নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • রক্স রাব্বি

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

তানিয়া ফারাজী এর ব্লগ

নারীদের উপর চাপানো অমানবিক সব আইন দূর হোক---


নারীদের উপর চাপানো অমানবিক সব আইন দূর হোক--

অং সান সুচির অমানবিক রাজনীতি এবং হিংসা-


অং সান সুচির অমানবিক রাজনীতি এবং হিংসা-
মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের অত্যাচার করা হচ্ছে এবং সেদেশ থেকে রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে ঠাঁই নিয়েছে অনেকে। রোহিঙ্গারা মানুষ। তাই তাদের ঠাঁই দিয়ে ভাল করেছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু নিজ দেশের লোকদের মানুষ করতে পারুক আর না পারুক তাদের তাড়িয়ে দেয়ার কোনো অধিকার আজকের পৃথিবীতে থাকতে পারেনা কারও।

জঘন্য মানুষের মূর্খতার বলি


বর্তমানকালের একটি কুত্তার ছাও-ও যে সত্য জানে-- সেই সত্য বলার জন্য বিজ্ঞানী ব্রুণোকে একদিন পুড়িয়ে মারা হয়েছিল----------
১৫৪৮ থেকে ১৬০০ সাল। মানুষ তখনও বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত ছিলনা। ধর্মযাজকরা তখনও মানুষকে অন্ধকারে রাখার ষড়যন্ত্র করত।
বিজ্ঞানী জিওর্দানো ব্রুনো সেসময় বিশ্বজগত সম্পর্কে বেশকিছু সত্য আবিষ্কার করেন এবং বই প্রকাশ করেন। তিনি বলেছিলেন- "পৃথিবী গোল এবং পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে।" তখনকার শয়তান সমাজশাসকরা এবং জনগণ বলত- পৃথিবী চ্যাপ্টা এবং সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে।

যুক্তিতর্ক, মতের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা জরুরী


যুক্তি তর্ক, মতের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা জরুরী--
যারা সতীদাহ প্রথা চালু করেছিল এবং এই অমানবিক প্রথা সমাজে চালু রেখেছিল তাদের ফাঁসি দেওয়ার জন্য পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রতিটি অমানবিক কুসংস্কার এভাবেই রাজত্ব করে যায় একসময়। অনেক মানুষ সেসব কুসংস্কারের বলি হয়। যখন কুসংস্কার দূর হয় তখন যেসব জানোয়ারগুলো কুসংস্কার বজায় রাখতে সমাজে লড়াই করেছিল তারা তাদের ভোগ, অন্যায় অত্যাচার শেষ করে মরা শেষ।
এইজন্য শিক্ষিত মানুষদের যুক্তি, মতের স্বাধীনতার বিষয়টিকে সমর্থন করা জরুরী। যুক্তি তর্কের মধ্য দিয়ে মানবিক আইন প্রতিষ্ঠিত হয়। তা না হলে অগণিত মানুষ কোটি কোটি যুগ ধরে অমানবিকতার বলি হয়।

পর্নোগ্রাফি বন্ধ করা হোক, যৌনজীবনে সুস্থ রুচি গড়ে উঠুক


আমরা টয়লেটে বসি গোপনে, সভ্য জগতে প্রকাশ্যে টয়লেটে বসা অসভ্যতা এবং লজ্জার। সেরকম প্রকাশ্য সেক্সুয়াল কাজে অংশ নেওয়া এবং সেক্সুয়াল কাজের জন্য আহ্বান করা অসভ্যতা এবং লজ্জার নয় কি? তাহলে এখন বেশীরভাগ দেশে প্রকাশ্যে নারীদের অর্ধনগ্ন বা সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে পুরুষদের সাথে সেক্সুয়াল কাজে অংশ নেওয়া এবং পুরুষদের উত্তেজিত করা অপরাধ নয় কি? এসব নিয়ে কেউ কোন কথা বলেনা।
ধার্মিকরা তসলিমা নাসরিনকে দেশ থেকে দূর করে দিল সে ধার্মিক নয় বলে,কিন্তু ধার্মিকরা বিশ্বে সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধের জন্য কি কোন উদ্যোগ নিয়েছে কখনও? - যে প্রতিযোগিতা নারীদের জন্য, মানুষের সমাজের জন্য চরম অপমানজনক।

বিজয়


বিজয় বলল, ''মে হিন্দু হু, লেকেন মে কিয়া ইনসান নেহি হু ? " আমি বললাম, এহি বাত হামারা সোসাইটি নেহি মানতিহে।"

আমার মুক্তি


আমার মুক্তি
তানিয়া
নতুন করে আকাশ দেখা আজকের
নতুন করে মুক্তি যেন হৃদয়ের।
হারানোর ব্যথাগুলো যাক মুছে
চাইনা যা- তা লুকিয়ে গেল, নেই পিছে।
ভাবনাগুলো আমার হল একান্তই
দূরে দূরে সরলো গরল অজান্তেই।
আমার মুক্তি এমনি করে আসবে যে
ছিলনা তা বহুদিন জানার মাঝে।
সকাল, দুপুর, বিকেল, রাত সব ব্যাকুল
আমার গানে চায় যেন আজ হতে আকুল।
এমন করে কঠিন ব্যথা গেল দূরে
যেন জীবন তুচ্ছতায় আর না হারে।
আমার সকল কথা যেন উড়ছে আজ
নেই যে বাধা, নেই জড়তা,নেই যে লাজ।
আমার মুক্তি এমন করে মিলল যে

নারীদের উপর পুরুষদের অশ্লীল আচরণের জন্য নারীরাও কম দায়ী নয়


নারীদের উপর পুরুষদের অশ্লীল আচরণের জন্য নারীরাও কম দায়ী নয়

যে মেয়েরা অশ্লীল পোশাক পরে তারা যখন পুরুষদের অশ্লীল আচরণের শিকার হয় তখন আমার কম খারাপ লাগে। কারণ যে নারী তার শরীরের বিভিন্ন অংশ অশ্লীলভাবে প্রদর্শন করছে সে তা পুরুষদের উত্তেজিত করে তার প্রতি মনোযোগ আনার জন্যই করছে। এমন অবস্থায় কোন পুরুষ যদি উত্তেজিত হয়ে উক্ত নারীর সাথে জোর করে যৌন সম্পর্ক করে ফেলে তবে পুরুষটিকে দায়ী করার তেমন কিছু থাকেনা, আর মেয়েটাকে নিষ্পাপ ভাবারও কিছু নেই।

শ্রেণিহীন সমাজেই নারীদের প্রকৃত মুক্তি ঘটতে পারে


শ্রেণিহীন সমাজে নারীদের প্রকৃত মুক্তি ঘটতে পারে

আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর নারী কবিতায় বলেছেন--
"নর দিল ক্ষুধা, নারী দিল সুধা, সুধায় ক্ষুধায় মিলে
জন্ম লভিছে মহামানবের মহাশিশু তিলে তিলে।
নর যদি রাখে নারীরে বন্দী তবে এরপর যুগে
আপনারি রচা ঐ কারাগারে পুরুষ মরিবে ভুগে।

বেগম রোকেয়া আমার বিস্ময়


যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন আমাদের পাঠ্য বইয়ে মহীয়ষী নারী বেগম রোকেয়ার দু’একটি প্রবন্ধ ছিল। তাঁর জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর, মৃত্যু ১৯৩২সালের ৯ই ডিসেম্বর। এবার ছিল তাঁর ১৩৪ তম জন্ম ও ৮২তম মৃত্যু দিবস। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি। আমি হাইস্কুলে থাকাকালীন সময়ে জেনেছি শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করার জন্য তাঁর অসাধারণ প্রচেষ্টার কথা এবং পরে অন্যদেরকে তাঁর জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার অতুলনীয় সংগ্রামের কথা। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়েই ছিল। সেসময় কেউ নারীদের হেয় করে কথা বললে আমি মনে মনে বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করতাম আর ভাবতাম- আমরা কেউ

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

তানিয়া ফারাজী
তানিয়া ফারাজী এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 2 দিন ago
Joined: বুধবার, সেপ্টেম্বর 14, 2016 - 11:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর