নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 11 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আরমান অর্ক
  • উর্বি
  • নুর নবী দুলাল
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • মিশু মিলন
  • সুমিত রায়
  • মিসির আলী
  • হেজিং

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

অপ্রিয় কথা এর ব্লগ

আল্লামা শফী, এক ইসলামিক মহান যৌদ্ধা। অতঃপর শেষ জীবনে মালাউনদের কাছে পরাজয়!


আল্লামা শফী, এক ইসলামিক মহান যৌদ্ধা। অতঃপর শেষ জীবনে মালাউনদের কাছে পরাজয়!
--------------------------------------------------------

একজন পিতা যখন মেয়ের ধর্ষক....


কিছু কিছু খবর শুনে একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়, বিষ্ময়ে অনেকটা বোবা করে আমাদের। মাঝে মাঝে ভাবি, দিন দিন মানুষের আচার ব্যবহার কোন পর্যায়ে নেমে যাচ্ছে। একজন পিতা তার মেয়েকে ধর্ষন করেছে। একবার না দুবার না, দীর্ঘ আট বছর ধরে! এটা শুনতেও তো লজ্জায় কান গরম হয়ে যায়। কিভাবে পারে মেয়েকে ধর্ষণ করতে? মেয়ের প্রতি এটা কোন ধরণের অনৈতিকবোধ? এই ও কি সম্ভব? যে ধর্ষকের কথা বলছি, তিনি একটি টিভি চ্যানেলের শব্দ প্রকোশলী। তার নাম আরমান হোসেন সুমন। তিনি তার স্ত্রীর আগের পক্ষের মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছেন দীর্ঘ ৮ বছর ধরে। এতক্ষনে আপনারা মনে মনে হয়তো বলছেন, নিজের মেয়ে তো নয়। দ্বিতীয় স্ত্রীর পক্ষের মেয়ে। আমার কথা হল, হোক না দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে, তাই বলে দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়েকে ধর্ষন করা এটা কোন সভ্যতায় জায়েস? এটা নিজের মেয়েও তো হতে পারত। আর যেকোনো মেয়েকে ধর্ষণ করা যায় এটা কোন সভ্যতার রীতি? এর আগেও গত বছ রআমরা খবরে দেখেছি স্বয়ন পিতা নিজের মেয়েকে ঘুমের ওষৌদ খাইয়ে দিয়ে প্রতিরাতে মেয়েকে ধর্ষন করতেন।

সুপ্রীতি ধরের লেখা: অতপর উইমেন চ্যাপ্টারের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে আমরা বাক স্বাধীনতার কবর রচনা করছি না তো?


অনলাইনে সুপ্রীতি ধরকে চিনি বছর দুয়েক ধরে। তিনি বছর দুয়েক আগে বিদেশের কি একটা পুরস্কার (ঠিক মনে করতে পারছিনা) পেয়েছিলেন। এরপর দেশে আসার পর সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশের কে জানি (কোন প্রতিষ্ঠান জানি না) তাঁকে একটা লেফটপও গিফট করেছিলেন। সেই থেকে (দুই বছর আগে থেকে) আমি ওনাকে ফলো করছিলাম আমার সুপরিচিত আগের "অপ্রিয় কথা" আইডি(আইডিটা মৌল্লারা বন্ধ করে দেয়) থেকে,যেটা এখন নেই। এটা অপ্রিয় কথা'র দ্বিতীয় আইডি। তো যা বলতে চাইছিলাম। সুপ্রীতি ধরকে ফলো করার অন্যতম কারণ ছিল তার পদবী। কারণ এই ধরনের চেনা জানা পদবী সাংস্কৃতির বিপ্লবে খুব কমই আসে। এই পদবীর মেয়েগুলো অনেকটা ঘরকুনো হয়। আমার নিজের চোখে দেখা। তো সেই কৌতু

বাণিজ্যিক ডাক্তার: ডাক্তারী পাশ করে তারা কসাই হয়, মানুষ হয়না


এদেশের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীরা ডাক্তারী পাস করার পর ডাক্তারই হয়, কিন্তু মানুষ হয়না। দীর্ঘদিন ডাক্তারী অভিজ্ঞতার পর যখন চেম্বার নিয়ে বসে, তখন তারা আর ডাক্তার থাকেনা, একেকটি কসাই হয়!

ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী সরকার বনাম বাংলাদেশ অসম্প্রদায়িক সরকারের নীতি। তবুও আমরা অনেক নিচে!



এদেশের নির্যাতিত হিন্দু সংখ্যালঘুদের পক্ষে দাঁড়িয়ে যখন আমরা গুটি কয়েকজন মুসলিম-সাম্প্রদায়িক আক্রমনের বিরুদ্ধে দু-কলম লিখে প্রতিবাদ জানাচ্ছি, চিৎকার করছি, ঠিক তখন ঐদেশে (ভারতের হরিয়ানা আর ঝাড়খণ্ডে) উগ্র হিন্দুবাদীরা গরুর মাংস বহন করা কিংবা ভক্ষন করার অপরাধে (?) দুই সংখ্যালঘু মুসলিম মানুষকে পিঠিয়ে মেরে ফেলেছে। এটা শুনে লজ্জায় মাথা হেট হয়ে যায়। কি ভয়ানক সাম্প্রদায়িকতা আমরা বহন করে চলেছি এই একবিংশ শতাব্দীতে! মানুষ ধর্মের জন্য কিভাবেই না অমানুষ হয়ে উঠেছে।

হিন্দু সংখ্যালঘু ধন্যরাম হত্যাঃ রাষ্ট্র তার দায় কতটুকু নিতে চায়?



ধন্যচন্দ্র রায় একজন ১৬ বছরের কিশোর। ডাকনাম ধন্যরাম। ধন্যরাম এখন শুধুই লাশ। যেই কয়েকদিন আগেও দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার তারাপুর গ্রামে ছিল এক জীবন্ত কিশোর। হয়তো ক্ষেতের কাজে যোগান দিয়ে মাকে সাহায্য করতো। ধন্যরামের বাবা মৃত, নন্দি রায়। মাতা পারনি বালার একমাত্র সন্তানই ছিল ধন্যরাম। বাবা নেই, হত দরিদ্র পরিবার। ক্ষেত খামারি করে সংসার চলে। বিপত্তিটা ঘটল এই মাসের শুরুর দিকে গত ২ই জুন।

ভাস্কর্য অপসারণঃ এটা প্রগতিশীলতার পরাজয় নাকি রাষ্ট্র ও মুসল্লীদের অসভ্যতার পরিচয়?


বেশ কয়েক মাস আগে উচ্চ আদালতের চত্বরে বিশ্ব-ন্যায়-বিচাররের প্রতীক গ্রীক দেবী থেমিসের "জাস্টিসিয়া" ভাস্কর্যটি স্থাপন করেন ভাস্কর-শিল্পী মৃণাল হক। এতোদিন ধরে বাংলাদেশ হাই কোর্টের সামনে ন্যায়-বিচারের প্রতীক জাস্টিয়ার ভাস্কর্যহীন শিল্পের যেই অপুর্ণতাটুকু ছিল, উচ্চ আদালতের সামনে জাস্টিসিয়া ভাস্কর্যটি স্থাপন করে শিল্পী মৃণাল হক যেন সেই অপুর্ণতাকে পুর্ণ করে দিয়েছিলেন। ডান হাতে তলোয়ার, বাম হাতে বিচার- মাপকাঠির দাঁড়িপাল্লা সজ্জিত ন্যায়-বিচারের প্রতীকী ভাস্কর্যটি উচ্চ আদালতের সামনে খুব শোভা পাচ্ছিল। হাই কোর্টের ভাবমুর্তি যেন কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এদেশে এমন একটি ধর্মীয় গৌষ্টি আছে, তাদের জাস্ট

মুসলমান সেটেলারদের দেয়া আগুনে জ্বলছে পাহাড়ী আদিবাসীদের আবাসস্থল লংদুত!


রাঙামাটির লংদুতে বাঙালী সেটালারদের দেয়া আগুনে জ্বলছে এখন পাহাড়ী আদিবাসীদের শত শত বাড়ি-ঘর। দাউ দাউ করে জ্বলছে আদিবাসীদের মাথা গোঁজার একমাত্র আবাসস্থলগুলো। নিজের ঘর-বাড়ি ছেড়ে আদিবাসী নারী, শিশুগুলো দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করছে। ৯০% মুসলমানের দেশে বাস করা এই যেন এক বিভীষিকাময় অভিশাপ!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অপ্রিয় কথা
অপ্রিয় কথা এর ছবি
Offline
Last seen: 18 ঘন্টা 40 min ago
Joined: শনিবার, ডিসেম্বর 24, 2016 - 2:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর