নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ব্লগ

একজন অভিজিৎ রায় ও অনেক প্রশ্ন :৪


টিএসসি এর মতন জায়গায় এসে কাউকে হত্যা করে নির্বিঘ্নে খুনিরা পালিয়ে গেছে। লুকিয়ে, বা দূর হতে গুলি করে নয়, সামনে এসে কুপিয়ে খুন করে, নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেছে। এমন কাজ করার মতন সাহসী বা ক্ষমতাবান সংগঠন বাংলাদেশে কয়টি আছে? হঠাত করে গজিয়ে ওঠা সংগঠনের (আনসার বাংলা ৭) পক্ষে এটা করা কিভাবে সম্ভব?

একজন অভিজিৎ রায় ও অনেক প্রশ্নঃ ৩


বোরখা পরা খুনি চাপাতি দিয়ে অভিজিৎদার মাথা বরাবর উপর্যুপরি কোপাতে থাকলে তিনি ফুটপাতেই লুটিয়ে পরেন। রক্তে ভেসে যেতে থাকে এলাকা। এ সময় বন্যাদি চাপাতির কোপ থেকে অভিজিৎদাকে বাঁচাতে গেলে খুনি তার হাতেও কোপ মারে। এতে করে তার হাতের একটি আঙুল কেটে রাস্তায় পড়ে যায়।

পুরো ঘটনাটি খুব কাছ থেকে দেখে তুলি নামের এক নারী (পুরো নাম দেওয়া যাবেনা)।

একজন অভিজিৎ রায় ও অনেক প্রশ্ন :২


নিম্নোক্তগুলো কি সত্যি না নিছক বিরোধীদলের গুজব রটানো? আপনাদের মতামত জানান:

১.অভিজিৎদা হত্যার মূল পরিকল্পনাটি করা হয়েছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আরাফাত এ রহমানের বাড়িতে। যেখানে ৭১ টিভির মোজাম্মেল বাবু প্রায়ই আড্ডা মারতে এবং মদ খেতে আসত। এই বাড়িতে বসেই এই দুই জন অভিজিৎদা হত্যার এই ভয়ংকর পরিকল্পনাটি করে।

২.তথ্যমন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই অভিজিৎদা কে হত্যা করা হয়েছে। এ তথ্যটি বিভিন্ন সূত্র না কি নিশ্চিত করেছে। আরাফাত ও বাবুর মদের আড্ডায় উপস্থিত ছিল তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুও। সেখান থেকেই অভিজিৎদার হত্যার মূল পরিকল্পনা হয়।

নাস্তিক ব্লগার হত্যার টুকরো ছবি


নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় ব্লগার নিলয় নীল হত্যার ঘটনায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর ছোট ভাই নজরুল হক নান্নুর ছেলে সাদ আল নাহিনকে আটক করেছিল পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

নাহিন আটকের কথা ডিবি স্বীকার করেনি তবে নাহিনের বাবা দাবি করেছিলো তার ছেলে আটক

নজরুল হক নান্নু বলে: ‘জিজ্ঞাবাদের জন্য ডিবি পুলিশ আমার ছেলে নাহিনকে আটক করেছে। আমি কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসেছি। দেখি কী হয়।’

সাদ আল নাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ-এর ছাত্র । ২০১৩ সালের ১৪ জানুয়ারি ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তাকে ও আরো তিন সহযোগীকে, ৩১ মার্চ গ্রেপ্তার করেছিল ডিবি পুলিশ।

নাস্তিক ব্লগার হত্যার টুকরো ছবি (অবতরণিকা )


নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় ব্লগার নিলয় নীল হত্যার ঘটনায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর ছোট ভাই নজরুল হক নান্নুর ছেলে সাদ আল নাহিনকে আটক করেছিল পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। নাহিন আটকের কথা ডিবি স্বীকার করেনি তবে নাহিনের বাবা দাবি করেছিলো তার ছেলে আটক।

একজন অভিজিৎ ও অনেক প্রশ্ন


বাবা অজয় রায়ের নিষেধ সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ ব্লগার অভিজিৎদা ও তার স্ত্রী বন্যাদি আমেরিকা থেকে দেশে আসে। বিদেশ থেকে আসার পর থেকে নিয়মিত বইমেলায় যেত তারা। ঢাবির অধ্যাপক মেজবাহ কামালের সাথে অভিজিৎদার বাবা ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় রায়ের বিরোধ চলছিল। মেজবাহ অজয় রায়কে বিভিন্ন সময় হুমকিও দিয়েছিল বলেন অজয় রায়ের সহকর্মীরা। সে কারণে অজয় রায় অভিজিৎদাকে দেশে আসতে নিষেধও করেছিলো|

সিসিটিভি ফুটেজ আর ভাষ্য অনুযায়ি, অভিজিৎদা যখন বইমেলাতে ছিল তখন তার সাথে ২ জন ঘোড়াঘুড়ি করেছে। একসাথে চাও খেয়েছে!অভিজিৎদা যখন বইমেলা থেকে চলে যেতে তৈরী ঠিক তখনই রহস্যজনকভাবে কেটে পরলো সে ২ জন!

মুরতাদ ড. আহমেদ শরীফ


বাংলাদেশে সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতে আহমদ শরীফ এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি সবার কাছে প্রিয় হওয়ার দুর্বলতাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিলেন। আহমদ শরীফ চট্টগ্রামের পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী গ্রামে ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯২১ সালে জন্মেছিলেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে ঢাকায় মারা যান। কলেজে অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু। এরপরে এক বছরের কিছু বেশি সময় রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রে অনুষ্ঠান সহকারী হিসেবে থাকার পর ১৯৫০-এর শেষের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগ দিয়ে একটানা ৩৪ বছর অধ্যাপনা করে ১৯৮৩ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৫২ থেকে ১৯৭১ এ উত্তরণ ও বাঙালির চেতনামুক্তি


অতুলপ্রসাদ সেন লিখেছিলেন: ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! তোমার কোলে তোমার বলে কতই শান্তি ভালবাসা।’ এমন লেখা হৃদয়কে আবেগে আপ্লুত করে বারবার। ১৭৬০ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে জনগণ কমপক্ষে সতের বার বিদ্রোহ করেছে।

দ্বিজাতিতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের লুকিয়ে যাওয়া গৌরবময় অধ্যায় :(শেষ পর্ব):


১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হিন্দুদের উপর শুরু হওয়া গণআক্রমন চলতে থাকে পুরো মাস জুড়ে। মুসলমানদের এই লুটেরা মানসিকতা দেখে এবং এই জংলীদের সাথে বসবাস করা যাবে না, এটা বুঝতে পেরে, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য হিন্দুদের দেশত্যাগের স্রোত শুরু হয়। সেই সময় পূর্ববঙ্গে-গোয়ালন্দ, পার্বতীপুর ও খুলনা, এই তিনটি জায়গা থেকে কলকাতার ট্রেন পাওয়া যেতো। এজন্য- ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর জেলাসহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের লাখ লাখ হিন্দু, বাড়িঘর, জমিজমা সর্বস্ব ত্যাগ করে একবস্ত্রে দেশত্যাগের জন্য এসে জড়ো হতে শুরু করে গোয়ালন্দে। উত্তরের হিন্দুরা পার্বতীপুরে এবং যশোর ও খুলনাসহ পশ্চিম ও দক্ষিনের হিন্দুরা খুলনা স্টেশনে। সীমান্তের আশে পাশের জেলার হিন্দুরা বাসে করে সড়ক পথে বা পায়ে হেঁটেই ঢুকে পড়ে ভারতে। বরিশাল থেকে কলকাতা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম ছিলো জলজাহাজ। তাই বরিশাল, পটুয়াখালি, ভোলা জেলার হিন্দুরা বরিশালে এত পরিমাণ এসে জড়ো হতে শুরু করে যে, জেটিতে স্থান পাওয়া দায়!
https://encrypted-tbn2.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcRQBPGwW17JvLeHzrxf...

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 7:03পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর