নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

প্রসঙ্গঃ প্রভাবশালীর পুত্রদের দ্বারা বনানীর হোটেলে ছাত্রী ধর্ষণ


ধরেন, আপনি ইউনাইটেড স্টেটস অফ নিউক্যালির মুভি চাটগাইয়া সাবটাইটেল সহকারে উপভোগ করতে গেলেন, কিন্তু আপনি জন্ম থাইকা শুইনা বড় হইছেন প্রমিত বাংলা। আলটিমেটলি প্রায় হিব্রু ক্যাটাগরির ভাষায় যা শুনবেন, অঙ্গভঙ্গিতে যা দেখবেন, সাবটাইটেলে যা পড়বেন, সবকিছু যোগ কইরা আপনি বুঝবেন অর্শ্বডিম্ব, ১৮০ ডিগ্রী বিপরীত কিছু।

মুভি রিভিউঃ বাহুবলী-২ (দ্য কনক্লুশন)


এই মুভির ইতিহাস বইলা লাভ নাই, সবাই মোটামুটি জানে কত বাজেট, কারা আছে চরিত্রে কিংবা আগের পার্ট কেমন ব্যবসা করছিলো, এইসব হাবিজাবি। স্টার্টিং আমার কাছে অল্প একটু স্লো লাগতেছিল, কিন্তু মুভি দেখতে গেলে সবারই একটা ব্যাপার হয়, শুরুতে মন বসেনা ঠিকমত, এরপর একটু সময় গেলে মাথায় কেবল ওইটাই থাকে। আমারও তাই হইছিল। আজকাল অবশ্য বলিউডের অনেক মুভির স্টার্টীং হয় দুর্দান্ত। কেবল শুরুর জন্য বাকীটা গিলে ফেলা যায়। এই পার্টটা মানুষ এমনিতেই গিলতো, কারণ, কাট্টাপ্পা কেন সিনিয়র বাহুবলীরে মারছিল তা জানার ব্যাপক আগ্রহ ছিল সবার মধ্যেই। ওইখানেও প্রথম পর্বের স্বার্থকতা।

আজাইরা প্যাচালঃ কাট্টাপ্পা বাহুবলীর আব্বা বাহুবলীরে মারছিল কেন??



"কাঁটে" মুভিটা মনে হয় ছিল সাসপেন্স থ্রিলার। একটা গ্যাং এর ভিতরে মনে হয় কেউ ফেউ ছিল আর সেইটাই ছিল আসল রহস্য। কিন্তু ওই মুভিটা আমি আজপর্যন্ত দেখিনাই। আমার বন্ধু বাউয়া শাওন (লেফট হ্যান্ডেড ছিল দেখে) ওরফে বাউস মুভিটা আগেই দেইখা বলছিল, "দেখবিনা কাঁটে? লাকি আলী কিন্তু পুলিশ"। নাহ, আর দেখিনাই। আগেভাগে জাইনা গেলে মুভি দেখার মজা কই?

যেই কারণে এত্তকিছু বলা। তা হইল আজকে "বাহুবলী-২ঃ দ্য কনক্লুশন" মুক্তি পাইছে। কাটাপ্পা কেন বাহুবলীর আব্বা বাহুবলীরে মারছিল তা এখন জানা। এই জানাটা যদি গণহারে জানাইতে চাইয়া আমি মুহূর্মুহু স্ট্যাটাস দিতে থাকি যে, " কাটাপ্পা অমুক কারণে বাহুবলীর আব্বা বাহুবলীরে মারছিলো।" তাইলে কে কিভাবে নিবে?

নতুন জমানার বাংলা নাটক অভিজ্ঞতা



৯৫% নাটক প্রেমের। প্রেম ছাড়া মনে হয় বর্তমান যুগ অচল। লাখ লাখ ভিউ ইউটিউবে। কমেন্টগুলা পড়াও চমৎকার অভিজ্ঞতা, চখাম, চরম বিনোদন। বেশিরভাগ নাটকই আবার টাইনা দেখা যায়, কারণ ৩৫-৪০ মিনিটের নাটকে গান থাকে, যেইটা টানা যায়। ফ্ল্যাশব্যাক থাকে, কি কি ফ্ল্যাশব্যাকে আসবে ২-৪ মিনিট ধইরা তাও তো জানাই থাকে। আবার কিছু অংশের ধীরে হাঁটা, কথাবার্তা ছাড়াই হালকা মিউজিকের লগে স্লো-মোশনে মুভমেন্ট, টাইনা দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ। সময় অমূল্য সম্পদ...

অনেক নাটকের গল্পেরই আবার কাহিনির শেষ নাই, শুরু ভাল, কাহিনিও খারাপ আগায় না, জাস্ট শেষে গিয়া মনে হয় যে থামলো কই? কিংবা থামলোই বা কেন? সমস্যা হইলো তামিল তেলেগু মুভির শুরুর অংশ, শেষের অংশ কিংবা কোনো না কোনো অংশ থেকে প্রেমের পার্ট মেরে দিয়ে ওইটাই নাটকের কাহিনি বানায় ফেলছে। অংশবিশেষে তো এন্ডিং থাকে ন, আর যে স্ক্রিপ্ট লিখছে, তার নিজের কল্পনা শক্তিতে শেষ করতে পারেনাই বইলাই মনে হয় এন্ডিং নাই। যেমন, একটায় দেখলাম দুইজনে (একটি পুলা আর একটি মাইয়া) প্রেম করছে, মাঝে ঝগড়া কইরা ব্রেকআপ করছে, এরপর মাইয়া অভিমান কইরা বিয়ার সিদ্ধান্ত নিয়া বিয়াও কইরা ফেলছে। এরপর বিয়া হওয়ার পর দুইজন দুইদিকে বইসা কানতেছে, আর কান্নার দৃশ্য ৫ মিনিট দেখাইয়া কাহিনি শেষ। একজন এই কাহিনি দেইখাও কমেন্ট দিছে, "আমি জীবনে কোনো নাটক দেইখা এইভাবে কান্দিনাই এইটা দেইখা যেমন কানছি..."। ক্রন্দন মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, ক্রন্দন মানুষরে টানে বেশি, বাঙালিতো আবার এমনেই বেশি ইমোশনাল, যে যেইটা খাইতে চায়, তাই খাওয়ায় আরকি...

অদ্ভুত চাইল্ড সাইকোলজি এবং নতুন প্রজন্মের শিশু



প্রতি প্রজন্মের কাছে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম বেয়াদব, দুর্ভাগা কিংবা পরবর্তী বা নতুন প্রজন্ম ধরেই পারলে অযোগ্য ঘোষণা করেন দেন অনেকে। আমার নানা দাদারা আমার মামা চাচাকে এভাবেই বলে আসছেন, আমার বাপ চাচারা আমাদের অনেককেই এভাবেই বলে আসছেন। কিন্তু আমার মনে হয় প্রতিটা প্রজন্মই তার সময়ের জন্য পারফেক্ট। সাবার আজকের অনেকটা দুর্বোধ্য অক্ষরে, আনমনে লিখে যাওয়া ঘটণাপ্রবাহ আমার কাছে সেই বিশ্বাসের স্বপক্ষে অকাট্য প্রমাণ...

আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই


আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই,
পতনে নেই জনৈকা বিবি হাওয়ার কারসাজি...

এইসব প্রাক-কথন আপাতত অলিখিত থাক,
বর্তমানে বাঁচি, তাই যা হতে দিতে চাই বা হতে পারে-
সেটা লিখে যাওয়াতেই দেয়া যাক বিশেষ প্রাধিকার।

গল্পের এই অধ্যায়ে এখন গ্রীষ্মের দুপুর,
যখন বাগানের হাস্নাহেনার মৃদু সুবাস আরও ফিকে লাগে!
যদিও হাস্নাহেনার ঝোপে আজকাল সাপখোপ থাকেনা;
তবু ধরে নেয়া যাক এক আজাদাহাই লুকোনো সেখানে,
উত্তাপ এবং আর্দ্রতা বেশি বলে খুব বেশি নড়ছে না,
তবে আশেপাশেই তার নিশ্চিত অবস্থান...

গল্পে আগে বলিনি, কেউ জানে না যে-
তার প্রতি আমার গভীর অনুরাগ, আকর্ষণ বেশ অকল্পনীয়,
আর সে আবেগ সম্পর্কে অনবগত বলেই মারাত্মক হিংস্র!

আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য!
আমার আরাধ্য আজাদাহা অবশ্যই স্ত্রী লিঙ্গ, যেহেতু গল্পই-
তাই মানব দেহধারী ও আজাদাহা নারীর সম্পর্কও অসম্ভব নয়।
আমি এই পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলতে বেছে নিতে পারি সেই উক্তি,
"জীবে দয়া করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর!"
আমি নিজেকে দয়া করতে চেয়ে বসেছি সহিংস তাকেই, বুঝিয়েছি নিজেকে,
তার এই হিংস্র আচরণ নিতান্তই আবেগ সম্পর্কে অজ্ঞতাপ্রসুত।
প্রেম কি দয়ার মহৎতম রূপ নয়?

আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই,
পতনে নেই জনৈকা বিবি হাওয়ার কারসাজি...
আমার গল্পের আমি আদম লোভ করে বসেছি সেই আজাদাহা হাওয়ার,
সুযোগ পেলে আদমেও যার লোভ, স্বভাবসুলভ; অন্য কারসাজি নেই...

আমার গল্পের রচয়িতা আমি, কাহিনি অসমাপ্ত...

নর্থ কোরিয়ান ফ্যাক্টস, নট ফিকশন!



এইটা সেই দেশের মিলিটারী প্যারেড, যেই দেশের রাজধানীতেই বিদ্যুতের অভাবে ঘরের বাতি জ্বলে না। ফ্রিজ কিনতে লাইসেন্স লাগে, ইলেকট্রিক কেতলি ইউজ কইরা ধরা খাইলে বহুবছর জেল। যেই দেশের মানুষ সরকার অনুমোদিত ১০-১৫ টা হেয়ারকাটের বাইরে হেয়ারকাটও নিতে পারে না। যেইদেশে ধর্মগ্রন্থ্য রাখা মারাত্মক অপরাধ, যাদের দেশে প্রতি হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র ১ টা গাড়ি। অনাহারে লাখ লাখ মানুষ মরা যেইদেশে প্রতিবছরের স্বাভাবিক ঘটনা, রাষ্ট্রের ফাউন্ডিং ফাদার কিংবা তার উত্তরসূরীদের মরণ দেইখা কিংবা স্মমুখে দেইখা আবেগে না কান্নাকাটি করলে কিংবা সেই কান্নারেও যথাযথ মনে না হইলেও বিচার হয়, যেই দেশের রাজধানীর ভিতরেও এলিট এরিয়া আছে যার সীমানা পাহারা দেয় সৈন্যরা যাতে গরীব কেউ না আসতে পারে, যেই দেশে রাজধানীতে বসবাস কিংবা আসবার জন্য অনুমতি লাগে। বিশাল হাইওয়েতে যেইখানে ঘন্টায় গোটাদশেক গাড়ির দেখা পাওয়া দুস্কর। দেশে যতগুলা প্রাইভেট কার আছে তার চেয়ে সম্ভবত ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বেশি এবং তারা প্রায় সকলেই আকর্ষণীয়া নারী।

'বাংলা নববর্ষ', 'পহেলা বৈশাখ', 'বাঙালি এবং বাংলাদেশীদের প্রাণের উৎসব' এবং 'বঙ্গাব্দ অথবা বাংলা সন' এর আদ্যোপান্ত! (রিপোস্ট)


বাংলা দিনপঞ্জীর সঙ্গে হিজরী ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক পার্থক্য হলো হিজরী সন চাঁদের হিসেবে এবং খ্রিস্টীয় সন ঘড়ির হিসেবে চলে। এ কারণে হিজরী সনে নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনে, ইংরেজি দিন শুরু হয় মধ্যরাতে। আর বাংলা সনের দিন শুরু হয় ভোরে, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে।

“আর সে কারণেই বলা যায়, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় বাঙালির পহেলা বৈশাখের উৎসব।“

তবে ঐতিহ্যগত ভাবে সূর্যোদয় থেকে বাংলা দিন গণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমি এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২.০০টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু করে। যদিও ভারত সহ অন্যান্য দেশে এই রীতির পরিবর্তন হয়নি এবং এখনো বাঙালি এবং বাংলাভাষার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো অনুষ্ঠান সূর্যোদয়ের পরেই শুরু হয়।

ইলিশ কথনঃ পহেলা বৈশাখে ইলিশ 'হ্যা' নাকি ইলিশ 'না'! (একটি পু.পু ওরফে পুরান পোস্ট)



বর্তমান সময়ে এই বঙ্গদেশে যদি কোন পয়গম্বরের আবির্ভাব ঘটে তাহলে উনার বেহেস্তের বর্ণনায় থাকতে পারে,

"তোমরা যদি আমার উপর বিশ্বাস স্থাপন করো তাহলে তোমাদের জন্য মৃত্যুর পরে অপেক্ষা করছে অনন্ত উপভোগের জীবন। যেখানের নদীতে প্রবাহিত হয় ঝাঁকে ঝাঁকে তিন কেজি ওজন বিশিষ্ট পেটে ডিম আসি আসি করা দরিয়া-ই-পদ্মা ফ্লেভারের তেল চুপচুপে ইলিশ মাছ! চাহিবামাত্র যাহা তোমাদের সম্মুখে মুচমুচে ভাঁজা অবস্থায় অথবা সর্ষে বাটা দিয়ে উপাদেয় রুপে পরিবেশিত অবস্থায় পাইবে এবং গলধঃকরণের সময় সেই মাছের টুকরোগুলো হবে কন্টকমুক্ত!"

আমি আমার ভাস্তিকে কিছুক্ষণ আগে জিজ্ঞেস করছিলাম, তুই কি পহেলা বৈশাখে ইলিশ মাছ 'হ্যা' নাকি ইলিশ মাছ 'না'?

সে আমাকে নির্দ্বিধায় উত্তর দিলো, 'হ্যা'!

আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'কেন'?

সে উত্তর দিলো,

"আমার যেকোনো সময় খেতে ভালোলাগে। ছোটবেলা থেকেই তো খাই, তো বৈশাখের আনন্দের দিনে পছন্দের খাবার খাবো না?"

ব্রেকিং সংবাদঃ হাসিনার জন্য ভেটকি, মোদিকে বেগুনভাজা


৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মিডিয়ার আকর্ষণ খালি খাবার আর পানিতে। কী চুক্তি হইলো, কী ফায়দা হইলো দেশের, এইসব নিয়া আলোচনা কই? সামরিক সহযোগিতা চুক্তি লইয়া এত আলাপ প্রলাপ, ওইটার ভিত্রে কি কি আছে তার তথ্য কই? তিস্তায় নাকি পানি নাই, আসলেই নাই নাকি তা নিয়া ওইভাবে পর্যালোচনা কই?

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর