নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দীব্বেন্দু দীপ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • হাইয়ুম সরকার
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • তা ন ভী র .
  • কেএম শাওন
  • নুসরাত প্রিয়া
  • তথাগত
  • জুনায়েদ সিদ্দিক...
  • হান্টার দীপ
  • সাধু বাবা
  • বেকার_মানুষ
  • স্নেহেশ চক্রবর্তী
  • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

আপনি এখানে

মলি এর ব্লগ

ঈদে নাশকতা ঠেকাতে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তাবলয়


ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হয়েছে। পুলিশ, র্যা ব ও গোয়েন্দা সংস্থার বিপুল সংখ্যক সদস্যের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই নিরাপত্তাবলয়। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় থাকবে। রাজধানীতে পুলিশের আটটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং র্যা্বের পাঁচটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নিজ নিজ এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করবেন। পোশাকধারী ছাড়াও সাদা পোশাকের পুলিশ, র্যা ব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে থাকবে। ঢাকা মহানগরীর সবকটি প্রবেশ ও বহির্গমন পথে বাড়তি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। কূটনৈতিক ও মতিঝিল ব্যাংক পাড়ায় পুলিশের বাড়তি নজরদারি থ

ক্যানসার চিকিৎসায় নানামুখী উদ্যোগ


বর্তমানে জনদরদী সরকার দেশ ও দেশের মানুষের জন্য একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার সরকার দেশে ক্যানসার চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির এক মহৎ উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। দেশে প্রতি বছর দুই লাখেরও বেশি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্য মাত্র একজন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। এই চিকিৎসাও ব্যয়বহুল, বিশেষ করে দরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যয় কষ্টসাধ্য। এ কথা চিন্তা করেই দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ক্যানসার চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন পদক্ষে

ইসলাম মানবতার ধর্ম, এতে জঙ্গীবাদের ঠাঁই নেই


ঈদ মানে খুশি। আনন্দ। বন্ধুত্ব। মানবতাবোধে জাগরিত হওয়া। ঈদ মানে অসাম্প্রদায়িকতা। শৃঙ্খলা, শান্তি। মানুষে মানুষে নেই ভেদাভেদ। নেই ভ্রান্তি। ঈদ মানে প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব পালন। ভাল কাজে থাকবে না কোন ক্লান্তি। তাই ঈদ-উল-ফিতরের কথা মনে এলেই কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার কথা মনে পড়ে, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ/ আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাকিদ।’ এখানে আসমানী তাকিদ শুনতে বলা হয়েছে। এই শব্দের অর্থ খুঁজতে পারলেই ইসলামের সুমহান আদর্শ ও ঈদের মর্মার্থ বোঝা যাবে। শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সা) এর সময় কাফেররা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন করত। সাহাবীরা মোহাম্মদ (সা) কে এ বিষয়ে বলেন, আমাদের

নো-মোর ষড়যন্ত্র


দেশবিরোধী দালাল অবৈধ ক্ষমতা লোভী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৫০৮ জন নিরিহ মানুষকে জ্যান্ত আগুনে পুড়িয়ে মেরে কাবাব বানিয়ে ভোজন-বিলাসে মগ্ন হয়েছে। আর ৩ হাজারের বেশী আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। খালেদা জিয়ার ধারনাটি হলো যারা লোকাল গাড়িতে উঠে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা গেছে তারা সবাই তো গাড়ির হেলপার ডাইভার শ্রমিক আর কিছু রিক্সা ডাইভার দিনমজুর। তাদের জন্য এতো মায়া-কান্না করতে হবে কেন? তার মানে! গরিব বলে এরা কি মানুষ না! তাই বলে কি খালেদা জিয়ার ইচ্ছে মতেই জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে মেরে ফেলবে?

দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে


রাজনৈতিক চর্চার মূল লক্ষ গণমানুষের সেবা, গণমানুষের কল্যাণকামী মানসিকতায় উজ্জীবিত এক আদর্শিক সংগ্রাম। এ কারণেই যিনি রাজনীতি করেন, ধরে নেয়া হয় তিনি মানুষের সেবার জন্যই নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করবেন। প্রয়োজনে জেল খাটবেন, এমনকি জীবনও বিসর্জন দেবেন। একজন খাঁটি রাজনীতিবিদের নিজের বলে কিছু থাকে না। নিজের ঘরে অভাব অনটন রেখেও অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। একজন আদর্শ রাজনীতিবিদের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পক্ষ হয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া। নজরুলের ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’, ‘চল চল

২০১৮ সালের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে দ্রুত গতির ইন্টারনেট


বর্তমানে বাংলাদেশের সকল ক্ষেএে ডিজিটাল অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে। ফলে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তির হতে চলেছে লাল-সবুজের এ দেশটি। দিনে দিনে অনাহার, অর্ধাহার, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অনুন্নত যোগাযোগ খাতসহ অভাব আর অপ্রতুলতার মতো পীড়াদায়ক শব্দগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে ৫৫ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র থেকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রতিশ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে শিগগিরই মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তির হবে তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। তার নেতৃত্বের এই বলিষ্ঠতা ও দৃঢ়তাই আমাদের দেশের সবচেয়ে অন্যতম বড় প্রাপ্তি। বাংলাদেশের অন্যতম বড় অর্জন উন্নয়নের সকল ক্ষ

জঙ্গি ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে করণীয়


তরুণ ছাত্রসমাজ দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। দেশের আশা ভরসার স্থল। দেশ ও জাতিকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য যথার্থ শিক্ষার মাধ্যমে জনগোষ্ঠিকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে ছাত্রসমাজই ভরসা। বাঙালি জাতির গৌরবময় ইতিহাস ও সোনালী অর্জনে ছাত্র সমাজের ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর থেকে বাঙালিদের অধিকার আদায় ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যেসব আন্দোলন সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছে, উদাহারণ স্বরূপ ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভুত্থান, ৭০ এর সাধারন নির্বাচন, ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচারি বিরোধী আন্দোলন এবং ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার হঠাতে মূল চালিকা শক্

অসীম সম্ভাবনার হাতছানি-হাইটেক পার্ক


বাংলাদেশ পৃথিবীর ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে প্রাকৃতিক সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি। আর তাই প্রত্যেকটি প্রাকৃতিক সম্পদের ওপরই রয়েছে অস্বাভাবিক চাপ। একটা সম্পদই আমাদের পর্যাপ্ত, আর সেটা হলো মানব সম্পদ। সুতরাং এই মানব সম্পদের উন্নয়ন ঘটিয়ে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দেশ হবে সত্যিকার অর্থেই সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল। দক্ষ মানব সম্পদ কাজে লাগানোর জন্য দরকার কর্মক্ষেত্র। কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতেও বর্তমানে দেশ এগিয়ে চলছে। আমাদের গার্মেন্টস শিল্প, বস্ত্রশিল্প, চামড়া শিল্প, ওষুধ শিল্প, প্লাস্টিক শিল্প, হিমায়িত খাদ্য ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প সবই এগিয়ে যাচ্ছে এরকম একটি প্রেক্ষাপট

বাড়ছে আবারও নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ


দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ব্যবহৃত হচ্ছে নতুন নতুন আধুনিক বৈদ্যুতিক যন্ত্র। যার কারণে মানুষের জীবন হচ্ছে সহজ কিন্তু চাহিদা বাড়ছে বিদ্যুতের। বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ায় দেশে কিছু লোডশেডিং হচ্ছে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও বিতরণ লাইনে মেরামত কাজের জন্যও কিছু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। একই সঙ্গে দেশে জলবায়ুগত পরিবর্তনের কারণে মাঝে মাঝে আবহাওয়ার উষ্ণতা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায়। এতে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ছে। মানুষের প্রয়োজনে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলশ্রুতিতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬৪ জেলার ৭৮টি এলাকায় ৩৩ হাজার ৮৪৯ কিলোমিটার নতুন বিদ্যুৎ লাইনে সংয

ওষুধ রফতানিতে সফল বাংলাদেশ


স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ওষুধপ্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ওষুধ ক্রয় করতে হত। কিন্তু বাংলাদেশ বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ দেশে উৎপাদন করছে। বর্তমানে শুধুমাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট যেমন ব্লাড বায়োসিমিলার, অ্যান্টিক্যান্সার ড্রাগ ও ভ্যাকসিন ইত্যাদি আমদানি হয়। বর্তমান সরকারের আমলে গত আট বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওষুধ রফতানির পরিমাণ সাতগুণ বেড়েছে। ২০০৯ সালে ৭৩টি দেশে ওষুধ রফতানির পরিমাণ ছিল ৩শ’ ৪৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ২০১৬ সালে এসে ১২৭টি দেশে ওষুধ রফতানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২শ’ ৪৭ কোটি পাঁচ লাখ টাকায়। বর্তমানে বাংলাদে

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মলি
মলি এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 4:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর