নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • কিন্তু
  • জলাভূমি
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • সাজ্জাদুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

হাইয়ুম সরকার এর ব্লগ

আরবি শব্দ দিয়ে আমাদের কথা বলা শুরু করতে হয়, বাংলা শব্দ দিয়ে শুরু করলে বেমানান দেখায়।


মোবইলে রিং হচ্ছে রিসিভ করে কানে দেওয়ামাত্রই শুনতে পাবেন আসসালামু আলাইকুম।প্রতিউত্তরে আলাইকুম আসসালাম না বলা পর্যন্ত কয়েকবার এই আরবি শব্দটি আপনাকে শুনতে হবে এবং উত্তর পাওয়ার পর বলা হবে মুল কথা।অথাৎ আরবি শব্দ আদান-প্রদানের পর জানতে পারবেন কি কারনে এই কল করা।

আর মুরব্বিরা বা গুরুজনরা ঘরেবাইরে-রাস্তাঘাটে দেখা হলেই সালামের জন্য অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকে।সালাম আদান প্রদানের পর কুশলাদী জানতে চাইবে।সালাম না দিলে তারা রাগই হয়,বেয়াদব ভাবে।অনেকেই আবার মুখফুটে বলেই দেবে আদবকায়দা দেখি কিছুই নেই।এরজন্য বাপমাকেও দোষারোপ করা হবে।

আমি অবাক হই, অবাক হতে থাকি।


আমি অবাক হই, অবাক হতে থাকি
শিক্ষিত মানুষগুলির নির্বোধ কাজকর্ম দেখে।

অবাক হতে থাকি
বিখ্যাত মানুষগুলির ধর্মবিষয়ে বিখ্যাত নির্বুদ্ধিতা দেখে।

আমি অবাক হই
যখন দেখি বিজ্ঞানের কোনো প্রফেসর কোরানের সাথে বিজ্ঞানের হাজার মিল খুজে পায়।

আমি অবাক হই
যখন দেখি বিশেষজ্ঞ কোনো ডাক্তার আযানের শব্দ শুনেই চেম্বারে রোগী রেখেই নামাজে চলে যায় কিংবা নামাজের জন্য অপারেশন পিছিয়ে দিচ্ছে।

আমি অবাক হতে থাকি
যখন দেখি ইতিহাসের অধ্যাপক ধর্মের গুনগান করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে।

ঐক্যবদ্ধ ছাড়া মুক্তমনাদের মুক্তি নেই।


আসাদ নুর জেলে। জানিনা ছেলেটার কি অবস্থা। মুক্তমনাদের জোড়ালো আন্দোলন ছাড়া আসাদের মুক্তি অসম্ভব। আসাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে শুধুমাত্র ধর্ম সমালোচনার কারনে,একটা কালো আইনে ৫৭ধারায়।এই ৫৭ধারায় যে কেউ হয়রানির স্বীকার হতে পারে শুধুমাত্র কথা বলার কারনে,লেখালেখির কারনে।

উপাসনা কাজে উচ্চশব্দ প্রমান করে মানুষ ধর্ম থেকে সরে আসছে।


ছোটবেলা দেখেছি যখন মসজিদ ছিলো কম এবং মসজিদে মাইকবিহীন আযান দিতো। দূর দুরান্ত থেকে মানুষ মসজিদে নামাজ পড়তে চলে আসতো। আযানের শব্দও অনেকে শুনতে পেতোনা। ঘড়ি বা এলার্মের ব্যবস্থাও সবার ছিলোনা অথচ সঠিক সময়ে সূর্যের অবস্থান মেপে নিজ আগ্রহে মসজিদে চলে এসেছে মানুষ।

ধর্ম নিয়ে স্বাধীনভাবে লিখার অধিকার দিন,দেখবেন রামু কিংবা রংপুরের মতো ঘটনা আর ঘটবেনা।


ধর্ম অবমাননা, কটুক্তি,অনুভূতিতে আঘাত ইত্যাদি শব্দ হাইলাইট করে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে লেখা ও লেখককে অপরাধী করে তুলা হয়। ভাংচুর ও হামলার চেয়ে লেখাটাকে বেশি দোষী মনে করা হয়।হামলাকারীদের চেয়ে লেখা ও লেখককে নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে যায় প্রশাসন ও গণমাধ্যম। এতে লেখাকে ইস্যু করে হামলা চালানো সহজ হয়ে যায়।লেখা দেখিয়ে নিশংস হামলা করার রাস্তা পেয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এই সুযোগটাই সাধারনত তারা নিয়ে থাকে।প্রয়োজনে তারা অন্যের নামে ভূয়া আইডি বানিয়ে বাজে কথা পোষ্ট করে সেটা দেখিয়ে মানুষ জুগিয়ে হামলা চালায়।ঘরবাড়িতে আগুন দেয়, মানুষ হত্যা করে।

একটি মুসলমান কবিতা


আমরা হারামের উপর দাড়িয়ে হালাল হালাল করি,
মদ-ঘুষ খাওয়ার আগেও বিসমিল্লাহ্‌ বলি।

সুদকে হারাম বলি,
ব্যাংকে লেনদেন করে ক্রেডিট কার্ডে চলি।

আমরা মুসলমান ইসলামী আইন চাই,
শরিয়ার দেশে অভিবাসী না হয়ে কাফেরের দেশে হই।

আমরা রোজা-নামাজ পড়ি, নাচ-গানও করি।

বেপর্দা মেয়ে দেখলে ছি!ছি! করি,
সানি লিওনের নাচটা মজা করে দেখি।

আমরা মাদ্রাসা শিক্ষাকে উৎসাহ-অনুদান দেই,
কিন্তু নিজ সন্তানকে স্কুল-কলেজে পড়িয়ে ডাক্তার-ইন্জিনিয়ার বানাই।

হারামে কামিয়ে আমরা টাকার পাহাড় গড়ি,
শেষজীবনে হজ্ব করে তসবিহ নিয়ে বসি।

অস্রসস্র নিয়ে রক্তাক্ত সাজ সেজে মা দেবী সন্তানদের কি ধরনের নৈতিকতা শিখায়?


দেবী দূর্গার সাজ কিছুটা শালীন ও ভদ্রতা থাকলেও দেবী কালীর সাজ শুধু নিশংসই নয়,নোংরাও।
মাতাল স্বামী শিবকে স্বর্গে রেখে স্বপরিবারে মর্ত্যে নেমে আসে সিংহবাহিনী দূর্গা।তার দশ হাতে দশটি অস্র, সে অস্রের আঘাতে রক্তাক্ত মহিষাসুর।দূর্গার দুপাশে তার সন্তান ও সঙ্গীরা।শাড়ী পড়া অসাধারন সুন্দর রূপ ম্লান হয়ে যায় দেবীর মারামারি দৃশ্যে।

সৌদিআরব ও মায়ানমার মানবতা বুঝেনা, মানবতা বুঝে শুধু বাংলাদেশ।


বাংলাদেশ কি কোনোভাবেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারতোনা,প্রয়োজনে বিজিবি-নৌহবাহিনী-সেনাবাহিনীর যৌথ সহযোগিতায়? তবে কেনো করেনি? মানুষ মরবে সেজন্য?দেশের ক্ষতি করে এ কেমন মানবতা?এই মানবতা কতদিন থাকবে? রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে জঙ্গিসহ নানা অপকরমে লিপ্ত।এরা যদি কক্সবাজারকে রোহিঙ্গা রাজ্য ঘোষনা দিয়ে সংগ্রামে নেমে যায় তখন কোথায় যাবে সরকারের মানবতা?মানবতা রক্ষা করতে তখন কি রোহিঙ্গাদের দাবী মেনে নেবে সরকার?

প্রশ্ন


সবকিছু যদি তাঁর ইচ্ছায় হয়,
পাপপুণ্য তবে কার ইচ্ছায় হয়?
যার ইচ্ছা ছাড়া গাছের পাতাও নড়েনা,
মানুষের বিবেক কি তবে তার ইচ্ছায় চলেনা?

মুসলমানদের দুর্দশার জন্য আজও মুসলমানরা ইহুদি-নাসরাদের দোষ দিয়ে যাচ্ছে।


নিজেদের দোষগুলো মুসলমানরা খুজেই পায়না।তারা তাদের ধর্মগ্রন্থটি অর্থসহ পড়বেওনা আবার কেউ এর অসংগতি অংশের কথা উল্লেখ করলে প্রথমে উত্তেজিত হয়ে তেড়ে আসবে,তারপর কোনভাবে শান্ত করতে পারলে বিজ্ঞের মতো ভাব করে ভুল ব্যাখ্যা বলে উড়িয়ে দিবে।তারা ১০০% নিশ্চিত তাদের ধমগ্রন্থে কোনও অসংগতি নেই।তাই তারা তাদের ঐশীগ্রন্থটি খুলে যাচাই করার প্রয়োজনই মনে করেনা।বাবা-মা,আত্মীয়-স্বজন,পারাপ্রতিবেশী আর মসজিদের ইমাম-মাওলানার কথায় তারা নিশ্চিত হয়ে গেছে।এখানে যাচাই করার কিছু নেই!

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

হাইয়ুম সরকার
হাইয়ুম সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 31, 2016 - 12:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর