নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিজ্ঞানী ইস্বাদ
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • বিজয়
  • সৈয়দ মাহী আহমদ
  • রাজিব আহমেদ
  • কিন্তু
  • নাগিব মাহফুজ খান
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • শেষ যাত্রী
  • নীলা দাস
  • উর্বির পৃথিবী
  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ

আপনি এখানে

নিরব এর ব্লগ

সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে বাংলাদেশ


সমৃদ্ধির চাকা যখন চলমান থাকে তখন পরিবেশ ও প্রতিবেশই বদলে যায়। ফলে মানুষ অনায়াসেই বুঝতে পারে দেশ কোন্পথে অগ্রসর হচ্ছে। আর তখনই আশায় বুক বাঁধে মানুষ। আমরা এখন সে আশার পথেই হাঁটছি। আমাদের মনে এখন সে আশারই বসতি। পরিবেশ ও প্রতিবেশই বলে দিচ্ছে আমাদের সামনে এক সুন্দর আগামী অপেক্ষমান। আমরা এখন প্রবৃদ্ধির পথে, আমরা এখন সমৃদ্ধির পথে। অর্থনীতির ওপর দেয়া মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য আমাদের সে আশার পথই দেখিয়ে দিচ্ছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সম্পর্কে তাদের দু’জনের আশাবাদই এক ও অভিন্ন। অর্থাৎ হিসাব ও পরিকল্পনা সমান্তরাল পথেই অগ্রসর হচ্ছে। সর্বশেষ মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে বাংলাদেশ

ক্ষুদ্র সঞ্চয় কর্মসূচি হচ্ছে পোশাক শ্রমিকদের জন্য


সরকার সব খাতে ইতিবাচক কর্মসুচী হাতে নিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারীকে ক্ষুদ্র সঞ্চয় কর্মসূচিতে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। বর্তমান সরকারের ‘একটি বাড়ি একটি খামার’, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মতোই শহরাঞ্চলে কর্মরত পোশাক কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পোশাক শিল্প মালিক এবং শ্রমিক-কর্মচারীরা একযোগে এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী একজন পোশাক কর্মী প্রতিদিন যে পরিমাণ সঞ্চয় রাখবেন তার সমপরিমাণ প্রণোদনা দেওয়া হবে কল্যাণ সঞ্চয় তহবিল থেকে। আর গার্মেন্ট মালিকদের রপ্তানির বিপরীতে সরকার যে প্রণোদনা দিচ্ছে তারই

ডিজিটাল প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় সেবার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে


স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। সত্তরের দশকে যেখানে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা প্রতি হাজারে ১৫০ জন ছিল, সেটা বর্তমানে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। বর্তমান সরকার জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির বাস্তবায়নে কাজ করছে। এর একটি যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত হলো স্বাস্থ্যখাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৪,২৫১ লোকের জন্য মাত্র একজন করে চিকিৎসক রয়েছেন। জনসংখ্যা অনুপাতে চিকিৎসাদানকারীর যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সংখ্যা রয়েছে, তাতে আমাদের দেশে আরো ৬০ হাজার ডাক্তার প্রয়োজন, প্রয়োজন তিন লাখ নার্সের। এই অবস্থায় ২০০৯ স

বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার মেড ইন জিঞ্জিরা


জিঞ্জিরা মডেলকে সামনে রেখে রাজধানী এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ এবং যন্ত্রপাতি নির্মাণে তারা সক্ষমতা অর্জন করেছে। জিঞ্জিরার ঝুপড়ি বস্তির ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ কারখানার খুদে ইঞ্জিনিয়ারদের তৈরি হাজারো পণ্যসামগ্রীর কদর গড়ে উঠেছে ব্যবহারকারীদের কাছে। মেড ইন চায়না তকমা পরিয়ে বিক্রি হচ্ছে জিঞ্জিরার

বাংলার ছেলে ‘খুদে আইনস্টাইন’


‘প্রিয় সুবর্ণ, আশা করছি তুমি তোমার কঠোর পরিশ্রম এবং অর্জনের জন্য গর্ব অনুভব কর। তোমার মতো শিক্ষার্থী আমেরিকায় আরও দরকার, যারা স্কুলে কঠোর পরিশ্রম করার চেষ্টা করে, বড় স্বপ্ন দেখে এবং আমাদের সমাজের পরিবর্তন ঘটায়। আমাদের দেশ অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। কিন্তু আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই তাহলে এসব মোকাবিলা করা কোনো ব্যাপারই নয়। তুমি তোমার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাও, আমি তোমার সঙ্গে আছি। তোমার কাছে আমি অনেক বড় কিছু প্রত্যাশা করি।’ –বারাক ওবামা।

বাল্যবিবাহের অন্ধকার, এক কলেই প্রতিকার!


আমরা সকলেই জানি বাল্য বিবাহ বাংলাদেশের একটি অন্যতম সামাজিক সমস্যা। এই সমস্যার নেতিবাচক প্রভাব দেশের সকল ক্ষেত্রেই বিশেষ করে কুড়িগ্রাম জেলায় পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং এটি এই জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। মূলত বিবাহ নিবন্ধনে পদ্ধতিগত দূর্বলতা থাকায় বাল্যবিবাহ বন্ধ হচ্ছেনা। বিবাহ নিবন্ধণ প্রক্রিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তির সংযোজন ঘটিয়ে স্বচ্ছতা আনয়ন করে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও প্রতিরোধ গড়া সম্ভব। তাই তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের সুবিধা সৃষ্টি করে বাল্যবিবাহের মত সামাজিক সমস্যাকে প্রতিরোধ করার লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলায় শুরু হয়েছে নতুন এক পাইলট প্রকল্প। প্রকল্পের নাম “SMS Based Certificati

প্রতিশ্রুতি পূরণের দায়বদ্ধতা


অতীতে বাংলাদেশে কোন সরকারই তার রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ হিসেবে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে খুব বেশি আন্তরিকতার পরিচয় দিতে পারেনি, ব্যতিক্রম রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকার। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতায় উজ্জীবিত এ সরকার বিগত বছরগুলিতে তার নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পূরণে তাই নেয়া হচ্ছে নানা মেগা প্রকল্প। চট্টগ্রামকে দেশীয় অর্থনীতির আগামী দিনের প্রধান চালিকাশক্তি করার অংশ হিসেবে এবার সেখানে একটি ২০ তলাবিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা তৈরি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। চট্

পলিথিন ও চায়না টিস্যু ব্যাগের আগ্রাসন


রাজধানীসহ সারাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন এবং পলিথিন টিস্যু (চায়না টিস্যু ব্যাগ) ব্যাগের অব্যাহত ব্যবহার বৃদ্ধিতে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জনস্বাস্থ্য। ঢাকা মহানগরীতে একজন ব্যক্তি প্রতিদিন গড়ে চারটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করেন। এভাবে রাজধানীতেই প্রতিদিন এক কোটি ৪০ লাখ পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার শেষে ফেলে দেয়া হয়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধে তাই সোচ্চার হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন পরিবেশবাদী পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনগুলো। পরিবেশের গুরুত্ব বিবেচনায় দেশে ২০০২ সালেই আইন করে পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, ব্যবহার, বিপণন ও বাজারজাতকরণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু পলিথিন নিষিদ

সুদিনের অপেক্ষায় রেশম শিল্প


বর্তমানে রেশম শিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আবার স্বপ্ন দেখাচ্ছে রেশম। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প প্রায় বিলুপ্ত হতে বসেছিল। যদিও জেলার রেশমের সুনামটা গোটা দেশ জুড়েই। বলা যেতে পারে আম, কাঁসা-পিতলের মতই রেশমের সুনাম ছিল সারা দেশে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 3 ঘন্টা 11 min ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর