নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ইতু ইত্তিলা এর ব্লগ

শফি হুজুররা আসলে কতটা ক্ষমতাবান?


প্রধানমন্ত্রী, তাঁর মন্ত্রী, সরকারি আমলা, বড় বড় ব্যবসায়ী, পুঁজিপতি, এনজিও কর্তা সবার ঠাঁটবাট এইসব নারী শ্রমিকদের ১২ ঘন্টা শ্রমের ঘামে গড়া। দেশ চালানোর অর্থ আসে শ্রমিকদের কাছ থেকে, আর দেশ চালানোর পদ্ধতি আসে শফি হুজুরের কাছ থেকে। আর শফি হুজুরের আদর্শ বাস্তবায়নে হুজুরের ব্যক্তিগত পুতুল হিসেবে চেয়ারে বসেছেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা। এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে!

বিশ্বাস!


আদিম যুগের মানুষ জানত না অনেক কিছু, তারা জানত না কেন চাঁদ ওঠে, কেন সূর্য ওঠে, তাদের অজ্ঞতার কারণে তারা অনেক বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে লালন করত। প্রাচীন গ্রিসের লোকেরা বিশ্বাস করত, পৃথিবী চালান দেবতারা, আর তাদের কর্তা হল জিউস, তিনি পৃথিবীতে পাঠান বিজলির ঝলক। প্রাচীন গ্রিক কাহিনীর মতোই পুরানো ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ন আর মহাভারতের কাহিনীগুলো। এসব কাহিনীতে বলা হয়েছে, আকাশে বাস করেন দেবতা আর অসুররা। এই দেবতারা কেউ চালান সূর্যকে, কেউ সৃষ্টি করেন ঝড়-বৃষ্টি। কখনো দেবতা আর অসুরদের মধ্যে বেধে যায় দারুণ লড়াই।

আত্মত্যাগ কেন হয় লজ্জার কারণ?


আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের গৌরবের ইতিহাস। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশের বীর সন্তান। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক লেখা আছে অনলাইনে। আমি সেসব আবার নতুন করে বলতে চাই না। আজ আমার লেখার বিষয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উপেক্ষিত একটি অংশ।

নারীবাদী মানে "এটা নয়, ওটা নয়, সেটা নয়.."


‘নারীরা কি চাইলে খাড়াইয়া মুততে পারবে? পারবে না, কাজেই পুরুষ যে অধিকার ভোগ করবে সেটা নারীরা ভোগ করার অধিকার রাখে না।’ এরকম মন্তব্য প্রতিনিয়ত শুনছি। যেন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ভয়ংকর গর্বের একটি কাজ। এরকম মন্তব্যকারীরা মনে করেন, নারীরা সমানাধিকার চায় মানে হল তারা পুরুষ হতে চায়, পুরুষের মত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে চায়। ‘নারীবাদ মানে পুরুষ হবার চেষ্টা নয়’। এধরণের মন্তব্য তাদের মুখেই শোভা পায়। প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিত কেউ এধরণের মন্তব্য করলে বুঝতে হবে, তিনিও দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার গর্বে গর্ভবতী হওয়া গ্রুপের একজন গর্বিত সদস্য। তাদের ধারণা, পুরুষ হওয়া গর্বের কিছু। তাই নারীরা শুধু পুরুষ হতে চায়। আহা! ভেবে কী সুখটাই না পায় তারা!

নারীবাদ যখন শিশ্নের আগায়


আমার নাস্তিক বন্ধুরা আমাকে নারীবাদের একটি সীমারেখা এঁকে দিয়েছেন, এর বাইরে কিছু বললে তাঁরা আমাকে 'উগ্রনারী' আমার নারীবাদ'কে 'উগ্রনারীবাদ' বলেন। পুরুষতন্ত্রের স্রষ্টা যেহেতু পুরুষ সেহেতু পুরুষতন্ত্রের কথা লিখতে পুরুষের কথাও এসেছে। আমার একসময়ের সমমনা বন্ধুরা আমাকে অবাক করে বললেন, আমি নাকি সরলীকরণ করছি। যারা পুরুষতান্ত্রিক চেতনার মানুষ নন তাঁদের কেন আমার কথা গায়ে লাগাতে হয় আমি বুঝে উঠতে পারি না। বাঙ্গালি লেখকদের লেখায় কত পড়েছি বাঙ্গালি নারী নিয়ে নানান কথা। বাঙ্গালি মেয়ে শাড়ি পরতে পছন্দ করে, শাড়ির সাথে মিলিয়ে একটা টিপ পরে, সাথে চুড়ি... আমি শাড়ি পরি না, টিপ চুড়িও না।

আম্মু তোমার কোলে তোমার বোলে


আজকাল অনেকেই স্মার্ট সাজতে কথা বলার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করি। এরই প্রতিবাদে বায়ান্ন নিয়ে একটি গান শুনছিলাম। শিল্পীর নাম নাজির মাহামুদ। না, শিল্পীর নামে বাংলার চিহ্ন নেই। এতে অবশ্য শিল্পীর কোনো দোষ নেই। বাঙালি মুসলমানের নাম মানেই যেন অদ্ভুত অর্থের আরবি শব্দ। বেশিরভাগ আবার আরবি শব্দগুলোর অর্থ না বুঝেই আরবির প্রতি গভীর প্রেম থেকে নামগুলো রাখে। আরবি শব্দ এত্তেলা থেকে ইত্তিলা শব্দটি এসেছে যার অর্থ সংবাদ। স্কুল কলেজে অনেকেই আমার নামের অর্থ জানতে চেয়েছে। কারণ এ শব্দ তারা আগে শোনে নি। বাংলা ডিকশনারিতে আছে নাকি? -প্রশ্ন অনেকের। নামটা অপরিচিত বলেই বাংলা ডিকশেনারিতে আছে কিনা জানার ইচ্ছে। যদিও বিভিন্ন অদ্ভুত অর্থের আরবি নাম অহরহ শুনে এতটাই পরিচিত হয়ে গেছে, সেগুলোর সাথে যে বাংলা ডিকশনারির কোনো সম্পর্ক নেই সেদিকে নজর নেই। নজর নেই বলাটা বোধহয় ভুল হবে। আরবি নাম মানে ইসলামিক নাম, এ ধারণা থেকেই তো সবাই আরবিতে নাম রাখে। এখন আরবিতে সেই শব্দের অর্থ ছাগল হোক বা ভেড়া, তাতে কী যায় আসে? আরবি তো আরবিই। আর তাছাড়া বাংলা নামগুলো অনেকটা ‘হিন্দু হিন্দু’ শোনায়। মুসলমানের নামে ‘হিন্দু হিন্দু’ গন্ধ, একজন মুসলমানের জন্য এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কিছু হয় না।

পুরুষত্বে সিগারেটের ছেঁকা!


সুন্দরবন রক্ষার হরতালে একটি মেয়েকে ক্যামেরা হাতে সিগারেট ফুঁকতে দেখা গেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে মেয়েটি তীব্র সমালোচনাও নিন্দার মুখোমুখি হয়। যেন রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রও এতটা পরিবেশ দূষণ করতে পারবে না, যতটা একটি মেয়ে সিগারেট ধরিয়ে করে ফেলেছে।

পুরুষানুভূতি ও তসলিমার নির্বাসনের ইতিকথা


'তসলিমা নাসরিন’ নামটির পাশে বাংলাদেশের অনেক সাংবাদিকেরা ‘বিতর্কিত লেখিকা’ শব্দটি লিখে খুব আনন্দ পায়। তসলিমা নাসরিনের একটি বইও যে পড়ে নি, তাকে যদি জিজ্ঞেস করেন, তসলিমা নাসরিন’কে সে চিনে কিনা, সে হয়তো বলবে, ‘ওই যে ইসলাম বিদ্বেষী বিতর্কিত লেখিকার কথা বলছেন?’ তসলিমা নাসরিনের লেখা পড়ে আমার কখনো মনে হয় নি তিনি বিতর্কিত কিছু লিখেছেন। আমার কাছে তাঁর আদর্শ, চিন্তা -চেতনা একেবারেই স্পষ্ট ও সঠিক মনে হয়েছে। অবশ্য যারা নারীর সমানাধিকারে বিশ্বাসী নন, যারা নারীকে কেবল মা-বোন-বধূ রূপেই দেখতে পছন্দ করেন তাদের কাছে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়গুলো বেশ বিতর্কিতই মনে হবে। তবে আশার কথা, ইদানীং বেশকিছু পত্রিকা বিতর্কিত

পুরুষ নারীর রক্ষক হলে, ভক্ষকটা তবে কে?


আমাদের সমাজে নারীকে দমিয়ে রাখার প্রধান অস্ত্রটি হল ‘চরিত্র’। পুরুষ নাকি চাইলে পারে, নারীর চরিত্র ‘নষ্ট’ করতে। সীমার বাইরে গেলেই নারীকে ‘সম্ভ্রম’ হারানোর ভয় দেখানো হয়। নারীর সম্ভ্রমটির অবস্থানটা ঠিক কোথায়? যোনির ভেতরে নাকি?

এই ভয়ের কাছে পরাজিত হয়েই নারী আজও বন্দী পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার কাছে। এই ভয়ই নারীকে বাধ্য করছে পুরুষের আধিপত্য মেনে নিতে।ঘরে বাইরে সব জায়গায় যৌন সন্ত্রাসীরা ওঁত পেতে থাকে, নারীর চরিত্র নষ্ট(!) করতে। আর যৌন সন্ত্রাসীদের চরিত্র নষ্ট হয় কিসে শুনি?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ইতু ইত্তিলা
ইতু ইত্তিলা এর ছবি
Offline
Last seen: কখনোই নয় ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 8, 2016 - 11:23অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর