নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জীহান রানা
  • নুর নবী দুলাল
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • মোগ্গালানা মাইকেল

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

মলি এর ব্লগ

আবারো দেশের গতি ফিরছে রপ্তানি বাণিজ্যে


আবারো গতি ফিরছে রপ্তানি বাণিজ্যে। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রথম দুই মাসে আগের অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। একইসঙ্গে এ সময়ে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তাও ছাড়িয়েছে। গত দুই মাসে মোট ৬৬২ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানির হয়েছিল ৫৮২ কোটি ২৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গত জুলাই ও আগস্ট মাসের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সাত দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে। গত দেড় দশকের মধ্যে গত অর্থ বছরে (২০১৬-১৭) সবচেয়ে কম রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত অর্থ বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছ

রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যু দ্বিপাক্ষিক নয়, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা


বাংলাদেশের গত কয়েক যুগ ধরে চলে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যাটি বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন সময় নানা উপায়ে সমাধান করে আসছে, এ সমস্যাকে ধরে নেয়া হয়েছে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা। অর্থাৎ এ মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সমস্যা। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সমস্যা কখনই ভারত-পাকিস্তানের কাশ্মীর সমস্যার মতো নয়। এ কোন মতেই দ্বিপাক্ষিক সমস্যা নয়। সমস্যাটি সম্পূর্ণরূপে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে তাদের দেশের নাগরিক বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আসতে বাধ্য হয়েছে। কোন দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে যদি ওই দেশের নাগরিক ভিন্ন দেশে শরণার্থী হয়, তখন প্রথমেই দায়িত্ব পড়ে যে দেশের মানুষ শরণার্থী হয়েছে- তা

বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য


২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে সরকার। দেশের উন্নয়নের জন্য ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য। উন্নয়নের গতিধারাও অব্যাহত রাখার ব্যাপারে তারা বদ্ধপরিকর। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে সরকার যে রূপকল্প-২০২১ প্রণয়ন করেছিল তা তারা বাস্তবায়ন করতে ও জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করে যাচ্ছে। যেখানে মোট জাতীয় উৎপাদন (জিডিপি) ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে বাংলাদেশের সময় লেগেছিল ৩৮ বছর তা এ সরকারের আমলে এই অর্থবছরেই জিডিপি ২০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। এ ধরনের সাফল্যের কারণে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অভাবন

ধর্মকে পুঁজি করে মানুষ হত্যা কাম্য নয়


অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বিজ্ঞান ও আধুনিকতার জয়যাত্রার কালে দেশকে উল্টো দিকে পরিচালিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে একটি দল। শান্তির ধর্ম ইসলামের নামে মানবহত্যা শুরু হয়েছে। ধর্মের নামে মহা অধর্মের নবপর্যায়ের সূচনা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। স্বধর্মী হোক বা বিধর্মী হোক, ইসলাম কখনও ধর্মের নামে কোন ধর্মের অনুসারীকে হত্যার কথা বলে না। অথচ ধর্মের নামে নির্বিচারে নারী-পুরুষ হত্যার পরিকল্পনা আঁটছে জঙ্গীরা। ইসলাম ধর্মের নামে যারা মানুষ হত্যা করছে তারা ইসলামকেই হেয় করছে। তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। দেশে পবিত্র ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে জঙ্গীবাদের সৃষ্টি করা হচ্ছে। অল্পবয়সী ছাত্রদের এই মানবধ্বংসী পথে টে

হত্যাযজ্ঞ বন্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনার পাশাপাশি বিশ্বের সকল দেশের সমর্থন জরুরী


গত ২৫ আগস্ট রাত থেকে মিয়ানমারের সেনা, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী রাখাইন প্রদেশে জঙ্গীবিরোধী অভিযানের নামে অসহায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ওপর যে মানবিক নির্যাতনে যে বিপর্যয় নেমে এসেছে তা মর্মন্তুদ রাখাইন ট্র্যাজেডি হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। যে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে তাতে জলস্থলে বা পাহাড় পর্বতে রোহিঙ্গাদের মৃতের সংখ্যা ৩ সহস্রাধিক ছাড়িয়ে গেছে। সাগর পথে টেকনাফে এ পর্যন্ত ৫টি নৌকাডুবির ঘটনা ভেসে আসা লাশ মিলেছে ৫৬। নিখোঁজ রয়েছে আরও অন্ততপক্ষে অর্ধ শতাধিক। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের আবেদন-নিবেদন উপেক্ষা করে মিয়ানমার বাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর আচরণ অব্যাহত রেখেছে তা

আসার আলোর সন্ধানে


আগামী নির্বাচনে বিএনপির জন্য কোনো আশার খবর আছে কি না—এমন কৌতূহল ও উদ্বেগ দলটির নেতৃত্বের গণ্ডি পেরিয়ে সমর্থকদের মধ্যেও বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু এর উত্তর দলটির সিনিয়র নেতারা দিতে পারছেন না। কারণ এক-এগারোর সময়ে পড়া সংকটের মধ্যেই এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে বিএনপি। সংগঠনকে চাঙ্গা করার জন্য কিছু কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও বস্তুত আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আশাবাদী হওয়ার মতো কোনো কর্মসূচি ও দিকনির্দেশনা এখনো দলটির নেই। দলের নেতাকর্মীদের একত্রিত করে দলকে পুনরায় চাঙ্গা করার মতো কোন ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার সক্ষমতাও বিএনপি হারিয়ে ফেলেছে। এখন এমন আলোচনাই বেশি দলটি নিজস্ব নেতাকর্মীদের মধ্যে। যার ফলে বিএনপির নেতা

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গভীর খাদ বাংলাদেশে


পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গভীর খাদ বাংলাদেশে! আজ থেকে প্রায় ১,২৫,০০০ বছর আগে তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরের তলায় একটি গভীর উপত্যকা বা মেরিন ভ্যালি। যার নাম সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড। নামটি ব্রিটিশদের দেয়া। বিশ্বের অন্যতম ১১টি গভীর খাদগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গভীর খাদ। যার অবস্থান বাংলাদেশে!

নিজস্ব অর্থায়নে সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ


বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ক্রমেই বড় হচ্ছে। বাড়ছে আমাদের সক্ষমতা। এখন নিজস্ব অর্থায়নের হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য রেকর্ড ১ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন পেল। এডিপির বরাদ্দ বাড়ছে ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৪ ভাগ। একইসঙ্গে মাথপিছু আয় বেড়ে ১ হাজার ৬০২ ডলার। কিছু কিছু খাতে অসঙ্গতি মনে হলেও সঠিক পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। ‘অর্থনীতির সাইজ বড় হচ্ছে। ২৪৮ বিলিয়ন ডলারের বর্তমান অর্থনীতিতে এডিপির আকার বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকার এডিপির মধ্যে নিজস্ব তহবিল হতে জোগান হবে ৯৬

উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ


উন্নয়নের পথে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নেয়ার কমিটমেন্ট নিয়ে কাজ করছে সরকার। উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে আমাদের মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ৭ শতাংশ, মতান্তরে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ। আজ বলতে দ্বিধা নেই, প্রবৃদ্ধির এ ধারা যদি অব্যাহত থাকত, তাহলে আমরা ১৯৯৬-’৯৭ সালেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে পারতাম। আর এখন আমাদের অবস্থান থাকত অনেকটা উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে। তবে আমাদের অর্থনীতির অগ্রযাত্রার পথ মোটেও কুসুমাস্তীর্ণ নয়। রাজনৈতিক সহিংসতায় ব্যাপক সম্পদ ধ্বংস, অশুভ তৎপরতার মাধ্যমে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ভীতি প্রদর্শন, বিশ্ববাসীর কাছে দেশকে একটি সন্ত্রাসী ও মৌলবাদী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্ট

কলঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ চাই


বিএনপির অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষের অভ্যন্তরীণ বিভক্তির শুরু অনেক আগে থেকেই। নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জল উত্তরাধিকার থাকা সত্বেও দেশের রাজনৈতিক পরিমন্ডলে তাই তারা সমালোচিত, কখনো বা নিন্দিত। তারই জলন্ত প্রমাণ হয়ে এখনো দেশের মানুষকে গা শিহরিত করে। জঙ্গিবাদ, বোমা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে মেতে উঠেছিল তারা। উল্লেখ্য, ১৩ বছর আগে ২০০৪ সালে দিনদুপুরে শেখ হাসিনার জনসভায় প্রকাশ্যে গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামীলীগ দলীয় শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। হামলার উদ্দেশ্য ছিল শুধু শেখ হাসিনাকে নয়, আওয়ামী লীগের গোটা নেতৃত্বকেই ধ্বংস করা। এছাড়াও প্রশ্রয় পায় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মলি
মলি এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 week ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 4:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর