নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • ইকারাস
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • দুরের পাখি
  • দীপঙ্কর বেরা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • ফারুক
  • রাফিন জয়
  • রাহাত মুস্তাফিজ
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

অপ্রিয় কথা এর ব্লগ

ও মেয়ে, এটা তোমার মানবাধিকার!


ও মেয়ে এদিকে এসো,
শুনো আমার অপ্রিয় কিছু কথা,
তুমি কি স্বাধীন হতে চাও?
তোমার ও কি ইচ্ছে করে অবাধ্য ছেলের মতো চারিদিকে ঘুরতে ফিরতে?
তোমারও কি ইচ্ছে করে ছেলের মতো আড্ডা দিয়ে রাত বিরাতে ঘরে ফিরতে?
তোমার ও কি ইচ্ছে করে মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দিতে?
তোমার ও কি ইচ্ছে করে জিন্স টিশার্ট পড়ে ছেলের মতো ধাপিয়ে বেড়াতে?

তো চুপ কেন?
শুরু করে দাও!

২৩ শতকের এক নবীন কবির ভাবনা


এদেশের অনলাইনে একদল ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট জম্ম নিয়েছে। তাঁরা নতুন যুগের সুচনা করতে চায়। তাঁরা নতুন কিছু জম্ম দিতে চায়। কিন্তু এদেশের ধর্মান্ধরা তাঁদের ভাষা বুঝেনা, তাঁদেরকে ধর্মান্ধরা শত্রু মনে করে। তারা ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের ভীন গ্রহের এলিয়েন ভাবে, ধর্মান্ধরা অস্তিত্ব সংকটের আশায় তাঁদের ভয় পায়। ভীত কাপুরুষ ধর্মান্ধরা তাই মাঝে মাঝে হত্যা করে তাঁদেরকে বিলীন করে দিতে চায়।

মুসলমান ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা, আজ আপনাদের উদ্দেশে কিছু বলার তাগিদ অনুভব করছি। আশা করি আমার লেখাগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। বর্ত্তমান বিশ্বে মুসলিমদের খুব করুণ পরিনতি দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। দুনিয়ার তাবদ মুসলিমদের এখন ইউরোপের যেকোনো রাষ্ট সন্দেহের চোখে দেখে। মুসলিমদের নিয়ে গোটা বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আপনাদের ঠুনকো অনুভূতি দেখে এখন অন্যধর্মীরা হাসাহাসি করে। পাগরী পড়া দাঁড়িওয়ালা মুসলিম দেখলে তাদের মনে প্রশ্ন জাগে, এর শরীরে বোমা নেই তো! বোরকা পরা মুমিনা দেখলে ভাবে, এর বোরকার ভিতর কোনো বিষ্ফোরক দ্রব্য নেই তো? এ জোব্বা পড়া মানুষটি আত্নঘাতী হামলা করবে না তো?

অন্ধ গুরুবিশ্বাস ও জাত্যাভিমান হিন্দুদের অনৈক্যের কারণ!


হিন্দুদের অনৈক্যের অন্যতম প্রথম কারণ হল এদেশে হিন্দুদের ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য গুরু!

এক ধর্মীয় গুরুর সাথে ধর্ম নিয়ে আমার তর্ক-বিতর্ক


সম্ভবত ২০০৯সালের কথা। রাত ১০টার দিকে আমি, দাদাবাবু, (ভগ্নিপতি) আর দাদাবাবুর এক বন্ধু সীতাকুন্ড মেলায় (শিবরাত্রি) গেছিলাম। সারারাত মেলায় ঘুরতে ঘুরতে, চা সিগারেট-টাইগার পান করতে করতে, অস্থির সময় কাটাতে কাটাতে এক সময় ভোর হল। আমরা গেলাম শংকর মঠ আশ্রমে। সেখানে গিয়ে দেখি সজলান্দ ভক্তদের সাথে কথা বলছেন। আর আগত ভক্তরা তার পায়ে টুক টুক করে প্রণাম করছেন। ভক্তরা তার সামনে প্রভু ভক্তের মতো বসে আছে।

যেই সাহিত্য জাগায় না, সেই সাহিত্যের প্রয়োজন নেই আমার


প্রাতিষ্টানিক শিক্ষার পাঠ চুকিয়েছি ছোট বেলায়। এদেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রাতিষ্টানিক শিক্ষা বলতে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত। আমার তারো একধাপ নিচে। বলা যায় আর্থিকাভাবে পড়তে পারিনি। জীবিকার তাগিতে কর্মজীবন বেছে নিতে হয়েছিল। পরিবার থেকে ঠেলে পাঠিয়েছিল হাতের কাজ শিখতে। ঐ কাজ শিখা অবস্থায় দীর্ঘ পাঁচ বছর বই থেকে যোজন যোজন দুরে ছিলাম। কাজ যখন শিখা হয়েছে, নিজে যখন স্বাধীন, তখন আবার বইয়ের দিকে ঝুকে (নিজের কাজ ও অর্থের বারোটা বাজিয়ে) পড়েছিলাম। প্রথম বই মেলায় গিয়ে বই কিনি জীবনানন্দের কবিতা সমগ্র। বইয়ের কবিতাগুলো যখন পড়ি কিছুই বুঝিনা! হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি...

আজ আমার দেশ প্রতিক্রিয়াশীলদের হাতে বন্দী!


আজ আমার দেশ প্রতিক্রিয়াশীলদের হাতে বন্দী!
যে দেশটি তাঁর ৩০ লক্ষ মানুষ
হারিয়ে ধর্ম বর্ণ হীন একটি অসাম্প্রদায়িকতার পথে যাত্রা
করার জন্য গা ঝেড়ে জেগে উঠেছিল
যে দেশটি দু লক্ষ মা-বোনের ক্লান্তিহীন আর্ত চিৎকার শুনে
শুনে বিহ্বল হয়ে পড়েছিল,
যে দেশটি পাকিস্তান শাসকদের ঘৃন্য সাম্প্রদায়িকতা দেখতে দেখতে অস্থির হয়ে উঠেছিল
পাকিস্তান থেকে মুক্তির জন্য!
আজ আমার সেই দেশটি বন্দি
কিছু পাকিস্তানি প্রেতাত্মার কাছে।
বন্দি ক্ষমতালোভী মুসলমানপ্রেমী কিছু ইতরের কাছে।

ধর্ম কোনো কালেই আলো আনেনি.....


"ধর্ম একদা অন্ধকারে এনেছিল আলো"। আমি কবি রুদ্র'র এই লাইনটির সাথে কোনোভাবেই একমত হতে পারছিনা। আমার মতে ধর্ম কোনোকালেই আলো আনেনি। ধর্ম বার বার অন্ধকারকে যুক্ত করেছে। ধর্ম মানুষকে অন্ধ আর মুর্খ থাকার শিক্ষা দিয়েছে। ধর্ম ঈশ্বরকে কোনো যুক্তি ছাড়াই বিশ্বাস করতে বলেছে। এতে মানুষের আত্নমুক্তির পথ বন্ধ করে দিয়েছে । ধর্ম মানুষের চিন্তাধারাকে এক জায়গায় থামিয়ে দিয়েছে।

যেখান থেকে আমার অবিশ্বাসের পথ চলা শুরু......


সেই ১৩ বছর আগের কথা, ২০০১ সাল। তখন আমি ১৫ বছরের এক কিশোর। নাকের নিচে সদ্য রোম গজাতে শুরু করেছে। দেশের রাজনৈতিক হালচাল একটু একটু বুঝতাম। সেই বছর নির্বাচন হল, নির্বাচনের আগে ঈশ্বরের কাছে মনে প্রাণে প্রার্থনা করেছিলাম আওয়ামীলীগ যাতে আবার ক্ষমতায় আসে। তখন মনে মনে আওয়ামীলীগকে সমর্থন করতাম। বঙবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার দল তাই সমর্থন করতাম। আমি তখন কক্সবাজারে একটা কারখানায় কাজ (বিশেষ কারণে কাজের নামটা বলছি না) শিখছি। আমরা যারা এখানে কাজ শিখতাম, সবাই ছিলাম প্রায় সমবয়সী। ভোটের দিন কারো ওস্তাদ কারাখানায় ছিলনা। তারা আগের দিন ভোট দেয়ার জন্য যার যার বাড়ি চলে গেছে। ভোট হয়ে গেল, সন্ধ্যার পর কয়েকজন মিলে আমরা

বই উৎসবে মুলমানদের হামলা আর বাংলা একাডেমীর পরিচালকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা


সিলেটে বই উৎসবে হামলা চালিয়ে ভেঙেচুড়ে তছনছ করে দিয়েছে ইসলাম-ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। তারা মসজিদ থেকে বেড়িয়ে এসে ইসলামের এই ইমানী দায়িত্ব কঠোর পরিশ্রম করে পালন করেছেন। আপনি ভাবছেন এটা বোধহয় আমাকে অবাক করেছে। মোটেও না। তবে বই মেলায় হামলাটা আমাকে চিন্তিত করেছে। এদেশের বই মেলা একদিন যাদুঘরে যাবে না তো? সিলেটের বই মেলায় হামলার জন্য অপদার্থ, মেরুদন্ডহীন বাংলা একাডেমীর পরিচালকরা এই নিয়ে কোনো প্রতিবাদ করেছে?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অপ্রিয় কথা
অপ্রিয় কথা এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 11 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 23, 2016 - 8:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর