নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

সুবিনয় মুস্তফী এর ব্লগ

আনন্দহীন জীবনানন্দ : কবি অথবা শিল্পীর মৃত্যু


সুনীল গাঙ্গুলি লিখেছিলেন

"শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার
জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা
ভুবন পেরিয়ে আসা, শুধু কবিতার জন্য...
শুধু কবিতার জন্য, আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়।
মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা,
শুধু কবিতার জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি।”
 (শুধু কবিতার জন্য)

বাঙালির বিজয়ে পাকি সামরিক দস্যুদের অবদান!


আমাদের বিজয়ের মাস চলছে ।ইতিহাস বিকৃতির এই দেশ ও ইতিহাস বিস্মৃতিপ্রবণ এই জাতি হয়তো আগামী বছর পঞ্চাশের মধ্যে ভুলে যাবে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের কথা। যারা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানবে তারা হয়তো শুধু একাত্তর সালকেই জানবে, ভুলে যাবে পাকিস্তানি বঞ্চনা ও নির্যাতনের চব্বিশ বছর। সেই ইতিহাস দীর্ঘ। এক্ষনে আমি একাত্তরের কিছু পাকিস্তানি দানবের কথা বলবো....

চেতনার বিপণন, বঙ্গবন্ধুর বাণিজ্যিকীকরণ এবং আমাদের লজ্জা


মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাসে এসে পড়েছি আমরা। মুক্তিই চেয়েছিলাম আমরা। আজ হিসেব কষে দেখলে সবাই একমত হবেন যে মুক্তি হয়নি আমাদের। তাই বলে যুদ্ধটা বিফলে গেছে তা নয়। পাকিস্তানের কবল থেকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। সেটাও কম কথা না। ইতিহাসে এই প্রথমবার বাঙালি তার নিজের ভাগ্যের গতি নির্ধারণের নিরঙ্কুশ রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করলো। কিন্তুু আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিলো আরো বিস্তৃত, আমাদের পাবার ছিলো বিস্তর। অথচ সেসব আকাঙ্ক্ষারা আজ মৃত। পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ শাসন থেকে মুক্তি অর্জন করে কিছু বছরের মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশে আবার ফিরে এসে মরহুম পাকিস্তানের প্রেতাত্মা। দেশের বিরাট সংখ্যক মানুষ এখনো সেই পাকিস্তানবাদের

কেন পড়ি কবিতা?


কবিতা- একটা সীমাহীন, সীমানাহীন অদৃশ্য অথচ অনুভবযোগ্য সুবৃহৎ জগৎ। বসবাসযোগ্য কুটির অথবা পালিয়ে থাকার মত অরণ্য , নিরাশ্রয়ীর গৃহ, বিত্তহীনের সম্পদ, ক্ষমতাহীনের সাম্রাজ্য এমনি আরও অনেক অনেক কিছু । কবির কাছে কবিতা দিগন্তহীন বিশ্বলোক। কিন্তু যারা কবি নন তারাও কেন কবিতার কাছে যায় ? পৃথিবীতে যদি কেউ কোনোদিন একটাও কবিতা না লিখতো ? কবিতা কি অনিবার্য ছিলো মানুষের সৃজনশীলতার ইতিহাসে?মানুষ পদ্যের ভাষায়, ছন্দ মিলিয়ে কথা বলতো একসময়। কিন্তুু সেটা কবিতা নয়। সৃজনশীল সচেতন প্রয়াসের মধ্য দিয়ে কবিতা রচনা কেন করলো মানুষ?

বাঙালি হিন্দুর মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা:অনুপস্থিতি উপস্থিতি


বাঙালি হিন্দু কোন ধোয়া তুলসী পাতা নয় ; বরং গঙ্গাজলের মতই নোংরায় পূর্ণ। বঙ্গীয় হিন্দুর সাম্প্রদায়িকতার উৎসমুখ সন্ধানে নেমে দেখছি হিন্দুর ধর্ম কম, সমাজ বেশী। দুনিয়ার যত কুপ্রথা আর কুসংস্কারকে ধর্মের নামে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছে এরা। তারপর একদিন হিন্দুর সেই সমাজ এমনই কঠিন- কঠোর, এমনই প্রভাব- প্রতাপশালী হয়ে উঠেছে যে ধর্মীয় রীতির নামে সমাজে যেসব প্রথা এবং অনুশাসন প্রচলিত ছিলো সেগুলোর আদৌ কোন ধর্মীয় ভিত্তি আছে কিনা এই প্রশ্ন যখনই কেউ তুলেছে তখনই হিন্দু সমাজপতিরা তেড়ে গেছে তার দিকে।তবে প্রশ্ন থেমে নেই, যথারীতি তেড়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়নি।

বাকস্বাধীনতা ও ভাতস্বাধীনতা দুটোই চাই


পৃথিবী প্রতিদিন নতুন নতুন সংকটের মুখে পড়ছে। এই সংকট শুধু যে ব্যবহারিক জীবনেই সীমাবদ্ধ তা নয়, মানুষের চিন্তা বা বুদ্ধিবৃত্তিক জগতকেও এলোমেলো করে দিচ্ছে। যেমন বাকস্বাধীনতার সংকট। বাক স্বাধীনতার সংকট পৃথিবীর প্রধান সমস্যা হয়তো নয়, কিন্তুু অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংকট। কে জানে এই বাকস্বাধীনতা না থাকার দরুণ আমরা পৃথিবীর কত সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞাত থেকে যাচ্ছি। আমরা জানতে পারছিনা বলে যে সমস্যাটা নেই তা তো নয়। সমস্যাটা থেকেই যাচ্ছে এবং সেটা নিয়ে আলোচনা না হওয়ার কারণে সেই সমস্যা সমাধানেরও কোন উদ্যোগ কেউ নিচ্ছে না। ফলে সমস্যা আরো ঘনীভূত হচ্ছে গোপনে । এবং একসময় প্রচণ্ড শক্তিতে সেই সমস্যা আমাদের সামনে বিরা

ফিদেল ক্যাস্ট্রোর মৃত্যু এবং গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বিতর্ক


স্বাধীনতা।মোটা দাগে প্রথমত দুইভাগে ভাগ করা যায় : রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। বহুল কথিত বাকস্বাধীনতা বা মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি রাজনৈতিক স্বাধীনতা। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে বুঝি ব্যক্তির অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকা- জীবনধারণের জন্য আয় উপার্জন করার মতো কাজের নিশ্চয়তা এবং দারিদ্র্যমুক্ত থেকে জীবনযাপন করতে পারার সক্ষমতা। দুটো স্বাধীনতাই ব্যক্তি আশা করে। কিন্তুু রাষ্ট্র তার সম্পদের সীমাবদ্ধতা এবং রাজনৈতিক কাঠামোর কারণে অনেকসময়ই তার নাগরিকদেরকে দুটো স্বাধীনতা একইসাথে ভোগ করতে দিতে চায় না। বেশিরভাগ রাষ্ট্রই আগে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয়। আ

বাঙালিত্ব : হুমায়ুন আজাদের চোখে


বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলাদেশের ভিত্তি। এটি অবিসংবাদিত এবং ঐতিহাসিক সত্য।এর দীর্ঘ একটা সুপ্ত পর্যায় শেষে পরবর্তীতে উত্থান ও বিকাশপর্ব আছে। জাতীয়তাবাদ বিকাশের প্রথম শর্ত একটি গোষ্ঠীর মধ্যে একাত্ববোধ এবং দ্বিতীয়ত এই গোষ্ঠীটি নিজেদেরকে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র বলে মনে করে। এই  একাত্ববোধ কিংবা স্বাতন্ত্র্যবোধ অনেকগুলো বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে। যেমন অভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ভৌগোলিক সংলগ্নতা, ধর্মীয় সমরূপতা, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক নৈকট্য প্রভৃতি। যে কোন নিদিষ্ট জাতীয়তাবাদের বিকাশে এগুলোর একটি বা একসাথে একাধিক বিষয় ক্রিয়াশীল থাকতে পারে। যেমন গ্রেট ব্রিটেন,ফ্রান্স, যুক্তরাষ্

পূর্ণতর শূন্যতা


ওহ! কি যন্ত্রণা! যন্ত্রণার জীবানুদের সাথে চূড়ান্ত বোঝাপড়া করতেই হবে।তাই এক মোক্ষম সময়ে নিদারুণ দুঃসাহসে আমার মাথাটাকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে অপারেশন টেবিলের উপর আনুভূমিকভাবে রাখি। চোখ থেকে দৃষ্টি খুলে নিয়ে চেতনানাশক পান করায়।দৃষ্টি চৈতন্য হারালে তাকেও রাখি টেবিলে। মন থেকে আলগা করে দিই মননের বাঁধন, জমাট বাঁধা বোধের বরফ। তারপর শুরু হয় আমার চাষাবাদ- চিরকালই চাষী আমি পৃথিবীর মাঠে।নির্মোহতার সূক্ষ অথচ তীক্ষ্ণ লাঙ্গল দিয়ে ব্যবচ্ছেদ করি আমারই মগজ, দৃষ্টি আর মন। দেখি সবখানে উপনিবেশ।আমার সুখ, আমার বেদনা, আমার হাসি আমার কান্না কিছুই আমার না। আমার সৌন্দর্যবোধ, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, অর্থনীতির খেরো খাতা, বিবেকের ইতিবৃত্ত; আমার সামাজিক মূল্যবোধ, সাহিত্যিক মনন; আমার ভোগবাদী ইন্দ্রিয় আর ভাববাদী দর্শন সব অসংখ্য ক্ষুদ্রঋণের জালে আবদ্ধ।আমার কোন আবিষ্কার নেই, কোন সৃষ্টিশীলতা নেই। কোথাও আমার আমি নেই।আমার মন ও চেতনার পুরোটা ভূগোল দখল নিয়ে বসে আছে স্বদেশী বিদেশি প্রভু, মনীষী, মহাজন...।

উনিশশো সাতচল্লিশ থেকে দুহাজার ষোলো : প্রলম্বিত ইতিহাস


ভারত যখন বিভক্তির উপকণ্ঠে, সেই ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত বঙ্গে তখন দাবী ওঠে আবারও বঙ্গ ভঙ্গের। এবং অতি অবশ্যই ধর্মের ভিত্তিতে । দাবিদার এবার আর ব্রিটিশ নয়, দেশীয়। হিন্দু মহাসভা চাইছিল হিন্দুদের জন্য পৃথক স্বতন্ত্র ও স্বাধীন আবাসভূমি । শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এতদূর পর্যন্ত গিয়েছিলেন যে তিনি বলেন ভারত বিভাগ না হলেও বঙ্গ বিভাগ করতে হবে। সাধারণ হিন্দুদের তাতে সমর্থন ছিল কিনা নিশ্চিত নয় তবে নেতারা যেহেতু চাচ্ছিলেন সম্ভবত সেহেতু বিভক্তি রোধ করা যায়নি। তাদের যুক্তি ছিল হিন্দুরা অবিভক্ত বঙ্গে যেখানে মুসলমানেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানে নিরাপদে কিংবা নিরুদ্বিগ্নে থাকতে পারবে না।ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঙালি অধ্

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সুবিনয় মুস্তফী
সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি
Offline
Last seen: 12 ঘন্টা 16 min ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 4, 2016 - 4:58অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর