নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • ফারুক
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

মিশু মিলন এর ব্লগ

জুয়াড়ি


অশ্বত্থ গাছের গোড়ার একটা শিকড়ের গঠন এমন ছিল যে, বসলে প্রায় পিঁড়ির আরাম পাওয়া যেতো। গাছটা বেশ বর্ষীয়ান আর দীর্ঘ। স্থুল, তবে ততোটা নয়, যতোটা তার পত্নী বটবৃক্ষ। পতি-পত্নী মাঝখানে কিছুটা দূরত্ব থাকায় বুঝিবা তাদের সকল গোপন কথা আদান-প্রদান করতো পাখিরা! স্পর্শের সুযোগ ছিল না ঠিকই, তবে দক্ষিণ কিংবা উত্তরের জোর বাতাসে একে অন্যের দিকে পত্র উড়িয়ে দিতো। হোক হলদেটে ছিন্নপত্র, তবু তাতে প্রিয়-প্রিয়ার শরীরের গন্ধ তো ছিল!

বিসর্জন অথবা আগমন


এক

মাধাই পাগলার কড়া পড়া বীভৎস কালো অণ্ডকোষের মতো অন্ধকার, তার একমাথা ঝাঁকড়া চুলের মতোই রাস্তার দু’ধারের গাছপালা, তাও অন্ধকার! ধুলোবালি মাখা পাঁচড়াময় নগ্ন শরীরের মাধাই পাগলার মতোই চিৎ হয়ে শুয়ে আছে খানা-খন্দে ভরা পিচের রাস্তা। খেয়ালের বশে মাধাই পাগলার নিতম্ব বেয়ে অণ্ডকোষে এসে, অতঃপর অণ্ডকোষের কালো সরু খাড়িপুঞ্জে আতি-পাতি করে পথ খুঁজে ফেরা লাল পিঁপড়ার মতো দিগ্বিদিক হয়ে অন্ধকারে হেঁটে নিরাপদে ঘরে ফিরতে চাইছেন তারাপদ। আজন্মের চেনা পথ, তবু তার মনে হচ্ছে পথ ভুল হয়নি তো! হাতে দুই ব্যাটারির টর্চলাইট থাকলেও এখনই জ্বালতে চাইছেন না, বড় রাস্তা ছেড়ে ইটবিছানো গলিতে ঢুকে তারপর জ্বালবেন।

উদ্বাস্তু


জ্বলন্ত উনুনের তপ্ত কড়াইয়ের ধোঁয়া ওঠা তেলে দুটো কইমাছ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপসীর কানে আসে উচ্চকিত ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবর’ স্লোগান; কানে আসা মাত্র হাত ফসকে পড়ে যায় কইমাছের বাটিটা, বাটির অবশিষ্ট দুটো কইয়ের একটা উনুনের মুখ দিয়ে পড়ে আগুনের ভেতর, আরেকটা মেঝেতে। কিন্তু কইমাছ দেখার সময় কোথায় তাপসীর? ঝড়ের গতিতে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে উঠোনের পিঁপড়ার সারি মাড়িয়ে, ব্যাঙের গায়ে লাথি মেরে এক দৌড়ে থাকার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে জাপটে ধরেন চারুশিলাকে!

দ্যাশআলি ভাই এবং সাধনকুমারদের গণতন্ত্র


তখন আমার গলার স্বর হঠাৎ ভাঙতে শুরু করেছে, ঠোঁটের ওপরের লোমগুলো কালচে হতে শুরু করেছে, উঠতি যুবক কিংবা তরুণদের আড্ডা বা গোপন গল্পে আড়ি পাততে শুরু করেছি আর তারাও আমাকে একটু একটু লাই দিতে শুরু করেছে, আমি ভাবতে শুরু করেছি যে কিশোরীর মুখ কি ঈষৎ স্ফীত বুকের দিকে তাকিয়ে থাকা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার!

উত্তর প্রজন্মের কাঠগড়া


যুদ্ধ মানেই শত্রু শত্রু খেলা,
যুদ্ধ মানেই
আমার প্রতি তোমার অবহেলা।

আলোকলতার গল্প


আমার বিবাহিত জীবন চার বছরের, আর আমার স্বামীর বিবাহিত জীবন দশে পড়েছে। আমরা দু’জনই আগে একবার অন্যত্র বিয়ে করেছিলাম, ডিভোর্সও। দু’জনেই মাঝখানে কিছুদিনের জন্য সিঙ্গেল ছিলাম। আমার স্বামীর আগের পক্ষের সাত বছরের একটা ছেলে আছে, আমার কোনো সন্তান নেই। অবশ্য আমার স্বামীর যে একটা ছেলে আছে সেটা বিয়ের আগে আমাকে এবং আমার পরিবারকে সে বলে নি, এমনকি আমাদের বিয়ের পরও গোপন রেখেছিল। আমি জানতে পারি বিয়ের তিন মাসের মাথায় এক ছুটির দিনের দুপুরে, যখন আমার স্বামী মোবাইল বাসায় ফেলে রেখে সেলুনে গিয়েছিল চুল কাটাতে। তার মোবাইলে একটা ফোন এসেছিল, ফোনটা রিসিভ করে কানে ধরতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসে বাচ্চা ছেলের কণ্ঠ, ‘বাবা, আমাকে

সমাধিমন্দির


একটা রাতচরা পাখি ডানা ঝাপটে কদম গাছ থেকে উড়ে সমাধিমন্দিরের চূড়ার উপর দিয়ে দক্ষিণদিকে চলে গেল। কোথায় গেল কে জানে! হয়তো নতুন আবাসনের খোঁজে!

নগরনটী (উপন্যাস: শেষ পর্ব)


চম্পা-নগরী এখন উৎসবমুখর, নিভু নিভু হয়ে জ্বলতে থাকা মানুষের আশার প্রদীপটি হঠাৎ দপ করে জ্বলে উঠে ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে শুরু করেছে গণিকারা মুনিকুমার ঋষ্যশৃঙ্গকে হরণ করে নিয়ে আসায়; একে তো মুনিকুমার ঋষ্যশৃঙ্গের সঙ্গে মহারাজ লোমপাদের একমাত্র কন্যার বিবাহ, তার ওপর বহুদিন বাদে অঙ্গরাজ্যে বৃষ্টিপাত হতে চলেছে, বহু অপেক্ষার পর পূরণ হতে চলেছে অঙ্গরাজ্যের মানুষের প্রত্যাশা; ঘুচতে চলেছে অঙ্গরাজ্যের তৃষিত ভূমি, বৃক্ষ, লতা-পাতার তৃষ্ণা!

নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-চৌদ্দ)


জন্মনের হাটের ঘাটে রঘু নৌকা নোঙর করলো অপরাহ্ণে। হাটে ভরপুর মানুষ; কেউ যাচ্ছে, কেউ আসছে। গিরিকা প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করার জন্য সুলোচনা, রঘু, বলাই আর ললিতকে সঙ্গে নিয়ে হাটে গেলেন। আজও দেবল আর সুকেতু রইলো নৌকার পাহাড়ায়। ঋষ্যশৃঙ্গ এখন অবুঝ বালকের ন্যায় ঘুমোচ্ছে। সেই মধ্যা‎হ্ন থেকে হাটে যাবার আগ পর্যন্ত গিরিকা এই কক্ষের মেঝেতে পশ্চাৎদেশ ঠেকিয়ে বকবক করছিলেন, তার বকবক শুনতে শুনতেই একসময় ঘুমিয়ে পড়েছে সে। শবরী ঋষ্যশৃঙ্গের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে আছে অপলক চোখে। বালকের ন্যায় কী সুন্দর নিষ্পাপ মুখশ্রী!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মিশু মিলন
মিশু মিলন এর ছবি
Online
Last seen: 10 min 21 sec ago
Joined: সোমবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2017 - 9:06অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর