নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

নিরব এর ব্লগ

বাজেট কবে বিরোধী দলের প্রশংসা পাবে?


আমি বাজেটের তাত্ত্বিক আলোচনা করছি না, In fact অর্থনীতির তত্বগত দিকটি আমার জ্ঞান বহির্ভূতও বটে। ভাষা ভাষা যে টুকু ধারনা তাতে এ টুকু বুঝি, বাজেট মানে সরকারের এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব। এটি একটি সংসারেও হয়ে থাকে। সরকার আগেই তার সম্ভাব্য ব্যয়ের খাত নির্ধারন করে এবং পরে চিন্তা করে অর্থসংস্থানের। সরকার বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ সংগ্রহ করে এবং প্রয়োজনে বিদেশী সাহায্য গ্রহণ করে থাকে। এই সাধারণ বিষয়াদি আমাদের চেয়ে কয়েকগুণ ভালো বুঝেন সকল রাজনৈতিক দলের অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদগণ এবং তারা এটিও জানেন যে, বাজেটের কোন খাতগুলো জনবান্ধব। কিন্তু অদ্যাবধি দেশের কোন বিরোধী দল এ কথা জনসম্মুখে স্বীকার করেনি, যেন এই সত্যটি

নেতৃত্বের প্রশংসা দেশে ও দেশের বাইরে


বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয় তা এখন দেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ নেতৃত্বের ফলেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যত লক্ষ্য। সে লক্ষ্য অনুযায়ী বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই নানা বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি তুরস্কের স্বাধীনতার যুদ্ধে (১৯১৯-২২) বাংলাদেশের জনগণের সহায়তা ও সমর্থনের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বাড়ছে গ্রামীণ মহিলা কর্মীদের


গ্রামে গ্রামে ঈদ উপলক্ষে জামা কাপড় তৈরী শুরু করেছেন মহিলা দর্জিরা। শবে বরাতের পর থেকেই জোরেশোরে শুরু হয়েছে পোশাক তৈরি। চলবে মাসাধিককাল। প্রতিবছর ঈদে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হন। পথ পান আত্মসংস্থানের। সংসারের কাজকর্মের ফাঁকে পুরুষের পাশাপাশি মহিলারাও আয়-রোজগার করছেন বিভিন্নপন্থায়। বাড়ীতে হাঁস, মুরগী, ছাগল ও গরু পালন, কাঁথা সেলাই, দর্জির কাজ ও সবজি উৎপাদনসহ বিভিন্ন কাজ করে আয় রোজগারের ধারা বহুকাল ধরে চললেও বর্তমানে একেবারে পরিকল্পিতভাবে কর্মজীবি হয়ে উঠেছেন তারা। ঘরের বাইরে আবার মাঠেও অনেক নারী শ্রমিকরা কৃষি শ্রমিক, ইট ভাঙা, মাটি কাটা ও নির্মাণের মতো ভারী কাজও করছেন। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অং

যে কারনে গ্রিক দেবি থেমিসের মূর্তিটি একপাশে সরানো হয়েছে


সুপ্রিম কোর্টের সামনে স্থাপিত গ্রিক দেবি থেমিসের মূর্তিটি সরানোর একমাত্র কারণ হচ্ছে যে মূর্তিটির পিছনে বাংলাদেশের মানচিত্র ঢেকে পড়ে গিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের বাহিরে স্থাপিত বাংলাদেশের মানচিত্র মূর্তি থাকার কারনে সামনে থেকে দেখা যাচ্ছিল না। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মানচিত্র কখনই আড়ালে পড়ে থাকতে পারে না। বিষয়টি বিবেচনা করে মূর্তিটি একপাশে সরানো হচ্ছে, তবে একেবারে উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে না। তাছাড়া সরানোর অন্য কোন কারণও নেই। তবে কতিপয় কুচক্রী মহল বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ জনগনের কাছে বিষয়টি অন্যভাবে উপস্থাপন করছে য

এগিয়ে যাচ্ছে দেশ


উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকার উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৬ সালে চালু হয়েছিল এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। শুরু হয়ে গেছে প্রতিযোগিতার ঘোড়দৌড়। এমডিজি বাস্তবায়নে ব্যাপক সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এ দৌড়ে সামনের সারিতে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই যে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে সরকার সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। দক্ষিণ বিশ্ব ও বিশেষত মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে যে কারণে বাংলাদেশ আলাদা, তা হলো বারবার এ দেশের সরকার পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ একটি দরিদ্র ও নারীবান্ধব নীতি অনুসরণ করে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং বেসরকারি ও আন

মেরিন ড্রাইভ সত্যিই অপূর্ব, মনোরম ও মনোমুগ্ধকর


সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন পরিব্রাজক ও পর্যটকদের এ দেশে আগমন তারই সাক্ষ্য বহন করে। সপ্তম শতাব্দীতে প্রখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ বাংলাদেশ নামক এই ভূখণ্ডের মধ্যে এসে উচ্ছ্বসিত হয়ে উচ্চারণ করেছিলেন- “A sleeping beauty emerging from mists and water.” তিনি এই জনপদের সুপ্ত সৌন্দর্যটিকে কুয়াশা এবং পানির অন্তরাল থেকে ক্রমশ উন্মোচিত হতে দেখেছিলেন। প্রাকৃতিক লীলাভূমির দেশ-আমাদের এই বাংলাদেশ। এর অপরূপ সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। মনে ছড়িয়ে দেয় মনোহরী রং। কক্সবাজার বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রের পা

একজন মহতী ও উদ্যোগী ব্যক্তিত্ব


দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করেন। যথারীতি সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, অনেক কারণের সঙ্গে সূক্ষ্ম কারচুপির ফাঁদে পড়ে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। সেই সূক্ষ্ম কারচুপির বিষয়টি তিনি যথার্থই উপলব্ধি করেছিলেন এবং স্পষ্ট করে বলেছিলেন। সূক্ষ্ম কারচুপির কথা শুনে তখন সেসব নিন্দুক হৈচৈ শুরু করেছিলেন তারাই এখন কথায় কথায় সূক্ষ্ম কারচুপির কথা বলছেন অবলীলায়। সেই নির্বাচনের পর দেশে যখন সরকারী

চাই রাসায়নিকমুক্ত ফল


মধুমাস জ্যৈষ্ঠ চলছে। নানা জাতের আমসহ মৌসুমী ফলে ভরে উঠতে শুরু করেছে বাজার। তবে এসব বাহারি মওসুমি ফল সম্পর্কে সচেতন নাগরিক মহলে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। এ ভীতি অমূলক নয়, বেশী লাভের আশায় ফল পরিপক্ক হওয়ার অনেক আগেই প্রথমত: গাছে রাসায়নিক রাইপেন ব্যবহার করে এবং অপরিপক্ক আম, লিচু, কলা কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বাজারজাত করছে এবং পচন থেকে রক্ষা করতে ফর্মালিন ব্যবহার করছে একশ্রেনীর মুনাফাবাজ ব্যবসায়ী। এসব আম ও ফল ফলারি বাহ্যিকভাবে দেখতে মনোহর হলেও এর স্বাভাবিক স্বাদ, গন্ধ থাকেনা। উপরন্তু অনেক দাম দিয়ে এসব ফল খেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে শিশু-বৃদ্ধসহ সব বয়েসের মানুষ। দেশ

নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে দেশের উন্নয়ন


বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ক্রমেই বড় হচ্ছে। বাড়ছে আমাদের সক্ষমতা। এখন নিজস্ব অর্থায়নের হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য রেকর্ড ১ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন পেল। এডিপির বরাদ্দ বাড়ছে ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৪ ভাগ। একইসঙ্গে মাথপিছু আয় বেড়ে ১ হাজার ৬০২ ডলার। এতেই বোঝা যাচ্ছে যে, সঠিক পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। অর্থনীতির সাইজ বড় হচ্ছে। ২৪৮ বিলিয়ন ডলারের বর্তমান অর্থনীতিতে এডিপির আকার বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকার এডিপির মধ্যে নিজস্ব তহবিল হতে জোগান হবে ৯৬ হাজার কোটি

মাতৃমৃত্যু কমাতে প্রয়োজন মিডওয়াইফারি সেবা


নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য মিডওয়াইফারি সেবা অপরিহার্য। এই সেবা মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। মিডওয়াইফারি সেবার ব্যাপারে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এখন দরকার এ বিষয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান বাড়ানো এবং কাজের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে জাতিসংঘে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিলেন। প্রত্যন্ত এলাকায় অনেকে মিডওয়াইফারি সেবা দিচ্ছেন। এঁদের ব্যাপারে গণমাধ্যমে ইতিবাচক সংবাদ আসা দরকার। এর ফলে অনেকে এ পেশায় আসতে উদ্বুদ্ধ হবেন, পাশাপাশি যাঁরা এ পেশায় আছেন তাঁরাও উৎসাহিত হবে। মিডওয়াইফারি সেবা বাড়লে সন্তান প্রসবে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপ

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 14 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর