নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

হাইয়ুম সরকার এর ব্লগ

প্রশ্ন


সবকিছু যদি তাঁর ইচ্ছায় হয়,
পাপপুণ্য তবে কার ইচ্ছায় হয়?
যার ইচ্ছা ছাড়া গাছের পাতাও নড়েনা,
মানুষের বিবেক কি তবে তার ইচ্ছায় চলেনা?

মুসলমানদের দুর্দশার জন্য আজও মুসলমানরা ইহুদি-নাসরাদের দোষ দিয়ে যাচ্ছে।


নিজেদের দোষগুলো মুসলমানরা খুজেই পায়না।তারা তাদের ধর্মগ্রন্থটি অর্থসহ পড়বেওনা আবার কেউ এর অসংগতি অংশের কথা উল্লেখ করলে প্রথমে উত্তেজিত হয়ে তেড়ে আসবে,তারপর কোনভাবে শান্ত করতে পারলে বিজ্ঞের মতো ভাব করে ভুল ব্যাখ্যা বলে উড়িয়ে দিবে।তারা ১০০% নিশ্চিত তাদের ধমগ্রন্থে কোনও অসংগতি নেই।তাই তারা তাদের ঐশীগ্রন্থটি খুলে যাচাই করার প্রয়োজনই মনে করেনা।বাবা-মা,আত্মীয়-স্বজন,পারাপ্রতিবেশী আর মসজিদের ইমাম-মাওলানার কথায় তারা নিশ্চিত হয়ে গেছে।এখানে যাচাই করার কিছু নেই!

ঈদের নামাজ কোরানে নেই, যা কোরানে নেই তা মানবো কেনো?


শুধু ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা নয়, আমরা যে দৈনিক যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি তা কত ওয়াক্ত সেটাও কোরানে স্পষ্ট করে বলা নাই।পাঁচওয়াক্ত নামাজ কি নিয়মে পড়তে হবে তা কোরানে নেই।কোন নামাজের কি নাম,কোন নামাজ কত রাকাত, কোন নামাজে কি সূরা বা দোয়া পড়তে হবে,রুকু-সেজদা-বসে পড়া নামাজের দোয়াগুলে কোরানে নেই।ওযুর নিয়ম কোরানে নেই।ওযুর দোয়া,সহবাসের দোয়া,বীর্যপাতের দোয়া,পাদ মারার দোয়া, গোসলের দোয়া,ঘুমানোর দোয়া,মসজিদের প্রবেশ-বের হওয়ার দোয়া ইত্যাদি দোয়া কোরানে নেই।নতুন চাঁদ দেখার দোয়া কোরানে নেই। প্রতিদিন ৫বার উচ্চশব্দে দেওয়া আযানটাও কোরানে নেই।

আযানের শব্দে ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই


আমি যেখানে থাকি তার তিনদিকে তিনটি মসজিদ।একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব বিশগজের বেশি হবেনা।প্রতিটা মসজিদে ৬টি করে মাইক।অথাৎ আমার চারদিকে ১৮টি মাইক।শব্দ থেকে বুঝা যায় প্রতিটি মাইকের ভলিউম সর্বমাত্রায় দেওয়া।যখন আযান দেওয়া শুরু হয় তখন আমাদের পুরো বিল্ডিং কাপতে থাকে।আর যদি ওয়াজ মাহফিল হয় তবেতো কথাই নেই।নরক যন্ত্রনা দুনিয়াতেই পেয়ে যাই।

সুফিদের উদারতার কারনেই কি এদেশে ওহাবীজম/সালাফিজম প্রতিষ্ঠা পেয়েছে? নাকি সবই সৌদিআরবের পেট্রোডলারের খেইল।


যে সৌদিআরব ইয়েমেন-সিরিয়ার অসহায় মুসলমানদের জন্য বিন্দুমাত্র সহযোগিতা করছেনা।সিরিয়ার মুসলমানরা যখন না খেয়ে মরছে এবং আশ্রয়ের জন্য ছুটাছুটি করছে তখন সৌদি তাদের আশ্রয় না দিয়ে সীমানা বন্ধ করে দেয়। সেই সৌদিআরব কোটিডলার খরচ করে বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য ৫৬০টি মডেল মসজিদ বানিয়ে দিবে! এ কোন ভানুমতীর খেইল।

বাংলাদেশে ইসলামের বিশুদ্ধতা বলতে বুঝাতো সুফিজম ও হানাফি মাজহাব। সব ধর্মের প্রতিই ছিলো এরা সহনশীল। সব ধর্মের মানুষই এদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পরাতো। সবাইকে বাঙ্গালী ও মানুষ হিসেবেই দেখতো এরা।

বিদ্রোহী কবি কি প্রথা বিশ্বাসী ছিলেন?


যে কবি লিখেছেন হামদ-নাত,সে কবি কি করে লিখেন শ্যামা সংগীত?আবার সে কবিই কি করে বলেন "মিথ্যা শুনিনি ভাই এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনও মন্দির কাবা নাই।একজন ধর্মবিশ্বাসী অন্য ধর্মের গুনগান করতে পারেনা।আবার একজন অবিশ্বাসী ধর্মকে সমর্থন করে বা উৎসাহ দিয়ে কিছু লিখতে পারেনা।মিথ্যাকে(ধর্ম) প্রশ্রয় দিয়ে মানবতা দেখানো কতটা মানবিক ।বিদ্রোহী কবিকে নিয়ে আমার বিভ্রান্তি থেকেই যায়।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

হাইয়ুম সরকার
হাইয়ুম সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 3 দিন ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 31, 2016 - 12:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর