নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ লীনা
  • সীমান্ত মল্লিক

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ব্লগ

আম বাঙালি মুসলমানের হিরো বখতিয়ার নালন্দাতেই থেমে থাকেনি !


ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের প্রসার মূলত বহিরাগতদের আক্রমনের ফলে, মানুন বা না মানুন। ১৪০০ বছর আগে ইসলামের প্রবক্তার এই উপমহাদেশের কোনো যোগসূত্র আর পাওয়া যায়না। ইসলামী আগ্রাসনের থাবা ভারতীয় উপমহাদেশে বার বার আচড়ে পরেছে, মানুষ মরেছে, নারী সম্ভ্রম হারিয়েছে, ধর্মান্তকরণ চলছে অবাধে আর সাথে লুঠতরাজ তো ছিলই।

যয়নব, মুহাম্মদ ও আল্লাহর নৈতিকতা ২:


উপসাগর অঞ্চলে অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে নারী ও পুরুষের মধ্যে স্বাভাবিক মেলামেশা একরকম নিয়ম করে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে কিছু সংখ্যক মুসলমান পুরুষ বন্য পশুর মত আচরণ করে। যেমন ধরুন সৌদী আরবে একজন পুরুষ নারীর পা দেখে যৌন উত্তেজনা বোধ করতে পারে। অস্ট্রেলীয় ইমাম তাজ আল-হিলালী সারা শরীর কাপড় দিয়ে না ঢাকা নারীদেরকে আবরণহীন মাংস বলেছে ! তবে এটা কল্পনা করা কষ্টকর যে পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন পুরুষ যার বহুসংখ্যক স্ত্রী এবং যৌনদাসী, সে স্বল্প-বসনা পুত্রবধূকে দেখে যৌন দানব হয়ে যাবে !

ইসলামের নবী ও গণহত্যা (শেষ) :


মুহাম্মদের আশঙ্কা ছিল যে, বানু কাইনুকা উপজাতি ভবিষ্যতে কোন সময় চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে আর তাই মুহাম্মদ বানু কাইনুকা উপজাতিকে অবরোধ করেছিল। দিন পনেরো অবরোধের পর ইহুদীরা আত্মসমর্পণ করল। কোরানের ৫:৪৯ আয়াতে মুহাম্মদের আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেবার আর ৮:৫৪ আয়াতে তাদেরকে ফারাওয়ের মত সম্পূর্ণ ধ্বংস করার বিধান ! বিধান অনুযায়ী মুহাম্মদ আত্মসমর্পনকারী ইহুদী পুরুষদেরকে দ্রুত হত্যার জন্য বেঁধে ফেলল। এমন সময়ে ইসলামের নিন্দিত মুনাফিক আবদুল্লাহ্ ইব্ন উবাইয়ী ব্যাগরা দিয়ে বসল !

ইসলামের নবী ও গণহত্যা ৩:


মুহাম্মদ এবং ইহুদীদের এই তথাকথিত চুক্তির অস্তিত্ব প্রমান করতে মুসলমানরা এটাকে “মদীনার সংবিধান” হিসাবে তুলে ধরে । মুসলমানদের গর্বে ছাতি ফুলে ওঠে যে এখানে ইসলামী রাষ্ট্রের “আদর্শ নীলনকশা”, ফুটে উঠেছে যেখানে রয়েছে সকল বিশ্বাসের মানুষের জন্য সহিষ্ণুতা, স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং ন্যায় বিচার । মদীনায় মুহাম্মদের আসার এক বছরের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এই চুক্তি দ্বারা প্রকৃতপক্ষে মদীনায় নূতন উদ্বাস্তু মুহাম্মদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কর্তৃত্বের কাছে সকল মদীনাবাসীর শর্তহীন আত্মসমর্পণ দাবী করা হয়েছিল। মুসলমানরা যতই গলাবাজি করুক, এই চুক্তিতে ইহুদীরা কখনই সই করেনি এবং আদৌ চোখে দেখেছিল কিনা সন্দেহ !!

ইসলামের নবী ও গণহত্যা ২:


মুহাম্মদ তাকে নবী হিসাবে গ্রহণ না করার জন্য ইহুদীদের ভাগ্য নির্ধারিত করলো। শুরু হলো মদীনা থেকে ইহুদীদের নিশ্চিহ্নকরণ। জানুয়ারী ৬২৪তে মক্কার একটি বাণিজ্য মিছিলকে আক্রমণ ও লুঠের উদ্দেশ্যে মুহাম্মদ এবং তার ৩০০-এর কিছু বেশী মুসলমান অনুসারী অনুসরণ করলো আর বদরের যুদ্ধে তার বাহিনীর সংখ্যার তুলনায় প্রায় তিনগুণ সংখ্যার বাহিনীর সাথে যুদ্ধে চোখ ধাঁধানো জয় লাভ করলো। মুহাম্মদের ছাতি একেবারে বাহাত্তর ইঞ্চি ফুলে গেল আত্মবিশ্বাসে। এইবার ইহুদীদের মুহাম্মদকে নবী প্রত্যাখ্যান করার জন্য এলো কোরানের নির্দেশ :

ইসলামের নবী ও গণহত্যা ১:


ইসলাম প্রতিষ্ঠার মহৎ কর্মে মুহাম্মদ (৬১০-৬৩২) মদীনাতে সেখানকার ভূমিপুত্র ইহুদীদের উপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়েছিল ও নির্বিচারে হত্যালীলায় মেতেছিলো আর এটাই ছিল ইহুদীদের উপর পরিচালিত প্রথম গণহত্যা। মুহাম্মদ দুটো ইহুদী উপজাতিকে আক্রমণ করে তাদের বাসভূমি থেকে তাড়িয়েছিলো আর তৃতীয় উপজাতি বানু কুরাইযার সব পুরুষদের একধারসে হত্যা করে তাদের নারী ও শিশুদেরকে দাস বানিয়েছিলো । মুহাম্মদ বহু দেবতা পূজারীদের দুটো অপশন দিয়েছিলো: ধর্মান্তরণ অথবা মৃত্যু । এর মাধ্যমে সে আরব থেকে মূর্তি পূজা নিশ্চিহ্ন করে। এই বিধানের সমর্থনে তার অস্ত্ৰ ছিল আল্লাহর নিম্নক্ত কিছু ওহীগুলো (মনগরা ) :

বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা (শেষ পর্ব):


মির গাউস বক্স বিজেঞ্জো '৭১ এর মার্চের অসহযোগের দিনগুলোতে অচলাবস্থা কাটাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর সাহায্য লাগবে কি না জানতে চেয়ে টেলিগ্রাম করেছিলেন এবং প্রত্যুত্তর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকায় ছুটে এসেছিলেন। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রধান আবদুল ওয়ালি খানের সঙ্গে তিনি ঢাকায় আসেন ১৩ মার্চ। ১৪ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে বিজেঞ্জো ও ওয়ালি খান পাকিস্তান না ভাঙার অনুরোধ জানান। জবাবে শেখ মুজিব বলেন, ‘আমরা কেন পাকিস্তান ভাঙব, আমরা তো পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ।’ পশ্চিম পাকিস্তানি দুই নেতা পরিস্থিতি খুবই জটিল জানিয়ে বলেন:শেখ মুজিব যদি অনমনীয় অবস্থান নেন, তাহলে পাকিস্তান ভেঙে যাবে

বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা ৩:


আবদুল ওয়ালি খান ও মির গাউস বক্স বিজেঞ্জোর প্রত্যাশা ছিল, পূর্ব পাকিস্তানে ছয় দফা কার্যকর হলে পশ্চিম পাকিস্তানের ছোট প্রদেশগুলো এর সুবিধা পাবে। ভুট্টোর বাঁদরামিতে সেই সংবিধান রচনা আর হলো না !

বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা ২:


১৯৫০ সালের মে মাসে, আবদুল করিম খান কালওয়ান জেলার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এর প্রতিশোধ নিয়েছিল। একসময়ে সেনাবাহিনী বিদ্রোহী বালুচদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তারা আবদুল করিমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই বলে এক চুক্তিতে সই করে যে আবদুল করিমের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। কোরান ছুঁয়ে চুক্তি মেনে চলার শপথ নেওয়া হয়েছিল । কালাতের পথে করিম খান ও তাঁর ১০২ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তান সরকার সেই চুক্তির প্রতি অসম্মান দেখায়।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Offline
Last seen: 5 ঘন্টা 44 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 1:03অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর