নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নাগিব মাহফুজ খান
  • মোঃ যীশুকৃষ্ণ

নতুন যাত্রী

  • রৌদ্র
  • তানভীর জনি
  • জাফর মিয়া
  • প্রোফেসর পিনাক
  • কৃষ্ণেন্দু দেবনাথ
  • রাশেদুজ্জামান কবির
  • পিনাক হালদার
  • ফ্রিডম
  • অ্যানার্কিস্ট
  • আশোক বোস

আপনি এখানে

রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ব্লগ

শান্তির ছেলেপুলেরা



বোমারুর নাম সালমান রমাদান আবেদি| আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় বহু নিরীহ মানুষ প্রান দিচ্ছে। নারী শিশুও বাদ নেই। ইসলামিক মৌলবাদের রোষানল থেকে বাদ যাচ্ছে না বিশ্বের কোনও দেশ। ওসামা বিন লাদেনের নির্দেশে যখন ২০০১ সালে আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে জোড়া বিমান হানায় কয়েক হাজার নিরপরাধ নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল তখন বিশ্বের পাক্কা মৌলবাদী মুসলিমরা আশাবাদী হয়ে উঠেছিলো এই বুঝি সারা বিশ্বে ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা হয়ে গেল আর কি!!

রোকেয়ার ইসলামিকরণ:পর্ব:৩


রোকেয়ার জীবদ্দশায় মুসলিম সমাজ রোকেয়ার প্রতি প্রচন্ড বিরূপ ছিলো এবং প্রতি পদে তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করতো । সেই সময় মুসলিম সমাজে শ্রেণী হিসেবে বুদ্ধিজীবীদের তখনো আত্মপ্রকাশ ঘটেনি । সমাজে একতরফা কর্তিত্ত্ব করতো মোল্লারা । পদে পদে তারা রোকেয়াকে বিব্রত করতো সে কথা রোকেয়া সখেদে স্পস্ট ভাষায় বলে গেছেন । এক জায়গায় তিনি লিখছেন – “ আমি কারসিয়ং ও মধুপুর বেড়াইতে গিয়া সুন্দর, সুদর্শন পাথর কুড়াইয়াছি ; উড়িষ্যা ও মাদ্রাজে সাগরতীরে বেড়াইতে গিয়া বিচিত্র বর্ণের, বিবিধ আকারের ঝিনুক কুড়াইয়া আনিয়াছি । আর জীবনের পঁচিশ বৎসর ধরিয়া সমাজ সেবা করিয়া কাঠমোল্লাদের অভিসম্পাত কুড়াইয়াছি ।”(দ্রঃ রোকেয়া জীবনী, শামসুন নাহার, পৃ-৭৯

বিশ্বাসের ভাইরাস:


'বিশ্বাসের ভাইরাস' অভিজিৎদার লেখা| অভিজিৎদার হত্যা মৃত্যু আমার মধ্যে অনেক অবিশ্বাসের ভাইরাসের জন্ম দিয়েছে| পাকিস্তানী বিশ্বাসের ভাইরাস থেকে একাত্তরে ত্রিশ লক্ষ প্রাণ আর প্রায় তিন লক্ষের উপর নারীর ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্ম-মুক্তি|

অভিজিৎদার মৃত্যু নিয়ে আগেও লিখেছি ও একটা id প্রায় খোয়াতে বসেছি| কাল আমার বেশ নতুন ফেসবুক বন্ধুর পোস্টে একটি কমেন্ট করাতে আবার এই প্রসঙ্গ উঠে এলো| তাকে বললাম অভিজিৎদার মৃত্যু চক্রান্ত আমার ধারণা| আপনাকে ট্যাগ করে লিখবো? নিতে পারবেন? বন্ধু অনুমতি দিল লিখতে, আর তাই লিখছি|

রোকেয়ার ইসলামিকরণ:পর্ব:২


তাদের রোকেয়া-চর্চায় রোকেয়ার প্রবল স্তুতি দেখা যায়। নারী-স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় তারা মুখর । তারা তাঁকে সমাজ সংস্কারক, নারী-স্বাধীনতা আন্দোলনের পথিকৃত, নারী-মুক্তি সংগ্রামের অগ্রণী সেনাপতি ও জননী, নারী জাগরণের অগ্রদূত ইত্যাদি বহু সন্মানে সম্মানিত করে সমাজের সবচেয়ে অগ্রগণ্য মনীষীদের আসনে বসিয়েছে। মানব সমাজের সবচেয়ে উঁচু আসন রোকেয়ার প্রাপ্য তা নিয়ে কোনো দ্বিধার জায়গা নেই । যে মনন এবং মেধা, সাহস ও দুর্লভ অবদানের জন্যে রোকেয়ার মর্যাদা ও সম্মান প্রাপ্য ঠিক সে কারণেই কিন্তু তিনি বাঙালি মুসলিম সমাজের চোখে একজন অগ্রগণ্য মনীষী নন! রোকেয়ার যথার্থ মূল্যায়ন করে তাঁকে সমাজের বহু উঁচু আসনে তাঁকে বরণ করেছে বাঙালি মুসলমান এমনটা নয়!

রোকেয়ার ইসলামিকরণ:পর্ব:১


বিদ্রোহী কবি নজরুলকে তার জীবিত থাকার সময় এককালে মুসলিম সমাজ কাফের ও ইসলামের শত্রু মুসলমান সমাজের কুলাঙ্গার বলে গালাগাল দিয়ে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল । আজ সেই নজরুলকে একজন মুসলিম কবি ও মুসলিম সমাজের গর্ব ও সম্পদ বলে দিনরাত প্রচারণা চালায়!নজরুলকে নিয়ে তাদের এখন বিশাল অহংকার! ঐ একই মিথ্যা প্রচারণার সড়ক ধরেই তাঁরা নিরন্তর ‘রোকেয়ার ইসলামিকরণ’ করে চলেছে।

পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় জঙ্গিবাদের প্রকোপ ও মুক্তচিন্তা:



পাশের বাড়ি পুড়লে, নিজের বাড়িতেও আঁচ লাগে! ওপার বাংলার মুক্তচিন্তক আর এপার বাংলার মুক্তচিন্তক, সকলেই এক তিমিরে বন্ধু! চাপাতির কোপে বা বন্দুকের গুলিতে, যদি এবার এপার বাংলার কোনো মুক্তচিন্তকের মৃত্যু হয়, তবে এই মুসলিম ধর্মীয় জঙ্গিদের ক্ষমতার প্রবলতা সমগ্র বাংলা জুড়ে প্রমানিত হবে!

বাবার পদাঙ্ক অনুসরণকারী কন্যা:



বহুল আখ্যায়িত হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন ! সত্যিই কি তাই?

হাসিনা পিতার যোগ্য কন্যা


শেখ হাসিনার পিতা মুজিবর রহমানের জন্ম ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৭–০৩–১৯২০ খ্রীষ্ঠাব্দে।মুজিবের পরিবার কয়েক পুরুষ আগে নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের অন্তর্ভূক্ত ছিল।সমাজচ্যুত ওই পরিবার ইসলামের গ্রহণ করে। সেই সময় হিন্দু সমাজের বিচার ব্যবস্থা ছিল কঠোর। সমাজপতিরা সমাজবিরোধী বা ব্যাভিচারীদের কঠোর শাস্তি দিত। অপরাধের শাস্তি হিসাবে সমাজ থেকে বহিস্কৃত হয়ে ইসলাম কবুল করে ওই পরিবারগুলি হিন্দুদের জাত শত্রু মনে করতে সুরু করে। ওই অঞ্চলে নমঃশূদ্রদের সঙ্গে মুসলমানদের কোন বিরোধ ব

১৯৪৬ সালের নোয়াখালী দাঙ্গা এক বিস্মৃত ইতিহাস: (পর্ব ৩ ):


হিন্দু পুরুষদেরকে মাথায় টুপি এবং মুখে দাঁড়ি রাখা বাধ্যতামুলক করা হয়। মহিলাদের হাতের শাঁখা ভেঙ্গে ফেলে এবং কপালের সিঁদুর মুছে দেয় মুসলিমরা। তাদেরকে কলেমা পড়ে ইসলামে ধর্মান্তকরন করা হয়। সেখানে হিন্দু মহিলাদের মাটিতে চিৎ করে শুইয়ে মুসলিম লীগের গুণ্ডারা পায়ের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে সিঁথির সিঁদুর মুছে দিয়ে হাতের শাঁখা ভেঙ্গে তাদের স্বামী ও পুত্র ও শিশু কন্যাদের হত্যা করে ওই হিন্দু মহিলাদের জোর করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে লীগ গুণ্ডারা বিয়ে করত। মৌলবিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইসলামিক শিক্ষা নিতে বাধ্য করতে থাকে।হিন্দু পুরুষদেরকে মুসলিমরা জোর করে মসজিদে নিয়ে নামাজ পড়াত।হিন্দুদেরকে জোর করে গরুর মাংস খেতে বাধ্য করা হয় কারণ হিন্দুধর্মানুসারে গরু তাদের কাছে পবিত্র প্রাণী বিধায় এর মাংস তারা খায় না | ধর্মান্তরিত হিন্দুদের আরবী নামে নতুন নামকরণ করা হয়।মুসলিম নেতারা উচ্চ বর্ণের হিন্দুদের নামের টাইটেল যেমন চৌধুরী,ঠাকুর প্রভৃতি নামের শেষে যুক্ত করতে অনুমতি দেয়| শ্রী যোগেশ চন্দ্র শীল আদালতে সাক্ষী দিয়েছিলেন এই মর্মে যে নোয়াখালী দাঙ্গা চলা কালীন সময়ে বেগমগঞ্জ থানার দুর্গাপুর গ্রামের তরঙ্গবালা দাসী নামক জনৈক মহিলাকে মুসলিমরা বেশ কয়েকবার নির্যাতন করে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 1 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 1:03অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর