নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

রিপন চাকমা এর ব্লগ

সেনাশাসন, মুখোশবাহিনী, অপহরণ এবং আমার ভাবনা


স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা যড়যন্ত্র, সেনাশাসন জারি রয়েছে। ১১ দফা নির্দেশনা জারির পর তা আরো পাকাপোক্ত করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত সেটলার বাঙ্গালিদের দিয়ে জায়গা জমি দখল করা হচ্ছে। গণহত্যা, ধর্ষণসহ নানা ছড়যন্ত্রের বীজ বপন করা হচ্ছে।সর্বশেষ বিলাইছড়িতে দুই মারমা তরুণীকে ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্তা করা হয়েছে। চাকমা সার্কেলের রাণীকে শারীরিকভাবে নিগৃহীত করা হয়েছে। পাহাড়ে সংঘাত সৃষ্টির পায়তাঁরা চালাচ্ছে সেনাবাহিনী চিহ্নিত কিছু অংশকে মদদ দিয়ে, প্রশাসনিক সুবিধা দিয়ে।

নানিয়াচরে পিসিপি নেতা রমেল চাকমার লাশ ছিনতাই করেছে সেনাবাহিনী


নান্যাচর: সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে
চট্টগ্রাম মেডিকেলে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও পিসিপি
নেতা রমেল চাকমার লাশটিকে বাড়িতে নিতে দেয়নি
সেনা সদস্যরা। তারা লাশটি ‍নিজেদের হেফাজতে
নিয়ে রেখেছে বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বিকালে রমেল চাকমার
লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে নিয়ে আসা হয়।
রাত ৮টার দিকে লাশটি বুড়িঘাট বাজারে পৌঁছানোর পর
তার আত্মীয়রা লাশটি গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে
যেতে ট্রলারে (ইঞ্জিনচালিত নৌকা) উঠলে একদল
সেনা সদস্য লাশ বহনকারী ট্রলারটি আটকায় এবং

সাজেকে সেনাবাহিনীর কৃত্রিম দূর্ভিক্ষ সৃষ্টির পায়তারা


১.সাজেকের উজো বাজারকে ঘিরে শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর নতুন নীলনকশা।বাজারটি বন্ধ করতে নানা হীন তৎপরতা চালাচ্ছে।বাজারের পেছনের গল্পটা জানা যাক!

পাহাড় সংস্কৃতির হালচাল: ১


রনজিৎ দেওয়ান এর মত প্রবীন সংস্কৃতি কর্মীকে অনেক শ্রদ্ধা করতাম। অন্য কারোর গানে না হোক তার গানে পার্বত্য চট্টগ্রামের জীবন প্রকৃতি সংগ্রামের ঠিকানা খুজে পেতাম। সবচেয়ে অবাক হয়েছিলাম সেদিন যেদিন তিনিও সেনাবাহিনীর ফাঁদে পা দিয়েছেন। সেনাবাহিনীর সৃষ্ট মেকানিজম শান্তকরন প্রকল্পে তিনি ও সেদিন অংশগ্রহন করেছেন। তাদের টাকাই তিনি ও গান করছেন আর গন মানুষের চেতনাকে পদদলিত করছেন। সমাজের সবচেয়ে প্রগতিশীল অংশ সংস্কৃতি কর্মীদের মনে করা হয়। সংস্কৃতি কর্মীরা সংস্কৃতি চর্চাকে কখন ও কেবল বিনোদনের অংশ হিসাবে ভাবতে পারি না। শিল্প সংস্কৃতি কর্মীরা সমাজের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে ভাব প্রকাশ করার মাধ্যম ও বটে। সংস্ক

পাহাড়ে আবারো বিজয় দিবস বর্জন করুন


আরো ৫ দিন পর মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পনের মধ্যে দিয়ে এদেশ চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।এর গুরুত্ব অবশ্যই তাৎপর্যময়।কিন্তু এটি কি দেশের সকল অংশের জন্য আনন্দময়,গর্বের হতে পেরেছে?উত্তর হবে ---না।

পিসিজেএসএস'র তোষন নীতি ও সন্তু লারমার গলাবাজি


আন্তর্জাতিক কোনো শক্তি বা জাতীয় ক্ষেত্রে,ক্ষমতাসীন কোনো সরকারের অন্যায় বা গণবিরোধী ভূমিকা সত্ত্বেও তাকে তোষণ করার মাধ্যমে অবস্থা পরিবর্তনের ভ্রান্ত আশামূলক নীতিই হলো তোষণনীতি(Policy of Appeasement)।দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পূর্বে ব্রিটেন ও ফ্রান্স এই নীতি গ্রহণ করার মাধ্যমে সমালোচিত হয়।

ধর্ষণ!


বর্তমানে বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারী আকার ধারণ করেছে।পত্র-পত্রিকার পাতা খুললেই ধর্ষণ-গণধর্ষণের খবর পাওয়া যায়।দিনে দিনে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, শিশু থেকে বৃদ্ধা কেউই বাদ যাচ্ছে না।এর কারণ নানাবিধ হতে পারে।যার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হচ্ছে মানুষের মূল্যবোধের অভাব,পর্ণগ্রাফি দেখার মাধ্যমে বিকৃত মানসিকতা তৈরি হওয়া,বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা ও সঠিক বিচার না হওয়া।

মানুষের মূল্যবোধ এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে।
তারা অপরাধ সংঘটনে কোন বাছ-বিচার করছে না।এক্ষত্রে আইনী গলদও পরোক্ষ ভূমিকা রাখছে।

পার্বত্য চুক্তি পরবর্তী সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলা


পাহাড় কি আদৌ মুক্ত?প্রতারণার চুক্তির মাধ্যমে হাসিনা জাতিসংঘ থেকে শান্তি পুরস্কার কবজা করলেও বটে,এটা ছিল আন্দোলনকে দমিয়ে রাখার একটা কৌশল মাত্র।পার্বত্য চট্টগ্রামকে এখনও দেশের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে।এখানকার সংবাদ দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে পাওয়া যায় না,যৎসামান্য পাওয়া গেলেও সেগুলো ভুলে ভরা আর সেনা প্রশাসনের সেন্সরের মাধ্যমে সত্য বিবর্জিত।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জনৈক বন্ধুর আফসোস এবং সিএইচটি প্রসঙ্গ


বাঙ্গালি সমাজ আসলে এতটায় হুজুগে যা বলার বাইরে। তারা যুক্তির বদলে আবেগকে বেশি প্রাধান্য দেয়।তারা ধর্ম বলতে অজ্ঞান! হিতাহিত জ্ঞান শূণ্য হয়ে পরে যায়। এ লেখার অবতারণা করছি মূলত মায়ানমারের সরকার কর্তৃক রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর হামলার ব্যাপারে আমার বন্ধুমহলের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে। গত ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষে ক্যাম্পাসের চত্ত্বরে এসে পৌছামাত্র এক ছেলে (অন্য ডিপার্টমেন্টের) পিছন থেকে "চাকমা" বলে ডাকলো। আমি পিছন ফিরে তাকাতেই জিজ্ঞেস করলো--
-- তোরা বৌদ্ধরা তো মুসলিমদের মেরে ফেলছো!

পাহাড়ের দোষারোপের রাজনীতি


১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামীগ সরকারও জেএসএস-এর মধ্যকার স্বাক্ষরিত চুক্তিতে অনেকগুলো মৌলিক বিষয় অনুপস্থিত ছিল । প্রথমদিকে জেএসএস এ অভিযোগটি অস্বীকার করেছিল।

চুক্তির প্রায় ৫ বছর পর ২০০৩ সালে রাঙ্গামাটির তখনকার এসপি হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন," চুক্তি,ধারা এসবের কথা ভুলে যান। ওটা একটা মূলা! আ্ওয়ামীলীগ এটা ঝুলিয়ে রেখেছে"। এর সত্যটা পাওয়া যায়, গেজেট জারির পরও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদে চুক্তি বাস্তবায়নের কোন নির্দেশনা না পাঠানোয়।

বোর্ডিং কার্ড

রিপন চাকমা
রিপন চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 3 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 1, 2016 - 1:16পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর