নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জান্নাতুল নাইম শাওন
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নীল কষ্ট
  • আরিফ ইউডি
  • নুরুন নেসা
  • এম ইউ রাকিব

নতুন যাত্রী

  • আবুল কালাম
  • ইমরান আহমেদ সৈকত
  • উন্মাদ কবি
  • রাহাত মাকসুদ
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • অপূর্ব দাশ
  • এল্লেন সাইফুল
  • বাপ্পি হালদার
  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের

আপনি এখানে

রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ব্লগ

একজন অভিজিৎ ও অনেক প্রশ্ন


বাবা অজয় রায়ের নিষেধ সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ ব্লগার অভিজিৎদা ও তার স্ত্রী বন্যাদি আমেরিকা থেকে দেশে আসে। বিদেশ থেকে আসার পর থেকে নিয়মিত বইমেলায় যেত তারা। ঢাবির অধ্যাপক মেজবাহ কামালের সাথে অভিজিৎদার বাবা ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় রায়ের বিরোধ চলছিল। মেজবাহ অজয় রায়কে বিভিন্ন সময় হুমকিও দিয়েছিল বলেন অজয় রায়ের সহকর্মীরা। সে কারণে অজয় রায় অভিজিৎদাকে দেশে আসতে নিষেধও করেছিলো|

সিসিটিভি ফুটেজ আর ভাষ্য অনুযায়ি, অভিজিৎদা যখন বইমেলাতে ছিল তখন তার সাথে ২ জন ঘোড়াঘুড়ি করেছে। একসাথে চাও খেয়েছে!অভিজিৎদা যখন বইমেলা থেকে চলে যেতে তৈরী ঠিক তখনই রহস্যজনকভাবে কেটে পরলো সে ২ জন!

মুরতাদ ড. আহমেদ শরীফ


বাংলাদেশে সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতে আহমদ শরীফ এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি সবার কাছে প্রিয় হওয়ার দুর্বলতাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিলেন। আহমদ শরীফ চট্টগ্রামের পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী গ্রামে ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯২১ সালে জন্মেছিলেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে ঢাকায় মারা যান। কলেজে অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু। এরপরে এক বছরের কিছু বেশি সময় রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রে অনুষ্ঠান সহকারী হিসেবে থাকার পর ১৯৫০-এর শেষের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগ দিয়ে একটানা ৩৪ বছর অধ্যাপনা করে ১৯৮৩ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৫২ থেকে ১৯৭১ এ উত্তরণ ও বাঙালির চেতনামুক্তি


অতুলপ্রসাদ সেন লিখেছিলেন: ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! তোমার কোলে তোমার বলে কতই শান্তি ভালবাসা।’ এমন লেখা হৃদয়কে আবেগে আপ্লুত করে বারবার। ১৭৬০ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে জনগণ কমপক্ষে সতের বার বিদ্রোহ করেছে।

দ্বিজাতিতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের লুকিয়ে যাওয়া গৌরবময় অধ্যায় :(শেষ পর্ব):


১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হিন্দুদের উপর শুরু হওয়া গণআক্রমন চলতে থাকে পুরো মাস জুড়ে। মুসলমানদের এই লুটেরা মানসিকতা দেখে এবং এই জংলীদের সাথে বসবাস করা যাবে না, এটা বুঝতে পেরে, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য হিন্দুদের দেশত্যাগের স্রোত শুরু হয়। সেই সময় পূর্ববঙ্গে-গোয়ালন্দ, পার্বতীপুর ও খুলনা, এই তিনটি জায়গা থেকে কলকাতার ট্রেন পাওয়া যেতো। এজন্য- ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর জেলাসহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের লাখ লাখ হিন্দু, বাড়িঘর, জমিজমা সর্বস্ব ত্যাগ করে একবস্ত্রে দেশত্যাগের জন্য এসে জড়ো হতে শুরু করে গোয়ালন্দে। উত্তরের হিন্দুরা পার্বতীপুরে এবং যশোর ও খুলনাসহ পশ্চিম ও দক্ষিনের হিন্দুরা খুলনা স্টেশনে। সীমান্তের আশে পাশের জেলার হিন্দুরা বাসে করে সড়ক পথে বা পায়ে হেঁটেই ঢুকে পড়ে ভারতে। বরিশাল থেকে কলকাতা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম ছিলো জলজাহাজ। তাই বরিশাল, পটুয়াখালি, ভোলা জেলার হিন্দুরা বরিশালে এত পরিমাণ এসে জড়ো হতে শুরু করে যে, জেটিতে স্থান পাওয়া দায়!
https://encrypted-tbn2.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcRQBPGwW17JvLeHzrxf...

দ্বিজাতিতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের লুকিয়ে যাওয়া গৌরবময় অধ্যায় :(পর্ব ২):


সত্য ইতিহাস সকলের জানা দরকার। তাই অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করে তুলে আনার প্রচেষ্টা নিলাম। জানলে গা শিউরে উঠবে!!

১.১৯৪৯ সাল ২০ ডিসেম্বর, খুলনা জেলার বাগেরহাটের কালশিরা গ্রাম:

দ্বিজাতিতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের লুকিয়ে যাওয়া গৌরবময় অধ্যায় :(পর্ব ১):


বাঙালি মুসলমানের প্রায় সকলের লেখা ইতিহাসে বাংলাদেশ তথা পূর্ববঙ্গের গৌরবগাঁথার ইতিহাস শুরু হয় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে। কিন্তু ১৯৪৭ এর পর থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত এই ভূখণ্ডে কি কি ঘটলো, কেনো এই ৫ বছরে পূর্ববঙ্গের হিন্দু ২৯% থেকে ২২% এ নেমে এলো, তার ইতিহাস আপনি কোথাও পাবেন না।

গান্ধী জিন্নাহর ফাঁকা বুলি-শেষ পর্ব


কলকাতা, নোয়াখালী আর বিহারের পৈশাচিক দাঙ্গার রূপ দেখে গান্ধীবুড়োর অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন প্রায় উবে গেলো! পাঞ্জাব কংগ্রেস কমিটি যখন পাঞ্জাব ভাগের দাবি তুললো, ওয়ার্কিং কমিটি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করলো। গান্ধিবুড়ো এর বিরোধিতা করলো না, বরং প্রস্তাব গ্রহণের তিন সপ্তাহ পরে নেহেরু-প্যাটেলের কাছে এই প্রস্তাব গ্রহণের কারণ জিজ্ঞেস করলো!! ইটা শুধু দ্বিচারিতাই নয় চূড়ান্ত ভণ্ডামিও বটে!! স্বয়ং গান্ধিবুড়োই ১৯৪৪ সালে রাজাজি প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলমানদের 'পাকিস্তান' মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলো। মুসলমানরা সেই ইঙ্গিতকেই হিন্দু বিরোধী দাঙ্গায় রূপায়ণ করলো!

গান্ধী জিন্নাহর ফাঁকা বুলি (পর্ব ০২)


গান্ধীবুড়োর ভারতে আগমনের আগে পর্যন্ত জিন্নাহ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি জিন্নাহ একনিষ্ঠ কিন্তু গান্ধীর রাজনৈতিক কর্মসূচি ও খেলাফত আন্দোলনে সে মোটেও আগ্রহ দেখায় নি। ১৯৩৪ শে দেশফেরত জিন্নাহকে মুসলিম রাজনীতির হাল ধরতে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে কবি ইকবাল! মুসলিম প্রধান প্রদেশগুলো নিয়ে আলাদা রাষ্ট্র গঠন ও তার নামকরণ 'পাকিস্তান' এর পেছনে ইকবালের বিরাট ভূমিকা ছিল পরবর্তীতে যা 'লাহোর প্রস্তাব' হিসেবে বহির্প্রকাশ করে। আর এই ১৯৩৪ শেই গান্ধি কংগ্রেসের ভার তুলে দিলো লম্পটশ্রী নেহেরুর হাতে আর নেহেরু নিলো মুসলিম লীগের দায়িত্ব । শুরু হলো নেহেরু-জিন্নাহর দ্বৈরথ!

গান্ধী জিন্নাহর ফাঁকা বুলি (পর্ব ০১)


গান্ধী:"আমার মৃতদেহের উপর দিয়ে দেশভাগ হবে"
জিন্নাহ:'আমি পোকায় কাটা পাকিস্তান চাই না।"

বড় বড় বুলিগুলো মিথ্যে প্রমান করে লক্ষ লক্ষ নিরীহ নর, নারী, শিশুর মৃতদেহের উপর দিয়ে দেশ ভাগ হয়ে গেল! আর জিন্নাহ সাহেবের কপালে জুটলো সেই পোকায় কাটা পাকিস্তান!

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Offline
Last seen: 19 ঘন্টা 15 min ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 7:03পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর