নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ফারুক হায়দার চৌধুরী
  • নরসুন্দর মানুষ
  • শিকারী
  • ফারজানা সুমনা
  • নুর নবী দুলাল
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • মওদুদ তন্ময়
  • অজল দেওয়ান

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

সজয় সরকার এর ব্লগ

আঁধার


দিকে দিকে বড়ই অন্ধকার
ক্ষণজন্মা যারা দিপ হাতে
দূর করছিলো অন্ধকার
তারা আজ ঘাতকদের
ঘাতে চূর্ণ-বিদীর্ণ।

দিপ তাই নিভে গেছে
ঘন অন্ধকারের অন্তরালে
নিভে গেছে দিপ
উন্মাদ সমীরের ঝাপটায়।

শকুনের দল থাবা মেলেছে আবার
শুদ্ধ চিন্তার উপর তাই আঘাত
নেমে এসেছে দুর্নিবার
তাই রূপোলী আলোর চাঁদ
রাহুগ্রাসে -- অন্ধকারের অন্তরালে।
কুরঙা কুন্তলে ঢাকা পড়েছে
রমণীয় মুখাবয়ব।

এ অন্ধকারের সর্বগ্রাসী ক্ষুধা
সোল্লাসে গিলে ফেলছে
সুন্দরের সমূহ সম্ভবনাকে।

গণবালা


অপ্সরী নও তুমি, মানবী ;
তবুও তোমায় পেয়ে, মনে হয়
স্বর্গের তান খুঁজে পেলো পৃথিবী!
সে পৃথিবী আমার? নাকি
আরো অনেকের; সে প্রশ্নের
চাই না মীমাংসা।
জানি, তোমায় মাপে সবাই
তোমার বৃত্তির মাপে--
গণবালা, তোমায় ভালোবাসলে
দোষ দেয়, সবাই---
তাকায় ঘৃণার চোখে।
কিন্তু, ওরাও তোমায় ভালোবাসিতে চায়।
নইলে কিসের ঈর্ষায় পুড়ে ভস্মভরা মনে
ছড়ায় ঘৃণা। পাবার আকাঙ্ক্ষায় তো
প্রবল উষ্মতায় ঘৃণার বাষ্পও ছড়ায়।
আবার, ওরাই মানবপ্রেমের গলিত শব
বয়ে যায় কাঁধে মানবতার ফসিল হয়ে।।

আঘাত


তুমি এ পাথরে লালিত্য মাখাও প্রিয়---
দেখবো তাতে কী হয়!

তবে, আমি চললাম
আঘাতেই ভাঙবো স্থবিরতা।
পাথর চূর্ণ না হলে
সময়ের চঞ্চল বায়ুও
পারে না গড়াতে তারে।

এ সমাজ পাথর যখন
তখন আমাতে লাবণ্য খুঁজো না।
আর আমি
নেই সে কোমল প্রেমিক
আজ আমি উদ্ধত অকপট
বাণীর আঘাতেই ভালোবেসে যাবো।

কোমল স্পর্শে পাথর হয় না সুন্দর
ওখানে ছেনির আঘাত চাই।

তবুও অপেক্ষায়, মানবতা


প্রথার কাছে, নিয়মের কাছে
অত্যাচারিত হয়ে, মার খেয়ে খেয়ে
দাঁড়াবার শক্তি হারিয়েছে যারা
তারা তবুও হাঁমাগুড়ি দিয়ে,
নিতম্ব ঘঁসে ঘঁসে ফিরে যাবে সেখানেই।

ভাগার উজার ক'রে গৃধিনী, কাকে-কীটে
দুর্গন্ধ ছড়াবে তবুও মৃতদেহ ওখানেই
চলে যাবে নিয়ম মেনেই !
আমরাই শুধু মানবিক ব্যাধি নিয়ে দুঃসময়ে
দহিত হবো, পুড়ে যাবো সাময়িক এ শ্মশানে, অসহ্য জেনেও
কবর-কীটের খাদ্য হবো জীবিত থেকেও......

খেদোক্তি


এ সমাজ-সংস্কার নিয়ে কী আছে আর বলার

উপপতির বুকে শুয়ে, বাহুবন্ধনে জড়িয়ে,
পতির মঙ্গল কামনা করে যাবে সাধ্বী সমাজ।
প্রেমিক পতির কঙ্কাল শুভ্রশাঁখা হাতে
ও হাতেই চেপে ধরবে সংস্কারের শিশ্ন
সীৎকারে খুঁজবে পতির মঙ্গল উপপতির স্বরে।
যোনী জংঘা নিতম্বে ঠোঁটে স্থলিত বীর্য মেখে
ও চেটেপুটে আহ্লাদ করবে আর
পতির রক্তে সীঁথিটি ঠিকই রাঙাবে
কিন্তু কোনোমতে ছাড়বে না এয়োচিহ্ন
কেননা ওতে যে পতির অমঙ্গল!

পয়োধর পীন সম হয়ে যাবে নিয়মের চাপে
অসহ্য বোধ হবে বুকে ধরে রাখা
তবুও যন্ত্রণার লাঘব চাইবে
নিয়মের ঠোঁটে চেপে দিয়ে নিপোল।

মুক্তবুদ্ধির স্রোত


হে আরণ্যিক নির্বোধের দল,
সময়ের স্বচ্ছ স্রোত আটকাতে চাও
আঁধার গুহা-উদ্ভূত প্রাচীন বিশ্বাসের বাঁধে --?

শোন,কী করে পারবে তোমরা তা-
আমরা এখন মানবপ্রেমের প্রবাহে
ব্যাকুল চিরবর্ষার মুক্ত ঢেউয়ে
ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চাই--সকল
প্রতিকূল অন্ধকারের বিপুল বিপন্নতাকে।
যতো-ই প্রতিক্রিয়াশীলতার
বিপরীত বাঁধে আটকাতে চাও তাকে।
মুক্তির উজ্জ্বল আলোয় পথ চলে যারা-
আঁধারের গুহামুখে লুকায়িত হিংস্রতার
ভয় নেই তাদের।

হনন জিঘাংসায় থামাতে পারবে না-
আলোর মিছিল, যতোই
রক্তে পিচ্ছিল করো এ পথ।

দেবতা-ঈশ্বর


দেবতায় বিশ্বাস উবে গেছে সেই কবেই
তবুও কিছু দেবতার দেখা পাই মাঝে মাঝে
কোনো দেবালয়ে নয়,দেবদূতেরা নিজেরে
গোপন করে সন্তর্পণে ঘোরে ফিরে
জনপদেই।আবার কিছু অসুরও দেখি
যারা গোপন করে না কিছুই,আসুরিক
আস্ফালনও নয়।

তবে কেউ দেবতাদের চিনে না,পূজে না,
পরম সাগ্রহে
অসুরই পূজিত হয় এখন বেশি।
'মানিক বাবু'র ঈশ্বরেরা, ছোটলোকপল্লী
সেই কবেই ছেড়েছে, এখন ভদ্রপল্লীতেও নেই,
জানোয়ারের জনারণ্যে লুকায়িত ভগবান
পেয়েছেন ঠাঁই।
গুণ্ডাদের প্রাসাদেই দেখি ওনার সরব উপস্থিতি।

নাস্তিক্য আমার অহং কা র


দিকে দিকে এতো হত্যা,সন্ত্রাস,লুট
ডাকাতি তার ক'টা করেছে নাস্তিক?
নাস্তিক্য বিশ্বাস করে,ভালোবেসে
কতজন আস্তিককে হত্যা করলো তারা?
না।কোনো পরিসংখ্যানে,পার্সেন্টেসে
এ হিসাব আসবেনা।আর
আস্তিক ঈশ্বর এর কাছে প্রার্থনা করে
লুটের সু্যোগ চায়!হত্যার কৌশলের
জন্য ধ্যান করে।প্রতিপক্ষ নাস্তিককে
যুক্তিতে হারাতে না পেরে,বেছে নেয়
অস্ত্র;আর নাস্তিক কখনো কাউকেও
প্রতিপক্ষ মনে করে না।
আমি নাস্তিক হিসাবে কখনো চাপাতি হাতে
আল্লাহ্আকবর বলে ছুটে যবো না।
যাবো না নাস্তিক্য জিন্দাবাদ বলেও
কিংবা এও বলে নয়, জয় নাস্তিক্য।

অনুকাব্য


ধর্মরাজের বর্ম চুরি
আচ্ছা বড় কাণ্ড!
দুধের বদল ব্যস্ত সবাই
নিয়ে ঘোলের ভান্ড।
সাধুর বেশে বাড়ছে এখন
চারিদিকে ভণ্ড!
ভক্তরা তাই খাচ্ছে এখন
প্রসাদ ছেড়ে কাগজ কলের মণ্ড।

আমি


আমি মোহগ্রস্ত নই
আমি বিশ্বাস করি নিঃসীম শূন্যতায়
আমি ভয়হীন
আমি ভীত নই আসন্ন মৃত্যু শঙ্কায়
কেননা আমি জানি
মৃত্যু কোনো গন্তব্য নয়
আমি কোনো গন্তব্যে বিশ্বাস করি না
আমি বিশ্বাস করি নিঃসীম শূন্যতায়
আরণ্যিক নির্বোধেরা রচে যাক
যতো শাস্ত্রাচারে স্বর্গ-নরক
আমি যাবো না কোথাও
আমি বিলীন হবো মৃত্যুর সাথেসাথে
যেমন আমি ছিলাম না
আমার জন্মের আগেও কোথাও।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সজয় সরকার
সজয় সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 16 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, জানুয়ারী 27, 2017 - 6:12অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর