নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রবিউল আলম ডিলার
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • সাইকোপ্যাথিক রোগী

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

এমপি লিটন হত্যাঃ দুর্বৃত্তকে মারলো কোন দুর্বৃত্ত?



যাদের মানুষ ভোট দেয় মানুষের সেবা করতে, মানুষের সুরক্ষা দিতে, তারাই যদি এমন করেন তাহলে কেমন যেন লাগে না? আর ওই ঘটনাটা তো জামাত শিবির বিএনপির বানানো না। প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটা সাধারণ পরিবারের এক শিশুর সাথে এবং সবচেয়ে আফসোসের ব্যাপার হচ্ছে শিশুটাকে চিকিৎসা দিতে নিয়ে যাবার সময়েও বাঁধা দেয়া হয়েছিল এই এমপির লোকজনদের মাধ্যমে। মানুষ খুব দ্রুতই ভুলে যায় এসব, মানুষ এখন তাই বললেই পারে, "উনি খুব ভালোমানুষ ছিলেন।"

দুঃখিত, আমি বলতে পারছি না এই বাক্যটা এই এমইর ব্যাপারে। হত্যাকে কখনোই সমর্থন করি না। কিন্তু এই এমপি সাহেব যেই রাষ্ট্রীয় সম্মান নিয় গেলেন সেটা উনার প্রাপ্য ছিল না। এটা এমন এক রাষ্ট্রের কথা বলছে সুবিচার প্রতিষ্ঠা হয়নি এখনো। আমার কাছে এই দুর্বৃত্ত এমপির অজানা দুর্বৃত্তদের কাছে মৃত্যুর ঘটনা ওই শিশুটার জনপ্রতিনিধির কাছে গুলি খাওয়ার ঘটনার কাছে তুচ্ছ।

কেমন কাটলো বাংলা ব্লগ এবং ব্লগারদের ২০১৬ সালঃ কিছু পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনা


আমার দৃষ্টিতে ২০১৬ সালটাই বাংলা ব্লগগুলোর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়, ক্রান্তিকাল পার করছে এই বছরে। যদিও এই বছর ব্লগার নাজিমুদ্দীন ছাড়া আর কাউকে হত্যা করা হয়েছে নাকি মনে পড়ছে না। হত্যার ফ্রিকোয়েন্সী হয়তো কমে গেছে কিন্তু সামগ্রিক রিস্ক ফ্যাক্টর বেড়ে গেছে বহুগুণ। প্রতিপক্ষ হিসেবে ধর্মীয় উগ্রবাদীরাই নেই কেবল, সরকারও দাঁড়িয়ে গেছে। নানা ব্লগের উপর নজরদারী এবং নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কোন ধরণের গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ ঠিক না। এমনকি জামাতি ব্লগ সোনার বাংলাও চলুক। যে যার যুক্তি মত তাদের মত প্রকাশ করুক। সোনার বাংলা ব্লগ চালু থাকলে সেখানের পোস্টে ধররে অবিশ্বাসীরা মন্তব্যে তাদের যুক্তির কথা বলবে, অসঙ্গতি দেখাবে কিংবা এখানে কঠোরভাবে ধর্ম্প্রাণ মানুষেরা। ভাবনাচিন্তার ধারা তো এভাবেই উন্নত হয়। ফেসবুকও তো ব্লগের মতই। সেটাকেও নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির উতকর্ষের এই যুগে এসবে নিয়ন্ত্রণ আরোপ হাস্যকর এবং কার্যকরী করাও সম্ভব না। অনেক অনেক সাইট, অনেক সার্ভিস ফিল্টার এবং মনিটর করতে গেলে দেশে ইন্টারনেটের গতিও হয়ে যাবে ধীর।

মুভি রিভিউঃ Dangal (দঙ্গল)


স্টোরি টেলিং স্টাইলটা ছিল অসাধারণ। এমনকি গানগুলোও প্রাসঙ্গিক। যখন কাহিনী আগাচ্ছিলো, কিংবা দর্শক যখন দেখছিলো মুভিটা, তখন কিন্তু আশেপাশে ঘটে চলা স্বাভাবিক ব্যাপারই দেখেছে দঙ্গলে। সমাজের বসবাসকালীন স্বাভাবিক সময়ে এইসব অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়না। কিন্তু দঙ্গল দেখবার সময় মনে হচ্ছিলো মানুষগুলা এমন করছে কেন? কিংবা অল্প আফসোস কাজ করছিল, মনে হচ্ছিলো, আহারে, মেয়েগুলা কি লজ্জাই না পাচ্ছে। অথবা গীতা কিংবা ববিতার স্কুলের সহপাঠীরা এমন করছে কেন? আসলে এমনই তো করে, এমনই করতো মানুষেরা। আমরাই সেই মানুষের দলভুক্ত। দঙ্গলের আলাদা ব্যাপারটাই এখানে যে দর্শক হিসেবে নিজেই মনে করছিলাম মানুষের এমন আচরণ ঠিক নয় যা স্বাভাবিক জীবনে মনে হয়না। এর কারণ হিসেবে আমি বলব শুরুতেই দর্শক আমীর খান কিবা মহাবীর সিং ফোগাতের স্বপ্নকে নিজের মনে করা শুরু করেছিল, পিচ্চি কিংবা বড় গীতা ববিতার সামান্য দুঃখ কষ্ট হাসিগুলোকে নিজের অনুভূতির সাথে মেলাতে পারছিলো।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, বিএনপির অবিশ্বাস এবং বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যত


যেই দেশের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, সমাজতন্ত্রের আগামাথা কিছু বুঝে না, তাদের বামপন্থা গেলানো এত সহজ না। আর বিশ্বব্যাপীই এই মতবাদ মুখ থুবড়ে পরেছে। সেই হিসেবে আমাদের বেছে নিতে হয় প্রধান দুই ধারা থেকেই। যারা আবার গণতন্ত্রের কথা বলে। অবশ্য অশিক্ষিত জনগণের জন্য গণতন্ত্রও উপযুক্ত নয়। গণতন্ত্রে যদি এমন নিয়ম থাকতো যে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য জনগণকে নুন্যতম এসএসসি পাস করতে হবে, সেটা হয়তো ভালো হতো। আমি সরকার চালাবার জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবার ক্ষেত্রে মুর্খদের মতামতকে গার্বেজ বলেই মনে করি। আর এই গার্বেজ এবং স্রোতে গা ভাসানো, মার্কা দেখা আবেগী গার্বেজ মতামতের উপরই এইদেশের জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হন।

সরকার চালাবার কথা সবচেয়ে শিক্ষিত এবং সচেতন অংশের, দেশের জন্য যারা বুক ভর্তি মায়া ধারণ করেন। কিন্তু আমাদের সংসদে তেমন মানুষেরা কই?

"বাংলাদেশের জন্ম ১৯৭১ সালের ১৬’ই ডিসেম্বর" পোস্টের জবাবে...


শেখ মুজিব কিংবা মেজর জিয়াউর রহমানের মতই বৈদ্যনাথতলার নতুন সরকার স্বাধীনতার ঘোষণা লিখিত আকারে প্রকাশ করে। এর আগের ঘোষণাগুলো ছিলো অনেকটাই অনানুষ্ঠানিক, সেই ঘোষনাগুলোর প্রায় দুই সপ্তাহ পর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে এই লিখিত ঘোষণা আবার প্রচার করা হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে। ঘোষনাপত্রটি ছিলো এমনঃ

“We, the elected representatives of the people of Bangladesh, as honour bound by the mandate given to us by the people of Bangladesh, whose will is supreme, duly constituted ourselves into a Constituent Assembly, and having held mutual consultations, and in order to ensure for the people of Bangladesh equality, human dignity and social justice, declare and constitute Bangladesh to be sovereign People's Republic, and thereby confirm the declaration of independence already made by Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, and do hereby affirm and resolve that till such time as a Constitution is framed, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be the President of the Republic and that Syed Nazrul Islam shall be the Vice-President of the Republic, and that the President shall be the Supreme Commander of all the Armed Forces of the Republic...”

চেকপয়েন্টঃ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের ঘটনাপ্রবাহ (পর্ব ৪/৪) - শেষ পর্ব


“প্রথমে তিনি তার মুক্তা অলংকৃত পিস্তল কোমরের বেল্ট থেকে খুলে এনে সমর্পন করলেন, এরপর তার সোর্ড, এরপর ডানকাঁধ থেকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ অপসারন করে নিজেকে সেই পদবী থেকে নিজেকে অপসারন করলেন নিজেই, এরপর তিনি সেগুলো খুলে লেঃ জেঃ অরোরার হাতে দিলেন। এরপর তার মাথা হালকা অবনত করলেন আত্মসমর্পন করছেন এটা বোঝাতে। তিনি নিজেকে সমর্পন করলেন এবং সেইসাথে সমর্পন করলেন তৎকালীন পাকিস্তান নামক রাস্ট্রের অর্ধেক, যাকে পূর্ব পাকিস্তান বলা হতো। উদয় হলো একটি রাষ্ট্রের, একটা পতাকার, আমাদের সোনার বাংলাদেশের।“

চেকপয়েন্টঃ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের ঘটনাপ্রবাহ (পর্ব ৩/৪)



মলিন চেহারায় ছলছল চোখে জেঃ নিয়াজী একটি কলম ধার করলেন জেঃ অরোরার থেকে। জেঃ নিয়াজী তার নিজের কলম খুব সম্ভবত আত্মসমর্পনের খসড়া স্বাক্ষরের সময় ভুলে ফেলে এসেছিলেন। এমন কিছু আপাত গুরুত্বহীন দৃশ্যের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে লেঃ জেঃ এ এ কে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেঃ জেঃ জগজিত সিং অরোরা দলিলে স্বাক্ষর করলেন। এ দুজনের কেউই এসময় একটা শব্দ পর্যন্ত উচ্চারন করলেন না!!

এই আত্মসমর্পনের দলিলই আজপর্যন্ত প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সম্ভবত একমাত্র জনসম্মুখে আত্মসমর্পন। এর বাইরেও যদি প্রথাগত যুদ্ধের কথা বলা হয়, তবে এই আত্মসমর্পন আধুনিক সমর ইতিহাসেরই দ্রুততম সময়ে আত্মসমর্পনের অন্যতম নজির!!

দ্যা ওয়ার অফ দ্যা টুইন্স (১৯৯৭) বইতে কৃষ্ণ চন্দ্র সাগর এ দৃশ্যের বর্ণনায় লিখেছেন,

“A grim faced Niazi had to borrow a pen from Gen Aurora as he had lost his own at the moment of signing the surrender deed. Amid such scenes, Gen Niazi of Pakistan and Gen Aurora of India signed the Instrument. Neither of the two uttered a single word.”

চেকপয়েন্টঃ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের ঘটনাপ্রবাহ (পর্ব ২/৪)



১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
মিরপুর ব্রিজ, আমিনবাজার, ঢাকা
সকাল ৮ টা

জেনারেল নাগরা এবং তার সেনারা মিরপুর ব্রিজের অদূরে পৌছেছেন। মুক্তিবাহিনীর নানা দল আগেই এসে সেখানে অবস্থান নিয়েছিলো। জেনারেল নাগরা সেখানে পৌছে একটি কলম এবং ছোট রাইটিং প্যাড থেকে ছিঁড়ে একটুকরো কাগজ বের করলেন পকেট থেকে। প্যাডের পেপারটি জীপের হুডের উপর রাখলেন এবং তার জীবনের সবচেয়ে বিখ্যাত চিট-টি (সংক্ষিপ্ত অফিসিয়াল নোট) লিখবেন লেঃ জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজীর উদ্দেশ্যে, যা পরবর্তীতে দেশ বিদেশের নানা সংবাদ মাধ্যমে হুবহু প্রতিলিপি হিসেবে ছড়িয়ে পড়বে।

উনি লিখেছিলেন,

“My dear Abdullah, I am here. The game is up. I suggest you give yourself up to me and I'll look after you.”

চেকপয়েন্টঃ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের ঘটনাপ্রবাহ (পর্ব ১/৪)



৩রা ডিসেম্বর, ১৯৭১, নয়াদিল্লী, ভারত
অন্ধকার হয়ে আসছিলো ভারতের রাজধানী শহরে, এর মধ্যেই হুট করে এয়ার রেইড সাইরেন বেজে উঠলো। ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর কনফারেন্সরুমে বেশ অনেকজন দেশী বিদেশী সাংবাদিক উপস্থিত হয়েছিলেন সন্ধ্যা ৬ টার ভারতীয় সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ব পাকিস্তান বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির জন্য। চতুর্দিক অন্ধকার হয়ে এলো সাইরেন বাজার কিছুক্ষণ পরেই, সকল বাতি নিভে গেলো। সবাই ধারণা করছিলো যে এটা বিমান হামলার মোকাবিলায় সতর্কতামুলক মহড়ার জন্যই করা হচ্ছে।

ঠিক ছয়টায় যখন ভারতীয় সরকারের মুখপাত্র তার ব্রিফিং টিম সহ এসে হাজির হলেন, তখন উপস্থিত সাংবাদিকরা অভিযোগ করলেন, আলোর অভাবে তারা কিছু দেখতে পাচ্ছেন না যে প্রেস রিলিজের বক্তব্য লিখে রাখবেন। সাংবাদিকেরা তাকে বাতি জ্বালিয়ে দেবার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করলেন।

তবে জবাবে ব্রিফিং প্রদানকারী অফিসারদের প্রধান বললেন,

- “জেন্টলমেন, আমি আপনাদের নিশ্চিত করছি এটা কোন মহড়া নয়। পাকিস্তান বিমান বাহিনী ভারতের নানা স্থানে একযোগে হামলা শুরু করেছে। আমরা সম্ভবত পূর্ণ সমরের দিকে এগিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছি।“

কবিতাঃ অসম্ভব শব্দটা আজ একেবারেই সম্ভব নয়


আজ অনন্ত অম্বর জুড়ে নক্ষত্রেরা-
একে একে চুরমার হয়ে যাচ্ছে,
বিস্ফোরণের মলিন গর্জন-
শুনতে পারো কান পেতে!
তাদের ছিন্নভিন্ন অতিকায় টুকরোগুলো-
ধুমকেতুর মত ছুটে চলেছে দ্বিগবিদিক!

তুমি যে আতশবাজির আবদার করেছিলে...

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 12 ঘন্টা 52 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর