নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ লীনা
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

নিরব এর ব্লগ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা


ইউরোপের রেনেসাঁ বিপ্লবের কথা আমরা সবাই জানি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক নবদিগন্ত উন্মোচন ঘটেছিল সেই সময়ই। বাঙালী হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপ্লবের বিষয়টি এক সময় আমাদের কাছে সোনার হরিণ বলে মনে হতো। কিন্তু সময়ের পালা বদলের ধারায় আজ বাংলাদেশে ডিজিটাল বিপ্লবের যে ধারা সূচনা করেছে তার একমাত্র কৃতিত্ব বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ৫টি পর্যায়ের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্নকে আজ বাস্তবে রূপায়িত করার পথে এগিয়ে চলেছেন। ইতোমধ্যেই ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি প্রক্রিয়া সারাদেশে চালু হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারের সব উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ডিজিট

আজকের বাংলাদেশ


লাল-সবুজের এ দেশটি তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির পথে। অশিক্ষা, দারিদ্র্য, কুসংস্কার, অজ্ঞতা, সম্পদের সীমাবদ্ধতা, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সমৃদ্ধি বাড়ছে। দেশপ্রধানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশের সারিতে। দেশের মানুষ এখন ক্ষুধা নিয়ে চিন্তিত নয়। মঙ্গা, খরা প্রভৃতি দুর্ভোগের শব্দ এখন বাংলাদেশে অনুপস্থিত। যোগ্য ও বিচক্ষণ নেতা হিসেবেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জয়গাথা, সাফল্যের গল্পও এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। ভৌগোলিক আয়তনের ছোট্ট এই বাংলাদেশের তরতর করে এগিয়ে যাওয়াকে অবাক বিস্ময়ে দেখছে বিশ্ববাসী। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, কিন্তু প

উন্নয়ন এবং শিক্ষা


টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহের অন্যতম প্রধান হিসেবে অর্থাত্ লক্ষ্য সপ্তদশের মধ্যে চার নম্বরে স্থান দেওয়া হয়েছে মানসম্মত শিক্ষাকে। সর্বস্তরে শিক্ষার মানোন্নয়নের গুরুত্ব সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহের (এমডিজি) মধ্যেও ছিল এবং সঙ্গত কারণেই টেকসই উন্নয়ন রূপরেখায়ও একে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বস্তুত নতুন সহস্রাব্দে মানবজাতি একটি নতুন সময়ে, নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলার জন্য নতুন নতুন প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করে। আর এর সবচাইতে বেশি অভিঘাত লক্ষ করা যায় শিক্ষা ও গবেষণায়। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। বিশেষ করে ২০০৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর তত্ত্বাবধানে HEQEP (Higher Education Quali

বদলে যাচ্ছে পাসপোর্ট সেবা


প্রধান ফটক পেরুতেই চোখে পড়ে বাগানবিলাস ফুলের সতেজ সম্ভাষণ। ভিতরে ঢুকে দেখা যায় ছিমছাম পরিচ্ছন্ন কক্ষ। প্রয়োজনীয় নির্দেশনাগুলো ঝুলিয়ে দেওয়া আছে নোটিস বোর্ডে। নেই দালালের চিরচেনা আনাগোনা। এই সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই এটি একটি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। সরেজমিন উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, যে কোনো তথ্যের জন্য গেট দিয়ে ঢুকতেই রয়েছে অনুসন্ধান ডেস্ক। এখানে কাজের বিষয়ে বললে কাউন্টারের দায়িত্বরত কর্মী জানিয়ে দেন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা। এখানে পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে আসেন মানুষ। কাউন্টারে ফরম জমা দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই ডাক পড়ে ছবি ওঠানো, আঙ্গুলের ছাপ দেওয়া এবং তথ্য পূ

জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে অর্থায়নের ভূমিকা


জঙ্গিদের বিস্তার নিঃসন্দেহে একটা বৈশ্বিক বিষয় এবং বিশ্বের যে প্রান্তেই আজ জঙ্গি তৎপরতা চলছে তার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের একটা সংযোগ রয়েছে, বিশেষ করে জঙ্গি অর্থায়নে বিশ্বব্যাপী গড়ে উঠেছে বিশাল নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের বড় অবলম্বন অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানের ব্যবসা। জঙ্গিবাদের বিস্তার ও জঙ্গি তৎপরতা চালানোর জন্য বিশাল অর্থের প্রয়োজন হয়। জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধকরণে প্রচার-প্রোপাগান্ডা, জঙ্গি রিক্রুটমেন্ট, প্রশিক্ষণ, মোটিভেশনসহ আশ্রয়-প্রশ্রয়, বাড়ি-গাড়ি এবং অস্ত্র সরঞ্জামাদি, সব কিছুর পিছনেই বিপুল পরিমাণ অর্থের দরকার হয়। তা ছাড়া মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত সদস্যদের মাসোয়ারাও দেওয়া

দেশের ওষুধ শিল্প উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান


বাংলাদেশের উন্নত রাষ্ট্রের অভিযাত্রায় অন্যান্য পেশাজীবীদের সঙ্গে দেশের ফার্মাসিস্টরাও অংশগ্রহণ করেছে। আজকের বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পের যে বলিষ্ঠ অবস্থান, এর পেছনে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান ছিল তা ওষুধবিজ্ঞানীরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে। বঙ্গবন্ধু শক্ত হাতে বিভিন্ন সেক্টরে বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। তখন ওষুধ সেক্টরের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত নাজুক। দেশের চাহিদার ৮০% এরও বেশি ওষুধ অত্যন্ত মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে আমদানি করতে হতো। দেশে যে সামান্য উৎপাদন হতো তারও সিংহভাগ ছিল বিদেশী কোম্পানিগুলোর উৎপাদিত। ওষুধ সেক্টরে সরকারী নিয়ন্ত্রণও অত্যন্ত সীমিত ছিল, কারণ এই নিয়

সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসন সুবিধার নিশ্চিতে নির্মাণ হচ্ছে পাঁচ হাজার ফ্ল্যাট


বর্তমানে সারাদেশে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ। এর মধ্যে প্রায় দেড় লাখই ঢাকায় কর্মরত। চাকরিজীবীদের তুলনায় আবাসন সুবিধার পরিমাণ খুবই নগণ্য। আবার ক্ষেত্র ও স্থান বিশেষে সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়া হিসেবে দেয়া ভাতার পরিমাণ বাস্তব ভাড়ার তুলনায় অনেক কম। ফলে ওইসব চাকরিজীবী পরিবার নিয়ে রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে বসবাস করতে পারেন না। নিম্ন আয়ের সরকারি চাকরিজীবীদের বেশিরভাগেরই আবাসন সুবিধা না থাকায় গ্রামে বাস করছেন। আবার মধ্যম শ্রেণির কর্মকর্তাদের অনেকেই সরকারের নির্ধারিত অঙ্কের চেয়েও বেশি বাড়ি ভাড়া দিয়ে সন্তান ও পরিবার নিয়ে শহরে বাস করছেন। প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও দেয়া সরকারি আব

যা পারেনি উন্নত বিশ্বের চিকিৎসালয়, তাই পারছে ঢাকা মেডিকেল


মুক্তামণির হাতের টিউমার কেটে বাদ দেয়া সম্ভব নয়, সাফ জানিয়ে দিয়েছিল সিঙ্গাপুরের নামকরা একটি হাসপাতাল। কিন্তু চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। ঝুঁকি আছে জেনে সব খুলে বললেন শিশুটির মা-বাবার কাছে। তারাও অনুমতি দিলেন। বাকিটা ইতিহাস। জটিল ও দীর্ঘ সময় ধরে মুক্তামণির হাতে থাকা টিউমার অপসারণ করলেন তারা। বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে হাতে পায়ে গাছের মতো শেকড় গজিয়ে যায়া আবুল বাজানদারকে প্রায় সুস্থ করে তুলেছেন ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকরাই। এই ধরনের চিকিৎসা এর আগে কখনও বাংলাদেশে হয়নি, করা সম্ভব-এমন কথাও ভাবেনি কেউ। সম্প্রতি জোড়া লাগানো দুই বোন তোফা-তহুরাকেও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা ক

বিনম্র শ্রদ্ধা জাতির মহানায়কের প্রতি


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্ব ইতিহাসের এক কলঙ্কময়, নৃশংস ও কঠিন শোকের দিন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের প্রায় সকল সদস্যের শাহাদাতবরণের দিন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর জনগণ যখন বঙ্গবন্ধুদের মতো তরুণ নেতাদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত করত যে, দেশ স্বাধীন হয়েছে তবু মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর হবে না কেন?

ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ


জামদানির পর ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য অধিদপ্তরের হাতে ইলিশের জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের সনদ তুলে দেওয়া হবে। এর ফলে স্বাদে অতুলনীয় ঝকঝকে রুপালি ইলিশ বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে সারাবিশ্বে স্বীকৃতি পাবে। সেই সাথে দেশীয় ঐতিহ্য সুরক্ষার পথে বাংলাদেশ আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। কোনো একটি দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। গত বছরের নভেম্বরে দেশের প্রথম ভৌগোলিক ন

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 1 week ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর