নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নরসুন্দর মানুষ
  • রাহুল মল্ল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

তানিয়া ফারাজী এর ব্লগ

বেগম রোকেয়া আমার বিস্ময়


যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন আমাদের পাঠ্য বইয়ে মহীয়ষী নারী বেগম রোকেয়ার দু’একটি প্রবন্ধ ছিল। তাঁর জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর, মৃত্যু ১৯৩২সালের ৯ই ডিসেম্বর। এবার ছিল তাঁর ১৩৪ তম জন্ম ও ৮২তম মৃত্যু দিবস। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি। আমি হাইস্কুলে থাকাকালীন সময়ে জেনেছি শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করার জন্য তাঁর অসাধারণ প্রচেষ্টার কথা এবং পরে অন্যদেরকে তাঁর জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার অতুলনীয় সংগ্রামের কথা। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়েই ছিল। সেসময় কেউ নারীদের হেয় করে কথা বললে আমি মনে মনে বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করতাম আর ভাবতাম- আমরা কেউ

বেগম রোকেয়াকে ডাকছি


বেগম রোকেয়াকে ডাকছি
একটু আশির্বাদের জন্য-
যেন নারীকুল তোমার জ্ঞানের আলোর বন্যায়
একটু ভাসতে শিখে।
লেডি ক্লার্ক থেকে লেডি প্রাইম মিনিস্টার
আজ কোনখানে নেই নারী ?
তবু ধর্ষিত, এসিডদগ্ধ, অত্যাচারিত নারী অগণিত-
অন্ধকারে মুক্তির পথ হাতড়িয়ে দিশেহারা।
কখনও নগ্নতায় ডুবে, কখনও অবগুন্ঠনে ঢেকে
সমাজকে খুশী করায় ব্যস্ত নারী -
কিন্তু কৈ? খুশী নয় কেউ--
তারা মরে দলে দলে মূল্যহীন, প্রশ্নহীন।
ব্যক্তিত্বে, আত্মমর্যাদায় বলীয়ান নারী
তুমি চেয়েছিলে দেখতে ঘরে বাইরে,
এখনও তারা হয়নি অনেক-
দুর্বল চলা, দুর্বল বলা- তাদের সম্বল।

বিশ্বাস


রাজনীতিতে অনেক বেশি তুখোড় হওয়ায় দেশের একটি জেলায় বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের জেলা ছাত্রনেতা হিসেবে খুব অল্প বয়সে প্রায় শীর্ষে পৌঁছে গেল তন্ময়। সেই সাথে শহরে নিঃস্বার্থ সমাজ সেবায়ও তার ডাক সবার আগে। তার সৎ এবং নির্ভীক জীবন যাপন তার শহরের সবার কাছে তাকে এক কথায় গ্রহণযোগ্য করে তুলল। সে কোথাও কোন কাজে ক্ষমতা খাটাতে গেলে স্থানীয় প্রশাসন তাকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করত। তন্ময়ের এই জনপ্রিয়তা যখন তার শহরে তাকে প্রায় নায়ক বানিয়ে ফেলল তখন একদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশে প্রায় অন্ধকার এক জায়গায় পেছন থেকে কেউ একজন তার ঘাড়ে লোহার রড দিয়ে সজোরে আঘাত করল। সে আর্তনাদ করে বসে পড়ল। তন্ময়কে বাঁচাতে গিয়ে অজ্ঞ

নাস্তিকদের পাহারা না দিয়ে মুখোশধারী আস্তিকদের পাহারা দিলে মানবতা বাঁচে


যারা আল্লাহ, ভগবান, ঈশ্বর, সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেনা তাদেরকেই নাস্তিক নামে সমাজের ধর্ম বিশ্বাসী লোকেরা আখ্যায়িত করে থাকে। অথচ হাজার হাজার লোক আছে যারা বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যায় বিশ্বাস রাখে। ধর্মগুলো সৃষ্টিকর্তা এবং সৃষ্টিকর্তার কার্যাবলী সম্পর্কে যে সব বর্ণনা দিয়েছে তার প্রতি এখন সত্যিকার অর্থে অনেকেরই বিশ্বাস নেই। এর মধ্যে যারা কমুনিষ্ট পার্টিগুলোর সাথে জড়িত আছে তারাসহ পুঁজিবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী এরকমও অনেক অনেক লোক বর্তমানে সবদেশে, সব সমাজে আছে যাদের ধর্ম বিশ্বাস নেই। এদেরকে বলা হয় নাস্তিক। কারন এরা সৃষ্টিকর্তা বলে অলৌকিক, অস্বাভাবিক, অসীম ক্ষমতাবান কোন সত্তায় বিশ্বাস রাখে না। এ

মানুষে প্রেম


মানুষে প্রেম
তানিয়া আক্তার
মগ্ন ছিলাম একদা
খুঁজেছি সদা,
পুণ্য কোথায়-
বুঝি বইয়ের পাতায়-
কালী মন্দিরে-
কাবার ঘরে,
গীর্জা , প্যাগোড়ায়
মন্ত্র জপায়, তসবী গোনায়,

মানুষ যখন হয়না মানুষ


মানুষ যখন হয়না মানুষ
তানিয়া আক্তার
মানুষ যখন হয়না মানুষ
বিপত্তিটা বাধে সেখানেই,
সকল কাজে হিংস্র তখন
থাকুক সে যে যেখানেই।
মনুষ্যত্ব ছাড়া মোদের
গর্ব করার নেই কিছূ ,
এইটুকু না বুঝে সবাই
ছুটি পাশবিকতার পিছূ।
খুন,ধর্ষণ,ব্যভিচার আর
অসভ্যতা যত আছে,
সুযোগ পেলেই নোয়াই মাথা
প্রবৃত্তির কুমন্ত্রণার কাছে।
কেনো শিক্ষায় ঢাকেনা মোদের
আদিম বর্বর মূর্খতা,
বাড়ে যেন ক্ষণে, ক্ষণে অধিক
চতুরতা, ধূর্ততা।
প্রতিবাদ আর বিচার করে
কটা পশু দন্ড পাবে,
মোদের মাঝের খুনী দানব

প্রেমের অপর নাম দেহভোগ হওয়া উচিত নয়......


আমাদের বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক একদিন গল্প প্রসঙ্গে তার জীবনের একমাত্র এবং প্রথম প্রেম সম্পর্কে আমাদেরকে বলছিলেন । তিনি বললেন, “যখন আমি ডিগ্রী পড়ি সেসময় আমাদের গ্রামের একটি মেয়েকে আমরা খুব ভাল লাগত। কিন্তু' আমি কখনও তাকে এই ভাললাগার কথা মুখে বলতে পারিনি। যখন তাকে দেখতাম তখন বুকের ভেতর কেমন যেন করত ঠিক বোঝাতে পারব না। মাঝে মাঝে বাড়ি যেতাম আর তার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। এসব দেখে মেয়েটি একদিন বুঝল যে, আমি তাকে পছন্দ করি। এর পর মেয়েটি নিজে থেকেই আমাকে বলল যে, ”তুমি একটা ছোট চাকরি হলেও নাও, তোমার সাথে দরকার হলে গাছতলায় থাকব, কিন্তু কিছু খেয়েত বাচঁতে হবে।” মেয়েটির কথার উপর ভিত্তি করে চাকরি খুঁজতে খুঁজত

স্বাধীনতা


এমন কোন জীব নেই - স্বাধীনতা শব্দটি যার কাছে প্রিয় নয়। কিন্তু এর মর্যাদা বুঝতে পারে এমন জীব বলতে আমরা মানুষেরাই আছি। আর মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই আমরা যথার্থ মানুষ হয়ে উঠতে পারছিনা; রোবটের মত মানব সমাজে বেঁচে থাকার জন্য কতগুলো কৌশল আয়ত্ব করছি মাত্র। তাই সমাজে আজও প্রায়শ:ই অমানবিক পৈশাচিক ঘটনা ঘটছে -যা আমাদের অনেককে শিউরে উঠতে বাধ্য করছে। গুলশানের হলি আর্টিসানে জঙ্গীদের হিংস্রতা, তনু হত্যা, মিতু হত্যা এবং আরও অনেক অমানবিক ঘটনা আমাদের ধীক্কার দেয় এই বলে যে, আমাদের চেয়ে জন্তু জানোয়াররা তাদের সমাজে অনেক ভালো আছে। আমরা তাদের চেয়েও নিকৃষ্ট।

চিন্তাকে চিন্তা দিয়ে হত্যা করা হোক, অস্ত্র দিয়ে নয়.....


আমি যখন একেবারে ছোট তখন শুনেছিলাম যে, বাংলাদেশর স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কত নির্মম ও পৈশাচিকভাবে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। আমার জীবনে শোনা নির্মম ঘটনা গুলোর মধ্যে এটিই প্রথম। এরপর জাতীয় চার নেতা, কর্নেল তাহের সহ পাকিস্তানীদের দ্বারা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য যাঁদেরকে ১৯৭১ইং সালে হত্যা করা হয়েছিল তাদের কথা শুনলাম। আরেকটু যখন বড় হলাম তখন বেগম খালেদা জিয়াকে দুই সন্তানসহ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বসে কাঁদতে দেখলাম। পাশের দেশ ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রিরাগান্ধী যাঁর রাজনীতি তখন বুঝতাম না, কিন্তু তাকে দেখতে আমার খুব ভাল লাগত। তার গেটআপ, হেয়ার স

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

তানিয়া ফারাজী
তানিয়া ফারাজী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 week ago
Joined: বুধবার, সেপ্টেম্বর 14, 2016 - 11:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর