নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে
  • মৃত কালপুরুষ
  • রহমান বর্ণিল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

হাইয়ুম সরকার এর ব্লগ

উপাসনা কাজে উচ্চশব্দ প্রমান করে মানুষ ধর্ম থেকে সরে আসছে।


ছোটবেলা দেখেছি যখন মসজিদ ছিলো কম এবং মসজিদে মাইকবিহীন আযান দিতো। দূর দুরান্ত থেকে মানুষ মসজিদে নামাজ পড়তে চলে আসতো। আযানের শব্দও অনেকে শুনতে পেতোনা। ঘড়ি বা এলার্মের ব্যবস্থাও সবার ছিলোনা অথচ সঠিক সময়ে সূর্যের অবস্থান মেপে নিজ আগ্রহে মসজিদে চলে এসেছে মানুষ।

ধর্ম নিয়ে স্বাধীনভাবে লিখার অধিকার দিন,দেখবেন রামু কিংবা রংপুরের মতো ঘটনা আর ঘটবেনা।


ধর্ম অবমাননা, কটুক্তি,অনুভূতিতে আঘাত ইত্যাদি শব্দ হাইলাইট করে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে লেখা ও লেখককে অপরাধী করে তুলা হয়। ভাংচুর ও হামলার চেয়ে লেখাটাকে বেশি দোষী মনে করা হয়।হামলাকারীদের চেয়ে লেখা ও লেখককে নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে যায় প্রশাসন ও গণমাধ্যম। এতে লেখাকে ইস্যু করে হামলা চালানো সহজ হয়ে যায়।লেখা দেখিয়ে নিশংস হামলা করার রাস্তা পেয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এই সুযোগটাই সাধারনত তারা নিয়ে থাকে।প্রয়োজনে তারা অন্যের নামে ভূয়া আইডি বানিয়ে বাজে কথা পোষ্ট করে সেটা দেখিয়ে মানুষ জুগিয়ে হামলা চালায়।ঘরবাড়িতে আগুন দেয়, মানুষ হত্যা করে।

একটি মুসলমান কবিতা


আমরা হারামের উপর দাড়িয়ে হালাল হালাল করি,
মদ-ঘুষ খাওয়ার আগেও বিসমিল্লাহ্‌ বলি।

সুদকে হারাম বলি,
ব্যাংকে লেনদেন করে ক্রেডিট কার্ডে চলি।

আমরা মুসলমান ইসলামী আইন চাই,
শরিয়ার দেশে অভিবাসী না হয়ে কাফেরের দেশে হই।

আমরা রোজা-নামাজ পড়ি, নাচ-গানও করি।

বেপর্দা মেয়ে দেখলে ছি!ছি! করি,
সানি লিওনের নাচটা মজা করে দেখি।

আমরা মাদ্রাসা শিক্ষাকে উৎসাহ-অনুদান দেই,
কিন্তু নিজ সন্তানকে স্কুল-কলেজে পড়িয়ে ডাক্তার-ইন্জিনিয়ার বানাই।

হারামে কামিয়ে আমরা টাকার পাহাড় গড়ি,
শেষজীবনে হজ্ব করে তসবিহ নিয়ে বসি।

অস্রসস্র নিয়ে রক্তাক্ত সাজ সেজে মা দেবী সন্তানদের কি ধরনের নৈতিকতা শিখায়?


দেবী দূর্গার সাজ কিছুটা শালীন ও ভদ্রতা থাকলেও দেবী কালীর সাজ শুধু নিশংসই নয়,নোংরাও।
মাতাল স্বামী শিবকে স্বর্গে রেখে স্বপরিবারে মর্ত্যে নেমে আসে সিংহবাহিনী দূর্গা।তার দশ হাতে দশটি অস্র, সে অস্রের আঘাতে রক্তাক্ত মহিষাসুর।দূর্গার দুপাশে তার সন্তান ও সঙ্গীরা।শাড়ী পড়া অসাধারন সুন্দর রূপ ম্লান হয়ে যায় দেবীর মারামারি দৃশ্যে।

সৌদিআরব ও মায়ানমার মানবতা বুঝেনা, মানবতা বুঝে শুধু বাংলাদেশ।


বাংলাদেশ কি কোনোভাবেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারতোনা,প্রয়োজনে বিজিবি-নৌহবাহিনী-সেনাবাহিনীর যৌথ সহযোগিতায়? তবে কেনো করেনি? মানুষ মরবে সেজন্য?দেশের ক্ষতি করে এ কেমন মানবতা?এই মানবতা কতদিন থাকবে? রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে জঙ্গিসহ নানা অপকরমে লিপ্ত।এরা যদি কক্সবাজারকে রোহিঙ্গা রাজ্য ঘোষনা দিয়ে সংগ্রামে নেমে যায় তখন কোথায় যাবে সরকারের মানবতা?মানবতা রক্ষা করতে তখন কি রোহিঙ্গাদের দাবী মেনে নেবে সরকার?

প্রশ্ন


সবকিছু যদি তাঁর ইচ্ছায় হয়,
পাপপুণ্য তবে কার ইচ্ছায় হয়?
যার ইচ্ছা ছাড়া গাছের পাতাও নড়েনা,
মানুষের বিবেক কি তবে তার ইচ্ছায় চলেনা?

মুসলমানদের দুর্দশার জন্য আজও মুসলমানরা ইহুদি-নাসরাদের দোষ দিয়ে যাচ্ছে।


নিজেদের দোষগুলো মুসলমানরা খুজেই পায়না।তারা তাদের ধর্মগ্রন্থটি অর্থসহ পড়বেওনা আবার কেউ এর অসংগতি অংশের কথা উল্লেখ করলে প্রথমে উত্তেজিত হয়ে তেড়ে আসবে,তারপর কোনভাবে শান্ত করতে পারলে বিজ্ঞের মতো ভাব করে ভুল ব্যাখ্যা বলে উড়িয়ে দিবে।তারা ১০০% নিশ্চিত তাদের ধমগ্রন্থে কোনও অসংগতি নেই।তাই তারা তাদের ঐশীগ্রন্থটি খুলে যাচাই করার প্রয়োজনই মনে করেনা।বাবা-মা,আত্মীয়-স্বজন,পারাপ্রতিবেশী আর মসজিদের ইমাম-মাওলানার কথায় তারা নিশ্চিত হয়ে গেছে।এখানে যাচাই করার কিছু নেই!

ঈদের নামাজ কোরানে নেই, যা কোরানে নেই তা মানবো কেনো?


শুধু ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা নয়, আমরা যে দৈনিক যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি তা কত ওয়াক্ত সেটাও কোরানে স্পষ্ট করে বলা নাই।পাঁচওয়াক্ত নামাজ কি নিয়মে পড়তে হবে তা কোরানে নেই।কোন নামাজের কি নাম,কোন নামাজ কত রাকাত, কোন নামাজে কি সূরা বা দোয়া পড়তে হবে,রুকু-সেজদা-বসে পড়া নামাজের দোয়াগুলে কোরানে নেই।ওযুর নিয়ম কোরানে নেই।ওযুর দোয়া,সহবাসের দোয়া,বীর্যপাতের দোয়া,পাদ মারার দোয়া, গোসলের দোয়া,ঘুমানোর দোয়া,মসজিদের প্রবেশ-বের হওয়ার দোয়া ইত্যাদি দোয়া কোরানে নেই।নতুন চাঁদ দেখার দোয়া কোরানে নেই। প্রতিদিন ৫বার উচ্চশব্দে দেওয়া আযানটাও কোরানে নেই।

আযানের শব্দে ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই


আমি যেখানে থাকি তার তিনদিকে তিনটি মসজিদ।একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব বিশগজের বেশি হবেনা।প্রতিটা মসজিদে ৬টি করে মাইক।অথাৎ আমার চারদিকে ১৮টি মাইক।শব্দ থেকে বুঝা যায় প্রতিটি মাইকের ভলিউম সর্বমাত্রায় দেওয়া।যখন আযান দেওয়া শুরু হয় তখন আমাদের পুরো বিল্ডিং কাপতে থাকে।আর যদি ওয়াজ মাহফিল হয় তবেতো কথাই নেই।নরক যন্ত্রনা দুনিয়াতেই পেয়ে যাই।

সুফিদের উদারতার কারনেই কি এদেশে ওহাবীজম/সালাফিজম প্রতিষ্ঠা পেয়েছে? নাকি সবই সৌদিআরবের পেট্রোডলারের খেইল।


যে সৌদিআরব ইয়েমেন-সিরিয়ার অসহায় মুসলমানদের জন্য বিন্দুমাত্র সহযোগিতা করছেনা।সিরিয়ার মুসলমানরা যখন না খেয়ে মরছে এবং আশ্রয়ের জন্য ছুটাছুটি করছে তখন সৌদি তাদের আশ্রয় না দিয়ে সীমানা বন্ধ করে দেয়। সেই সৌদিআরব কোটিডলার খরচ করে বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য ৫৬০টি মডেল মসজিদ বানিয়ে দিবে! এ কোন ভানুমতীর খেইল।

বাংলাদেশে ইসলামের বিশুদ্ধতা বলতে বুঝাতো সুফিজম ও হানাফি মাজহাব। সব ধর্মের প্রতিই ছিলো এরা সহনশীল। সব ধর্মের মানুষই এদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পরাতো। সবাইকে বাঙ্গালী ও মানুষ হিসেবেই দেখতো এরা।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

হাইয়ুম সরকার
হাইয়ুম সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 8 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 31, 2016 - 12:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর