইন-কানুন ইত্যাদি সর্ববিষয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান দলিল হচ্ছে এই সংবিধান। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এই সংবিধান মানতে বাধ্য। কিন্তু লেখিকা প্রশ্ন তুলেছেন সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ যোগ করার পর এখন অন্য ধর্মাবল্মীরা কি করবেন?

বাঙালি বিজ্ঞানীঃ আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু


ছোটবেলায় সকল দস্যিতা ছোট-বড় সকল গাছের ডাল-পালার উপর ঝেড়ে যখন স্কুলের গন্ডিতে পা রাখি তখন নতুন বইয়ের ঝকঝকে পাতায়-
"উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে। তাদেরও প্রাণীদের মত অনুভূতি আছে ...।"

এমন লেখা দেখে আধ ইঞ্চি ভ্রু কুচকায়নি এমন লোকের সংখ্যা মনে হয় কমই আছে। অনেকের কচি মাথায় তখন আবার প্রশ্নবোধক চিহ্নটাও মাথা চাড়া দেয়। মনে মনে ভাবি, “কখনো তো কাঁদতে বা হাসতে দেখলাম না তাদের! ব্যাটা বলে কি?”
এই অতি সত্য ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী তথ্যটি যে প্রথম উপলব্ধি করেছিলেন তিনি আমাদের মহাবিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু। ১৮৫৮ সালের ৩০শে নভেম্বর ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগণার রাড়িখাল গ্রামে এই মহান বিজ্ঞানীর জন্ম। এই গুণী ব্যক্তিটি ভগবান চন্দ্র বসু ও রামাসুন্দরী দেবীর আদুরে সন্তান।

হুমায়ূন আহমেদের উৎসর্গপত্র সংকলন


গত ১৯ জুলাই, ২০১৭ হুমায়ূন আহমেদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী চলে গেল। দেখতে না দেখতে পাঁচ বছর চলে গেল। হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের মুখবন্ধে বিধৃত উক্তি কিংবা উৎসর্গ পত্রগুলো আমার অসাধারণ লাগে। সেই ভালো লাগা থেকেই এই সংকলন। অনেক উৎসর্গপত্র অনলাইনে পেয়ে যাওয়ায় কাজটা সহজ হয়ে গেছে।

গল্পঃ একটি কবিতার জন্য



১।
নীরবতা ভেঙে উঠে পড়লাম আমি। মানিব্যাগ খুলে ভিজিট দিতে চাইলাম। ডাঃ হিরণ্ময় হাসি মুখে বলে – ‘আজকে আর ভিজিট লাগবে না’। আমি অনিচ্ছা সত্বেও কৃতজ্ঞতার হাসি দিয়ে মানিব্যাগে টাকাটা ঢুকিয়ে ফেললাম। মেডিক্যাল রিপোর্টসগুলো হাতে নিয়ে বেরুতে বেরুতে বললাম – ‘স্যার, আমার ফ্যামিলির কাউকে আপাতত বলবেন না। উনারা খুবই ভেঙে পড়বেন’। ডাঃ হিরণ্ময় বিস্মিত হয়ে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন তারপর বললেন – ‘আচ্ছা…ঠিকাছে। তবে মনে হয় কি তোমার বাবাকে অন্ততপক্ষে জানানো উচিত’। আমি বললাম – ‘চিন্তা করবেন না স্যার, আমি নিজে থেকেই জানাবো। কিন্তু তাদের মানসিক অবস্থাটা একটু শক্ত করি তারপর’

একাত্তরের দিনগুলিঃ এক মায়ের নিরপেক্ষ দিনলিপি


দেশ-মাতৃকার প্রতি কত প্রগাঢ় ভালোবাসা থাকলে একজন মা বলতে পারেন-
"......দিলাম তোকে দেশের জন্য কোরবানি করে। যা, তুই যুদ্ধে যা।"

পতিতাবৃত্তিতে মেয়েরাঃ স্বেচ্ছায় নাকি অনিচ্ছায়?


আপনি কি একবারো ভেবেছেন কি দেশের কত শতাংশ মেয়ে পতিতাবৃত্তি পেশার সাথে জড়িত? পতিতা শব্দটা শুনলেই আমরা ছিঃ ছিঃ করি নিজের পবিত্রতার পরিচয় জানান দিতে। শত শত অসভ্যতা করেও আমরা সভ্য! একদিকে পতিতাদের কথা শুনলে আমরা ছিঃ ছিঃ করে ফেনা তুলে ফেলি আর অন্যদিকে রাতের অন্ধকারে চুপি চুপি অতৃপ্ত বাসনাগুলো পূরণ করতে ধরণা দেই সেই পতিতাদের কাছে। আমাদের কারণেই যারা অসভ্য আর বেশ্যা উপাধি পেয়ছে সেই আমরাই কিন্তু সভ্য। কোট-টাই-পেন্টের আবরণের ভেতর গুটিশুটি মেরে থাকা সেই অসভ্যতা কেউ দেখে না। আচ্ছা একবার চিন্তা করুন তো রাতের অন্ধকারে এই কর্মগুলোর সাথে যারা লিপ্ত হতে যায় তাদের পরিমাণটা যদি বিশাল অঙ্কের না হতো তাহলে কি এই পতিতাদের সংখ্যাটা দিন দিন বেড়ে যেতো? চাহিদা আর যোগানের মধ্যে গভীর যোগসূত্র আছে সেটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। যাহোক আমাদের ভদ্র এবং সভ্য সমাজকে দায়ি না করি।

মিলেভা মেরিকঃ একজন সম্ভাবনাময় পদার্থবিদ



আইনস্টাইনের প্রথম স্ত্রী মিলেভা মেরিক (Mileva Marić) কে আমার তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এলসা আইনস্টাইনের থেকেও ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। মিলেভা মেরিক খুবই প্রতিভাশালী একজন পদার্থবিদ হতে পারতেন কিন্তু হয়ে উঠতে পারেননি। উনার জন্ম সারবিয়ায়, ১৮৭৫ সালের ১৯ শে ডিসেম্বর, আইনস্টাইনের জন্মের প্রায় চার বছর আগে। মিলস মেরিক তাঁর তুখোড় মেধাবী কন্যাকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন সবসময়। গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা থেকেই উনি ১৮৯৬ সালে এন্ট্রেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জুরিখ পলিটেকনিকে প্রবেশ করেন। একই বছর আইনস্টাইনও জুরিখ পলিটেকনিকে প্রবেশ করেন। মিলেভা মেরিক সেই সেকশনে একমাত্র মেয়ে ছিলেন এবং তখন পর্যন্ত ঐ সেকশনে পড়তে আসা পঞ্চম মেয়ে। প্রথম প্রথম আইনস্টাইনকে পাত্তা না দিলেও এক পর্যায়ে আইনস্টাইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে যান। আইনস্টাইনের শুরুর দিকের গবেষণাকর্মগুলোতে মিলেভার অবদান আছে বলেই ধারণা করা হয়। কিন্তু বিজ্ঞানী হবার স্বপ্ন নিয়ে আসা এই পদার্থবিদ তাঁর স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

উন্মাদ কবি
উন্মাদ কবি এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 3 দিন ago
Joined: সোমবার, ফেব্রুয়ারী 27, 2017 - 3:46অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর