নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

এম রাহাত হুসাইন এর ব্লগ

এসো বন্ধু মানবতার কল্যাণে


প্রযুক্তির উৎকর্ষ এবং তার ব্যাবহারিক বাস্তবতায় অজ্ঞতা আর অন্ধাকরের যুগ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। শিল্পবিপ্লবের পর-পরই সভ্য যুগে প্রবেশ করে বিশ্ব। শুরু থেকেই সভ্যতা দুই ভাগে বিভক্ত দৈহিক শ্রম নির্ভর সমাজ সভ্যতা। বৌদ্ধিক শ্রম নির্ভর সমাজ সভ্যতা। এখানে দৈহিক শ্রম বলতে শারীরিক পরিশ্রমকে বুঝানো হয়েছে। আর বৌদ্ধিক শ্রম বলতে জ্ঞান বা মেধা ভিত্তিক পরিশ্রম উদ্দেশ্য।

একটা সময় শারীরিক শ্রমকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও সময়ের পরির্বতনে সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনে এসেছে সমাজ, পরিবেশ, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও জীবন যাত্রায়।

উহু, একদম অবহেলা নয়


শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছেন? হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। আমি ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের কথা বলছি। ২১ আগস্ট তিনি সবাইকে শোকসাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এতোদিন তিনি পরিবারসহ দর্শকদের জন্য চিন্তা করেছেন। তাদের জন্য কাজ করেছেন। অথচ সেই মানুষটি অবিবেচকের মত চলে গেলেন। ঠিকানা বদল করলেন। লক্ষ্মীকুঞ্জ থেকে গেলেন সোজা বনানীতে। অথচ একবারও ভাবলেন না, এখন অন্যদের কি হবে? বড্ড বলতেন তিনি, উহু কোন কাজেই অবহেলা নয়। একদমই নয়। সিরিয়াসলি কাজটা করতে হবে। নাহলে হৃদয়ে ঠাঁই পাওয়া যাবেনা। বিষয়টি যে মিথ্যে নয়, নায়করাজ নিজেই তার প্রমাণ।

ভালো থেকো বন্ধু



পূবাকাশের সূর্যটা আজ নতুন বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে। ভ্রাতৃত্ব আর সম্প্রীতির বন্ধন নিয়ে বন্ধুত্বের আহ্বানে সূর্যের আলো ছড়াবে সৌহার্দ্য আর ভালোবাসার রঙে।

বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বাংলা বিরোধী


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দোয়েল চত্বরের উত্তর পাশে স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলার তিন বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক ও খাজা নাজিমুদ্দিনের মাজার তিন নেতার মাজার হিসেবে পরিচিত। এই তিন নেতার মাজারে একমাত্র খাজা নাজিমুদ্দিন ছিলেন আজীবন বাংলা ভাষা বিরোধী নেতা। তিনি উর্দুভাষী বাঙালি ছিলেন। অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন।

১৯৬৩ সালে স্থপতি মাসুদ আহমেদ এবং এস এ জহিরুদ্দিন প্রখ্যাত তিন নেতার স্মরণে এটি নির্মাণ করেন। এটি ঢাকার অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন। ইতিহাস অনুসন্ধানে তুলে ধরা হলো তিন নেতার জীবনের চুম্বকাংশ।

মেঘে ঢাকা দিলাকাশ


প্রিয়তমা,
জানি আজ তুমি আর আমার ডাকে সাড়া দিবে না। তোমার হৃদয় বুঝি সে ডাক আর ছুঁয়ে যাবে না। কারণ তোমার দিলাকাশ আজ সন্দেহ আর অভিমানের মেঘে ঢাকা। হয়তোবা প্রিয়া বলে ডাকার অধিকার আমার নিঃশেষ হয়ে গেছে, হারিয়ে ফেলেছি সেই অধিকার। নিয়তির নির্মম কষাঘাতে যখন আমার সকল স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবার পালা, জীবনের বেলা ভূমিতে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত কলম তুলতে কতটাই বাধ্য হলাম। সময়ের মাতাল হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে সুতো ছেঁড়া ঘুড়ির মত উড়তে উড়তে তোমার ভালবাসায় আশ্রয় নিয়েছিলাম। তুমি ক্ষমা করে দাও আমাকে ভুলতে পারিনা তোমাকে।
ইতি
রাতজাগা ভোরের পাখি

বোর্ডিং কার্ড

এম রাহাত হুসাইন
এম রাহাত হুসাইন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 4 দিন ago
Joined: বুধবার, জুলাই 6, 2016 - 2:29পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর