নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • শ্যাম পুলক
  • ইকারাস
  • পৃথু স্যন্যাল
  • চূড়ান্ত
  • তায়্যিব
  • মোঃ মেজবাহ উদ্দিন
  • রাফিন জয়
  • নীল জোনাকি
  • জীহান রানা

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

লুসিফেরাস কাফের এর ব্লগ

মৃত্যু


তুমি কোথায় যাও, কোনদিন ঠিকানা বল না।
চলে যাও একমুখি অনন্ত গমন পথের দিকে,
চিরতরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
প্রবেশ পথে কি ছিল সেই তিনমুখো কুকুর?
তুমি চলে যাও পাতালে হেডিসের নৌকায় চড়ে, পার হয়ে লিথি, নিক্স, স্টিক্স,
তীরে উঠে পুড়িয়ে দাও নৌকা,
যাতে আর ফিরতে না হয় এপারে।
তোমার সাথে আর কোনদিন দেখা হবে না।
যাত্রা পথে আঁজলা ভরে পান করে নিয়েছো বিস্মৃতির জল,
মনে পড়বে না কার কেবা ছিলে বা ছিলাম কতটুকু।

কৃষ্ণার্জুন সংবাদ


কৃষ্ণার্জুন সংবাদ

কেন সৌদি আরব ইয়েমেনে হামলা চালায়


মধ্য প্রাচ্যের সংঘাতঃ কেন সৌদি আরব ইয়েমেনে আক্রমণ চালায়? সানা’র জনযুদ্ধে হুতি বিদ্রোহীদের সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

নতুন বছরে ইয়েমেনের বিদ্রোহী সংগঠন হুতি সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে তারা বিগত ২০ মাস ধরে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি চায়। তারা সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্ট আবেদ রাবো হাদির এবং নির্বাসিত নেতাদের সাথে মিলে ঐক্যমত্যের সরকার গঠন করতে চায়।

ভাই কাম শ্বশুর কাম স্বামী


ছোটবেলা থেকেই হরিদাস ঈশ্বরাংশের মন খুব নরম। মানুষের সুখ দুঃখে তার প্রাণ হু হু করে কাঁদে। জীবের প্রতি প্রেমের কারণে তিনি সবার অতি প্রিয়ভাজন। তার চরিত্রের প্রশংসা লোকের মুখে মুখে। একদিন হরিদাস ঈশ্বরাংশ প্রার্থনালয়ে যাচ্ছিলেন। পথের ধারে দেখলেন এক অনাথ বালক কাঁদছে। তার কেউ নেই। অসীম দয়ালু হরিদাস ঈশ্বরাংশ বালকটিকে আদর করে কোলে তুলে নিলেন এবং পিতৃত্বের ভার গ্রহণ করলেন। তিনি বালকের নাম দিলেন হরিহর আত্মা। দিনে দিনে রাত গড়িয়ে সেই বালকের মুখে গোফের রেখা দেখা দিলো, হরিহর আত্মা যুবক হয়ে গেল। দেখতে অনিন্দ্য সুন্দর বীর্যবান সুপুরুষ।

লিবারেল বন্ধু


জগন্নাথ হলের সরস্বতী পুজো মানে এক এলাহী কাণ্ডকারখানা। বিশাল আয়োজন, বিশাল বাজেট, বিশাল আনন্দযজ্ঞ। পুজোর দিন সবাই রুম পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে একেবারে ফকফকা করে ফেলে, কারন প্রত্যেকের বালিকা আসবে বেড়াতে।

বয়স হয়ে যাচ্ছে, যা লিখতে চাই তা লিখে অন্যকিছু লিখে ফেলছি। পুজোর রাত্রে সিনিয়র, জুনিয়র সবাই সেদিন মদ্যপান করে। আমার বন্ধু লুসিফেরাস কাফের একবার সকালবেলাতেই গ্লাস খানেক গঙ্গাজল গলায় ঢেলে, গোসল করে জীবন্ত প্রতিমা দেখতে বের হয়ে গেল। অনেক কেনাকাটা, বাজার সদাই করতে হবে।

ঈশ্বরের বাজারজাতকরণ


অনেকদিন থেকেই আমি ঈশ্বর খুঁজচ্ছি। বিভিন্নভাবে বহুরূপে। সেই প্রাচীনকাল থেকে গাছ, পাথর, পাহাড়, নদী সর্বত্র দেবতা দেখে আসছি। পূর্বপুরুষেরা এইসব প্রাকৃতিক বস্তুর উপর ঈশ্বরত্ব আরোপ করেছিল। তারপর এলো সর্বগ্রাসী একেশ্বরবাদ। এক ঈশ্বর এসেই দুর্বল বহু দেবত্ববাদ বাতিল করেদিল। সেই থেকে ঈশ্বর একাই রাজত্ব করছে।

ঈশ্বরের প্রয়োজনীয়তা


আহারে ঈশ্বর! তোমার জন্য বড় মায়া হয়। সম্প্রতি হাফিংটন পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে আমেরিকায় খ্রিস্টান ধর্ম বিশ্বাস পরিবর্তন এবং ধ্বসের মুখে। বাইবেলের বিপুল জনপ্রিয় একটা গসপেল আছে, “আমাকে মান্য করো, চারিদিকে পরিবর্তন ও ধ্বংস দেখতে পাচ্ছি, হে আমার প্রিয়জন, যারা আমাকে মান্য করবে না, সাথে থাকবে না তারা ঈশ্বরের কৃপা থেকে বঞ্চিত হবে। এমনকি যারা নিজেদের আধ্যাত্মিক হিসেবে দাবি করে কিন্তু ধর্মাচরণ করে না তারাও ঈশ্বরের কৃপা থেকে বঞ্চিত হবে”। গবেষণায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত দিয়ে দেখানো হচ্ছে কত সংখ্যায় খ্রিস্টানরা তাদের ধর্ম বিশ্বাস ছেড়ে দিচ্ছে। চার্চ এখন আর আগের মত সদস্য পাচ্ছে না। বয়স্ক বিশ্বাসী মানুষের মৃত্যু এবং বর্তমান সদস্যরা চার্চ ছেড়ে দেয়ায় এখন চার্চ বড় একাকি হয়ে পড়ছে। রবিবার ঈশ্বরের জন্য প্রার্থনার একটামাত্র দিনেও বিশ্বাসীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে।

সঠিক ঈশ্বরের খোঁজে


সঠিক ঈশ্বরের খোঁজে

এই পৃথিবীতে বর্তমানে কয়েক হাজার জীবিত ধর্ম আছে। চলার পথে বিলীন হয়ে গেছে আরও কত কত ধর্ম তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মানব কল্যাণের বাজারিমুখি বিজ্ঞাপন ছাড়া সব ধর্মীয় শিক্ষা পারস্পারিক সাংঘর্ষিক। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ সারাজীবনে খ্রিস্টান, ইসলাম, বৌদ্ধ, হিন্দু, ইহুদি বা জৈনর মত সব বড় বড় ধর্মগুলোতে সঠিক ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনার মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করার জন্য তাগিদ এবং শিক্ষা দেয়া হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, একজন খ্রিস্টানকে বিশ্বাস করতে হবে, যিশু তাদের ত্রাতা এবং তার অনুসারিদের ত্রাণের জন্যই নিজে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে রক্ত ঝরিয়েছেন।

হাড়মুড়মুড়ি রোগ


সে অনেক কাল আগের কথা। এক দেশে ছিল এক রাজা, নাম তার হরিদাস ঈশ্বরাংশ। পাহাড়ী উপত্যকায় ছবির মত সাজানো দেশটায় সুখের শেষ নাই, প্রজারাও মদ্য, রুটি, নারীতে সুখে শান্তিতে আছে। সোনাফলা জমিনে ফসলের মাঠে দোলা দিয়ে যায় বাতাস। সুখ নাই শুধু সূর্যদেবের একনিষ্ঠ উপাসক রাজা হরিদাস ঈশ্বরাংশ আর রাণী ইসাবেলার মনে। কারণ তাদের কোন সন্তান নেই। কি হবে রাজপাট দিয়ে যদি না থাকে উত্তরাধিকার? কে করবে পুজো সূর্যকে, কে দেবে প্রণাম? চিন্তায় হরিদাস ঈশ্বরাংশের কাঁচা চুল পেকে যেতে থাকে। রাজকার্যে মন নাই রাজার।

এমন সময়ে রাণী ইসাবেলা পরামর্শ দিলো, সমাধান আছে প্রিয়ে,
কি সেই সমাধান? রাণী?

ইহুদি নিধন


ইহুদি জনগোষ্ঠী শুধু ধর্মের কারনে যত অত্যাচারের শিকার হয়েছে তার দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল। নাৎসি বাহিনির উত্থানের সাথে সাথেই তাদের কপাল পুড়তে লাগল। শিক্ষা, জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা, পেশা, ব্যবসা, অর্থনীতির সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা তৎকালীন ইহুদি জনগোষ্ঠী শুরু থেকেই নাৎসিবাদের চরম নির্যাতনের শিকার হতে লাগল। তাদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করা হলো, তাদের অর্জিত শিক্ষা সনদ বাতিল করে দেয়া হলো, চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো। সবথেকে ভয়ানক যে ব্যাপার ঘটল, সেটা হলো ইহুদি জনগোষ্ঠীকে নাম নিবন্ধন করা হলো। সেখানে সবার নাম, ধাম, পেশা, সম্পত্তির বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হলো। আসলে একদিন সবাইকে ইউরোপকে ইহুদিশূন্য ক

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

লুসিফেরাস কাফের
লুসিফেরাস কাফের এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 9 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, জুন 27, 2016 - 3:59অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর