নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • গোলাম রব্বানী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • অনন্য আজাদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

উলুল আমর অন্তর এর ব্লগ

ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হুলিয়া। দ্বিতীয় পর্ব


৩। সেইসব দিনরত্রি
অনেকক্ষণ ধরে রাস্তা দিয়ে হাঁটছে সে। একা। গন্তব্য কোথায় তা জানে না। হঠাত সামনে রাস্তার উপর উল্টো হয়ে শুয়ে থাকা একটা মানুষ চোখে পড়লো। দ্রুত লোকটার কাছে ছুটে গেলো ও। ভালোভাবে তাকিয়ে দেখতে পেলো লোকটার শার্ট রক্তে ভেজা। বেশ ভয় পেলো সে। লোকটার গায়ে হাত দিয়ে মুখটা ফেরালো। মুখটা তার খুব চেনা। চিৎকার করে কেঁদে উঠলো সে।

ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হুলিয়া


১। প্রারম্ভিকা। মাঘের শীতে বাঘও কাঁপে।আর উত্তরবঙ্গের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে মড়ক নামে।বগুড়া,রাজশাহী,রংপুর,পঞ্চগড়ের গ্রামগুলোতে সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে বেরুনো কঠিন হয়ে পড়ে। ঘন কুয়াশায় কাছের জিনিসও দেখা দায়।সবুজ ঘাস,গাছপালা এমনভাবে শিশিরসিক্ত হয়ে থাকে যেন খানিক আগেই বৃষ্টি হয়েছে।এশার নামাযের পরপরই পুরো গ্রাম নীরব হয়ে যায়।

মুসলিম বিশ্বে ভাস্কর্য ও হেফাজতের রাজনীতি


সস্প্রতি উদ্বোধিত হওয়া সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রতিকৃতিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিকৃতি।সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে দেখা যায় বড় বড় সব মসজিদের নাম কোনো বড় রাস্ট্রনায়কের নামে(যেমন-কিং ফয়সাল মসজিদ)।এসব মসজিদের সামনে দেখা যায় বিখ্যাত কোনো বীরের/ঘোড়া,উটের ভাস্কর্য।মসজিদে ঢোকার আগে মুসল্লিরা এসব ভাষ্কর্য দেখতে বাধ্য হয়।তাতে কোনো আপত্তি করে না কেউ। কিন্তু সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে এয়ারপোর্টে মাত্র শ খানেক উগ্রপন্থী লোকের আন্দোলনে পাখির ভাস্কর্য অপসারণ করা হয়। এছাড়া সম্প্রতি হেফাজতের আন্দোলনে আদালত প্রাঙ্গন থেকে বিধর্মী দেবী থেমিসের ভাস্কর্য অপসারণ নিয়ে কি কাণ্ডই না ঘটে গেলো।

বিজয় এক স্বপ্নসৌধের নাম


১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবস।
বিজয় মানে হানাদার, অমানুষ কে পরাজিত করে সত্যের জয়।বিজয়ের মানে অস্ত্রবলের কাছে পরাজিত এক নতমুখ জাতি নয়।

বিজয় মানে হানাদারমুক্ত হওয়া।বিজয়ের অর্থ কৃষি জমি দখল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি নয়।

বিজয় মানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সেই বজ্রকণ্ঠ ঘোষণা।বিজয় মানে নেতার পা চাটা কুকুর হওয়া নয়।

বিজয় মানে নির্বিচারে মানুষ হত্যা,গুম,ধর্ষণ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়া।বিজয়ের অর্থ পঞ্চাশ বছর পরেও এসবের পুনরাবৃত্তি নয়।

রোহিঙ্গা সমস্যায় কতটা মানবিক হবে বাংলাদেশ?


মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের উপর সামরিক বাহিনীর নির্যাতন সম্প্রতি মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।প্রতিদিন হাজারো রোহিঙ্গা এদেশে পালিয়ে আসছে।বাংলাদেশ সরকার ও বিজিবি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণ দেখিয়ে আশ্রয় ও ত্রাণ প্রদান করছেন।এখন প্রশ্ন হলো রোহিঙ্গা সমস্যায় কতটা মানবিক হবে বাংলাদেশ?সমস্যাটা বাংলাদেশের না,বরং বাংলাদেশের উপর চাপানো হয়েছে।দেশের একশ্রেণির মানুষ বলছেন,সীমান্ত খুলে দাও, রোহিঙ্গারা বাঁচুক।রোহিঙ্গারা ধর্মে মুসলিম বলেই বাংলাদেশি মুসলমানদের কাছ থেকে বেশি মানবিক সম

রকস্টার ওরফে রেপিস্ট বাবা ! ভারত বলেই সম্ভব !


ভারতে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ,শিখ সকল ধর্মের নিম্নবর্গের মানুষদের নিয়ে বানানো নতুন ধর্ম সৌদার বর্তমান প্রধাণ ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং(তার নামটা লক্ষণীয়) ধর্ষণের মামলায় আসামী সাব্যস্ত হয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন।এর প্রতিবাদে তার ছয় লাখ ভক্ত রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে গিয়ে ইতোমধ্যে ৩২ জন নিহত হয়েছে।দাবি করা হয়,বিশ্বজুড়ে নাকি গুরমিত এর ভক্ত ছয় কোটি লোক।ভারতের প্রধাণমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,বিরাট কোহলি এরাও গুরমিতের আশীর্বাদধন্য।লোকটা আসলেই ইন্টারেস্টিং ক্যারেকটার। ধর্ম প্রচারের পাশাপাশি তিনি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক, নিজের সিনেমার নায়ক এবং সিংগার।তিনি বলেন,আজকালকার ছেলে-মেয়েরা ধর্মশালায় না এসে সিনেমা হল

ছোটগল্প: হরিজন


গগণ সাধুর ঘরে ঢুঁকে মাথার উপর থেকে গামছাটা সরালো কাশীরাম দাস। তারপর সেটা দিয়ে গা মুছলো। গত দুদিন ধরে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। আষাঢ় না আসতেই বৃষ্টির অত্যাচার শুরু হয়েছে এবার। হরিজন পল্লীটা বর্ষাকালে বিশ্রি রুপ ধারণ করে। একে তো ঘিঞ্জি পরিবেশ, তার উপর কাদা, পানিতে গু-মুত মিশে একাকার। এতে অবশ্য পল্লীর কারো কোনো সমস্যা হয়না। মেথরদের আবার ময়লা-আবর্জনায় এলার্জি থাকে নাকি!

তাজউদ্দীন আহমেদ : এক মহান রাজনীতিবিদ


জুলফিকার আলী ভুট্টো তার এক সহচরকে বলেছিলেন,'আলোচনার টেবিলে শেখ মুজিবের পিছনে ফাইল হাতে চুপচাপ যে নটরিয়াস লোকটি বসে থাকে তাকে কাবু করা শক্ত,দিস তাজউদ্দীন.. আই টেল ইউ উইল বি আ বিগ প্রবলেম,হি ইজ ভেরি থরো।'

ভুট্টোর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছিল।১৯৭১ সালে যখন জাতির জনক শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়,তখনি দেশের হাল ধরেছিলেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন বাংলার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ প্রধাণমন্ত্রী আত্মপ্রচারবিমুখ তাজউদ্দীন।আবার বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরলে তার হাতে প্রধাণমন্ত্রীত্ব তুলে দিতেও দুই বার ভাবেন নি এই মহান নেতা।

ফরহাদ মজহারদের আউলিয়া হয়ে উঠা


অর্চনা রাণী মিথ্যা বলছেন,টিকেট কাউন্টারের লোক মিথ্যা বলছেন,ভিডিও ফুটেজ মিথ্যা বলছে,মোবাইলের নম্বর মিথ্যা বলছে।কিন্তু একমাত্র সত্যবাদী ফরহাদ মজহার ও তার ভক্তরা।নারী কেলেঙ্কারির একের পর এক প্রমাণ তার বিপক্ষে যাচ্ছে কিন্তু আমরা তা বিশ্বাস করব না কারণ তিনি ফরহাদ মজহার বিএনপি-জামাতের বন্ধু।তিনি পাপ করতেই পারেন না।সব আওয়ামীলীগের ষড়যন্ত্র!

বাঙালির ঈদ/ইদ বিতর্ক ও ফেসবুকিয় শুভেচ্ছা


বাঙলা একাডেমির সংশোধিত বানানরীতির ফলে আরবি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে।সামনের ইদকে কেন্দ্র করে অনলাইনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনায় লিপ্ত বাঙালিদের আমি তাদের মন্তব্যের ধরণ অনুযায়ী কয়েকটা শ্রেণিতে বিভক্ত করেছি।

১.বুদ্ধিজীবী শ্রেণি: ইনারা সর্বদা যেকোনো বিষয়ে দুই ভাগে বিভক্ত থাকেন।এখনো বাঙলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ঈদ বানান নিয়ে একরকম কথা বলছেন, বর্তমান মহাপরিচালক এক রকম কথা বলছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঙলা বিভাগের দুজন শিক্ষক কেউ ঈদকে আবার কেউ ইদকে বেশি গ্রহণযোগ্য বলেছেন।ইনাদের এই মতবিরুদ্ধতার কারণে ভক্তকুলও দুও ভাগে বিভক্ত হয়ে তর্কে নামে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

উলুল আমর অন্তর
উলুল আমর অন্তর এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 15, 2017 - 1:09পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর