নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ইকারাস
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • দুরের পাখি
  • দীপঙ্কর বেরা
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • ফারুক
  • রাফিন জয়
  • রাহাত মুস্তাফিজ
  • পৃথু স্যন্যাল

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

রাফিন জয় এর ব্লগ

তুমি কোন জীব হত্যা করবে না (গৌতম বুদ্ধ)


গৌতম বুদ্ধ সাধারণ মানব সমাজের জন্য পাঁচটি নীতি প্রচলন করেছিলেন। যথা;
১. তুমি কোন জীব হত্যা করবে না
২. অপরের কিছু চুরি করবে না
৩. কোন ব্যভিচার বা অনাচার করবে না
৪. মিথ্যা কথা বলবে না
এবং
৫. মাদক গ্রহণ করবে না।

এখন কথা হচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা কি জীব না? তারা কি জড় পদার্থ? বিষয় টাকে আমি সাম্প্রদায়িক ভাবে দেখছি না, এখানে শুধু মুসলিম না, সারা বিশ্বের মানবতা খুন করা হচ্ছে। এই মৌলবাদীকতার শেষ কথায়? তবে মায়ানমার বার্মা নিয়ে এটা বলতেই হচ্ছে যে, যদি গৌতম বুদ্ধ আজ জীবিত থাকতো, তাহলে আজ সে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হত!

সাম্য-স্থল


নোঙর তুলিয়া তরণী বাহিয়া বিমূর্ত স্বচ্ছ মনে,
চলিলাম অদ্য নিগুর অজ্ঞাত ভূতল অন্বেষণে!!
এ রথ চলিছে মম কল্পনায় মম চেতনাতে বহে,
গঠন করবো সে দেশ মম এই ভূ-খণ্ডেতে রহে।
অভিলাষী মন, যপে প্রতিক্ষণ করে মন ও প্রভু,
মম অভিলাষ তথায় যেন শোষক না হয় কভু!
নিরস্তিত্ব রবে তত্র শ্রেণী ভেদাভেদ, দরিদ্র-বুর্জুয়া,
বিরাজমান রবে তত্র কেবলি সাম্য সুরেলা ধুয়া।
একি ভূতলে, উল্লাসে মেতে একত্র সব মানবে বসি,
দৃষ্টিপাত করবো সবেই সম ভাবে গগণ-রবি-শশী।
লড়াকু নয় তত্র যে আল্লা, যিশু, জেহোবা, ভগবান,
সব রয় একত্রে হিন্দু, বুদ্ধ, ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান!

দেখি মোদের ঠেকায় আজ কোন আগ্রাসন!


নিধন সড়কে সেই উৎকর্ষ,
আমার সুন্দরবন প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য!
শত্রু পক্ষ চালায় আগ্রাসন,
স্বদেশদ্রোহী হয়ে আজ নির্বাক প্রশাসন।
দানব দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপে,
মাতৃভূমি কাঁদে আজ আড়ালে ফুলেফেঁপে!
অভিমত কারো “তো কি আসে যায়?”
মূল কথাতো তাতে নিজ স্বার্থ বেঁচে যায়।
গণতন্ত্র নয় সে শোষক বাদী,
নিধন তন্ত্রে লিপ্ত সেই ফ্যাসিস্ট বাদী।
আত্ম প্রদর্শনে সে বিদ্রোহী,
ব্যক্তি সংস্কৃতিতে সে তো দেশদ্রোহী।
বাংলা আজ জনবল করো বিস্তার,
হও এক, করো সেই শোষক নিস্তার।
রুখে দেবো আজ করলাম পণ,
দেখি মোদের ঠেকায় আজ কোন আগ্রাসন!

কেন আমি মুক্তিযোদ্ধা আজ সর্বহারা?


রক্তিমা ছিল সেই দিবস প্রভাত,
রক্তিম করা জখম পাঁজরাঘাত!
ছিল সংগ্রামী যোদ্ধার বদনে ক্লেশ এবং
নিহারন করছিলো তারা অসুর উল্লাস শ্লেষ!
লুটিয়ে পড়া কতক রণ-লিপ্সু-লড়াকু বীর,
পাশেই আলাদা করা কতক লড়াকুর শির!
রক্ত-পিপাসুদের জিজ্ঞাসন,“কোথায় যোদ্ধা বিচরণ?”
বিবৃতি প্রদান না করে গেল কত বীর উৎসুক প্রাণ!
বাকি যোদ্ধার ললাটে ঘাম বহমান,
“জয় বাংলা”
প্রতিধ্বনি করতে করতে দিল তো নিজ প্রাণ।
সালাম যোদ্ধা তিন সন্তান রেখে যায় রণক্ষেত্রে,
রেখে যায় সে স্বপরিবার দেশ ভাগ্য বিধাত্রে!
যুদ্ধেই সে পায় অমরত্ব, রয়ে যায় পরিবার,

মম চেতনা



মম চেতনা যদ্যপি তোমা বোধগম্য নয়,
তত্র হেতা কিইবা মদীয় দায়?
মম বাঙ্গালিত্ব অধিষ্ঠিত রবে হেতা স্বীয় চেতনায়!

কাহারো বিলোপ ক্রিয়ায়
কেহ বিলাপ করে,
আর সেই আর্তনাদ স্পর্শ ও পীড়িত করে
হৃদপিণ্ডের হৃদপিণ্ড কে,
আর সে বস্তু রহে বিবেকের শুভ্র বেদিতে।
আমি মর্মগ্রহণ করিতে পারি সেই
বিলাপ কারির হৃদয় ভাষা!
দরূন আমি তো মনেপ্রাণে বাঙালি!

হেমন্ত প্রভাতে অতিথি প্রভু ভক্ত সারমেয়


হেমন্ত প্রভাতে অতিথি প্রভু ভক্ত সারমেয়

ধর্মের জয়গান!


মানব কল্যাণের ওয়াস্তে
ধর্ম দিয়েছিল ভগবান,
পাপিষ্ঠ মানব কতল করিয়া
গাহে ধর্মের জয়গান!
কোন খোদা ঈশ্বর বলে ভগবান,
দাও কর্তন তুমি মানব গর্দান?
এরি নাম কি ধর্ম
নাকি ঘৃণ্য কর্ম?
ওদের কৃত শত কর্ম
হয় না মোর বোধগম্য!
ওরে বিধাতা কোথায় রইলি হায়,
তব নাম লয়ে ওরা বিশ্ব লুটে যায়!
বিধাতা হলে মোর পাপ, করে দিস মাপ,
তবে সত্যি চাইনা ধর্মের এই অভিশাপ!

বীজ বপনের প্রক্রিয়া জামায়েত শিবির খুব ভালো ভাবে জানে।


বীজ বপনের প্রক্রিয়া জামায়েত শিবির খুব ভালো ভাবে জানে। গতকাল আমি আমার স্টুডেন্টের বাসায় যখন পড়াতে যাই, তখন আমি ওর টেবিলের ওপর একটা বই দেখতে পাই। বইয়ের নামছিল ‘মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য’। আমি খুব ভালো ভাবেই জানি যে, ওর ক্লাস 10 এ কোনো এমন টেক্সট বই নেই. আমি ওকে অনেক আদার্স বই পড়তে সাজেস্ট করি.

কুপিয়ে হত্যা করার হুমকি সাংবাদিক খন্দকার আসরাফুজ্জামানকে


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, দিনাজপুর সদর উপজেলার কমিউনিস্ট পাটির সভাপতি ও দিনাজপুর কমিউনিস্ট পার্টির জেলা কমিটির সদস্য- একজন সাংবাদিক খন্দকার আসরাফুজ্জামানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

গতকাল ২৩শে অক্টোবর সন্ধ্যা ৬:০০টা নাগাদ ০১৭২৩০১৮১৩২ এই নাম্বার থেকে তাকে চাকু দিয়ে ক্ষত বিক্ষত করে প্রাননাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং অাজ ২৪ অক্টোবর হবে তার শেষ রাত বলে জানায় দুর্বৃত্তরা।

খন্দকার আসরাফুজ্জামান গতকাল ২৩শে অক্টোবর সন্ধ্যায় দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জি.ডি.) করেন। তার ডায়েরী নং ১৩৮৬।

ফিট – আনফিট এবং মিসফিট আপনি কোনটা??


ফিট এর বিপরীত আনফিট বলেই জানি আমরা। এই বৈপরীত্যের বাইরেও একটা কনসেপ্ট আছে, যাকে বলে মিসফিট। এই মিসফিট হওয়ার ইতিহাস অনেক পুরনো। তবে পৃথিবী যত এগিয়েছে, সময় বদলেছে, মিসফিট মানুষের সংখ্যা
বেড়েছে। এই ক্রমবর্ধমানতা চলতেই থাকবে।

বোর্ডিং কার্ড

রাফিন জয়
রাফিন জয় এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 9 min ago
Joined: মঙ্গলবার, জুন 21, 2016 - 9:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর