নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

সুবিনয় মুস্তফী এর ব্লগ

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি :রাজনীতির ধর্মহীনতা


ধর্মভিত্তিক দল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বেও এই অঞ্চলে সক্রিয় ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নতুন করে আরো কিছু ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব ঘটেছে। তারপরও বাংলাদেশের সবগুলো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের মোট সমর্থকদের সংখ্যা আওয়ামীলীগ বা বিএনপি যে কারোর একক সমর্থকের সমান নয়। জামায়াতের সমর্থক সংখ্যা যতই কম হোক তাদের সংগঠন অত্যন্ত সুসংগঠিত,অর্থকড়ি প্রচুর এবং বিধ্বংসী ক্ষমতা মারাত্মক। সারা দেশের আনাচে কানাচে তাদের অল্পসংখ্যক হলেও সমর্থক এবং আকারে ক্ষুদ্র হলেও সংগঠন আছে। তবুও ভোটের হিসাবে তারা এখনো নগন্য। অন্যান্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ও সংগঠন সম্পর্কে খুব একটা জানা যায়না। প্রশ্ন

বুদ্ধিজীবীর ক্ষীনদৃষ্টি


আমাদের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যদিও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পদে কোনদিন পদোন্নতি পাননি;যোগ্যতার অভাবে নয়, যোগ্যতার প্রাচুর্যের কারনেই পাননি। আকাশচুম্বী বুদ্ধিজীবী তিনি । হুমায়ুন আজাদ তাঁকে বাংলার সক্রেটিস বলে অভিহিত করেছেন। আজকের বাংলাদেশে যে প্রবীণ বুদ্ধিজীবী সমাজ তাদের প্রায় সকলেই আব্দুর রাজ্জাকের পায়ের কাছে বসে থাকা ছাত্র এবং অনুগ্রাহী। বছর তিনেক আগে আব্দুর রাজ্জাক স্মারক গ্রন্থ বের হয়েছিল। হেন কোন বিখ্যাত বাঙালি বুদ্ধিজীবী নেই যিনি আব্দুর রাজ্জাকের বন্দনা করে সেখানে লেখেননি। তিনি এক কিংবদন্তী!

বাঙালি জাতীয়তাবাদ


স্বাধীনতাকে আমরা আরো গভীরতর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে বুঝতে শুরু করলাম ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে। ওই পর্যায়ে আমাদের জাতিচেতনা দ্বিজাতিত্ত্বের ধর্মকেন্দ্রিক সংকীর্ণ সংজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়ে উন্নীত হয় বাংলা ভাষা, বাঙালি সংস্কৃতি, এবং নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের ভিন্ন একটি জাতীয়তাবোধে। জাতীয়তাবোধের রাজনৈতিক রূপায়নই জাতীয়তাবাদ। সেই জাতীয়তাবোধ এবং জাতীয়তাবাদের আমরা নাম দিয়েছি "বাঙালি জাতীয়তাবাদ"।

ইউরোপের রাজনৈতিক শিক্ষা এবং আমাদের শিক্ষাহীনতা


ইউরোপ আজকে যে পলিটিক্যাল সিস্টেমে উন্নীত হয়েছে সেটার কয়েক শতাব্দীপ্রাচীন লিগ্যাসি আছে। অনেকগুলো ঐতিহাসিক পর্ব পার করে পরিবর্তন, সংযোজন, বিয়োজন আর নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে তারা বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে । সেই ঐতিহাসিক পর্বগুলো ইউরোপের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, চিন্তকদের লেখা দ্বারা উৎসাহিত । ইউরোপে রেনেসাঁ এসেছে, এজ অফ সায়েন্স,রিজন বা এনলাইটেনমেন্ট এসেছে। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সে ঘটেছে দু ধরনের বুর্জোয়া বিপ্লব, রাশিয়াতে সাম্যবাদী বিপ্লব। বিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্ভব করেছে শিল্প বিপ্লবকে।

বাংলার মুসলমান অথবা বাঙালি মুসলমানের জাতীয়তাবাদী ভাবধারার রূপান্তর (পঞ্চম পর্ব)


একটা বৃহত্তর জাতীয়তাবাদের ভেতরেই অনেকগুলো উপ-জাতীয়তাবাদ(sub-nationalism) থাকতে পারে। সেইভাবে ভারতবর্ষে অনেকগুলো উপ-জাতীয়তাবাদ এবং একটি সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদ একইসাথে বিরাজমান থাকা তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব ছিল, যদিনা সৈয়দ আহমদ প্রবর্তিত মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদ মুসলিম লীগের হাত ধরে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেত। কিন্তু ব্রিটিশদের ডিভাইড এ্যান্ড রুল পলিসি, ভারতের হিন্দু মুসলমান উভয়েই তার সহজ শিকারে পরিণত হওয়া,কংগ্রেসের ভেতরে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের উত্থান ও ক্রমেই প্রাধান্য বিস্তার করা, হিন্দুত্ববাদের পুনরুজ্জীবন,মুসলমানদের ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং পরিণতিতে সাম্প্রদায়িকতার উত্থান এবং সর্বোপরি আগেভাগেই অভিন্ন শত্রু হিসেবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে চিহ্নিত করতে না পারা ভারতবর্ষকে একত্রিত এবং অখন্ড রাখাকে অসম্ভব করে তোলে। এবং তার দুঃখজনক এবং রক্তক্ষয়ী পরিণতি হলো দ্বিজাতি তত্ত্বের মত ভুঁইফোড় ধারনার উপর ভিত্তি করে ভারত উপমহাদেশকে দ্বিখণ্ডিত করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যেই এশিয়াতে যে নয়টির মতো স্বাধীন দেশ জন্ম নেয় ভারত ও পাকিস্তান তাদের অন্যতম দুটো দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বাংলার মুসলমান অথবা বাঙালি মুসলমানের জাতীয়তাবাদী ভাবধারার রূপান্তর (চতুর্থ পর্ব)



বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উদ্ভব,বিকাশ এবং পরিণতি বেশ কিছু স্তর পার হয়ে ক্রমে ক্রমে বিকশিত হয়েছে ।প্রথম পর্যায়ে ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন, তারপরে পাকিস্তান কর্তৃক অভ্যন্তরীণ উপনিবেশে পরিণত হওয়া, সেই উপনিবেশে ধর্মের নামে পাকিস্তানী দুঃশাসন, জাতিগত নিপীড়ন এবং সাম্প্রদায়িক আচরণ ইত্যাদির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে বাঙালির জীবনযাত্রা। পাকিস্তান যদি বাংলাভাষী মানুষের উপর উর্দু চাপিয়ে না দিতো বাঙালি হয়তো আরো অনেকদিনই নিজেদের জাতিসত্তা সম্পর্কে অচেতন থাকতো।ভাষা আন্দোলন কি অবিশ্বাস্য দ্রুততায় বাঙালির জন আন্দোলনে পরিণত হয়েছিলো সেকথা স্মরণযোগ্য।

বাংলার মুসলমান অথবা বাঙালি মুসলমানের জাতীয়তাবাদী ভাবধারার রূপান্তর (তৃতীয় পর্ব)



অধ্যাপক নেহাল করিম 'জাতি' সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্ডিতের ধারণা বিশ্লেষণ করে 'জাতি'র কতগুলো সাধারণ বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন। তাঁর ভাষায় "nation is characterised by solidarity,common will,strong urge to become or to remain self-governed and independent." এই যে solidarity (সংহতি)র কথা বলা হয়েছে সেটা একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তৈরী হয়। একই ভৌগোলিক এলাকাতে বসবাস,অভিন্ন ইতিহাস- ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার,একই রকমের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক জীবন এবং অভিজ্ঞতা থেকে জাতীয় সংহতির উৎপত্তি হয়। আরেকটা কথাও বলে রাখা প্রয়োজন যে ভৌগোলিক অখন্ডতা জাতি গঠনের একটা প্রয়োজনীয় শর্ত, তবে এটাই সব নয়। ( necessary condition but not a sufficient condition) ।

বাংলার মুসলমানের অথবা বাঙালি মুসলমানের জাতীয়তাবাদী রূপান্তর (প্রথম পর্ব)



একটা বিষয় এখানে উল্লেখ করা দরকার।বর্তমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় অতীতের ঘটনাবলীর বা ইতিহাসের পুনর্মূল্যায়ন এবং পুনর্লেখন হয়। ইতিহাসের ঘটনা বদলানো যায় না কিন্তুু পরবর্তীকালের বাস্তবতা এবং জ্ঞানের আলোকে ইতিহাসের ব্যাখ্যা বদলায়। এ কারনেই ইতিহাস বারবার লেখা হয়। এ কারনেই ইতিহাস বর্তমানের প্রয়োজনের অনুগত। (আহমেদ কামাল :২০০১) সুতরাং ১৭ সালে দাড়িয়ে ৭১ সালকে একটা মানদন্ড হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে একাত্তর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ইতিহাসের ভেতর একটা বিশেষ কিছু অনুসন্ধান করাটা আমার স্পর্ধার প্রকাশ হলেও অপরাধের প্রকাশ বলে গন্য হবে না আশা করি।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সুবিনয় মুস্তফী
সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 4, 2016 - 4:58অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর