নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পথিক রাজপুত্র
  • মোঃ হাসানুল হক ...
  • এফ ইউ শিমুল
  • বিপ্লব পাল
  • দিন মজুর
  • নুর নবী দুলাল
  • সাম্যের সাধক

নতুন যাত্রী

  • আহসান_পাপ্পু
  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ

আপনি এখানে

শ্যাম পুলক এর ব্লগ

হলুদ আমার প্রিয় রঙ (উপন্যাস)- পঞ্চম পরিচ্ছেদ- একটি অদ্ভুত ভাবনা ও গ্রেফতার


দাদা আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ। ভেবেছি, বিয়ে করার পর তাকে এখানে নিয়ে আসবো। তবে বাচ্চা নেবার পর সবচেয়ে আনন্দ হবে। তখন দুইজনে পড়ে পড়ে ঘুমাবে। চাইলে বাচ্চা নেয়ার পরও আনতে পারি। কিন্তু সেটা নিয়ে ঝুমার সাথে কথা বলতেই হবে। তবে এটা ঠিক আমার পরিবর্তে আমার দাদা থাকলে তিনি তার স্ত্রীর মত নিতেন না। তার দাদা হঠাৎ বাসায় উদয় হতো। স্ত্রী জানতেও পারতেন না। এমনকি আমার বাবাও না। তবে এটুক হয়তো করতেন, তা হল মাকে জানাতেন। এটা শুধু জানানোর জন্যই। অনেকটা ভারি গলায় বলতেন, শুনো, বিয়ের পর আমার দাদা আমাদের সাথে এসে থাকবে। অথবা বলতেন, শুনো, বাচ্চা হবার পর আমার দাদা এখানে এসেই থাকবে। তবে এ বলতে পারতেন, শুনো, বিয়ের পর দাদা আমাদের সাথে থাকুন। কি বলো? নাহ! এ বেশি আবদার হয়ে যায়।

হলুদ আমার প্রিয় রঙ (উপন্যাস)- চতুর্থ পরিচ্ছেদ


হঠাৎ করেই অদ্ভুত কিছু ঘটে গেল। অদ্ভুত এ কারণে যে হঠাৎ এ পরিবর্তন অন্তত আমি চাইনি। আমি যে এক সময় বিকেলে হাঁটতে যেতাম বা রাতে, মাঝরাত অবধি হাঁটতাম, হঠাৎ ছেড়ে দিলাম। অফিস থেকে সোজা বাসায় চলে আসতে শুরু করলাম। এমনকি কাদেরের দোকানে চা খেতেও যেতাম না। বাসায় এসে নিজের হাতে চা বানিয়ে খেতে শুরু করলাম। তারপর বসে বসে টিভি দেখা শুরু করলাম। আজকাল খুব মন দিয়ে ঝুমার অভিনয় দেখি। নাটকগুলি বা টেলিফিল্ম যদিও তেমন ভাল লাগে না, তবুও চাই ভাল লাগুক। যদিও যেই দৃশ্যে ঝুমা থাকে না সে দৃশ্যে আমার কোন আগ্রহ নেই।

হলুদ আমার প্রিয় রঙ (উপন্যাস)- তৃতীয় পরিচ্ছেদ


হঠাৎ একদিন বিকেলে অফিস থেকে বের হয়ে দেখি অফিসের সামনে ঝুমার গাড়ি। দেখে খুব ভাল লাগলো। এ ভেবেও ভাল লাগল গাড়িটা দেখেই আমি চিনতে পেরেছি। আমি কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই ঝুমা আমাকে গাড়িতে উঠতে বললো। আমি কিছু না বলে গাড়িতে উঠে গেলাম। উঠে তার দিকে তাকিয়ে আমি ভড়কে গেলাম। মনে হল এইমাত্র সে একটি কান্নার দৃশ্যে অভিনয় করে বের হয়েছে। কি বলবো ভাবার আগেই সে বলে উঠলো, আমাকে বিয়ে করবে?

হলুদ আমার প্রিয় রঙ (উপন্যাস)- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ


বিষয়টা এমন যে আমি দিনের পর দিন আশা করতে লাগলাম যে ঝুমার সাথে দেখা হবে। কিন্তু এমন একদিন দেখা হলো যেদিন দেখা হবার কথা কল্পনাই করতে পারিনি। এরপর এমন আশা করতে লাগলাম সে একদিন বাসায় আসবেই। যেহেতু সে অনেকটা জোর দিয়েই বাসার ঠিকানা নিয়েছিল। কিন্তু এক মাসেও তেমন কিছু পেলাম না। তবে এমন নয় যে সারাক্ষণ আমি এই বিষয়টা নিয়েই ভেবেছি। কিন্তু একটা বিষয়ের জন্য নিজের প্রতি খুব রাগ লাগছিল। কেন আমি হঠাৎ চুমু খেতে গেলাম! সেই জন্যই হয়তো আর আসবে না। সাথে সাথে হয়তো তার তেমন রাগ লাগেনি। বাসায় গিয়ে খুব রেগেছিল বোধ হয়। তবে এসব ভাবনার কোন আগামাথা নেই, এ আমি খুব জানতাম। কারণ এমন নয় যে আমি চিরকাল তার আশায় পথ চেয়ে বসেছিলাম। শুধু এটুকু জানতাম একদিন হয়তো দেখা হয়েই যাবে। যেহেতু পৃথিবী খুব একটা বড় না। এ জন্য কিছু বিষয় ভেবে রেখেছিলাম। ব্যাপারটা এক ধরণের পাগলামিই বলা যায়।

হলুদ আমার প্রিয় রঙ (উপন্যাস)- প্রথম পরিচ্ছেদ


সারা সন্ধ্যা বৃষ্টি হবার পর হঠাৎ থেমে গেল। তবে আমি বৃষ্টির শব্দ শুনিনি। দরজা জানালা বন্ধ করে বসে বসে মোজার্ট শুনেছি। হঠাৎ করেই আমি মোজার্টের প্রেমে পড়েছি। তাছাড়া ঝড়টা চিরকালই আমার কাছে ভীতির ব্যাপার। আর আজও ঝড়ের মাধ্যমেই বৃষ্টিটা শুরু হয়েছিল। সূর্য ডোবার সময় যখন গোধূলি আকাশ রক্তে লাল হবার কথা ছিল ঠিক তখন ঝড় শুরু হয়েছিল। তারপর টানা বৃষ্টি। তবে ঠিক কখন থেমেছে আমি জানি না। কিন্তু হঠাৎ করেই যখন বাইরে বের হতে ইচ্ছে হল দেখি বৃষ্টিও থেমে গেছে। তাই ঘরের আলোয় একটি অন্ধকারের চুমু দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে গেলাম। এই অন্ধকারের চুম্বনের ভাবনাটা আনন্দ দিলো। যদিও ব্যাপারটা হলো লাইট বন্ধ করে বের হয়ে গেলাম। আর পুরো কক্ষ অন্ধকারে ছেয়ে গেল।

একটি মহাকাব্যিক বাস্তবতা


শুনেছি, মৃতের দেশে তুমি কবি ছিলে।
তোমার কবিতা পড়ে দান্তে মুগ্ধ হয়েছিল,
ভার্জিল হাততালি দিয়েছিল কবিতা শুনে,
দূর থেকে সেক্সপিয়র বড় বড় চোখে তাকিয়েছিল,
জীবনানন্দ তোমাকে আশির্বাদ দিয়ে বলেছিল,
একদিন তুমি অনেক বড় হলে ঐ অকালমৃত শান্ত শিশুটিকে নিয়ে কবিতা লিখো।

পুঁজিবাদ এবং


সিজিপিএ বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীটি শিক্ষকের সাথে শুইতে বাধ্য হলে, তা শিক্ষকের স্কুলপড়ুয়া ছেলেটি দেখে ফেললে মাকে বলে দেবার ভয় দেখিয়ে সে পিতার কাছ থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করছে, আর টাকার ভার বহন করছে ছাত্রীটি। সে ভেবেছে, ভাল একটি চাকরি পেলে বাবার ঋণ শোধ করবে; বাবা সুদের টাকা এনে তাকে দিয়েছেন, মায়ের গহনা বন্ধক রেখেছে্ন, গহনাগুলো তিনি তার বিয়েতে যৌতুক হিসেবে পেয়েছিলেন; ভেবেছেন, মেয়ে পড়াশোনা করলে আর ভাল একটা চাকরি করলে তাকে আর যৌতুক নাও দিতে হতে পারে।

২০৮১৬, ঢাকা।

নারীচরিতঃ বিষাদ ও নারীত্ব সমীপে, পুরুষবাচক...(খসড়া)


প্রথমজনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
দ্বিতীয়জনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
তৃতীয়জনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
চতুর্থজনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
পঞ্চমজনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলে না
সবাইঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না

-কেউ যেন কিছু জানতে না পারে!

বৃত্তে মা আসলে বাবার কাছে বলেছে; বাবা কি কাউকে বলতে চেয়েছে? কান্না, চিৎকার !
আরে কেউ ওকে চুপ করিয়ে দাও

ফিসফিসিয়ে সবাইঃ চুপ! চুপ!

প্রথমজনেরটা হুমকি ছিল। তার পরের কথাগুলো এমন যে, কেউ জেনে গেলে খারাপ কিছুই হবে। কিন্তু আমি আবার আসবো।

একটি মৃত পৃথিবীর কথা


“পৃথিবীর সব মানুষ মরে গেছে। শুধু তুমি একা এখনো বেঁচে আছো। এখনো তুমি শ্বাস নিতে পারছো। তার মানে তোমাকে সেটা চালিয়ে যেতে হবে। নিঃশ্বাস নেয়া চালিয়ে যেতে হবে যতদিন না তা আপনাই বন্ধো হয়ে যায়।”

এরপর

“তুমি মরে গেছো। মানে তোমার জানামতে পৃথিবীতে আর কিছু নেই। তারমানে তোমাকে স্মরণ করার কেউ নেই। তোমাকে মনে রাখার কেউ নেই। তুমি মরে যাওয়া মানে হারিয়ে যাওয়া। সময়ের অতলে হারিয়ে যাওয়া।”

এখন

যদি


যাকে তুমি সবচেয়ে বেশি ভালবাসো তাকে যদি তুমি খুন করতে পারো,
মৃত্যুর আগমুহুর্তে তার মুখটা কেমন হয় শুধুমাত্র তা দেখার জন্য
যদি তোমার নববধুকে তুমি হাত পা মুখ বেঁধে ধর্ষণ করতে পারো,
শুধু এটা দেখার জন্য ঠিক কোন কারণে এর পরও সে তোমার সাথে থাকতে বাধ্য হয়।

যদি সন্তানকে নিয়মিত বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক আঘাত করো,
এ ভেবে তারা তোমাকে ঘৃণা করে কিনা, অথবা করলেও ঠিক কোন কারণে
তারা ঠিক কি চায় এ দেখার জন্য তুমি যদি পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাও
তারা সেটাকে পছন্দ না করলে তুমি যদি তাদের ভাড়াটে খুনি দিয়ে খুন করাতে পারো

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

শ্যাম পুলক
শ্যাম পুলক এর ছবি
Offline
Last seen: 3 months 3 weeks ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 19, 2016 - 5:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর