নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাহের ইসলাম
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ব্লগ

অস্থির সময়ের গল্প: নকশালবাড়ি ৩:


১৯৬২ সালে চিন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ‘ডিফেন্স অব ইন্ডিয়া রুল’করা হয় । ’৬৪-র প্রথম দিকে দীর্ঘ মতাদর্শগত সংগ্রামের পরিণতিতে সি পি আই পার্টি ভাগ হয়ে যায় এবং অপেক্ষাকৃত বিপ্লবী অংশ সিপিআই (এম)-এ যোগ দেয়। কিন্তু এই সংগ্রামের ফল আত্মসাৎ করে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকে মধ্যপন্থী নেতারা। অচিরেই বোঝা যায় যে, সিপিএম নেতৃত্ব মুখে বিপ্লবের কথা বললেও আসলে দক্ষিণপন্থী সিপিআই নেতৃত্বের সাথে তাদের কোনও তফাৎ নেই। ডাঙ্গেপন্থীরা যেমন খোলাখুলিভাবে শাসক শ্রেণীর লেজুড়বৃত্তি করে, সিপিএম নেতৃত্ব তেমনটা না করলেও, আড়ালে আবডালে একই রাজনীতির উপাসক। তফাৎ এইটুকুই যে, সংশোধনবাদের এই নবতম অবতার সংগ্রামে একটু আদার ঝাঁঝ আনার চেষ্টা করে যাতে কর্মীবাহিনীকে ভুলিয়ে রাখা যায়!!

অস্থির সময়ের গল্প: নকশালবাড়ি ২:


নকশালবাড়ি আন্দোলন জানতে গেলে, সে সময়কার ভারতীয় কমিউনিস্ট আন্দোলনের পরিস্থিতিটি খুব সংক্ষেপে হলেও জানতে হবে| ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির ৩য় আন্তর্জাতিকের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিলো ২০-এর দশকে। সেই পার্টিতে যুক্ত হয়েছিলেন তৎকালীন ভারতবর্ষের সংগ্রামী, ত্যাগী ও মেধাবী বিপ্লবীরা। কিন্তু পার্টিটি সাংগঠনিকভাবে বিরাট বিস্তৃতি পেলেও বিপ্লবী রাজনীতির ভিত্তিতে সংগ্রাম গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে কৃষক শ্রমিক জনতার বহু গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে পার্টি যুক্ত ছিলও তাতে নেতৃত্ব দিয়েছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও উত্থান ছিল ৪০-দশকের শেষ দিকে ও ৫০-দশকের শুরুতে তেলেঙ্গানার মহান কৃষক অভ্যুত্থান| পার্টি নেতৃত্ব এই মহান

অস্থির সময়ের গল্প: নকশালবাড়ি ১


কুড়ি বছরের কংগ্রেসি শাসনের অবসান ঘটিয়ে কলকাতার মহাকরণে সবে বসেছে প্রথম যুক্তফ্রন্ট সরকার ২৫শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ তারিখে । ১৫ই মার্চ শপথ গ্রহণ করার পর ঘোষিত হয় ১৮দফা কর্মসূচি, যার একটি ছিল ভুমিসংস্কার কর্মসূচি । প্রাক্তন কংগ্রেসি অজয় মুখার্জী মুখ্যমন্ত্রী ও কম্যুনিস্ট নেতা জ্যোতি বসু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আর ভুমি রাজস্ব মন্ত্রী হরেকৃষ্ণ কোঙার|

নকশাল বাড়ি -পূর্ব কথা:


এবাংলার নকশালবাড়ি আন্দোলন নিয়ে লিখতে হলে অনেক স্মৃতি টেনে আনতে হবে, একজন পরবর্তী প্রজন্মের নকশাল আন্দোলনে বিশ্বাসী হিসেবে| একজন প্রাক্তন সক্রিয় কর্মী হিসেবে,এবং এই আন্দোলনের প্রয়োগের দিকগুলোর সমালোচক হিসেবে| তাই মূল লেখাতে যাওয়ার আগে কিছু আগের কথা পাঠকদের জানাই|

ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামে ধর্মান্তর(শেষ পর্ব):


ভারতীয় উপমহাদেশে অধিকাংশ মুসলিম শাসকেরা নির্মম অত্যাচারের আশ্রয় নিয়ে অগুন্তি মানুষকে ধর্মান্তরিত করে ইসলামে, যে ইতিহাস বেশিরভাগ তথাকথিত ইসলামী ঐতিহাসিকগণ বেমালুম চেপে যান বরং সুফিবাদ, শান্তির ধর্ম নানা অছিলায় উপমহাদেশে ইসলামের প্রসারের গল্প ফাঁদেন| এই শাসকদের এক কুখ্যাত চূড়ামণি আওরঙ্গজেব|

আওরঙ্গজেবের অধীনে ধর্মান্তর:

শান্তিপূর্ণ সুফিবাদ ও ইসলামী কাশ্মীর ২:


মালিক রাইনা এবং কাজী চাকের আমলে কাশ্মীরের অমুসলিমদের আবার তলোয়ার দ্বারা ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হলো । এবারের উস্কানীদাতা সূফী দরবেশ আমীর শামসুদ্‌-দীন মুহামমদ ইরাকী যাকে কাশ্মীরে আসা শ্রেষ্ঠ সূফী বলা হয়! Baharistan-i-Shahi (p. 93-94))বলছে :
“আমীর শামসুদ্‌-দীন মুহামমদ সকল মূর্তিপূজার গৃহ পাইকারীভাবে ধ্বংস করেন এবং সেই সঙ্গে নাস্তিকতা ও অবিশ্বাসের ভিত্তিমূল পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করেন। মূর্তিপূজার প্রতিটি গৃহ ধ্বংস করার পর ইসলামী কায়দায় উপাসনা করার জন্য তার উপর মসজিদ নির্মাণ করার আদেশ দেন।”

শান্তিপূর্ণ সুফিবাদ ও ইসলামী কাশ্মীর :১


আজাদ কাশ্মীরের আন্দোলনকারী শান্তিকামী মুসলমানদের জন্য বিশ্বব্যাপী মডারেটদের হৃদয় ভেঙে যায়, চোখ ভিজে ওঠে জলে! আদৌ কি মুসলমানরা কাশ্মীরের ভূমিপুত্র? ইতিহাস কি বলে? সাদাকে সাদা আর কালকে কালো বলতে বা দেখতে বাঁধা কোথায়? কাশ্মীরে ইসলাম এলো কিভাবে ? যথারীতি বিশ্বব্যাপী মডারেটদের সেই এক দাবি: 'সূফীদের শান্তিপূর্ণ সহনশীল প্রচারের মাধ্যমে কাশ্মীরে ইসলাম এসেছিল।' তার সাথে অবশ্যই পৃথিবী ব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ইসলাম প্রচারের জন্য সর্বজনীনভাবে সূফীদেরকে কৃতিত্ব দেওয়া !

ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামে ধর্মান্তর:৭


উপমহাদেশে ইসলামের বিস্তারে অমুসলিমদের উপর অর্থনৈতিক বোঝা চাপিয়ে দেওয়া ও তার ফলে ধর্মান্তকরণ (৩):

ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামে ধর্মান্তর:৬


উপমহাদেশে ইসলামের বিস্তারে ধর্মান্তকরণে অমুসলিমদের উপর অর্থনৈতিক বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার ভুমিকা(২):

ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা ওমরের চুক্তি: ইসলামের শাফী আইনশাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম শাফীর ‘কিতাব-উল-উম্ম’ বলা আছে। আরবদের সিরিয়া দখলের পর খলীফা ওমরের নির্দেশে সিরিয়ার খ্রীষ্টানদের প্রধান ও খলীফার মাঝে এই চুক্তি হয়। সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে মর্যাদাহানিকর ও অমানবিক অক্ষমতার শর্ত যুক্ত হয়েছে এ চুক্তিতে। খলীফা ওমর সিরিয়ার খ্রীষ্টান প্রধানকে ইসলামের কাছে তাদের আনুগত্য মেনে নিতে এই চুক্তিটা পাঠায়। চুক্তির প্রধান শর্তগুলো হলো(Triton, p. 12-24):

বাংলা:দাঙ্গায় নাঙ্গা-শেষ)


সিলেটে হিন্দু হত্যা,ধর্ষণ,লুটপাট,অগ্নিসংযোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল।২০৩ টা হিন্দু গ্রাম সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল।ধামাই,বারাধামি,পুবঘাট,বরইতলি গ্রামের মনিপুরিরাও বাদ যায়নি!। গণভোটের সময় থেকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছিল:হিন্দুরা যেহেতু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাই তারা পাকিস্তানের শত্রু। সিলেটের মুসলিমরা আশা করেছিল আসামের করিমগঞ্জ পাকিস্তানের অংশ হবে কিন্তু সেটা ভারতেই রয়ে গেল! এরপর শুরু হলো হুমকি। ১০ই ফেব্রুয়ারি তারিখে মুসলিমরা সিলেটের প্রাণকেন্দ্র বন্দর বাজারে বিশাল একটা পোস্টার টানায়-লাঠি এবং অস্ত্র হাতে হিন্দুরা একজন মুসলিমের গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে,

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Online
Last seen: 48 min 44 sec ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 1:03অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর