নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

অপ্রিয় কথা এর ব্লগ

পাথুরে শিবলিঙ্গের উপর দুধ, ঘি, মধু, দই, ডাবের জল ঢেলে মেয়েগুলো কি উপকৃতই বা হচ্ছেন?


আজ শুক্রবার বন্ধের দিন ছিল। বন্ধ থাকলেও আজাইরা বসে থাকার জো নেই। এই বন্ধের দিন শেভ করা হয় আমার। সময় পায় এই একটা দিন। এরপর পুরো সপ্তাহের ব্যবহৃত নিজের কাপড়গুলো পরিস্কার করে ছাদে শুকাতে দিলাম। ফেসবুক আর ব্লগে গিয়ে আজকের কি কি লেখা পোস্ট হল তা পড়লাম। এরপর স্নান সেরে মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে ছোট্ট একটা ঘুম দিলাম। তখন বিকেল সাড়ে চারটা। প্যান্ট-শার্ট পড়ে পরিপাটি হয়ে বের হলাম হাঁটার উদ্দেশে। এই প্রতিটি শুক্রবার একটি দিন আমি বিকেলে ৩-৪ ঘন্টা হাঁটি। বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় এসে দেখি পানের দোকানের সামনে গোল গোল কচি ডাব!

অভিজিৎ রায় আর অনন্ত বিজয়ের নতুন লেখা বই আর কখনো পাবেনা এই গ্রন্থমেলা।


আবার ঘুরে ফিরে চলে এল ফেব্রুয়ারি মাস। প্রাণের বই মেলার মাস। সাহিত্য প্রেমীদের মাস। নবীন কবিরা টান টান উত্তেজনা তাদের জীবনের প্রথম বইটি প্রকাশ করবে। কেউ কেউ লম্বা আর চুল দাঁড়ি রেখে কবি কবি উদাস হবার চেষ্টা করবে। কোনো সুন্দরীকে ভাব নিয়ে অটোগ্রাফ দেয়ার জন্য তাদের মন উসখুস করবে। কোনো পাঠক বিভিন্ন স্টলে স্টলে ঘুরে ঘুরে তার প্রিয় লেখকের বইয়ে আলতো হাতে স্পর্ষ করে মন জুড়াবে। মেলায় কোনো কোনো লেখক চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে দিয়ে দেশ সমাজ ও বর্তমান রাজনীতি নিয়ে গুরুগম্ভীর আলোচনা করবে। কোনো লেখক তার বইটা বর্তমান প্রেক্ষাপটে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আড্ডায় বার বার জাহির করবে। শিশুসাহিত্যিক-বেশ্যারা দুচার লাইনের

আমি অপ্রিয় বলছি- শুনো হে মুর্খের দল!


আমাদের রাষ্ট আর সমাজের অধিকাংশ শিক্ষিত (মাথামোটা শিক্ষিত) অভিভাবকগন মনে করে- ছেলে হোক মেয়ে হোক ডিগ্রি পাশ করলেই সেই শিক্ষিত! ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অনার্স, মাস্টার্স, বিবিএ, এমবিএ, পাস করলে সেই অধিক শিক্ষিত! কোনো ছাত্র বাইরে গিয়ে পি এইস ডি পড়ে এসে নামের আগে "ডক্টরেট" লাগালে তাদের দৃষ্টিতে সেই তো আরো অনেক বড়ো শিক্ষিত! ডক্টর অমুক, ডক্টর তমুক! আহারে কতো বড়ো শিক্ষিত মানুষ! এসব অভিভাবকরা নির্ধারণ করে দেয় কারা শিক্ষিত, কারা অশিক্ষিত। এরা মনে করে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট ওলারা শিক্ষিত বাকি সব অশিক্ষিত! এরা ভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিতরাই মানুষ, বাকি সব অমানুষ!

মুসলমানীয় নামের বিখ্যাত নাস্তিকরা আরবীয় নামের সংস্কৃতি থেকে যেন বের হতে পারেনই না!


মুসলমানীয় নামের বিখ্যাত নাস্তিকদের এই একটা দোষ। তাঁরা আরবীয় নামের সংস্কৃতি থেকে যেন বের হতে পারেনই না! আরজ আলী মাতুব্বর, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আহম্মদ ছফা, আহম্মদ শরীফ, শামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, তসলিমা নাসরিন, আসিফ মহিউদ্দিন, পারভেজ আলম, আব্দুল মান্নান মামুন, ওমর ফারুক, এই নামগুলো আরব্য নামের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে।

৯০% মুসলমানের কাছে আওয়ামিলীগের একটি ইসলামী রাষ্ট ব্যবস্থার অঙ্গিকারনামা...


প্রিয় ৯০% মুসলিমগন, তোমরা শুধু আমাদের আজীবন ভুলই বুঝে গেলে। আজীবন মনেই করে গেলে আওয়ামিলীগ সরকার মানে হিন্দুয়ানি সরকার। এই দেখনা, পাঁচ মাসে চার নাস্তিক হত্যা হল, আমরা নাস্তিক হত্যার বিচার করছি কি? তোমাদের ধর্মকে প্রাধান্য দিয়েই আমরা তো আমরা রাষ্ট চালাচ্ছি। বিএনপি-জামাত কি কখনো ৫০০ মসজিদ নির্মাণের কথা বলেছে?

আজ একুশের চেতনা সুবিধাবাদী, ধর্মজীবি নষ্টদের কাছে বন্দি!


১৯৫২সাল। পাকিস্তানী শাসকরা পুর্ব বাংলায় যখন তাদের ভাষা উর্দুকে বাঙালীর উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা করছিল। সেই বছর তখন ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে পাকিস্তান সরকারের ১৪৪ ধারা জারি ভঙ্গ করে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার... রা ''রাষ্ট ভাষা বাংলা চাই" এই দাবীতে মিছিল বের করে। তখন সেই মিছিলে শফিক রেহমান আর আবদুল গাফফার চৌধূরী ও ছিল। মিছিলের মাঝখানে। সামনে ছিল সালাম রফিক বরকতরা....এরপর পাকিস্তানী পুলিশরা গুলি করে সালাম রফিকদের..... বুক ঝাঝড়া করে দেয়, মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়! সবাই দিকব্ধিদিক ছুটতে থাকে। ছত্রভঙ্গ মিছিল থেকে আব্দুল গাফফার চৌধূরী প্রাচীর টপকাতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে জ্ঞাণ হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞাণ ফিরে দেখেন তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিদ ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লার বাড়িতে। ভাষাবিদ তখন তাঁর পায়ে বরফ লাগাছিলেন। পরদিন ২২ই ফেব্রুয়ারি আব্দুল গাফফার চৌধূরী তাঁর ব্যাচালার বাসায় বসে বসে লেখেন--

ফিরে দেখা বাংলাদেশে ব্লগারদের রক্তাক্ত লাশ আর সারা পৃথিবী জুড়ে ইসলামিস্টদের গনহত্যার সাল, ২০১৫ সাল!


১৫ সাল আমাদের যা দেয়নি, তারচেয়ে কেড়ে নিয়েছে অনেকগুন বেশি। ২৬ই ফেব্রুআরি আমরা হারিয়েছি একজন বিজ্ঞাণমনষ্ক ও অত্যন্ত প্রগতিশীল লেখক, ধর্মান্ধদের "বিশ্বাসের ভাইরাস"-এর প্রতিরোধক, ড: অভিজিৎ রায়কে। বন্যাদি হারিয়েছে তাঁর একটি আঙ্গুল। হারিয়েছি ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ ও নীল নীলয়ের মতো ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের তুখোড় সমালোচক একেকজন মুক্তচিন্তক আলোর দিশারীকে। হারিয়েছি আমরা একজন মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশক (জাগৃতি প্রকাশন) দীপনকে। এঁরা ঘোর অমানিশায় নিজ দায়িত্বে আলোর মশালটা সবসময় ঠিকভাবে জ্বালিয়ে রাখতো, যাতে ধর্মান্ধ মানুষগুলো মধ্য যুগীয় বর্বর অন্ধকারের দিকে ধাবিত না হয়। তারা ধর্মের রুঢ়তা, সহিংসতা

তুই কাফের! তোকে হত্যা করতে হবে!


ফাহিমের মা দুল কিনে নিয়ে চলে গেল। কিন্তু ফাহিমের কথাগুলো এখনো আমার কানে বার বার বাজছে। তুই কাফের! তোকে হত্যা করতে হবে! তোদের ভগবান কাফের.... ফাহিমের বয়স ৭-৮ বছর। বলা যায় অবুঝ মনের অবোধ একটা বালক। অথচ এসব বালকদের প্রিয় কার্টুন ছবি ডরিমন নিয়ে গল্প করার কথা ছিল। মোবাইলের গেমস নিয়ে গল্প করার কথা ছিল। না হয় সাকিব-তামিমের ব্যাট বল নিয়ে গল্প করার কথা ছিল। তা না করে কোনো কারণ ছাড়া বালকটি তেড়ে এসে আমাকে "কাফের" বলে তৃপ্তি পেল। আমাকে হত্যার ইচ্ছে পোষন করে তৃপ্তি পেল। ফাহিমের কথায় কিইবা অবাক হবো? গত দুই তিন বছরে ইসলামিক স্টেট আইএসের গনহত্যা তো দেখলাম। কিভাবে মানুষের মুন্ডু কেটে তারা পৈচাশিক উল্লাস করেছে। এমন কি আইএসরা তাদের ৭-৮ বছরের শিশুদের দিয়ে আল্লাহু আকবর বলে বলে মানুষ জবাই করা শিখিয়েছে। শিশুগুলোও দারুন উচ্ছাস আর আনন্দে আল্লাহু আকবর বলে বলে তাদের বাপের বয়সি মানুষদের গলা কেটে হাসতে হাসতে এক হাতে মুন্ডু, আরেক হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার নিয়ে নৃত্য করেছে। এই চরম বর্বর স্নৃতিগুলো তো ভুলার নয়।

শুধু বর্বর আইন কেন, মিসাইল বোমা মেরেও কখনো মানুষের মুখ বন্ধ রাখা যায়নি


যুক্তি, তর্ক, ভিন্নমত, সমালোচনা, মুক্তালোচনা, এগুলো থাকা খুবই জুরুরী। রাষ্ট্রের দায়িত্ব মানুষের এই অধিকারগুলোকে যথাযথ সুরক্ষা করা। এই মুক্তচিন্তা যদি নাই থাকে, ভুলের, অপরাধের সমালোচনা যদি নাই থাকে, তাহলে রাষ্ট্র, সমাজ, মানুষ শিক্ষা নিবে কিভাবে? কিভাবে শোধরাবে রাষ্ট্র, সমাজ আর মানুষ?

পাকিস্তানী প্রেতাত্মা হেফাজত ও ওলামালীগের দাবি মানার জন্যই কি এদেশ স্বাধীন হয়েছিল?


লেডি অব জাস্টিসের প্রতীক গ্রীক দেবী থেমিস। আমার জানামতে কালো চক্ষু আবৃত থেমিসের এক হাতে দাঁড়িপাল্লা, আরেক হাতে তলোয়ার শোভিত মুর্তি প্রতিটি গনতান্ত্রিক দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ে সামনে আছে। কারণ থেমিসের চোখ বাঁধা এক হাতে দাঁড়িপাল্লা শোভিত ছোট মুর্তি বিচারালয়ে ন্যায় বিচারের প্রতীয়মান প্রতীক হিসেবে মানা হয়। আমি আইনের ছাত্র নই। তবে থেমিসের চোখে কালো কাপড় থাকার অর্থ আমার স্বাভাবিক জ্ঞাণ থেকে বুঝতে পারি। যাতে আইনের দৃষ্টি পক্ষপাত দুষ্টু না হয়, সেদিক থেকে থেমিসের চক্ষু কালো কাপড়ে ঢাকা। আরেকদিকে দাঁড়িপাল্লা থাকার অর্থ কি হতে পারে এটা যেকোনো সাধারন জ্ঞানের অধিকারী মানুষ বুঝতে পারে। দাঁড়িপাল্লা হল ন্য

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

অপ্রিয় কথা
অপ্রিয় কথা এর ছবি
Offline
Last seen: 12 ঘন্টা 25 min ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 23, 2016 - 8:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর