নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • রবিউল আলম ডিলার
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

মগজ এর ব্লগ

এখানে রয়েছে মিথ্যে মেধা বহনকারী একদল ছাত্র নামে অছাত্রের দল


আমি বরাবর'ই কোটা সংস্কারের পক্ষে ছিলাম, এখনও আছি। তবে বাতিল নয়,এ নিতান্তপক্ষেই সরকারের এক কালো ও নির্মম সিদ্ধান্ত। সবার আগে যা কলঙ্কীত করেছে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার'কে।

তাইবলে, যারা এই প্রতিবাদ'কে প্রশ্নবিদ্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে তাদের পক্ষে ছিলাম না।
আমি দেখেছি অহিংস আন্দোলনের নাম ধারণ করে হাতে বাঁশ,লাঠি ও লৌহ পদার্থ বহন করে বারবার শো-ডাউন করতে।
দেখেছি মুখোশ পরে বারবার উস্কানি মূলোক বক্তব্য দিতে,এবং এই বক্তব্য'কে কোন কিছু না ভেবেই সায় দিতে সাধারণ কোমলময়ি ছাত্রছাত্রী বৃন্দ।
বারবার বলেছিলাম এর ভেতরে লুকিয়ে আছে বিষাক্ত সাপ।সেই সাপের বিষের প্রকট আঘাতে আজ এই অবস্থা।

যে বদমাশ লোক মাঝ রাতে সঙ্গম কর‍তে চায় তার সাথে কিসের এতো আপোষ! কিসের আবার ৪৮ ঘন্টা!


মাঝ রাত্রে ভদ্রলোকের কামভাব জাগ্রত হয়েছে।আচ্ছা এটা কি স্বাভাবিক নয়, না'কী অস্বাভাবিক!
অনলাইনে একেবারে তলিয়ে ফেলছেন একপাক্ষিক শ্লোগান দিয়ে।
কাল শাহবাগে একজন জানতে চাইলো আচ্ছা গাজি সাহেব যে কাজ'টা করলো, তা কি ঠিক করলো (?)
আমি বললাম কি করেছেন উনি(?)
সে বিকৃতি মনভাবে উত্তর দিলো, মাঝবয়স এসেও ওরা ক্ষান্ত হয় না! যাক ভালো হয়েছে এদের আসল রূপ দেখতে পেলাম।
আমি সত্যি ভীষন অবাক হয়েছি।
মাঝবয়সী কোন ব্যক্তির মাঝরাতে কামভাব জাগ্রত হতে পারে না, যদি হয় তবেই বিপদ।

স্যার জাফর ইকবাল স্মরণে


কিছু প্রাক্তন ফুটো সহ বামে ছাগলের পোস্ট দেখে আমি কিঞ্চিৎ না হেসে আর পারলাম'ই না।
তেনারা লিখেছে, এরকম এক'টা ঘটনা বহু আগেই হওয়া উচিৎ ছিল তাহলে সে বুঝতে পারতো।
কত বড় আবাল একবার ভেবে দেখুন!
বলে এই ঘটনাই তাকে শুভবুদ্ধি'র দিকে ধাবিত করবেন
কত বড় রাম ছাগল একবার ভেবে দেখুন!

স্বাধীনতা


স্বাধীনতা'র স্বাদ আজ ভীষন অসহ্য, ভীষন যন্ত্রণার।

বোকা বক্সে বুদ্ধি বেশ্যা'দের বচনে আমি এক দলা থুতু ছিটাই রোজ।
মাঝে মধ্যে চলে আসে বিশ্রী রকমের বমি,
দুর্গন্ধে ময় ময় করে, ইচ্ছে করে পরিশুদ্ধ হয়ে আসি স্নানের ঘরে।

স্বাধীনতার আঁচড়ের দাগ দৃশ্যমান হয় রোজ,
যখন দেখি ফুটপাতে ঈশ্বর অনাহারে কাতরায়-
পা ভাজ করে ত্রিভুজ হয়,
দূর থেকে হাড় গুনি।

স্বাধীনতা লেখা দেখলে ভাবানায় উকি মারে
ফিসফিস করে বলে!
তুই জানিস তোর কলম আমি ভোতা করে দিয়েছি,কালী শোষন করে নিয়েছি(?)
যেভাবে করছি পাহাড়ি'দের।

শিক্ষকদের আদর্শ আজ কোথায় ?


প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে বেতনের দাবিতে জাতীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।
অনশনে জোটের নেতারা বলছেন, প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে তাদের বেতন দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাবেন। এখান থেকে বিজয় না নিয়ে তারা ফিরে যাবেন না।

তাইতো নির্বাচনের কাঁধে ভর দিয়ে চলে আসলেন শহীদ মিনারে


ধিক্কার ধিক্কার ধিক্কার জানাই আপনাদের
একবার অনুধাবন করে দেখুন কোথায় ছিলেন আর এখন কোথায় আছেন
আরে আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ শিক্ষক হয়ে লোভের কবলে পরে আজ পবিত্র স্থান অপবিত্র করছেন ।
কি শিখবে আপনাদের কাছ থেকে ছাত্র ছাত্রিরা !

একবার অনুধাবন করুন আদৌ কি সেই যোগ্যতা আছে আপনাদের !
এখনো দেখা যায় অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষিকা শুধু ডিগ্রীধারী হয়ে আছেন
নেই কোন নৈতিকতা নেই কোন আধুনিকতা ।

সিদ্ধান্ত নিন হয় দেশ রক্ষা করুন নয়তো , মানবতার মোড়ক উন্মোচন সারুন।


মানবতার বোঝা কাঁধেচাপা নিয়ে বয়ে বেরানো কিন্তু বড্ড কঠর।
প্রশ্ন দেশ ও মানবতা।
দেশের আয়তনের তূলনায় জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে তার জন্য দায়ি ছিল শিক্ষা।
কিন্তু যে শিক্ষার দরকার ছিল তা চঁপা পরে গিয়েছে ইসলামি শিক্ষা ব্যাবস্থার আড়ালে । তা এখনো বিভিন্ন যায়গা স্পষ্ট ।
এবং তা, রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রবল ভাবে বিদ্যমান।
কিন্তু, কথা হল নিজের দেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এখন আমরা কি করব বা কি করা প্রয়োজন ।
মনে রাখতা হবে তারা মুসলিম ,এবং আমাদের থেকে অর্থনৈতিক ভাবে বেশ অস্বচ্ছল। অতএব, তারা নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সব কিছু করতে পারবে ।

আমাগো দ্যাশের নাম বাঙলা দ্যাশ


আমাগো দ্যাশের নাম বাঙলা দ্যাশ
আমাগো দ্যাশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার,৫৬ হাজার বর্গমাইল
আগে আমরা আগে খুব গরীব আছিলাম
কিন্তু এহন আমরা অনেক বড়লোক হইয়া গেছি।
এহন আমাগো খাওনের অভাব নাই।
এহন আমরা খুব সুখি,তাই এহন আর আমাগো বিবি'গো সুখি বড়ি খাওন লাগে না।
তাই এহন আমরা ৭ কোটি থাইকা ১৭ কোটি হইছি।
আমাগো দ্যাশে একসময় মালুগো ক্ষমতা আছিল।
ভালো, ভালো ডক্তার ছিল, সব ভালো গুলো ছিল ঐ শালা মালু মানে হিন্দুরা।
ওরা, সবাই রাইতে রাইতে কুরান খতম দিতো । না পড়লে এতো জ্ঞিয়ানি হইত কেমনে(!)
কিন্তু মালুরা স্বীকার করতো না।

যে মঞ্চে অভিজিৎদার স্মরন সভার আয়োজন করা হয় ঠিক সেই মঞ্চের মুখ্যপাত্রের মুখে কি করে ধর্মিয় কিতাবের জয়জয়কার ধ্বনি উচ্চারন হয়?


যে মঞ্চে অভিজিৎ দার স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল, ঠিক সেই মঞ্চের মুখ্যপাত্রের মুখে কি করে ধর্মীয় কিতাবের জয়জয়কার ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব হচ্ছে না ।
আমার মনে প্রশ্ন বাসা বেঁধেছে! কেমন যেন একটা রহস্যের কু ঘ্রাণ বের হচ্ছে! ছড়িয়ে যাচ্ছে সর্বত্র ।
ঐ যে একটা কথা আছে না, বাজারে দুই প্রকার ঘি পাওয়া যায়-
১।সুশ্রী আর
২।কুশ্রী...
ইমরান বাবু এখন বাজারের ঘি হয়ে গেছেন।
কিন্তু এখান থেকে আমি বিশ্রী রকমের কুশ্রী ঘিয়ের গন্ধ পাচ্ছি।

।। আমার প্রিয় জন্মভূমি ।।


।। আমার প্রিয় জন্মভূমি ।।
"টিটপ হালদার"
বিশেষ কৃতজ্ঞতায় ওপার বাংলার বন্ধু Aditya Bose
১৯/৩/২০১৭ রাত ৯ টা ৩৫ মিনিট
-------------------------------------------

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

মগজ
মগজ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: সোমবার, জুলাই 18, 2016 - 4:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর