নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ইস্টিশন মাস্টার

নতুন যাত্রী

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • জাহানারা নূরী
  • মোহাম্মদ আল আমীন
  • সজিব আহামেদ
  • সাগর সাহা
  • মাহবুব আলী
  • সাগর স্পর্শ
  • মীর মোহাম্মদ মামুন
  • শাহরিয়ার_খান_রাব্বি
  • শাহ্রিয়ার খান রাব্বি

আপনি এখানে

মলি এর ব্লগ

সবাই মিলে দিলে কর, দেশ হবে স্বনির্ভর


কোনো পরিবারের কর আয়যোগ্য সবাই কর পরিশোধ করলে সেই পরিবারকে সম্মাননা জানানোর পরিকল্পনার এক সময়োপযোগী এবং প্রণোদনামূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের করযোগ্য আয়সম্পন্ন নাগরিকদের কর প্রদানে উৎসাহ দিতে যে পরিবারের সকলে আয়কর দেবে সেই পরিবারকে পুরস্কার প্রদানের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টায় বর্তমানে দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে কর সংস্কৃতি নিয়ে ক্রমশঃ ইতিবাচক চেতনা বিকশিত হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন কর প্রদান করে গর্ব অনুভব করে, মনে করে কর দেয়া একটি বাহাদুরির ব্যাপার। এই মানসিকতাকে সর্বসাধারণের মাঝে সমভাবে ছড়িয়ে দিতেই কর প্রদানকারী বাহাদুর ব্যক্ত

নান্দনিক রূপে ঐতিহ্যবাহী ক্বীন ব্রিজ


ক্বীন ব্রিজটির ইতিহাস অনেক পুরাতন। ব্রিটিশ আমল থেকে এই ব্রিজটি অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার নীরব সাক্ষী। সিলেট সার্কিট হাউজের পাশে বলে দৃষ্টিনন্দন এই ব্রিজের গুরুত্বও অনেক। এই ব্রিজের ওপর থেকেই তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ূব খানকে জুতা ছুঁড়ে মেরে ছাত্র জনতা তাকে প্রত্যাখ্যান করেন। ১৯৩৬ সালে আসামের গভর্নর মাইকেল ক্বীনের নামে শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর উপর এই ব্রিজটি নির্মিত হয়। দিনের আলোয় ব্রিজটি দৃষ্টি কাড়লেও রাতের আঁধারে থাকতো। অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে। তাছাড়া রাতের বেলা ব্রিজের উপর ছিনতাইয়ের শিকার হত পথচারীরা। এ অবস্থার নিরসন ও পর্যটন শহর সিলেটের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিতেই ঐতিহাসিক এই ব

এবার ডিজিটাল দেশ গড়বে ডিজিটাল নারী


আধুনিক বিশ্বে উন্নয়নের অন্যতম উপাদান তথ্য ও প্রযুক্তি। বর্তমানে বিভিন্ন দেশ তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করছে। চার দশক আগে যে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সে বাংলাদেশ এখন আর নেই। এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নসহ নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার প্রতিবেশীদের চেয়ে এগিয়ে আছে। বর্তমানে দেশের নারীরা প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠছে। আইসিটি বা তথ্যপ্রযুক্তিতে পুরুষদের পাশাপশি বর্তমানে নারীরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। কিছু দিন আগেও এ খাতের শিক্ষা, সেবা ও ব্যবসা ছিল পুরুষদের দখলে। কিন্তু এখন আর সে অবস্থা নেই। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণে শতক

কর্মক্ষমতায় যে কোনো উন্নত দেশের চেয়েও সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ


একটা দেশের অর্থনৈতিক দিক তখনই মজবুত হবে যখন সে দেশের তরুন ও কর্মক্ষম জনসংখ্যার হার বেশী হবে। তারুণ্য ও কর্মক্ষম জনশক্তির দিক দিয়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চেয়ে এগিয়ে। বিভিন্ন গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপ অনুযায়ী কর্মশক্তির দিক দিয়ে বাংলাদেশ এমন একটি সুবর্ণ সময় বা ‘গোল্ডেন পিরিয়ড’ অতিক্রম করছে, যা চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, এমনকি ইউরোপ-আমেরিকার অনেক উন্নত দেশকেও পেছনে ফেলেছে। কর্মক্ষমতায় এই বিশেষ লাভবান হওয়ার সুযোগকে ‘জনমিতির মুনাফা’ বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বলা হচ্ছে। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি)এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংল

তিস্তাপারের নারীরা যেন উন্নয়নের নতুন মডেল


বর্তমান সরকারের সহায়তায় দীর্ঘ ৬ বছরে তিস্তাপারের নারীরা ভাগ্য পরিবর্তন ঘটিয়ে মহাসুখে ভাসছে আজ। শত বাধার পাহাড় ডিঙ্গিয়ে সুখের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে নীলফামারীর তিস্তাপারের একঝাঁক নারী। তারা সকলে আজ নিজ নিজ কর্মে স্বাবলম্বী। ক্ষুদ্র ব্যবসা, চাষাবাদের সঙ্গে গড়ে তুলেছে বিশাল সফলতার পরিধি। হাতে স্মার্ট মোবাইল ফোন, ব্যবসার জন্য ব্যবহার করছে অনলাইন বাজার। এ দেশের নারীরা বিমান চালাচ্ছে, হিমালয়ের চূড়ায় উঠছে, বন্দুক কাঁধে যুদ্ধেও যাচ্ছে। শিক্ষায় বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে রফতানি আয়ের চাকা পর্যন্ত ঘোরাচ্ছে নারীরা। তিস্তাপারের এ অগ্রযাত্রা এক সময় মসৃণ ছিল না। নদীভাঙ্গ

৭ বছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৯৬ লাখ মেট্রিক টন


সরকারের নেয়া নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে মাত্র ৭ বছরের ব্যবধানে দেশে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৯৬ লাখ মেট্রিক টন।তবে এটি এখনও কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন নয়। আর কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন না পাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কারেন্ট ও বেহুন্দি জালসহ অন্যান্য অবৈধ জাল দিয়ে নির্বিচারে জাটকা নিধন। নির্বিচারে জাটকা নিধন প্রতিরোধে এসব জাল পোড়াতে মৎস্য ও পাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৯শ’ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জাটকা ইলিশ ধরবো না, দেশের ক্ষতি করবো না’। প্রতিবছরের মতো এবারও ১১ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সপ্তাহটি উদযাপন করা হচ্ছে। এ বছর ঢাকার বাইরে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আমতলী সরকারী

শৈবাল চাষ


শৈবাল মানুষের খাবার ছাড়াও ওষুধ, অয়েন্টমেন্ট, ক্রিম, দাঁতের মাজন, চকলেট, আইসক্রিম, ডিসটেম্পার পেইন্ট, লিপস্টিক ও নারীদের মেকআপসহ আরো অনেক কাজে ব্যবহার হয়। বর্তমানে কক্সবাজারের সাগরতীরে পরীক্ষামূলক চলছে সামুদ্রিক শ্যাওলা বা শৈবালচাষ। শহরের উত্তর নুনিয়াছড়ার মহেশখালী চ্যানেল ও বাঁকখালী নদীর মোহনার চরে হচ্ছে এই চাষ। শৈবালচাষ প্রসারে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) যৌথভাবে কয়েকটি কর্মশালা করে কৃষিবিদ ও কৃষি বিভাগের কর্মীসহ স্থানীয়দের কাছে শৈবাল চাষাবাদের পদ্ধতি ও বীজ উৎপাদন থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। শৈবালচাষ জনপ্রিয় করতে সরকার পঞ্চ

নব রুপে আদি সূচনা


দীর্ঘ প্রায় এক যুগ বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত দিয়ে রেলপথে আবার শুরু হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি। সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে ভারত, নেপাল, ভুটান এবং মিয়ানমারের সঙ্গে রেলপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের চুক্তি অনুযায়ী বিরল সীমান্ত দিয়ে ডুয়েল গেজ রেলপথে প্রথমবারের মত পরীক্ষামূলকভাবে ভারতীয় পাথরবাহী একটি ট্রেন ৪২টি ওয়াগনে ২ হাজার ৪৭২ মেট্রিক টন পাথর নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করলো। এতে বাংলাদেশ সরকারের ১১ লাখ দুই হাজার টাকা রাজস্ব আয় হবে।

আর্মি স্টেডিয়িামে তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে উদ্দীপ্ত জয় বাংলা কনসার্ট


গানে গানে ফিরে এলো একাত্তর। সংগ্রামমুখর খরস্রোতা সেই সময়কে আলিঙ্গন করা হয় বর্তমান প্রেক্ষাপটে। সুরের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটলো বাঙালী জাতিসত্তার অবিনাশী চেতনার। এই প্রজন্মের একঝাঁক ব্যান্ডদলের নিজস্ব পরিবেশনার সঙ্গে গীত হলো- স্বাধীন বাংলা বেতারের গান। আর এসবই হলো, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে। তারুণ্যের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে পরিণত হওয়া সঙ্গীত আসরটি গতকাল রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়িামে অনুষ্ঠিত হলো, ‘’জয় বাংলা কনসার্ট’’। ঐতিহাসিক সাতই মার্চ উপলক্ষে এ কনসার্টেও আয়োজন করে সেন্টার ফর রিসার্চ এ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইয়ং বাংলা।তরণ প্রজম্

এমন মানবতা দেখে জাগ্রত হোক আমাদের বিবেক, জাগ্রত হোক মূল্যবোধ


মানবতার দৃষ্টান্ত একেকজন হয়তো এক এক ভাবে স্থাপন করেন। অনেকে আবার মানবতা ভূলন্ঠিত করতে পিছপা হন না। পুলিশ যে মানুষের বন্ধুই নয়, অসহায়ের সহায়ও হতে পারেন তার উজ্জল দৃষ্টান্ত এএসআই আবুল কালাম আজাদ। এএসআই আজাদ নিজের ভবিষ্যৎ তহবিলের (জিপিএফ) জমানো টাকা তুলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সনমান্দী পূর্বপাড়া গ্রামের রুপবাহার (৭৫) নামের এক সহায়-সম্বল এবং আত্মীয়-স্বজনহীন বৃদ্ধাকে ছোট্ট কুঁড়েঘরের স্থলে একটি আধুনিক পরিবেশবান্ধব ঘর নির্মাণ করেছেন এবং ঘরের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রও কিনে দিয়েছেন। তাছাড়া তার ঘরের সামনে একটি সুন্দর ফুলের বাগান তৈরি করা হয়েছে। নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সোনারগাঁ উপজেলাসহ সা

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

মলি
মলি এর ছবি
Offline
Last seen: 14 ঘন্টা 32 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 10:53পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর