নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

নিরব এর ব্লগ

মাদকের আগ্রাসন রোধে সরকারের পদক্ষেপ


মাদক এখন দুনিয়া জুড়েই এক ভয়াবহ সমস্যার নাম। প্রায় প্রতিটি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে মাদকের সম্পর্ক। এ মুহূর্তে ইয়াবা নামের মাদকের আগ্রাসন দেশের যুব সমাজের জন্য সাক্ষাৎ হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। সার্বিক আইনশৃঙ্খলার জন্যও তা সমস্যা সৃষ্টি করছে। এ প্রেক্ষাপটে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে আরও কড়া আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ইয়াবাকে ‘ক’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য ঘোষণা এবং এর পাচার ও বিপণনকে কঠোর অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে প্রচলিত আইনের সংশোধনী আনা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য মানুষের বোধশক্তি কেড়ে নেয়। নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে মাদকসেবীরা। মাদকের প্রভাবে মানুষ জড়িয়ে পড়ে অপরাধের

জঙ্গি তৎপরতাসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন


বাজারে নকল ও নিম্নমানের সেটের ছড়াছড়ি এবং জঙ্গি তৎপরতাসহ বিভিন্ন অপরাধ, মোবাইল হ্যান্ডসেট চুরি, ছিনতাই ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী দু’মাসের মধ্যেই শুরু হবে এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া। এজন্য উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষকে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে বিটিআরসি মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমএনও), আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, কাস্টম ও এনবিআরের সঙ্গে সমন্বয় করে এই নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করবে সরকার। নিবন্ধণ চালু হলে মোবাইলের আইএমইআই নম্বর নির্দিষ্টকর

নারীর ক্ষমতায়নে অনেক উন্নত দেশকেও পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ


বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়ন বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। দেশে গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীর পদচারণা চোখে পড়ার মত। বর্তমান বিশ্বে মহাশূন্য থেকে বিশাল এ ধরিত্রীর সর্বত্রই এখন নারীর জয়জয়কার। এরই ধারাবাহিকতা আমাদের এ উন্নয়নশীল বাংলাদেশেও। ঝুঁকিপূর্ণ পেশাগুলোতেও আজ নারীরা অবলীলায় পদচারণা করে চলেছে তাদের নিজস্ব মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে। বাংলাদেশের নারীর চারপাশে নানা সঙ্কট। শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই এগিয়ে যাচ্ছে তারা। এগিয়ে চলেছে আপন শক্তিতে, অর্জন করেছে ঈর্ষণীয় সাফল্য। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা আজ বিমান ও ট্রেন চালাচ্ছে জয় করেছে এভারেস্ট পর্বত। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে আছে নারীরা।

২০১৯ সালে মেট্রোরেল চালুর পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে সরকার


গত সাত বছরে দেশের যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে রীতিমতো বিপ্লব ঘটে গেছে। প্রতিবন্ধকতাহীন ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে গত মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর এবং বর্তমান সরকারের প্রায় দুই বছরে দেশের রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে শুরু করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা, কর্ণফুলী নদীতে টানেল নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া, বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা, উত্তরা থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হাতে নেওয়া, ফেনীতে ফ্লাইওভার নির্ম

অস্তিত্ব সংকটে প্রধান বিরোধী দল


অতীতে এ দেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিয়ে ইতিহাস বদলানোর অপচেষ্টা হয়েছিল। মিথ্যাচার করা হয়েছিল ৭ই মার্চের ভাষণ নিয়েও। তারা ভুলে গিয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে কোনদিন বাংলার ইতিহাস রচনা করা যাবেনা, যায়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এদেশ থেকে যারা বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দেয়ার চেষ্টা করেছিল তারাই আজ অস্তিত্বের সংকটে পড়ে দিশেহারা। ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো এদেশের মাটিতে লুকিয়ে লুকিয়ে ঘুরে বেড়ায়, এদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির এসব কর্মকান্ডের কারণেই দলটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। বাঙ্গালি রাজনীতিবিদদের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম বুঝত

জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ‘অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট’ গঠন করছে সরকার


দেশের অগ্রগতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হচ্ছে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গি দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করে। জঙ্গি দমনে কিংবা সন্ত্রাস দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও প্রসারও বেড়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোটের সময় সন্ত্রাস দমনে র্যাদব প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে ব্যয় বেড়েছে। সরকারও এ বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছে। দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ বাস্তবায়নকে সামনে রেখে পুলিশের আরও একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি সজ্জিত বিশেষায়িত ইউনিট গঠন

আগামী নির্বাচনে প্রাধান্য পাবে ডিজিটাল প্রচারনা


দেশের আগামী নির্বাচনে ২৫ ভাগ ভোটারেরই বয়স থাকবে ২৩ বছরের নিচে। অর্থাৎ ২৫ ভাগ ভোটারই হবে তরুণ। এছাড়া প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার বৃদ্ধিতে বর্তমানে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের অধিকাংশ মানুষই এখন ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত। ফলে প্রায় ৪ কোটি ভোটারের সঙ্গে আগামীতে জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্ক গড়ে উঠবে ডিজিটাল মাধ্যমে। অনেক ক্ষেত্রেই একটা নির্বাচনী সভার চেয়ে ফেসবুকের একটি স্ট্যাটাসের বার্তা বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছাবে। তাই ডিজিটাল মাধ্যমকে যারা অবহেলা করবে আাগামীতে নির্বাচনী প্রচারে পিছিয়ে পড়বে তারা। সম্প্রতি আমেরিকা ও ভারতের নির্বাচনেও ডিজিটাল প্রচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম

লন্ডনে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সেন্ট্রাল লন্ডনের সেইন্ট জেমস কোর্ট এরিয়াতে অবস্থিত তাজ হোটেলে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। গত ১৮ এবং ১৯ জুলাই গভীর রাতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে একাধিক গোয়েন্দা সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বৈঠকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই বৈঠকে আরও অংশ নেন লন্ডনে পালিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মঈনুদ্দিন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে এতে যোগ দিয়েছেন আরেক যুদ্ধাপরাধী আশরাফুজ্জামান। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনে

নৈতিকতার স্থান নেই বিএনপির রাজনীতিতে


বিএনপির রাজনীতিতে নৈতিকতার যে স্থান নেই তা হারে হারে টের পেয়েছেন জেনারেল মাহবুব। ১৯৯৬ সালে দেশের এক ক্রান্তিকালে লে. জে.

পর্যটনের অপার সম্ভাবনা শেরপুরের নেওয়াবাড়ি টিলা


ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেষা শেরপুরের শ্রীবরদীর সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি নেওয়াবাড়ি টিলা, এখানে প্রকৃতি তার সৌন্দর্যের ঝাঁপি খুলে দিয়েছে উজাড় করে। ফলে নেওয়াবাড়ি টিলায় রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। জনশ্রুতি আছে এখানে অনেক আগেই একটি বাড়ি ছিল। এ বাড়ির নাম ছিল নেওয়াবাড়ি। সেই থেকেই এ টিলার নামকরণ হয় নেওয়াবাড়ির টিলা। তবে এখন আর বাড়ি নেই। আছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন প্রজাতির লতা ও বৃক্ষ। স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ‘নেওয়া’। এ কারণেই টিলাটি নেওয়াবাড়ি টিলা হিসেবে পরিচিতি। ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুড়ি রেঞ্জের আওতায় এ টিলা। এখানকার অনেক বছরের পুরনো গাছগুলো ভ

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর