নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রবিউল আলম ডিলার
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • সাইকোপ্যাথিক রোগী

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

ওই তোর দেশী চ্যানেলের মায়েরে বাপ...



এখন বিশ্বায়নের যুগ। নানা দেশের নানাকিছু নিয়া আমরা জানব। কিন্ত উনারা এইযুগেও বিশ্বের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান। সৌভিয়েত রাশিয়া কিংবা কিউবায়ও তো বিদেশী সিরিয়াল ডাবিং কইরা প্রচার হইতো। আপনাদের প্রডিউসকৃত পচা চাইলের ভাত রাইখা আমি বাসমতিতে আকৃষ্ট হইলে আমার কি দোষ? আগে আপনারা জাতে উঠেন, এরপর স্বর উঁচা করেন।

বিজ্ঞাপন বিদেশী চ্যানেলে যাবে না তো দেশী চ্যানেলে আসবে? কোম্পানীর পাবলিকেরা কোম্পানীর ব্যবসা কীসে ভালো হবে ঠিকই বুঝে। আমি চাই যতদিন পর্যন্ত আপনারা নিজেদের ঠিক না করতেছেন ততদিন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন বিদেশী চ্যানেলেই যাক। দেশের বেশিরভাগ মানুষ ওইসবই দেখে। একসময় দেশে হাজার হাজার সিনেমা হল ছিল, এখন নাকি সারাদেশে ৩০০-৪০০ ধুইকা ধুইকা চলে। চলচিত্রমির্মাতারা তো দেশী চলচ্চিত্র শিল্পের গ্যাং রেপ কইরা ছাড়ছেন ইতিমধ্যে, আপনারাও সেই একই অবস্থা করতেছেন।

রসরাজ এবং জাহাঙ্গীর রঙ্গঃ সম্ভাব্য বক্তব্য সংকলন



এখন এই নাসিরনগর, রসরাজ এবং জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অনেক ধরণের বক্তব্য আসতে পারে। যেমনঃ

- এই জাহাঙ্গীর বিএনপি অথবা জামাতের সক্রিয় কর্মী ছিল।

- হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমনের জন্য ট্রাক নাকি বাসটাস ভাড়া করা হয়েছিল, সেই অর্থের যোগান সরাসরি আইএস থেকে এসেছিল।

- এই সহিংসতার পিছনে আইএসআই জড়িত।

- কালেরকন্ঠের শিরোনাম হতে পারে, "রসরাজ নামের রমরমা প্রচারে হতাশাগ্রস্থ্য হয়ে এ কী করলেন রসময় গুপ্ত?"

- পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার নিন্দাপ্রস্তাবের প্রতিবাদ জানিয়ে কড়া বিবৃতি দিতে পারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।

*****কোনো এক কৃষ্ণকলির জন্য*****


এই বছর না চাইতেই শীত এসে গেল দ্রুত!
কালোবর্ণ তরুণীদের ত্বকে জাগ্রত মৃতকোষের স্তর;
ঘষে দিলেই প্রকট হবে তার শুভ্র আস্তরণ,
ব্ল্যাকবোর্ডে চক টানা রেখাদের মতন...

আমি তাদেরই কোনো একজনের শিরা উপশিরায়-
ভ্রমণের অনুমতি পাইনি বলে অজানা রয়ে গেল
কৃষ্ণতার ভিন্ন অনুভব, অন্তর্লীন বেদবাক্য;
তারও তো আকর্ষণ অমোঘ!
আর এই অজ্ঞতাহেতু উদয় হওয়া অদম্য টান-
এড়াতে ব্যর্থ আমার প্রেম এসে গেছে অনিবার্য...

কবিতাঃ অভুতপূর্ব অনায়াসে সন্ধ্যা নেমেছে শহরে


অভুতপূর্ব অনায়াসে সন্ধ্যা নেমেছে শহরে,
অপূর্ব আলস্য গ্রাস করছে সম্পূর্ণ দুচোখ!

আজকের অনাগত রাতে মুছে গেলে-
ক্ষতি নেই অসহ্য গতরাত...

গতরাতে শহরের উত্তরে লেগেছিল দাবানল,
তার হলুদ আগুনের উত্তাপ গলাতে পারেনি-
দক্ষিণে জমা নিরেট হিমবাহ, বরফ প্রাচীর...

গতরাতে শহরের উত্তরে বসে সয়েছি-
অর্ধেক শহরের সবটুকু হাহাকার;
বাকী অর্ধে তোমার দাপট নির্বিকার!

নিষ্ঠুরতা বোঝাতে এতটুকু বলাই তো যথেষ্ঠ-
শহরের দমকল বাহিনী দিবালোক ছাড়া অচল।
অথচ, তোমার সরাসরি নির্দেশে পৃথিবীর-
আহ্নিক গতি থেমে ভোর এসেছিল বিলম্বে!

গতরাত মুছে গেছে, এই মুহূর্তে-
আবারো নামছে সন্ধ্যা অভুতপূর্ব অনায়াসে,
অপূর্ব আলস্য গ্রাস করেছে সম্পূর্ণ দুচোখ!

অনতিদুর রাতে ভুলে গেলে ক্ষতি কি তোমাকে?

আমাদের বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে আমাদের যৌনকর্মীরা পর্যন্ত গ্রাজুয়েটঃ ফিদেল কাস্ত্রো


"আমাদের বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে আমাদের যৌনকর্মীরা পর্যন্ত গ্রাজুয়েট।"

ফিদেল কাস্ত্রোর উক্তি এটা এবং এর জন্যও তিনি গর্ব করতেই পারেন। বিশ্বজুড়ে ব্যর্থ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মাঝে কিউবাই একমাত্র ব্যতিক্রম যেখানে তাত্ত্বিকভাবে সাম্য নয়, বাস্তবিকভাবেই আছে। পাকাপাকি যারা ক্ষমতায় থাকেন তাদের বিশ্ব একনায়ক হিসেবেই বেশি চেনে, সেই অর্থে কাস্ত্রোও হয়তো সমাজতান্ত্রিক একনায়ক, তবে পার্থক্য হচ্ছে যে তিনি সফল এবং জনপ্রিয়।

উনি তারদেশে শিক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরী করেছেন যার জন্য যেকোনো উন্নত দেশও ঈর্ষা করতে পারে। তার দেশের প্রতিটি মানুষই নুন্যতম যোগ্যতাসম্পন্ন, কেবল মজুরের কাজ করে খেতে হবে এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর।

রোহিংগা শরনার্থী ইস্যুঃ ধর্ম, রাজনীতি এসব নানাবিধ হিসাব বাইরে রেখে আপনার মানবিক বোধ কি বলে?



যারা রোহিংগাদের এদেশে মানতে চাইছেন না, তাদের মধ্যে অনেকের যুক্তি বাংলাদেশ তো নিজেদের দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতেই ব্যর্থ্য হচ্ছে। এতে রাষ্ট্রের দায় আছে, কিন্তু আচরণ করে মানুষেরা। রাষ্ট্র একটা খারাপ কাজের প্রতিকার করতে পারেনি দেখে একটা ভালো কাজ করতে পারবে না এমন যুক্তি হাস্যকর। রাষ্ট্র এবং মানুষের করা উচিত সে কাজটাই, যা সবচেয়ে মানবিক। আমাদের সামনে এখন পথ দুটিঃ হয় আমরা নিজেদের কিছু ক্ষতির আশংকা করেও তাদের আশ্রয় দেব অথবা নিশ্চিত মৃত্যু কিংবা নির্যাতনের মুখে তাদের আবার ঠেলে দেব।

এখন আপনার মানবিক বোধ কি বলে সেটা আপনার ব্যাপার। তবে এটাও ভেবে দেখবেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনার পূর্ব পুরুষদেরই কেউ হয়তো ভারতীয় সীমান্তে গিয়ে ভীড় করেছে জীবন বাঁচাতে, পেছনে পাকিস্তানী ঘাতকেরা। সামনে অস্ত্র তাক করে পাহারায় ভারতীর সেনারা যারা কোনক্রমেই নিজ দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটতে দিতে রাজী নয়। আপনার অনুভূতি কেমন হতো?

৯২১ কোটি পাকিস্তানী রুপীর নয়া দাবীঃ নজর আরও উঁচা কর হে পাকী ভাইলোগ!



পাকিস্তানীরা দিনদিন ছোটলোক হইতেছে, নজর উঁচু নাই। এতদিন পর এই উপলব্ধি হওয়ার কারণে আমি ব্যথিত। ওদের চাহিদা এত কম কেন মাথায় ঢুকলো না। দেশটা তো ওদেরই ছিল। এইখানে বাঙ্গালী সহ অন্য যারা ছিল তারা তো মানুষ ছিল না। এই ভূমির উপর অধিকার একমাত্র পাকিস্তানের। দেশভাগের সময় সিলছাপ্পড় মাইরা মানুষসহ এই ভূমির স্থলে, লাগোয়া ও অন্তস্থ্য জলে এবং উপরিস্থ অন্তরীক্ষে অধিকার পাকিস্তানের নামেই দিয়া দেয়া হইছিল। ওরা সমগ্র বাংলাদেশের ভূ-সম্পদ সহ অন্যান্য নানাপ্রকার সম্পদ, যেমনঃ তরল, বায়বীয়, উদ্ভিজ, মৎস্যসম্পদ প্রভৃতি থেকেও পাওনা দাবী করতে পারতো। অনেক সম্পদ তো বছর বছর বৃদ্ধি পায়, যেমন ইলিশের উৎপাদন তো বছর বছর বাড়তেছেই, এমন সম্পদগুলাকে রিকারেন্ট আয়ের উৎস হিসেবেও বিবেচনা করতে পারতো। পুরা দেশের জন্য এত টাকা এককালীন দাও, আর এইসব পুনঃপুনঃ বাড়বাড়ন্ত সম্পদের বেলায় বছর বছর পে করতে হবে এমন দাবীই যৌক্তিক হইতো। আকাশের দিকে না তাকাইলে তো ছাঁদও ছুঁইতে পারবে না কেউ। ওরা আনুভুমিক দৃষ্টিও দেয় নাই, তাকাইতেছে গোড়ালির তলদেশে।

যেতে বাধ্য নই, তবু চলে যাব


যেতে বাধ্য নই, তবু চলে যাব এবার!
চলে যাব সেখানে, যেখানে-
নির্ধারিত সময় পেরিয়ে প্রলম্বিত সূর্যোদয়...

দিগন্তে জমেছিল মেঘ, তুমি আসলে না তো;
চলে যাব নিঃসংকোচে তাই!

পূর্বে আসাম, আসামে চলে যাব!
যেতে পারি দক্ষিণে,
নাম না জানা লোনা নদীর প্রলোভনে...

দিগন্তে জমেছিল মেঘ, তুমি আসলে না তো;
চলে যাব খানিক অভিমানে তাই...

সাওতালদের ত্রাণ প্রত্যাখ্যান, সরকারী লালটূ কর্মকর্তার বক্তব্য এবং আজকের অপার্থিব সুপারমুন



নিম্নস্তরের প্রাণী, যেমন গুইসাপ, সজারু, ইঁদুর, বেঁজি ইত্যাদি ইত্যাদি নাকি সাওতালদের খুবই প্রিয়। সরকার তাদের দিতে গেল চাল, ডাল, তেল, আলু এইসব। ভুল পদক্ষেপ! সাওতালদের প্রিয় খাদ্যের পসরা নিয়া গেলে তারা লোভ সামলাইতে পারতো না হয়তো। কিন্তু এই ত্রাণ নিতে অস্বীকার করা সরকার এবং প্রশাসনের মুখের উপর চপেটাঘাত। এর মাধ্যমে তারা এই বাণীই পৌঁছাইল যে গরু মাইরা জুতাদান তারা মানতে রাজী না। এই অশিক্ষিত, নাকবোচা, কালো মানুষগুলা আমাদের বুঝাইয়া দিল যে চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও তাদের আত্মসম্মানবোধ অটুট, তারা এত সহজে এইসব অবিচার মানবে না।

সংবিধানের অসংগতি নিয়ে কথা বলা কি সংবিধান বিরোধী? আশেপাশে কোনো ধারা নাইতো?



হায়রে দেশ! লাখ লাখ মানুষ রক্ত দিছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়। তাদের অন্যতম আদর্শ ছিল ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে নিজেদের একটা দেশ। বাংলাদেশ হওয়ার কথা ছিল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, ছিলও! বঙ্গবন্ধুর সময়ে অন্তত কেউ এই নীতি আল্টাইতে পারে নাই। কিন্তু এরপর নানা কাহিনী হইল। যে লাউ, সে নিজের পূর্বকালীন কদু অবস্থানে চইলা গেল। আমাদের জননেত্রী প্রধাণমন্ত্রী হাসিনাও সেইখান থাইকা সরতে পারতেছেন না। উনিও কথায় কথায় নিজের পিতার নানা স্বপ্নের কথা বলেন। কিন্তু উনি সম্ভবত এইটা আর মনে করতে পারেন না যে উনার পিতার স্বপ্ন কিংবা আদর্শ ছিল একটা ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 12 ঘন্টা 53 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর