নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

মিশু মিলন এর ব্লগ

উত্তর প্রজন্মের কাঠগড়া


যুদ্ধ মানেই শত্রু শত্রু খেলা,
যুদ্ধ মানেই
আমার প্রতি তোমার অবহেলা।

আলোকলতার গল্প


আমার বিবাহিত জীবন চার বছরের, আর আমার স্বামীর বিবাহিত জীবন দশে পড়েছে। আমরা দু’জনই আগে একবার অন্যত্র বিয়ে করেছিলাম, ডিভোর্সও। দু’জনেই মাঝখানে কিছুদিনের জন্য সিঙ্গেল ছিলাম। আমার স্বামীর আগের পক্ষের সাত বছরের একটা ছেলে আছে, আমার কোনো সন্তান নেই। অবশ্য আমার স্বামীর যে একটা ছেলে আছে সেটা বিয়ের আগে আমাকে এবং আমার পরিবারকে সে বলে নি, এমনকি আমাদের বিয়ের পরও গোপন রেখেছিল। আমি জানতে পারি বিয়ের তিন মাসের মাথায় এক ছুটির দিনের দুপুরে, যখন আমার স্বামী মোবাইল বাসায় ফেলে রেখে সেলুনে গিয়েছিল চুল কাটাতে। তার মোবাইলে একটা ফোন এসেছিল, ফোনটা রিসিভ করে কানে ধরতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসে বাচ্চা ছেলের কণ্ঠ, ‘বাবা, আমাকে

সমাধিমন্দির


একটা রাতচরা পাখি ডানা ঝাপটে কদম গাছ থেকে উড়ে সমাধিমন্দিরের চূড়ার উপর দিয়ে দক্ষিণদিকে চলে গেল। কোথায় গেল কে জানে! হয়তো নতুন আবাসনের খোঁজে!

নগরনটী (উপন্যাস: শেষ পর্ব)


চম্পা-নগরী এখন উৎসবমুখর, নিভু নিভু হয়ে জ্বলতে থাকা মানুষের আশার প্রদীপটি হঠাৎ দপ করে জ্বলে উঠে ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে শুরু করেছে গণিকারা মুনিকুমার ঋষ্যশৃঙ্গকে হরণ করে নিয়ে আসায়; একে তো মুনিকুমার ঋষ্যশৃঙ্গের সঙ্গে মহারাজ লোমপাদের একমাত্র কন্যার বিবাহ, তার ওপর বহুদিন বাদে অঙ্গরাজ্যে বৃষ্টিপাত হতে চলেছে, বহু অপেক্ষার পর পূরণ হতে চলেছে অঙ্গরাজ্যের মানুষের প্রত্যাশা; ঘুচতে চলেছে অঙ্গরাজ্যের তৃষিত ভূমি, বৃক্ষ, লতা-পাতার তৃষ্ণা!

নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-চৌদ্দ)


জন্মনের হাটের ঘাটে রঘু নৌকা নোঙর করলো অপরাহ্ণে। হাটে ভরপুর মানুষ; কেউ যাচ্ছে, কেউ আসছে। গিরিকা প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করার জন্য সুলোচনা, রঘু, বলাই আর ললিতকে সঙ্গে নিয়ে হাটে গেলেন। আজও দেবল আর সুকেতু রইলো নৌকার পাহাড়ায়। ঋষ্যশৃঙ্গ এখন অবুঝ বালকের ন্যায় ঘুমোচ্ছে। সেই মধ্যা‎হ্ন থেকে হাটে যাবার আগ পর্যন্ত গিরিকা এই কক্ষের মেঝেতে পশ্চাৎদেশ ঠেকিয়ে বকবক করছিলেন, তার বকবক শুনতে শুনতেই একসময় ঘুমিয়ে পড়েছে সে। শবরী ঋষ্যশৃঙ্গের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে আছে অপলক চোখে। বালকের ন্যায় কী সুন্দর নিষ্পাপ মুখশ্রী!

নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-তেরো)


এখন দিবসের প্রথম প্রহর। ঋষ্যশৃঙ্গ তুলসীতলা থেকে অনেকটা দূরত্বে নিমীলিত চোখে ধ্যান করছে, সম্মুখে প্রজ্বলিত অগ্নি। ঘৃতস্নাত চন্দন কাষ্ঠ জ্বলছে বাতাসে সুবাস ছড়িয়ে। বিভাণ্ডক আশ্রমে নেই, তিনি গেছেন অরণ্যে ফল সংগ্রহ করতে। সকাল থেকেই বানর শাবকটির দেখা নেই আজ, দক্ষিণ দিকের পথের পাশে একে অন্যের গা ঘেঁষে বসে আছে দুটি মায়ামৃগ। চিত্তের অস্থিরতা কাটানোর জন্য পিতার পরামর্শে ঋষ্যশৃঙ্গ পূর্বের চেয়ে দ্বিগুণ সময়ব্যাপী ধ্যান করছে কয়েকদিন যাবৎ। তবু চিত্তের স্থিরতা পুরোপুরি আসে নি। ধ্যানের মাঝে ক্ষণে ক্ষণে ভেসে ওঠে দেবপুত্রের ন্যায় সেই তাপসের মুখ, ঘ্রাণেন্দ্রিয়ে অনুভব করে তার গাত্রের সুগন্ধ, তার সান্নিধ্য পাবার

নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-বারো)


কৌশিকী পারের এক জন্মনের ঘাটে একনাগাড়ে তিনদিন অতিবাহিত করে গতকাল সন্ধ্যায় নৌকা নোঙর করেছে ত্রিযোজন পর্বতের সবচেয়ে নিকটবর্তী স্থানে। জন্মনের অস্থায়ী হাট থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয় করা হয়েছে। গিরিকার বেশ ভাল লেগেছিল জন্মন্টি, অপরাহ্ণে কন্যাদের নিয়ে নদীর পার ধরে জন্মনের পথে পথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গৃহী মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। নদীর পারের একটা পরিবারের সাথে তো বেশ ভাব জমে গিয়েছিল তার। তার ইচ্ছে ছিল গত রাত আর আজকের দিনটাও জন্মনের ঘাটে কাটিয়ে আসার। কিন্তু কন্যাদের পীড়াপীড়িতে গতকালই আসতে হয়েছে এই জন্য যে তারা ত্রিযোজন পর্বতে আরোহণ করার বায়না ধরেছে। প্রথমে তারা বায়না ধরেছিল

নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-এগারো)


চাঁচের বেড়া আর ছনে ছাওয়া কুটীরখানা খুব বেশি বড় নয়, দুটি কক্ষ; উত্তরেরটিতে বিভাণ্ডক তপস্যা করেন আর দক্ষিণেরটি তাঁর শয্যাকক্ষ। উর্বশীকে শয্যাকক্ষে রেখে তিনি তপস্যা কক্ষে প্রবেশ করলেন। কণ্ঠ এবং বাহুর রুদ্রাক্ষমাল্য খুলে রাখলেন একটি মৃৎপাত্রে। তারপর ইষ্টদেবতার উদ্দেশে প্রণাম করলেন।

নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-দশ)


মহর্ষি বিভাণ্ডক একা একা দিকভ্রান্তের ন্যায় অরণ্যে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, গত দু-দিনও তিনি এমনিভাবে হেঁটে অরণ্য চষে বেড়িয়েছেন সেই নারীর খোঁজে যে তাঁর একমাত্র পুত্রকে পথভ্রষ্ট করতে আশ্রমে এসেছিল। সেই প্রভাতে আশ্রম থেকে বেরিয়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজেছেন অরণ্য, আর একবারে ফলমুল সংগ্রহ করে আশ্রমে ফিরেছেন মধ্যা‎হ্নে। কিন্তু কোথাও তিনি কোনো নারী তো দূরের কথা কোনো মানুষের দর্শনও পান নি। তাহলে কে তাঁর পুত্রের দেহ অপবিত্র এবং চিত্ত বিভ্রান্ত করে দিয়ে গেল? এই প্রশ্ন তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছে, দুশ্চিন্তায় তিনি রাতে ঘুমুতে পারছেন না। কেবলই মনে হচ্ছে তিনি পুত্রকে হারিয়ে ফেলবেন না তো?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মিশু মিলন
মিশু মিলন এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 1 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2017 - 9:06অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর