নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সুমিত রায়
  • পৃথু স্যন্যাল
  • আরমান অর্ক
  • সত্যর সাথে সর্বদা

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

নিরব এর ব্লগ

জনসংখ্যা সমস্যা নয়, সম্ভাবনা


যে কোন দেশের সার্বিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য জনসংখ্যা অন্যতম প্রধান উপাদান। ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশই এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছে বলে তারা বর্ধিত জনসংখ্যা নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়। বরং তারা এখন জনসংখ্যা বৃদ্ধির উপর ব্যাপক জোর দিচ্ছে। জনগণকে উৎসাহ দিচ্ছে যাতে জনসংখ্যা নিম্নমুখী হয়ে না যায়। বর্তমানে বর্ধিত জনসংখ্যাকে বোঝা বা সমস্যা ভাবা যুক্তিহীন। জনসংখ্যা কখনোই বোঝা হতে পারে না, বরং তা দেশের সমৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম নিয়ামক – জনশক্তি তথা জনসম্পদ। বৃহত্তর দেশ চীনের জনসংখ্যার কথা যদি একটু ভাবি তাহলে আমাদের ভ্রান্ত ধারনাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠবে। চীন নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ। তারা

সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনকে ধ্বংস করে মাদক


দেশের তরুণ সমাজ দেশের এক অমুল্য সম্পদ। তরুণ সমাজ যদি বিপথগামী হয় তাহলে জাতির সর্বনাশ। তরুণ সমাজকে ভাল কাজে নিয়োজিত করতে পারলে যেমন সুফল মিলে তেমনি মন্দ কাজেও এদের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু তরুণ প্রজন্মের সন্তানরা বিভিন্ন দিক থেকে জড়িয়ে পড়ছে মাদকের নেশায়। তারা এ বিষয়টি শখের বসে নিতে গিয়ে পরে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে জীবনের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতকে জয় করার মানসিকতা হারিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে তরুণ সমাজ। নেশাসক্ত মানুষের মধ্যে কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতীদের সংখ্যাই বেশী। ক্রমবর্ধমান এই সংখ্যাটি ক্রমশ শহরতলি ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। তবে অবৈধ ড্রাগ সেবনের এই প্রবণতা সারা দেশে এক রকম নয়। যে

ইসলামে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস


জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা। বিশ্বব্যাপী বর্তমানে জঙ্গিবাদের আগ্রাসন চলছে। বৈশ্বায়নের এ যুগে জঙ্গিবাদের ভাইরাসে বাংলাদেশও আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। এক শ্রেণির ভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট মুসলমান ইসলামের নাম ব্যবহার করে এ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে যুগ যুগ ধরে শান্তির ধর্ম হিসেবে পরিচিত ইসলাম এবং ইসলামের অনুসারী মুসলমানরা আজ কলঙ্কিত। বিশ্ব নন্দিত মুসলমান জাতি আজ নিন্দিত। এ কারণেই ইসলামী সংস্কৃতি লালনকারী পাঞ্জাবী, টুপি পরিধানকারী দাড়িওয়ালারা বর্তমানে অস্বস্তিতে দিনানিপাত করছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। এ ধর্মে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কোন স্থান নেই। যারা ইসলামের নাম ব্যবহার করে, ইসলামী লেবাস ধার

দিনদিন গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বিএনপি


শুধু দেশ পরিচালনায় নয়, যে কোন কাজ করতে গেলে কোনো ভুল থাকবে না এরকম নিশ্চয়তা কেউই দিতে পারে না, কাজের মধ্য দিয়ে উঠে আসে নানা ভুল-ত্রুটি আর সেই ভুলগুলোকে শুধরে সঠিক পদক্ষেপ নেয়াতেই দক্ষতার পরিচয়। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে রোলমডেলের স্বীকৃতি পাওয়া চলমান অগ্রযাত্রাতে কোথাও কোনো ত্রুটি ছিল না বা নেই তা হয়তো বলা যাবে না। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা থেকে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি দেশের স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধের অনির্বাণ চেতনায় অবিশ্বাসী অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা একটি চিহ্নিত অপগোষ্ঠির মতো তাদের জঙ্গিপ্রেম, রাজাকারপ্রেম আছে – এ অপবাদ কেউ দিতে পারবে না। দেশের গণমানুষও এখন জঙ্গি-রাজাকার

পাহাড়ে অক্লান্তভাবে কাজ করছে সেনাবাহিনী


রাঙ্গামাটি-বান্দরবানে ভূমি ধসের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের সেনাবাহিনী। তাদের উপর অর্পিত প্রচলিত দায়িত্ব ও কর্তব্যের বাইরেও আর্তমানবতার সেবায় পাহাড় ধসের ঘটনা মোকাবিলায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে সেনাবাহিনী বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। ইতোপূর্বেও সেনাবাহিনী ঘূর্ণিঝড় আইলা, রানা প্লাজায় ভবনধস, বন্যা সহ বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলায় বরাবরই সংকটময় মুহূর্তে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে অতিজনদের আপন করে নিয়েছে। বর্তমানে রাঙ্গামাটি-বান্দরবানে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গত পরিবারের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলাসহ জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং বিদুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কাজ

রঙ্গরস ও সত্যের অপলাপ


দেশের মানুষ যখন এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে, তখন বেগম জিয়া দুর্গত মানুষের কথা বলার পরিবর্তে ইফতার পার্টি ডেকে দেশের রাজনীতি সম্পর্কে শুধু রঙ্গরসই করেনি, বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে ২০০১ সালের মতো কী ধরনের ভয়াবহ প্রতিহিংসার নীতি গ্রহণ করবে তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হলে আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হবে এবং ছোট নেতারা পালাতে না পেরে মার খাবে। এই ভয়টা দেশের অনেক মানুষই করছেন। এ জন্যেই তারা চান না, আগামী নির্বাচনে বিএনপি (লেজুড় হয়ে জামায়াত) আবার ক্ষমতায় আসুক। বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারলে তারেক রহমান সঙ্গে সঙ্গে দেশে ফিরবেন। তারপর দেশ জুড়ে আওয়ামী বধের নামে যে অত্যাচা

কর্মসংস্থান বাড়ার নতুন সম্ভাবনা


কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রস্তাবিত বাজেটে আত্ম-কর্মসংস্থানের দিকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ প্রস্তাব ৯ মাসের মধ্যে কার্যকর করার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। দেশের শ্রম বাজারে প্রতিবছর ২০ লাখ শ্রমশক্তি যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান হচ্ছে ১৬ লাখ কর্মীর। বাকি ৪ লাখ শ্রমিকের বিদেশে কর্মসংস্থান হচ্ছে। গত অর্থবছর শেষে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৩ শতাংশ যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগের বাধাসমূহ অপসারণে সরকারী উদ্যোগ, সুদের নিম্নগতি প্রভৃতি কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এসেছে। আর এ কারণে বর্তমানে দেশে ব্য

রাজনীতি বাঁচাও


ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটের সংগ্রাম আর অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সময় এ জনপদের মানুষ পরিচিত হয়েছে নানা শানিত স্লোগানের সাথে - ‘শিল্প বাঁচাও’, ‘কৃষি বাঁচাও’, ‘দেশ বাঁচাও’ ইত্যাদি অনেক কিছু। কিন্তু বর্তমানে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠির ক্রমাগত অপতৎপরতায় এসবের চেয়ে বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে যে কাজটি তা হলো- ‘রাজনীতি বাঁচাও’। কারণ এদের অশুভ তৎপরতায় রাজনীতি এখন আর আগের মতো নেই। অতীতে ‘রাজনীতি’ ছিল একটি গভীরতাসম্পন্ন, ইতিহাসনির্ধারক, মহৎ ও মানবিক সাধনা। সাধারণ মানুষ ‘রাজনীতি’ বলতে আগাগোড়া এই ধারণাকেই বহন করে এসেছে। কিন্তু ঐ সকল কুচক্রিদের কারণেই এ শব্দের সঙ্গে ক্রমাগত যুক্ত হয়ে যাচ্ছে একটি ভিন্নতর ও নিকৃষ্ট

নয়নাভিরাম সাগর পাহাড়ে মিতালি মেরিন ড্রাইভে


সাগর আর পাহাড়ে মিতালি। এমন ভালোবাসার মাঝ দিয়েই চলে গেছে ৮০ কিলোমিটার নয়নাভিরাম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। বিশ্বের দীর্ঘতম সাগরপাড়ের পথ। কক্সবাজারের এই দীর্ঘ সড়কটি দেখার জন্য প্রতিদিন ছুটে আসছেন পর্যটকরা। সড়ক দেখতে এসে উপভোগ করছেন নয়নাভিরাম সৌন্দর্য। সড়কের একপাশে নীল জলরাশির বিশাল সমুদ্র, অন্য পাশে সবুজায়ন পাহাড়। সমুদ্র আর পাহাড়ের মিতালির মাঝে দাঁড়িয়ে পর্যটকদের এই ভ্রমণ হয়ে উঠেছে রোমাঞ্চকর। ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালিয়ে ৮০ কিলোমিটারের এই মেরিন ড্রাইভ সড়ক অতিক্রম করতে সময় লাগে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ মিনিট। মেরিন ড্রাইভ সড়কের মাধ্যমে কক্সবাজারে বিশ্ব পর্যটনের নতুন দ্বার খুলেছে। কক্সবাজার শহরে

জঙ্গিবাদ দমনে প্রয়োজন সামাজিক জাগরণ


জঙ্গিবাদ বা টেরোরিজম বর্তমান বিশ্বের এক জটিল বাস্তবতা। তাই এখন যৌক্তিক কারণেই জগতের অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি জঙ্গিবাদ নিয়ে ব্যাপক বিশ্লেষণ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর সূত্র ধরে ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের পরিপ্রেক্ষিতে জঙ্গিবাদের নানা শ্রেণিবিভাগও তৈরি হয়েছে। যেমন সাইবার, নারকো, নিউক্লিয়ার, বায়ো, রাজনৈতিক, সেপারেটিস্ট, ধর্মীয় জঙ্গিবাদ ইত্যাদি। জঙ্গিবাদ সৃষ্টির প্রধান কারণগুলো কোন পরিস্থিতিতে তৈরি হয়, তার ব্যাখ্যা অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে অপরাধ জগতের অজস্র তথ্যবৃত্তান্ত। বর্তমান বিশ্বে জঙ্গিবাদের এই বিপুল উত্থান কিসের কারণে?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর