নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

হাইয়ুম সরকার এর ব্লগ

কবিতার নাম 'ইস্তেঞ্জার


লুঙ্গির নিচ দিয়ে চেপে ধরো লিঙ্গ,
একফোঁটা পরে গেলে নামাজ হবে ভঙ্গ।

এক ঠেং উচু করে করো কিছুক্ষণ ওয়াকিং,
খেয়াল রেখো সরে যেনো না যায় ঢিলাকুলুপের সেটিং।

মাঝে মাঝে দেও কাশ খুক খুক করে,
থাকবেনা প্রস্রাব মূত্রনালির নলে।

এভাবে চালিয়ে যাও আট দশ মিনিট,
মূত্রনালি হয়ে যাবে নীট এন্ড ক্লিন।

তারপর ধুয়েমুছে সাফ করো মূত্র,
নিয়মমেনে ওজু করে হয়ে যাও পবিত্র।

প্রতিবার প্রস্রাবের পর করতে হবে ইস্তেঞ্জার,
এছাড়া কিছুতেই হবেনা মূত্র পরিস্কার।

--------------

অপব্যাখ্যা, ভুল ব্যাখ্যা শব্দ দিয়ে ধর্মের ক্ষতিকর নির্দেশগুলোকে আড়াল করা হয়।


বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার পরপরই দেশের টিভিগুলিতে টকশো শুরু হয়ে যায়।টকশোতে নামীদামী বুদ্ধিজীবীরা আসে,সাথে থাকে দু-একজন মাওলানা-মুফতি।বুদ্ধিজীবীরা নানাভাবে যুক্তি দেখিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করে ধর্ম কোনোভাবেই জঙ্গি হামলা বা মানুষ হত্যা সমর্থন করেনা।হামলাকরীরা ভুল ব্যাখ্যার স্বীকার,ভুল পথে চালিত।

তারপর মাওলানা সাবের কাছে আসবে উপস্থাপক,মাওলানা মিষ্টি মধুর কন্ঠে তেলোয়াত করে তার বাংলা অর্থটা বলবে। এতো সুন্দর কথা শুনে উপস্থিত সবাই মাথা নেড়ে সমর্থন করবে।

আরবি শব্দ দিয়ে আমাদের কথা বলা শুরু করতে হয়, বাংলা শব্দ দিয়ে শুরু করলে বেমানান দেখায়।


মোবইলে রিং হচ্ছে রিসিভ করে কানে দেওয়ামাত্রই শুনতে পাবেন আসসালামু আলাইকুম।প্রতিউত্তরে আলাইকুম আসসালাম না বলা পর্যন্ত কয়েকবার এই আরবি শব্দটি আপনাকে শুনতে হবে এবং উত্তর পাওয়ার পর বলা হবে মুল কথা।অথাৎ আরবি শব্দ আদান-প্রদানের পর জানতে পারবেন কি কারনে এই কল করা।

আর মুরব্বিরা বা গুরুজনরা ঘরেবাইরে-রাস্তাঘাটে দেখা হলেই সালামের জন্য অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকে।সালাম আদান প্রদানের পর কুশলাদী জানতে চাইবে।সালাম না দিলে তারা রাগই হয়,বেয়াদব ভাবে।অনেকেই আবার মুখফুটে বলেই দেবে আদবকায়দা দেখি কিছুই নেই।এরজন্য বাপমাকেও দোষারোপ করা হবে।

আমি অবাক হই, অবাক হতে থাকি।


আমি অবাক হই, অবাক হতে থাকি
শিক্ষিত মানুষগুলির নির্বোধ কাজকর্ম দেখে।

অবাক হতে থাকি
বিখ্যাত মানুষগুলির ধর্মবিষয়ে বিখ্যাত নির্বুদ্ধিতা দেখে।

আমি অবাক হই
যখন দেখি বিজ্ঞানের কোনো প্রফেসর কোরানের সাথে বিজ্ঞানের হাজার মিল খুজে পায়।

আমি অবাক হই
যখন দেখি বিশেষজ্ঞ কোনো ডাক্তার আযানের শব্দ শুনেই চেম্বারে রোগী রেখেই নামাজে চলে যায় কিংবা নামাজের জন্য অপারেশন পিছিয়ে দিচ্ছে।

আমি অবাক হতে থাকি
যখন দেখি ইতিহাসের অধ্যাপক ধর্মের গুনগান করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে।

ঐক্যবদ্ধ ছাড়া মুক্তমনাদের মুক্তি নেই।


আসাদ নুর জেলে। জানিনা ছেলেটার কি অবস্থা। মুক্তমনাদের জোড়ালো আন্দোলন ছাড়া আসাদের মুক্তি অসম্ভব। আসাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে শুধুমাত্র ধর্ম সমালোচনার কারনে,একটা কালো আইনে ৫৭ধারায়।এই ৫৭ধারায় যে কেউ হয়রানির স্বীকার হতে পারে শুধুমাত্র কথা বলার কারনে,লেখালেখির কারনে।

উপাসনা কাজে উচ্চশব্দ প্রমান করে মানুষ ধর্ম থেকে সরে আসছে।


ছোটবেলা দেখেছি যখন মসজিদ ছিলো কম এবং মসজিদে মাইকবিহীন আযান দিতো। দূর দুরান্ত থেকে মানুষ মসজিদে নামাজ পড়তে চলে আসতো। আযানের শব্দও অনেকে শুনতে পেতোনা। ঘড়ি বা এলার্মের ব্যবস্থাও সবার ছিলোনা অথচ সঠিক সময়ে সূর্যের অবস্থান মেপে নিজ আগ্রহে মসজিদে চলে এসেছে মানুষ।

ধর্ম নিয়ে স্বাধীনভাবে লিখার অধিকার দিন,দেখবেন রামু কিংবা রংপুরের মতো ঘটনা আর ঘটবেনা।


ধর্ম অবমাননা, কটুক্তি,অনুভূতিতে আঘাত ইত্যাদি শব্দ হাইলাইট করে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে লেখা ও লেখককে অপরাধী করে তুলা হয়। ভাংচুর ও হামলার চেয়ে লেখাটাকে বেশি দোষী মনে করা হয়।হামলাকারীদের চেয়ে লেখা ও লেখককে নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে যায় প্রশাসন ও গণমাধ্যম। এতে লেখাকে ইস্যু করে হামলা চালানো সহজ হয়ে যায়।লেখা দেখিয়ে নিশংস হামলা করার রাস্তা পেয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এই সুযোগটাই সাধারনত তারা নিয়ে থাকে।প্রয়োজনে তারা অন্যের নামে ভূয়া আইডি বানিয়ে বাজে কথা পোষ্ট করে সেটা দেখিয়ে মানুষ জুগিয়ে হামলা চালায়।ঘরবাড়িতে আগুন দেয়, মানুষ হত্যা করে।

একটি মুসলমান কবিতা


আমরা হারামের উপর দাড়িয়ে হালাল হালাল করি,
মদ-ঘুষ খাওয়ার আগেও বিসমিল্লাহ্‌ বলি।

সুদকে হারাম বলি,
ব্যাংকে লেনদেন করে ক্রেডিট কার্ডে চলি।

আমরা মুসলমান ইসলামী আইন চাই,
শরিয়ার দেশে অভিবাসী না হয়ে কাফেরের দেশে হই।

আমরা রোজা-নামাজ পড়ি, নাচ-গানও করি।

বেপর্দা মেয়ে দেখলে ছি!ছি! করি,
সানি লিওনের নাচটা মজা করে দেখি।

আমরা মাদ্রাসা শিক্ষাকে উৎসাহ-অনুদান দেই,
কিন্তু নিজ সন্তানকে স্কুল-কলেজে পড়িয়ে ডাক্তার-ইন্জিনিয়ার বানাই।

হারামে কামিয়ে আমরা টাকার পাহাড় গড়ি,
শেষজীবনে হজ্ব করে তসবিহ নিয়ে বসি।

অস্রসস্র নিয়ে রক্তাক্ত সাজ সেজে মা দেবী সন্তানদের কি ধরনের নৈতিকতা শিখায়?


দেবী দূর্গার সাজ কিছুটা শালীন ও ভদ্রতা থাকলেও দেবী কালীর সাজ শুধু নিশংসই নয়,নোংরাও।
মাতাল স্বামী শিবকে স্বর্গে রেখে স্বপরিবারে মর্ত্যে নেমে আসে সিংহবাহিনী দূর্গা।তার দশ হাতে দশটি অস্র, সে অস্রের আঘাতে রক্তাক্ত মহিষাসুর।দূর্গার দুপাশে তার সন্তান ও সঙ্গীরা।শাড়ী পড়া অসাধারন সুন্দর রূপ ম্লান হয়ে যায় দেবীর মারামারি দৃশ্যে।

সৌদিআরব ও মায়ানমার মানবতা বুঝেনা, মানবতা বুঝে শুধু বাংলাদেশ।


বাংলাদেশ কি কোনোভাবেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারতোনা,প্রয়োজনে বিজিবি-নৌহবাহিনী-সেনাবাহিনীর যৌথ সহযোগিতায়? তবে কেনো করেনি? মানুষ মরবে সেজন্য?দেশের ক্ষতি করে এ কেমন মানবতা?এই মানবতা কতদিন থাকবে? রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে জঙ্গিসহ নানা অপকরমে লিপ্ত।এরা যদি কক্সবাজারকে রোহিঙ্গা রাজ্য ঘোষনা দিয়ে সংগ্রামে নেমে যায় তখন কোথায় যাবে সরকারের মানবতা?মানবতা রক্ষা করতে তখন কি রোহিঙ্গাদের দাবী মেনে নেবে সরকার?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

হাইয়ুম সরকার
হাইয়ুম সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 3 দিন ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 31, 2016 - 12:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর