নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

রুপকথাঃ জেনে নিন পহেলা বৈশাখের প্রচলনের পিছনে মুসলমান নির্যাতনের করুণ ইতিহাস


যেইসব ধর্মপ্রাণ মানুষ মনে করেন ১লা এপ্রিল মুসলমানদের জন্য একটি বেদনাবিধুর দিন, তাদের জন্য আমার সমবেদনা রইলো। অঢেল বেদনা বুকে ধারণ কইরা চলা মানুষগুলারে দেখলে মায়াই লাগে।

না, তাদের আমি গর্ধব কিংবা নির্বোধ ভেড়া বলব না; তাদের বিশ্বাস সরল। সরলতা কিংবা সরল মনে ধারণ করা বিশ্বাস নিয়া উপহাসের কিছু নাই। আমার কৈশোরে আমিও সরলমনে এই কাহিনি বিশ্বাস করে ফেলছিলাম, একে তাকে বলছিও। ধীরে ধীরে চিন্তাভাবনা জটিল হইলো, গালগল্পগুলা আসলেই কী সেইটা নিজেই জানার চেষ্টা করতে গিয়ে বুঝলাম মোল্লারা সাহিত্যের রূপকথা উপধারায় খুবই দক্ষ। আমার আবার রুপকথারে সবসময় গাঞ্জাখুরি লাগে, আমারই মানসিক সমস্যা।

অপারেশন সার্চলাইটঃ প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা এবং মূল ঘটণাপ্রবাহ (রিপোস্ট)



এই খানে পটভুমিটা নানা পাকিস্তানী সুত্র থেকে নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হল। যদিও এসব সুত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে ইয়াহিয়া খানের আলাপের ব্যাপারে অনেক কথা থাকলেও ভুট্টোর ব্যাপারে সেভাবে কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না। যদিও বাঙালি সবাই জানে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের ব্যাপারে ভুট্টোর সরাসরি ইন্ধন এবং রাজনৈতিক সমর্থন ছিলো। বঙ্গবন্ধুও ৭ই মার্চের ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন,

“উনি আমার কথা শুনলেননা, উনি শুনলেন ভুট্টো সাহেবের কথা।“

পাকিস্তানী এক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিদ্দিকী, যিনি আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক ছিলেন সেই সময়ে, তার কথার সুত্র ধরে এবং নিজ পঠিত নানা আর্টিকেল এবং বিবরণীর সূত্র ধরে আমার নিজের মনে হয়েছে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের বীজ রোপিত হয়েছিলো ১৯৬৯ সালেই, যখন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান নিজের পীঠ বাঁচাতে জনতার আন্দোলনের মুখে গোল টেবিল বৈঠক ডাকেন। কিন্তু সিদ্দিকী সাহেবের মতে, ইয়াহিয়া তার গুরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন তারও আগেই। তার মতে, ইয়াহিয়া গোপনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন এবং তার দাবীতে অনড় থাকতে বলেন, এবং আরও নিশ্চয়তা দেন যে, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সেনাবাহিনী কোন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

সাবমেরিনের স্বপক্ষে আমার অবস্থান



***ডুবোজাহাজ নিয়া উড়া মতামত***

দেশী সাবমেরিন, তাও দুইটা! ভাবতেই ভাল্লাগে, আপনার লাগতেছে না? এইদেশের জনতার বড় একটা অংশ এখন বলতেছে এই সাবমেরিন দিয়া কী কী করা যাবে। উদাহরণ দেইঃ

১। এই সাবমেরিন দিয়া পানির তলায় ভ্রমণে যাওয়া যাবে, আন্ডারওয়াটার ক্রুজ হবে, ইয়াল্লা কী মজা, কী মজা! ভাবতেই এত্ত এত্ত ভাল্লাগতিছে। বাই দ্য ওয়ে, কাপল টিকেটের দাম কত? আমি হানিমুন সাবমেরিনে কত্তে চাই Biggrin

২। এই সাবমেরিনে রেস্তোরা খুইলা আন্ডার ওয়াটার ভোজের আয়োজন করা হবে, পর্যটক আকর্ষিত হবে, দেশের পর্যটন শিল্পের জন্য তা হবে বিশাল মাইলফলক। দেশে বিদেশি পর্যটকের আগমনের সংখ্যা লাখ থাইকা কোটির ঘরে পৌঁছাবে এই সাবমেরিন অভিজ্ঞতার আকর্ষণে।

৩। জেঃ জিয়ার খাল নেটওয়ার্কের নানা জায়গায় ফুস কইরা কুমিরের বদলে ভাইসা উঠবে সাবমেরিন। অভূতপূর্ব দৃশ্য হবে, নাঙ্গা বাচ্চাকাচ্চারা সাবমেরিনের পিঠে উইঠা লাফাবে। বড় হইয়া তারা গল্প করবে, আমাদের ছেলেবেলায় আমরা সাবমেরিনের পিঠে উইঠা লাফাইতাম।

৪। চাইনিজ সাব তো, তাই এই ১৬০০ কোটি টাকার ইস্পাত ৬ মাসের মধ্যে নিলামে উইঠা ৬ কোটি টাকার ভাঙ্গারি হিসেবে বিক্রি হইয়া বিশ্বরেকর্ড গড়বে।

থাক, আরও বেশি কথা না বাড়াই। বিনোদনের উপকরণের অভাব নাই দেশে। যেকোনো ননতুন টপিক নিয়া বিজ্ঞ মতামত পড়াও ব্যাপক বিনোদন। কিন্তু যাদের সাবমেরিনের বিপক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলি। যার জন্য আগে কিছু প্রিলিউড দরকার।

নারী দি বস !!



দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী। সংসদের পাতানো বিরোধীদলীয় নেত্রী কিংবা রাজপথে কোনো এক ঈদের পরে ক্রমাগত আন্দোলনের হুমকি দিয়ে যাওয়া শো পিস মহিলাটাও একজন নারী। আজব আমাদের দেশ, সংসদে স্পীকারও একজন নারী। মানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদে বকবক চালানোর সময় একজন নারীরই অনুমতি নিতে বাধ্য থাকবেন। মুখের উপর মাইক বন্ধ কইরা দিতে পারবেন। এতই যখন ক্ষমতা, তাইলে আলাদা নারী দিবসের দরকার কী? নারীর ক্ষমতায়ন দেইখা তো মনে হয় নারী অলরেডি ইজ দি বস...

মস্তিস্কে যখন ৭-১৪ বছর কিংবা ১ কোটির হিসাব, সর্বোপরি ৫৭ ধারা



ধরেন, আমি ভরদুপুরে মদ্যপান করিলাম, এরপর কারও উপর ঝাপাইয়া পড়লাম কিংবা মন খুইলা দুইটা খিস্তি দিলাম, বাংলাদেশের পেনাল কোডের ৫০১ নং ধারা অনুসারে শাস্তি হইলো ২৪ ঘন্টার কারাদন্ড কিংবা ১০ টাকা জরিমানা।

কিন্তু আমি যদি ঝাপাইয়া পড়ার হুমকী কিংবা ওই একই খিস্তি ফেসবুকে কারো ইনবক্সে দেই, তাইলে আইসিটি এক্ট অনুসারে শাস্তি হইলো ৭ থাইকা ১৪ বছরের কারাদন্ড কিংবা ১ কোটি টাকা জরিমানা কিংবা উভয়দন্ড।

কিংবা কাউরে যদি লাঠি দিয়া পিটাইয়া আহত করি, তাইলে বাংলাদেশের পেনাল কোডের ১৪৭ ধারা অনুসারে শাস্তি হইলো দুই বছরের জেল। কিন্তু আইসিটি এক্টের ৫৭ ধারা অনুসারে সহিংসতা উস্কাইতে নিলেও আপনার ওই একই শাস্তি। এই কথাগুলা মাথায় রাইখেন, ৭-১৪ বছর, এক কোটি।

পাগল এবং শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয় - (প্রসঙ্গঃ ইলেকশন কমিশন)



ম্যাডাম পিঙ্কি একসময় বলছিলেন, "শিশু আর পাগল ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ না।" বাটে পইরা উনার দল এবং শরীক জোটের প্রধান দাবী এখন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। নিরপেক্ষ ইসির এই ব্যাপারটাই হাস্যকর। গোলাপি ম্যাডামের কথার দাম দিতে গেলে ইসিতে বসাইতে হইতো পাগল অথবা শিশুদের। যাক, তাও ভালো যে সরকার উনার কথার মূল্য দেয় না। নাইলে কোনো স্বীকৃত পাগল নাইলে শিশুরে বসাইতে গিয়া ইতিহাস তৈরি কইরা ফেলতো আমাদের দেশ।

আজ বন্ধু দিবস নয়ঃ আলাদা করে বুঝি না নামাঙ্কিত দিবসের মানে



বন্ধুত্ব দিবসে নির্দিষ্ট করে রাখবার মতো কোনো ব্যাপার নয়, দিন তারিখের হিসেব করে বন্ধুত্ব হয় না। আমার বন্ধু সংখ্যা খুব কম, কিন্তু বন্ধুভাগ্য খুব ভালো। তাদের কেউ আমার এই আইডির কথা জানে না, এই তুচ্ছ পোস্ট পড়বার সম্ভাবনাও নেই, তাই লেখাটাও সহজ হয়ে গেল। কোথাও না কোথাও এই কথাগুলো না লিখে যেতে পারলে অপরাধ হতো।

মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী, ইমাম শেখের হঠাৎ চাকরি, একটি ঐতিহাসিক ভ্যান এবং অঢেল তেল



যখন কেউ গ্রামের বাড়ি যায়, তার ইচ্ছা করতেই পারে একটূ ঘুরে দেখতে, হেঁটে বেড়াতে। অনেক স্মৃতি থাকে আশেপাশে। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতেও ভালোলাগে। প্রতিটা স্বাভাবিক মানুষই তা করে। আর প্রধানমন্ত্রী এক কিলোমিটার হেঁটেছেন এটা কী এমন বিশাল ব্যাপার হয়ে গেল কে জানে? উনি পুকুরে নেমে দুটা ডুবও দিতে চাইতে পারতেন কিংবা বলতে পারতেন, আমি এক টাকার বাতাসা খাব। এইসবই একটা স্বাভাবিক মানুষের স্বাভাবিক আচরণ হবার কথা। এমন করলে এই স্বাভাবিক এবং তুচ্ছ মানবিক ব্যাপারস্যাপার নিয়ে চিল্লাচিল্লি করে তাকে আরও অতিমানবী, ভীনগ্রহের এলিয়েন বানিয়ে দেয়া হতো সম্ভবত। এইসব ঠিক না, একেবারেই ঠিক না...

মুভি লইয়া প্যাচালঃ Raees - রইস


একনজরে "Raees"

পরিচালকঃ রাহুল ঢোলাকিয়া

অভিনয়েঃ শাহরুখ খান, নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী এবং মাহিরা খান (মুখ্য চরিত্রে)

সঙ্গীতঃ আমার কেবল "জালিমা" গানটা ভাল্লাগছে। বাকীগুলা টাইনা গেছি। সানি আপার একটা ওল্ড রিমেক আইটেম সং-ও আছে।

আইএমডিবি রেটিংঃ 8.1/10 (7-7.5 এ নাইমা আসবে মনে হয় ধীরে ধীরে)
আমার রেটিংঃ 6.5/10

সরকারী চাকরীর অযৌক্তিক কোটা ব্যবস্থা এবং চাকরীতে আবেদনের বয়সসীমা প্রসঙ্গে



বাংলাদেশের সরকারী চাকরী এবং বিসিএস এর কোটার হিসাব নিম্নরুপঃ

মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ৩০%
নারী কোটা- ১০%
উপজাতি কোটা- ৫%
জেলা কোটা- ১০%
এর বাইরে প্রতিবন্ধী কোটা ১%।

দেখা যাচ্ছে যে মেধার চেয়ে কোটার প্রভাব বেশি। ৪৫% প্রার্থী মেধার মাধ্যমে যেতে পারবে সর্বোচ্চ, তবে সেখানেও টাকার খেলা, রাজনৈতিক বিবেচনা এবং স্বজনপ্রীতির কাজকারবার কারো অজানা নয়। বিএনপির আমলে পিলপিল করে ছাত্রদলের এবং জাতীয়তাবাদীরা ঢুকেছিলো, শিবিরের পোলাপানও বেশ ভালোই ঢুকে। এরপর আওয়ামী সরকারের আমলে নিরপেক্ষতা তো দুরের কথা, এই অবস্থার আরও অবনতি ছাড়া উন্নতি হয়েছে বলে কেউ দাবী করবে না।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর