নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নাসিম হোসেন
  • মিঠুন সি দাস
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক

নতুন যাত্রী

  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র

আপনি এখানে

শ্যাম পুলক এর ব্লগ

একটি মহাকাব্যিক বাস্তবতা


শুনেছি, মৃতের দেশে তুমি কবি ছিলে।
তোমার কবিতা পড়ে দান্তে মুগ্ধ হয়েছিল,
ভার্জিল হাততালি দিয়েছিল কবিতা শুনে,
দূর থেকে সেক্সপিয়র বড় বড় চোখে তাকিয়েছিল,
জীবনানন্দ তোমাকে আশির্বাদ দিয়ে বলেছিল,
একদিন তুমি অনেক বড় হলে ঐ অকালমৃত শান্ত শিশুটিকে নিয়ে কবিতা লিখো।

পুঁজিবাদ এবং


সিজিপিএ বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীটি শিক্ষকের সাথে শুইতে বাধ্য হলে, তা শিক্ষকের স্কুলপড়ুয়া ছেলেটি দেখে ফেললে মাকে বলে দেবার ভয় দেখিয়ে সে পিতার কাছ থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করছে, আর টাকার ভার বহন করছে ছাত্রীটি। সে ভেবেছে, ভাল একটি চাকরি পেলে বাবার ঋণ শোধ করবে; বাবা সুদের টাকা এনে তাকে দিয়েছেন, মায়ের গহনা বন্ধক রেখেছে্ন, গহনাগুলো তিনি তার বিয়েতে যৌতুক হিসেবে পেয়েছিলেন; ভেবেছেন, মেয়ে পড়াশোনা করলে আর ভাল একটা চাকরি করলে তাকে আর যৌতুক নাও দিতে হতে পারে।

২০৮১৬, ঢাকা।

নারীচরিতঃ বিষাদ ও নারীত্ব সমীপে, পুরুষবাচক...(খসড়া)


প্রথমজনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
দ্বিতীয়জনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
তৃতীয়জনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
চতুর্থজনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না
পঞ্চমজনঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলে না
সবাইঃ চুপ! চুপ! কাউকে কিছু বলবে না

-কেউ যেন কিছু জানতে না পারে!

বৃত্তে মা আসলে বাবার কাছে বলেছে; বাবা কি কাউকে বলতে চেয়েছে? কান্না, চিৎকার !
আরে কেউ ওকে চুপ করিয়ে দাও

ফিসফিসিয়ে সবাইঃ চুপ! চুপ!

প্রথমজনেরটা হুমকি ছিল। তার পরের কথাগুলো এমন যে, কেউ জেনে গেলে খারাপ কিছুই হবে। কিন্তু আমি আবার আসবো।

একটি মৃত পৃথিবীর কথা


“পৃথিবীর সব মানুষ মরে গেছে। শুধু তুমি একা এখনো বেঁচে আছো। এখনো তুমি শ্বাস নিতে পারছো। তার মানে তোমাকে সেটা চালিয়ে যেতে হবে। নিঃশ্বাস নেয়া চালিয়ে যেতে হবে যতদিন না তা আপনাই বন্ধো হয়ে যায়।”

এরপর

“তুমি মরে গেছো। মানে তোমার জানামতে পৃথিবীতে আর কিছু নেই। তারমানে তোমাকে স্মরণ করার কেউ নেই। তোমাকে মনে রাখার কেউ নেই। তুমি মরে যাওয়া মানে হারিয়ে যাওয়া। সময়ের অতলে হারিয়ে যাওয়া।”

এখন

যদি


যাকে তুমি সবচেয়ে বেশি ভালবাসো তাকে যদি তুমি খুন করতে পারো,
মৃত্যুর আগমুহুর্তে তার মুখটা কেমন হয় শুধুমাত্র তা দেখার জন্য
যদি তোমার নববধুকে তুমি হাত পা মুখ বেঁধে ধর্ষণ করতে পারো,
শুধু এটা দেখার জন্য ঠিক কোন কারণে এর পরও সে তোমার সাথে থাকতে বাধ্য হয়।

যদি সন্তানকে নিয়মিত বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক আঘাত করো,
এ ভেবে তারা তোমাকে ঘৃণা করে কিনা, অথবা করলেও ঠিক কোন কারণে
তারা ঠিক কি চায় এ দেখার জন্য তুমি যদি পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাও
তারা সেটাকে পছন্দ না করলে তুমি যদি তাদের ভাড়াটে খুনি দিয়ে খুন করাতে পারো

জীবনের ক্যারিক্যাচার


সে এক অদ্ভুত পাগল!
পথে ঘাটে, শহরে-বন্দরে, বাজারে, রাস্তায়, যেকোন জায়গায়
মানুষ পেলেই খুব কাছে গিয়ে বলে উঠে,
আপনি কি খুনি?

তবে সে মোটেই উত্তেজিত নয়, খুবই ধীরস্থির তার পদক্ষেপ।
কোমল, আদুরে তার ভাষা,
মানুষের খুব কাছে গিয়ে,
কোন মহৎ কর্মের সাধুবাদ জানানোর মত করে,
বলে উঠে,
আপনি কি খুনি?

মানুষ প্রথম দিকে চমকে উঠেছে,
ভীতভাবে তার দিকে তাকিয়েছে।
পরক্ষনেই কেউ ঝাড়ি দিয়েছে, কেউ চুপচাপ সটকে পড়েছে,
কেউ হেসেছে, কেউ মৃদু কেশে কিছু বলতে গেছে।
কিন্তু ধীরে ধীরে সবখানে এটা ছড়িয়ে পড়ায়, সবাই বুঝেছে,
এ পাগল ছাড়া কিছু নয়!

মিথ অব মেটামরফোসিস(রূপান্তরের গল্প)


[ক]
মায়ের চোখে মুখে তীব্র করুণ একটি অভিব্যাক্তি। কেনো তা তন্বী ঠিক বুঝতে পারছে না। তবে এ ঠিক রাতে যখন আয়নার দিকে তাকিয়েছে নিজের চোখে মুখেও একই ধরণের অভিব্যাক্তি লক্ষ্য করেছে। অবশ্য এ নয় সে বুঝছে না কেনো এমন হতে পারে। সে শুধু এটা বুঝছে না যে কারণে এটা হতে পারে, তা কেনো হবে।

একটি ইচ্ছেমৃত্যুর গল্পের ব্যবচ্ছেদ


আমি তাকে ইচ্ছেমৃত্যুর অধিকার দিলাম, লোকটি মরে গেল। যেহেতু তিনি আমার সৃষ্টি একটি চরিত্রমাত্র, সেহেতু তার উপর আমার ক্ষমতাই সব।

জানা মতে লোকটি সুস্থ ছিল। তার কোন রোগ ছিল বলে জানা নেই। মানে লোকটি আমাকে বলেনি। আমিও তেমন কিছু ভাবিনি। সে শুধু মরে যেতে চেয়েছে।

প্রথম আলোয় মানুষ


খুব ভোরে ঘুমে থেকে উঠে(সচরাচর যা হয় না) জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম। মনটা অনেক ভাল হয়ে গেল(এই নয় যে মন খারাপ ছিল তবে এত ভোরে ঘুম
ভাঙা খারাপ)। দেখি বিরাট লাল সূর্য উঠেছে। তবে অর্ধসমাপ্ত সেটা। আমি তাকিয়ে রইলাম। ধীরে ধীরে পুরো সুর্য দেখতে পেলাম। ঘুমের হাই তোলতে ভুলে গিয়ে তাকিয়ে রইলাম। হঠাৎ চমকে উঠলাম। ‘বাহ! এ কীভাবে সম্ভব হল! আমার জানা মতে আমার জানালা দক্ষিন দিকে। তাহলে!

তখন কি ওদের বাধ্য করা হবে না?


তখন কি ওদের বাধ্য করা হবে না? – অবশ্যই; যখন ওরা মাতৃত্ব প্রত্যাখান করবে, গর্ভধারণে অস্বীকৃতি জানাবে। তখন এমন নয়, প্রথমেই ওরা ঘরে ঘরে ধর্ষিত হতে থাকবে, বন্দি হতে থাকবে; এমন নয়, প্রথম দিকেই ওদের গর্ভবতী করে বন্দি করা হবে, শিশুর জন্মের আগপর্যন্ত বন্দি রাখা হবে; তবে, ওদের বুঝানো হবে মাতৃত্বের মহত্ব; এবং দেখানো হবে, এটার জন্য ওরা কতো বেশি সম্মানের অধিকারী হচ্ছে; ভয় দেখানো হবে, বিবাহিতরা তালাকও পাবে; আর কেউ-ই যদি তা মানতে না চায়, এবং বলতে চায়, এর কারণেই ওরা সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত হচ্ছে, বন্দিত্ব বরণ করতে হচ্ছে, তখন তাদের সাথে কি করা হবে?

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

শ্যাম পুলক
শ্যাম পুলক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 19, 2016 - 11:24পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর