নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাফী শামস
  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ব্লগ

বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা ২:


১৯৫০ সালের মে মাসে, আবদুল করিম খান কালওয়ান জেলার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এর প্রতিশোধ নিয়েছিল। একসময়ে সেনাবাহিনী বিদ্রোহী বালুচদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তারা আবদুল করিমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই বলে এক চুক্তিতে সই করে যে আবদুল করিমের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। কোরান ছুঁয়ে চুক্তি মেনে চলার শপথ নেওয়া হয়েছিল । কালাতের পথে করিম খান ও তাঁর ১০২ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তান সরকার সেই চুক্তির প্রতি অসম্মান দেখায়।

বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা ১:


আজকের বেলুচিস্তান দেশ বিভাগের আগে ছিল কালাত আর সেটা কখনোই ভারতীয় উপমহাদেশের অংশ ছিল না। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তখন কালাত ছিল অন্যান্য দেশীয় রাজ্য কিংবা ভারত ও পাকিস্তান ডমিনিকান থেকে ভিন্ন। ১৮৭৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী, কালাত একধরনের ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম’ রাষ্ট্রের মর্যাদা ভোগ করত। উপমহাদেশে ব্রিটিশ সরকার থাকাকালীন কালাতের শাসকদের পক্ষে মুসলিম লীগের নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন বেতনভুক আইনি উপদেষ্টা। তিনি সে সময়ে কালাতের স্বাধীনতার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়েছেন। পাকিস্তান হওয়ার পর জিন্নাহ ১৮০ ডিগ্রী পাল্টি খেলেন আর কালাতের স্বাধীনতা খর্ব করতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিলেন

ধর্মের ম্যাজিক: সর্বশেষ আব্রাহামিক ধর্ম 'বাহাই' ও খোদার প্রেরীত সর্বশেষ নবী 'বাহাউল্লাহ': শেষ পর্ব


মির্জা ইয়াহিয়া ও তার অনুসারীরা বাহাউল্লাহকে হেয় করতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে অটোম্যান কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করল। বাহাউল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল গোপন ষড়যন্ত্র ও স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি করা। সরকার দেখল যে বাহাউল্লাহ এবং মির্জা ইয়াহিয়া দুজনেই এক নূতন ধর্মীয় দাবী ছড়িয়ে দিচ্ছেন যা মুসলিমদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার ভাবলো এতে করে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতি হতে পারে। তাই দুজনকেই দোষী সাব্যস্ত করে আবার তাদের অটোম্যান সাম্রাজ্যের দুই প্রান্তে কারাদন্ডসহ নির্বাসন দিল। ১৮৬৮ সনের জুলাই মাসে ফরমান জারী হল। মির্জা ইয়াহিয়া ও তার অনুসারীদেরকে সা

ধর্মের ম্যাজিক: সর্বশেষ আব্রাহামিক ধর্ম 'বাহাই' ও খোদার প্রেরীত সর্বশেষ নবী 'বাহাউল্লাহ':৫


বাহাউল্লাহ অটোম্যান কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন। সাড়ে তিন মাস কনস্টানটিনোপলে থাকার পর তাকে আদ্রিয়ানোপলে যেতে আদেশ দেয়া হয়েছিল। আদেশমত বাহাউল্লাহ তার পরিবার ও অনুসারীসহ ১লা ডিসেম্বর, ১৮৬৩ সনে আদ্রিয়ানোপলের উদ্দেশ্যে পা বাড়ান এবং ১২ই ডিসেম্বর সেখানে পৌঁছন। এই যাত্রা ছিল নির্বাসনের। বাহাউল্লাহ এখানে সাড়ে চার বছর ছিলেন। এই সময়ে মির্জা ইয়াহিয়া তাকে হত্যার কয়েকটি পরিকল্পনা করেন, কেননা বাবী সম্প্রদায়ে বাহাউল্লাহর উত্থান নেতৃত্বকে নিম্নগামী করছিল। হত্যার কাজে প্রথমে তিনি স্থানীয় একজন নাপিতকে লাগিয়েছিলেন। নাপিত মুহম্মদ আলী ছিল ইস্পাহানের বাসিন্দা। সে, মির্জা ইয়াহিয়ার প্

শেখ মুজিবের হত্যাকারী কারা : ৪


৩৩. পররাষ্ট্র দফতরে লিফশুলজরা ইউজেন বোস্টারের সাক্ষাৎকার নেয়ার ফলে তিনি প্রকাশ্যে অনেক বিষয়ে কিছু বলতে চান নি। যার কারণে এসব ঘটনায় নাটের গুরু কিসিঞ্জারের যোগসূত্র পরিষ্কার হচ্ছিল না। পরবর্তী কয়েক বছর লিফশুলজরা রাষ্ট্রদূত বোস্টারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার চেষ্টা করে চলে।

ধর্মের ম্যাজিক: সর্বশেষ আব্রাহামিক ধর্ম 'বাহাই' ও খোদার প্রেরীত সর্বশেষ নবী 'বাহাউল্লাহ':৪


মির্জা ইয়াহিয়ার দূর্বল নেতৃত্বের জন্য বাবী সম্প্রদায় ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। বাহাউল্লাহর পরিবার এবং অনেকেই বাবী দিকনির্দেশনার জন্যে বাহাউল্লাহকে খুঁজতে লাগলো। ঠিক তখন মুহম্মদ নামধারী একজন লোকের পাহাড়ে বসবাসের খবর আশেপাশে ছড়িয়ে পরল আর বাহাউল্লাহর পরিবার বুঝতে পেরে তাকে বাগদাদে ফিরে আসার জন্যে অনুরোধ করল। ১৯শে মার্চ, ১৮৫৬ সনে দু বছর কুর্দিস্থানে কাটানোর পর নূরী তথা বাহাউল্লাহ বাগদাদে ফিরে এলেন। বাগদাদে ফিরে বাহাউল্লাহ বাবী সম্প্রদায়কে সংগঠিত করতে আত্মনিয়োগ করলেন। ব্যক্তিগত যোগাযোগ আর লেখালিখির দ্বারা বাবী ধর্ম সম্পর্কে নূতন উপলব্ধি ও প্রেরণার সৃষ্টি করলেন। তিনি যে বাবের সেই প্রতিজ্ঞাত জন,

ধর্মের ম্যাজিক: সর্বশেষ আব্রাহামিক ধর্ম 'বাহাই' ও খোদার প্রেরীত সর্বশেষ নবী 'বাহাউল্লাহ':৩


অন্ধকুপে (Bláck Pit) বাহাউল্লাহ অমানুষিক নির্যাতন ভোগ করেছিলেন। এই কারাগারে বন্দীরা বেশীদিন বাঁচত না, আর যারা বেঁচে থাকত, তারা নিজেদের মৃত্যু কামনা করত । মৃত্যুর আদেশ পাওয়াটা ছিল সৌভাগ্যের বিষয়। এই অন্ধকূপে বন্দীদের সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে কোমর, দুহাত ও দুপা ভারী লোহার শিকলে বেঁধে স্যাঁতসেতে মেঝেতে নিজেদের মল-মূত্রের মাঝে শুতে বাধ্য করা হত। এর ফলে অচিরেই বন্দীর কোমরে ও হাত-পায়ে ঘা হত। ঘন অন্ধকারে এক বন্দীর দু গজ সামনেই যে অপর বন্দী রয়েছে তার কাতরানীর শব্দ শোনা ছাড়া তাকে দেখার সৌভাগ্য কারো হত না। সম্ভ্রান্ত, প্রভাবশালী ও ধনী পরিবার থেকে আসার ফলে বাহাউল্লাহ তথা নূরীর পরিবার কারারক্ষীদেরকে ম

ধর্মের ম্যাজিক: সর্বশেষ আব্রাহামিক ধর্ম 'বাহাই' ও খোদার প্রেরীত সর্বশেষ নবী 'বাহাউল্লাহ':২


বাহাউল্লাহ প্রথবার বাবের কথা শুনেছিলেন ১৮৪৪ সনে, ২৭ বৎসর বয়সে । বাবের কাছ থেকে থেকে মোল্লা হুসেইন নামক এক ব্যক্তি এসেছিলেন তার সাথে দেখা করতে| । এই ব্যক্তি তাকে বাবের কথা এবং তার দাবীর ব্যাপারে জানিয়েছিলেন। বাহাউল্লাহ বাবের দাবীর বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন এবং একজন বাবী হিসেবে তেহরান থেকে নিজের প্রদেশ নূরে ফিরে বাবী আন্দোলনকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে লেগে পরেন। লোকালয়ে তার পরিচিতি তাকে খুব সহজে মানুষের কাছে পৌঁছতে সাহায্য করেছিল।কেবল প্রচারই নয়, অনুসারীদের সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিও নুরী তথা বাহাউল্লাহ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।

ধর্মের ম্যাজিক: সর্বশেষ আব্রাহামিক ধর্ম 'বাহাই' ও খোদার প্রেরীত সর্বশেষ নবী 'বাহাউল্লাহ':১


ইরানে তেহরানের মাজান্দারান শহরে ১২ই নভেম্বর, ১৮১৭ সনে এক উচ্চ সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে মির্জা হুসেইন আলী নূরী। নিজেকে নবী হিসেবে ঘোষণা করার পর তিনি 'বাহাউল্লাহ' আরবী উপাধিটি ধারণ করেন, যার অর্থ 'গ্লোরী অফ গড' বা খোদার মহিমা। অনুসারীদের দাবী তিনি ইব্রাহিমের শেষ বয়সে বিবাহ করা স্ত্রী কাটুরার বংশজাত। তার বাবা মির্জা বুজুর্গ (Mírzá Buzurg) এবং মা খাদিজা খানম (Khadíjih Khánum)। মির্জা বুজুর্গ প্রথমে ফতেহ আলী শাহ কাজর এর দ্বাদশ সন্তান ঈমাম-ভার্দি মির্জার প্রধানমন্ত্রী (Vizier) ছিলেন। তিনি বুরুজার্ড (Burujird)ও লরেস্তান (Lorestan)এর গভর্নর নিযুক্ত হন। ১৮৩৪ সনে শাহ-এর মৃত্যুর পর তার

শেখ মুজিবের হত্যাকারী কারা : ৩


বোস্টারের ধারণা করেছিলেন রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার কর্তৃত্বের পাশ কাটিয়ে ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। যে লোকগুলোর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তারাই অভ্যুত্থানের দৃশ্যপটে দেখা দেয় এবং ক্ষমতা গ্রহণের ঘোষণা দেয়। এটা বোস্টারকে মনে করতে বাধ্য করে যে, এটি একটি সরল কাকতালীয় ঘটনা নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু। বোস্টারকে লিফশুলজরা প্রশ্ন করেছিল: তার অগোচরে ফিলিপ চেরি কিংবা সিআইএ স্টাফরা শেখ মুজিবকে অপসারণের ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছিলেন কি না। বোস্টার বলেছিলেন: "বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাইরে গিয়ে তাত্ত্বিকভাবে আমি প্রশ্নটির জবাব দিতে চাই। আমি বলব, না স্টেশন চিফ এ ধরনের কোনো কাজ করেন নি, তবে একজন আমেরিকান হিসেবে আরেকজন আমেরিকানকে বলব, যোগাযোগটা ছিল। আসলে অনেক ফাঁকফোকর ছিল। স্টেশন চিফের দায়িত্ব হচ্ছে তার সব কর্মকাণ্ড বা যোগাযোগের ব্যাপারে আমাদের জানানো। রাষ্ট্রদূতের অনুমোদনবহির্ভূত কোনো যোগাযোগ চেরি বাইরের কারও সঙ্গে রাখেন নি এ গ্যারান্টি আমি দিতে পারি না।" বোস্টার ‘রাষ্ট্রদূত’ বলতে নিজেকেই বুঝিয়েছেন। বোস্টার নিশ্চিত ছিলেন যে, যোগাযোগ অব্যাহত ছিল এবং অভ্যুত্থানটি যারা করেছে, তারা ভেবেছিল মুজিব চলে গেলেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের গ্রহণ করবে ও তারা সফল হলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বীকৃতি দেবে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Offline
Last seen: 2 ঘন্টা 48 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 1:03অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর