নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ লীনা
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

সুবিনয় মুস্তফী এর ব্লগ

নাস্তিকের লেখালেখি


ঘটনা এক

এপিসোড এক :
ধরা যাক আমি বেশ দরিদ্র একজন মানুষ, গ্রামে বসবাস। ভোট দিই বটে তবে কোন দলের সাথে, গ্রামের নেতা গোছের কারো সাথে আমার কোন খাতির নেই। কোন এক সময় গ্রামের একজন প্রভাবশালী নেতা এবং তার সহচরদের দ্বারা আমি আক্রান্ত, অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং শারিরীকভাবে নিগৃহীত হলাম।

এপিসোড :দুই
আমি গেলাম থানায়। পুলিশ মামলা নিল না। উল্টো আমাকেই ধমকালো। আবার সেই নিপীড়নকারী নেতার হাতে আমি দ্বিতীয় দফা নিগৃহীত হলাম।

ধার্মিক ও অসাম্প্রদায়িক : পারষ্পরিক সম্পর্ক


ধার্মিকতা এবং অসাম্প্রদায়িকতা একসাথে যায়না। এই থিসিসটা শুনতে খারাপ এবং ভাবতে নির্বোধের মতো মনে হয় অনেকের কাছে। তবুও একবার ভেবে দেখা যাক।

তার আগে একটা কথা বলে রাখি।কলহপ্রিয় মানুষেরা বলেন যে ধর্ম বলতে বোঝায় কোন কিছুর অর্ন্তগত বৈশিষ্ট্য। যেমন আগুনের ধর্ম উত্তাপ, বাতাসের ধর্ম প্রবাহমানতা ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের জন্য জ্ঞাতব্য হচ্ছে পদার্থের বৈশিষ্ট্য (Properties) আর মানুষ কর্তৃক মান্য সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাকেন্দ্রিক ধর্ম (religion) - এ দুটোকে একসাথে গোলাবেন না। যদি না গোলান তাহলে পরের কথায় আসি।

সভ্যতার সংঘাত : রোহিঙ্গা ইস্যুতেই কি সংঘাতের বীজ?


মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী Francis Fukuyama ১৯৯২ সালে বই প্রকাশ করলেন The End of History and the Last Man.বইয়ের মর্মার্থ এই যে সমাজ এতদিন ধরে যেমন বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছে সেই অগ্রযাত্রার এখানেই ইতি। ''এখানে" বলতে ফুকুওমার মতে " Liberal Democracy" তে উন্নীত হওয়া। ভেঙে বললে দাড়ায় যে সকল দেশ বা জাতি নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে Liberal Democracy র পর্যায়ে তুলে নিতে পেরেছে সে সকল দেশের সমাজকাঠামোয় আপাত স্থিতাবস্থা বিরাজ করবে। বড় কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ সমাজের আর কোন নতুন ইতিহাস তৈরী হবে না। ( এই ইতিহাস বলতে বুঝতে হবে প্রচলিত মডার্নিস্ট দৃষ্টিকোন থেকে তৈরি গ্র্যান্ডন্

শশাঙ্ক থেকে শেখ হাসিনা :বাঙালির ইতিহাস পরিক্রমা


শশাঙ্ক থেকে শেখ হাসিনা - বাঙালির স্বাধীনতা চেতনার ইতিহাসটা বেশ দীর্ঘ। অথচ ইতিহাস পাঠে অনভ্যস্ত এবং গভীর বিশ্লেষণে বিমুখ এই বাঙালিরা বিশেষত বাংলাদেশীরা বাঙালির ইতিহাস খুুঁজতে যাত্রারম্ভ করে কেউ কেউ ১৯৭১ আর বাকিরা আরেকটু হাতড়িয়ে ১৯৫২ তে গিয়ে যাত্রা সমাপ্ত করে। ভাবটা এমন যেন সাতচল্লিশের ভারত ভাগের সময় বাঙালির ভ্রুণ সৃষ্টি হয় এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে বাঙালি মাতৃগর্ভ হতে পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়। পেছনে যে কি দীর্ঘ একটা ইতিহাস, কি বিশাল একটা ঐতিহ্য রয়েছে আমাদের সেগুলোকে পরিত্যাগ করে আমরা শুধু আহাজারি করি " বাঙালির ইতিহাস নেই, কোন গৌরব নেই, আমরা কোনদিন স্বাধীন ছিলাম না, ........"। একথা তো আজ ইতিহাসে

উন্নয়নের বন্যা


উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। সবসময়েই উন্নয়ন, সবজায়গাতেই উন্নয়ন। যারা বলছেন, দেশে উন্নয়ন হচ্ছে, তারা কি একবার উন্নয়নের সংজ্ঞা কী এটা খোলসা করে বলবেন জাতির কাছে। উন্নয়ন মানে কি আটাশ বিলিয়ন ডলারের ফরেন রিজার্ভ, টেনেটুনে ছয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি,সুউচ্চ সুরম্য প্রাসাদ, মেট্রোরেল আর পদ্মাসেতু এবং চৌদ্দশ ডলার মাথাপিছু আয়? উন্নয়ন মানে কি চার লক্ষ কোটি টাকার বাজেট, সাবমেরিন, মিগ টুয়েন্টি নাইন?

বাংলার রেনেসাঁ (শেষ পর্ব)


ইটালির রেনেসাঁর পেছনে তৎকালীন ইটালির বিকাশমান অর্থনীতির ভূমিকা ছিলো বলে অনেক পণ্ডিত মত দিয়েছেন।মার্ক্সবাদীরা বলে থাকেন ইটালির বাণিজ্যিক বিপ্লব,বুর্জোয়া শ্রেণীর অভ্যুদয়, ধনতন্ত্রের সূচনা এসবই নাকি ইটালীর রেনেসাঁকে সম্ভব করেছিল। কিন্তুু এ বিষয়ে কোন স্থির সিদ্ধান্তে এখনো পৌছানো যায়নি। কেউ বলেছেন যে রেনেসাঁর আগেই অর্থাৎ মধ্যযুগে ভেনিস, জেনোয়া নেপলস্, পিসা প্রভৃতি শহরের বণিকশ্রেণী খুব উন্নতি করেছিল।সেটা ছিল "বাণিজ্যের স্বর্ণযুগ"। তের ও চৌদ্দ শতকেই কেউ কেউ ইটালিতে ধনতন্ত্রের এবং বুর্জোয়ার দেখা পাচ্ছেন। এই সময়ে ইটালির কোন কোন অঞ্চলের জনসংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছিল বহুগুণ।বাণিজ্যিক বিপ্লবের কারনে এক নতু

বাংলার রেনেসাঁ (দ্বিতীয় পর্ব)


রামমোহন রায় ১৮১৫খ্রিষ্টাব্দে স্থায়ীভাবে কলকাতায় বসবাস শুরু করেন। বাংলার রেনেসাঁর যাত্রারাম্ভও তখন থেকেই, অধ্যাপক সুশোভন সরকার এবং বিপিন পাল এমনই মনে করেন। কিন্তুু আমরা আরো একটু পেছনে ফিরে যেতে পারি। স্যার উইলিয়াম জোনস্ এর নেতৃত্বে ১৭৮৪ সালে কলকাতায় 'এশিয়াটিক সোসাইটি' প্রতিষ্ঠাকে রেনেসার পথে একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রতিষ্ঠানে সমাবেশ ঘটেছিল তৎকালীন মেধাবী প্রাচ্যবিদ্যাবিশারদদের (Oriantalist)। এঁরা ভারতে এসেছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী সরকারের কর্মচারী হয়ে। তাদের মধ্যে কয়েকজন উল্লেখযোগ্য পণ্ডিত হলেন উইলিযা়ম জোনস, চার্লস উইলকিন্স, এইচ.টি. কোলব্রুক, বি.এইচ.

বাংলার রেনেসাঁ (প্রথম পর্ব)


রেঁনেসা বলতে ১৪ শতকের ইটালির প্রকৃতপক্ষে ফ্লোরেন্স এবং তৎপরবর্তী দুশো বছরব্যপী মিলান, রোম, ভেনিস প্রভৃতি জায়গায় জেগে উঠা প্রতিভার বিস্ফোরণ এবং ক্লাসিক গ্রেকো-রোমান ঐতিহ্যের পুনরাবিষ্কারের সময়টাকেই মনে আসে।রেনেসাঁ শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৮৫৫ সালে। ফরাসি ঐতিহাসিক মিশেলে History of France বইয়ের সপ্তম খণ্ডে রেনেসাঁ শব্দটি ব্যবহার করেন।চৌদ্দ শতকের ইটালির নবজাগরণের ইতিহাস পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে স্ত্রী বিয়োগের শোক কাটিয়ে উঠে নিজেকে পুনর্জাগরিত মনে করছিলেন তিনি। তাই নাম দিয়েছিলেন Renaissance.

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি :রাজনীতির ধর্মহীনতা


ধর্মভিত্তিক দল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বেও এই অঞ্চলে সক্রিয় ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নতুন করে আরো কিছু ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব ঘটেছে। তারপরও বাংলাদেশের সবগুলো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের মোট সমর্থকদের সংখ্যা আওয়ামীলীগ বা বিএনপি যে কারোর একক সমর্থকের সমান নয়। জামায়াতের সমর্থক সংখ্যা যতই কম হোক তাদের সংগঠন অত্যন্ত সুসংগঠিত,অর্থকড়ি প্রচুর এবং বিধ্বংসী ক্ষমতা মারাত্মক। সারা দেশের আনাচে কানাচে তাদের অল্পসংখ্যক হলেও সমর্থক এবং আকারে ক্ষুদ্র হলেও সংগঠন আছে। তবুও ভোটের হিসাবে তারা এখনো নগন্য। অন্যান্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ও সংগঠন সম্পর্কে খুব একটা জানা যায়না। প্রশ্ন

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

সুবিনয় মুস্তফী
সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 35 sec ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 4, 2016 - 4:58অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর