নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

আমাদের বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে আমাদের যৌনকর্মীরা পর্যন্ত গ্রাজুয়েটঃ ফিদেল কাস্ত্রো


"আমাদের বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে আমাদের যৌনকর্মীরা পর্যন্ত গ্রাজুয়েট।"

ফিদেল কাস্ত্রোর উক্তি এটা এবং এর জন্যও তিনি গর্ব করতেই পারেন। বিশ্বজুড়ে ব্যর্থ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মাঝে কিউবাই একমাত্র ব্যতিক্রম যেখানে তাত্ত্বিকভাবে সাম্য নয়, বাস্তবিকভাবেই আছে। পাকাপাকি যারা ক্ষমতায় থাকেন তাদের বিশ্ব একনায়ক হিসেবেই বেশি চেনে, সেই অর্থে কাস্ত্রোও হয়তো সমাজতান্ত্রিক একনায়ক, তবে পার্থক্য হচ্ছে যে তিনি সফল এবং জনপ্রিয়।

উনি তারদেশে শিক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরী করেছেন যার জন্য যেকোনো উন্নত দেশও ঈর্ষা করতে পারে। তার দেশের প্রতিটি মানুষই নুন্যতম যোগ্যতাসম্পন্ন, কেবল মজুরের কাজ করে খেতে হবে এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর।

রোহিংগা শরনার্থী ইস্যুঃ ধর্ম, রাজনীতি এসব নানাবিধ হিসাব বাইরে রেখে আপনার মানবিক বোধ কি বলে?



যারা রোহিংগাদের এদেশে মানতে চাইছেন না, তাদের মধ্যে অনেকের যুক্তি বাংলাদেশ তো নিজেদের দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতেই ব্যর্থ্য হচ্ছে। এতে রাষ্ট্রের দায় আছে, কিন্তু আচরণ করে মানুষেরা। রাষ্ট্র একটা খারাপ কাজের প্রতিকার করতে পারেনি দেখে একটা ভালো কাজ করতে পারবে না এমন যুক্তি হাস্যকর। রাষ্ট্র এবং মানুষের করা উচিত সে কাজটাই, যা সবচেয়ে মানবিক। আমাদের সামনে এখন পথ দুটিঃ হয় আমরা নিজেদের কিছু ক্ষতির আশংকা করেও তাদের আশ্রয় দেব অথবা নিশ্চিত মৃত্যু কিংবা নির্যাতনের মুখে তাদের আবার ঠেলে দেব।

এখন আপনার মানবিক বোধ কি বলে সেটা আপনার ব্যাপার। তবে এটাও ভেবে দেখবেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনার পূর্ব পুরুষদেরই কেউ হয়তো ভারতীয় সীমান্তে গিয়ে ভীড় করেছে জীবন বাঁচাতে, পেছনে পাকিস্তানী ঘাতকেরা। সামনে অস্ত্র তাক করে পাহারায় ভারতীর সেনারা যারা কোনক্রমেই নিজ দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটতে দিতে রাজী নয়। আপনার অনুভূতি কেমন হতো?

৯২১ কোটি পাকিস্তানী রুপীর নয়া দাবীঃ নজর আরও উঁচা কর হে পাকী ভাইলোগ!



পাকিস্তানীরা দিনদিন ছোটলোক হইতেছে, নজর উঁচু নাই। এতদিন পর এই উপলব্ধি হওয়ার কারণে আমি ব্যথিত। ওদের চাহিদা এত কম কেন মাথায় ঢুকলো না। দেশটা তো ওদেরই ছিল। এইখানে বাঙ্গালী সহ অন্য যারা ছিল তারা তো মানুষ ছিল না। এই ভূমির উপর অধিকার একমাত্র পাকিস্তানের। দেশভাগের সময় সিলছাপ্পড় মাইরা মানুষসহ এই ভূমির স্থলে, লাগোয়া ও অন্তস্থ্য জলে এবং উপরিস্থ অন্তরীক্ষে অধিকার পাকিস্তানের নামেই দিয়া দেয়া হইছিল। ওরা সমগ্র বাংলাদেশের ভূ-সম্পদ সহ অন্যান্য নানাপ্রকার সম্পদ, যেমনঃ তরল, বায়বীয়, উদ্ভিজ, মৎস্যসম্পদ প্রভৃতি থেকেও পাওনা দাবী করতে পারতো। অনেক সম্পদ তো বছর বছর বৃদ্ধি পায়, যেমন ইলিশের উৎপাদন তো বছর বছর বাড়তেছেই, এমন সম্পদগুলাকে রিকারেন্ট আয়ের উৎস হিসেবেও বিবেচনা করতে পারতো। পুরা দেশের জন্য এত টাকা এককালীন দাও, আর এইসব পুনঃপুনঃ বাড়বাড়ন্ত সম্পদের বেলায় বছর বছর পে করতে হবে এমন দাবীই যৌক্তিক হইতো। আকাশের দিকে না তাকাইলে তো ছাঁদও ছুঁইতে পারবে না কেউ। ওরা আনুভুমিক দৃষ্টিও দেয় নাই, তাকাইতেছে গোড়ালির তলদেশে।

যেতে বাধ্য নই, তবু চলে যাব


যেতে বাধ্য নই, তবু চলে যাব এবার!
চলে যাব সেখানে, যেখানে-
নির্ধারিত সময় পেরিয়ে প্রলম্বিত সূর্যোদয়...

দিগন্তে জমেছিল মেঘ, তুমি আসলে না তো;
চলে যাব নিঃসংকোচে তাই!

পূর্বে আসাম, আসামে চলে যাব!
যেতে পারি দক্ষিণে,
নাম না জানা লোনা নদীর প্রলোভনে...

দিগন্তে জমেছিল মেঘ, তুমি আসলে না তো;
চলে যাব খানিক অভিমানে তাই...

সাওতালদের ত্রাণ প্রত্যাখ্যান, সরকারী লালটূ কর্মকর্তার বক্তব্য এবং আজকের অপার্থিব সুপারমুন



নিম্নস্তরের প্রাণী, যেমন গুইসাপ, সজারু, ইঁদুর, বেঁজি ইত্যাদি ইত্যাদি নাকি সাওতালদের খুবই প্রিয়। সরকার তাদের দিতে গেল চাল, ডাল, তেল, আলু এইসব। ভুল পদক্ষেপ! সাওতালদের প্রিয় খাদ্যের পসরা নিয়া গেলে তারা লোভ সামলাইতে পারতো না হয়তো। কিন্তু এই ত্রাণ নিতে অস্বীকার করা সরকার এবং প্রশাসনের মুখের উপর চপেটাঘাত। এর মাধ্যমে তারা এই বাণীই পৌঁছাইল যে গরু মাইরা জুতাদান তারা মানতে রাজী না। এই অশিক্ষিত, নাকবোচা, কালো মানুষগুলা আমাদের বুঝাইয়া দিল যে চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও তাদের আত্মসম্মানবোধ অটুট, তারা এত সহজে এইসব অবিচার মানবে না।

সংবিধানের অসংগতি নিয়ে কথা বলা কি সংবিধান বিরোধী? আশেপাশে কোনো ধারা নাইতো?



হায়রে দেশ! লাখ লাখ মানুষ রক্ত দিছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়। তাদের অন্যতম আদর্শ ছিল ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে নিজেদের একটা দেশ। বাংলাদেশ হওয়ার কথা ছিল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, ছিলও! বঙ্গবন্ধুর সময়ে অন্তত কেউ এই নীতি আল্টাইতে পারে নাই। কিন্তু এরপর নানা কাহিনী হইল। যে লাউ, সে নিজের পূর্বকালীন কদু অবস্থানে চইলা গেল। আমাদের জননেত্রী প্রধাণমন্ত্রী হাসিনাও সেইখান থাইকা সরতে পারতেছেন না। উনিও কথায় কথায় নিজের পিতার নানা স্বপ্নের কথা বলেন। কিন্তু উনি সম্ভবত এইটা আর মনে করতে পারেন না যে উনার পিতার স্বপ্ন কিংবা আদর্শ ছিল একটা ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়াতে আমি খুশী। আমি খুশী, কারণ, ভন্ড সুশীলের চেয়ে স্পষ্ট ফ্যানাটিক ভালো।



ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আমি খুশী। আমি খুশী, কারণ, ভন্ড সুশীলের চেয়ে স্পষ্ট ফ্যানাটিক ভালো।

ট্রাম্প সাহেব অনেক উক্তি করছেন যেগুলা শুনতে খারাপ লাগলেও তাই সত্য। উনি সাধারণ শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের মনের কথা পড়তে পারছেন। রাজনীতির বাইরে এসে সাধারণ মানুষের মত কথা বলছেন। কর্পোরেট ব্যাবসায়ী আর রাজনৈতিক এলিটদের কাচকলা দেখাইতে সক্ষম হইছেন, এইটাও গণতন্ত্রের বিজয়।

লেট খাপছাড়া রিভিউঃ আয়নাবাজি এবং অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল!


আয়নাবাজি দেখলাম গত সপ্তাহে, এখনও মানুষের স্তুতি স্ট্যাটাস আর উচ্চমানের রিভিউ দেখে নিজের রুচি, উপলব্ধি নিয়ে প্রশ্ন জাগে, তাই এই কুইক রিভিউ।

চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয় আর ক্যামেরার কাজ ভাল ছিল। কিন্তু বিদেশী সিনেমায় তো আরও উন্নতমানের কাজ দেখি, ঝকঝকা ছবি দেখি। সেই তুলনায় আমাদের দেশের কাজ এখনও টেলিফিল্ম কিংবা নাটকের মতই লাগে কেন যেন।

১৫ই আগস্ট, ১৯৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশঃ মোশতাক সরকার, খালেদ মোশারফের অভ্যুত্থান, জেলহত্যা, ৭ই নভেম্বরের বিপ্লব (নির্বাচিত অংশ)


১৯৭৬ সালের ২১শে জুলাই কর্নেল তাহেরের ফাঁসি হয়। অন্যান্য নেতাদের বিভিন্ন মেয়াদের জেল হয়। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন তাহের। আর তার ফলে ক্ষমতায় বসলেন জিয়া।

ক্ষমতা, আদর্শগত দ্বন্দ এবং মানুষের নানা আপাত অকারণ কার্যকলাপের ফল অনেক অদ্ভুত হয়। এই দেশও তার বাইরে থাকেনি। জিয়া তাহেরকে প্রহসনের বিচারের মাধমে হত্যা করবেন, তাহের নিজেও মেঃ জেঃ খালেদ মোশারফ সহ অনেক মুক্তিযোদ্ধা অফিসারের মৃত্যুর কারণ ছিলেন। আবার তাহেরের বিপ্লব সফল হলে বঙ্গবন্ধু রক্ষা পেতেন নাকি তাও প্রশ্ন করবার বিষয়। আমি জানি না কেন এমন হয়, কিন্তু আমাদের দেশের সূর্যসন্তানেরাই আমাদের দেশের কলংকিত ইতিহাসের অংশ, খল চরিত্র।

ভুলে যাওয়া তনু, নয়া নাম খাদিজা আক্তার নার্গিস এবং সরকারের ছত্রছায়ায় পরাক্রমশালী এক ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম


খাদিজা আক্তার নার্গিস, নামটা একটু সেকেলে, আবার বোরখাও পড়ে। তনুও পড়তো, কিন্তু মায়াবী মুখের অনেক ছবি দেখা গেছিলো তনুর। এই মেয়েটার ছবি এখনো সেইভাবে ছড়ায় নাই। তাই তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হইতে মনে হয় দেরী হইতেছে। সুন্দরী হইলে দেশের জনগনের বিশাল একটা অংশ হায়হায় করা শুরু করবে। চেহারা সুরত সাধারণ হইলে মনে দাগ কম কাটবে। আমাদের দেশের মানুষের মায়া, দয়া, প্রতিক্রিয়া সবই আবার চেহারাসুরত, কোন ধর্ম, কোন গোত্র, কোন এলাকা বা কোন পেশার, এইসব নানা ব্যাপারের উপর নির্ভরশীল কিনা।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর