নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মৃত কালপুরুষ
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সামসুল আলম
  • এস. এম. মাহবুব হোসেন
  • ইকরামুজ্জামান
  • রবিউল আলম ডিলার
  • জহুরুল হক
  • নীল দীপ
  • ইব্রাহীম
  • তারেক মোরশেদ
  • বাঙলা ভাষা
  • সন্দীপন বিশ্বাস জিতু

আপনি এখানে

আব্দুর রহিম রানা এর ব্লগ

নারীবাদী গৃহকর্তীর মনোভাব


নারীবাদ একটি শব্দ, নারীবাদ শব্দটিও একটি বৈষম্য! বুঝতে কষ্ট হচ্ছে? না কষ্ট হওয়ার কিছু নেই। আমি এতে বুঝি একটি নারী শ্রেণী, প্রচলিত সমাজ থেকে নিজেদের বিভক্ত করছে। নিজেরাই নিজেদের আলাদা করছে। এখানে ধর্মের চাইতেও ক্ষতিকারক হয়ে উঠেছে এইসব বিভক্তকরণীয় মতবাদ । পৃথিবীতে যেমন মতভেদের অন্ত নেই তেমনিভাবে বৈষম্য ছড়ানোর জন্য মানুষের অভাব নেই। তবে আমি বলছি না নারীবাদী নামক নারীরা নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলিয়েন না, তবে আমি মনে করি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নারীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখুন। সাথে সাধারণ জনগনকে পাবেন। শুধু চিন্তা চেতনাটাকে বৈষম্যহীন করে এগিয়ে যেতে হবে।
(বিষয়টি অযথা লিখেছি)

শাকিলরা মারা গেলে আর মোমবাতি প্রজ্জ্বলন নয়


Shakil Mahmood আমি তাকে রুদ্র বলে'ই ডাকি। রুদ্র ডাকার মূল কারণটাই হচ্ছে, সে রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লার মতই কবিতা লেখে! তার কবিতার লাইনগুলো মাঝে মাঝে এক একটি পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়, তা মৌলবাদের অনুভুতি নেড়ে দেয়ার মতোই শক্তিশালী হয়। আবার কখনো কখনো কবিতার হাতুড়ি দিয়ে ঈশ্বরের হাড়-পাঁজড় ভাঙ্গে! আবার কখনো প্রেমিকার ঠোটে-ঠোট রেখে একা'ই পাড়ি জমায় বিপ্লবের সর্বোচ্চ চূড়ায়। ভালো লাগে রুদ্রকে ভালো লাগে তার কবিতাকে।

আমি নাস্তিক, তাতে আপনাদের সমস্যা কোথায়?


আমি নাস্তিক, তাতে আপনাদের সমস্যা কী?
কে ধর্ম পালন করলো না বা কে করলো সেটা তো আপনাদের দেখার বিষয় না। যার ধর্ম পালন করতে মন চাইবে সে করবে, যার করবে না সে করবে না। এখানে জোরজবরদস্তি করে, ভয় দেখিয়ে ও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মানুষকে ধর্ম পালন করানো কেমন লজ্জাজনক মনে হয়।

আপনাদের ধর্ম যদি ভালো কিছু বয়ে আনে, তাতে আমার আপনাদের ধর্ম পালন করতে সমস্যা নেই। এখন আপনাদের ধর্ম যেখানে মানুষকে নিজেদের মধ্যে বিভক্ত করে রেখেছে, সেই ধর্ম আমি কেন পালন করতে যাবো?

আপনাদের যে ধর্ম, পৃথিবীতে গরিব হত দরিদ্র মানুষের মূখে দু'বেলা ভাত তুলে দিতে পারে না। সেই ধর্ম আমি কেন মানতে যাবো?

প্যাঁচাল-৩


শেষ পর্ব

কান্ট যুক্তিবাদের আদর্শের নীতিকে গড়ে তোলবার বিশেষ চেষ্টা করেন। কিন্তু তার অনুমানিক স্থির সিদ্ধান্তের সঙ্গে প্লেটোর মতের মূলত কোনো প্রভেদ নেই। 'সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্' এর চিরন্তন আদর্শের উপর প্লেটোর দর্শন প্রতিষ্ঠিত, এর মধ্যে সত্যম্ এবং সুন্দরম্ পার্থিব জগতের স্থান-কাল-পাত্র জনিত সীমার অতীত ভূমা বিশেষ। কিন্তু নৈতিক স্বাধীনতা ভাবপ্রকাশের ক্ষমতা এই জগতেরই ব্যাপার-অসীমের নয়। সেই জন্যই পার্থিব সংজ্ঞার প্রয়োজন এবং কান্টের মতানুবর্তী দার্শনিকেরা তা উপলব্ধি করেছিলেন।

প্যাঁচাল-২


মূলত ভূমার অনুভূতির উপরই চিরাচরিত নৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠিত; তারই উপর এই দর্শনের ন্যায়-অন্যায়, দোষ-গুন, ভালো-মন্দ এইসবের ধারনা নির্ভর করে। এইসব আদর্শই মানুষের ব্যবহারিক জীবনের একমাত্র পাথেয়।

প্যাঁচাল-১


পাশ্চাত্যের নৈতিক আদর্শ প্রাচীণ প্রকৃতিবাদ ধর্মের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। আধুনিক নীতিশাস্ত্রও কোনো বিশেষ ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নয়। পাশ্চাত্য নৈতিক আদর্শের প্রবর্তক সক্রেটিস প্রকৃতিবাদ ধর্মের ঐশ্বরিক কল্পনায় বিশ্বাস না করার জন্য খুন হয়েছিলেন। মধ্যযুগের শেষভাগে মনুষ্যবাদ এবং যুক্তিপূর্ণ পরমার্থবাদ ধর্মের গোঁড়ামী এবং ঐশ্বরিক মোহের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালায়। প্রাচীণকালের এবং আধুনিক নীতিশাস্ত্রের অপরিবর্তনীয় এবং একনিষ্ট আদর্শ মূলত অন্ধবিশ্বাস। এই বিশ্বাস মানুষের স্বভাবজাত এবং একেই মানুষের শ্রেষ্ঠ নৈতিক আদর্শ হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। কিন্তু দার্শনিক চিন্তাধারা হিসেবে এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। সুতরাং পরোক্ষ

একটি তেঁতুল গল্প!


দীর্ঘদিন ইস্টিশন ব্লগ থেকে দূরে ছিলাম। আমার একটি লিখা মুমিনদের অনুভুতি ছিদ্র করে সাত আসমানে আল্লাহর কাছে জিব্রাঈল পৌছে দিয়েছে!! আল্লাহ্ এখনো আমায় তার চরণের তলে ডাকে নাই, ডাকিলে বেক্কেরে জানাইবো। "সেসব কথা থাক"

কিছুদিন আগে সিলেটের এক চায়ের দোকানে বসে সিগারেট খাচ্ছিলাম, পাশেই বসা ছিলো এক মুরব্বী টাইপের সাদা "দড়ি" থুক্কু দাড়ি, পরনে সাদা পাঞ্জাবী ও পায়জামা, আর আমার সামনে মধ্য বয়স্ক দুই ব্যাক্তি আর আমার ডান পাশে বৃদ্ধ চা বিক্রেতা।

আলোচনার ট্রফিক ছিলো "আল্লামা শফি"

গ্রীক দেবীর মূর্তি ও রাষ্ট্রীয় প্রধানমন্ত্রী


জঙ্গি ও মৌলবাদী সংগঠন হেফাজতে ইসলাম সুপ্রিমকোর্ট এর সামনে থেকে গ্রীক দেবীর মূর্তী সরিয়ে ফেলতে বর্তমান সরকারকে হুমকি দিয়েছে। হ্যা দিবেই তো! কেন দিবে না? সরকারী আমলারা স্বীকার করেছে পাঠ্য বইয়ের পরিবর্তন করা হয়েছে হেফাজতের নির্ধারিত সিডিউল মতো। বাহ্ হেফাজতে ইসলাম সত্যি সত্যি ইসলাম রক্ষায় লুঙ্গি বেধে নেমেছে! তবে এইবার হেফাজত চক্র নেমেছে সুপ্রিমকোর্টের মূর্তি সরাতে, আর সেটাও বাস্তবায়ন হবে কোন সন্দেহ নেই।

তবে হেফাজতকে যেভাবে আশকারা দেওয়া হচ্ছে, আমলা-কামলা স্বয়ং মন্ত্রীরাও তাদের তোষামোদ করে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আব্দুর রহিম রানা
আব্দুর রহিম রানা এর ছবি
Offline
Last seen: 19 ঘন্টা 56 min ago
Joined: রবিবার, ডিসেম্বর 18, 2016 - 12:55পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর