নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

কবিতাঃ মাননীয়া, আমার পরামর্শ গ্রহন করেন!


মাননীয়া, আমার পরামর্শ গ্রহন করেন!
অতীতের উদ্ভিন্ন তৃণ উপড়াইয়া ফায়দা নাই,
পিছন ফিরা আগাইলে প্রপাত ধরণীতলেই আশংকা!

অতীত রোমন্থনে আলো অপেক্ষা আঁধারই অধিক জাগে;
আমি তাই সবিনয় পরামর্শ দেই অতীত ভুইলা যান, এরপর-
আসমানে অম্বু নাজিল হইলে আপনিও বেলাগাম কাঁদেন অথবা হাসেন!
আবেগ আড়ালের নিমিত্তে এমন প্রাকৃতিক নেকাব মেলেনা চাহিবামাত্র...

আপনাকে যা দেখানো হয় আপনি কি শুধু তাই দেখবেন?



মানুষ অনেককিছু দ্বারা প্রভাবিত হয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় সম্ভবত সবচেয়ে প্রভাবশালী, ক্ষমতাশালী, বিত্তশালীরা কিসে নজর দিতেছে তা দিয়ে। এইজন্য আমরা যা দেখি, যাতে বেশি নজর দেই, তা আসলে প্রাধিকারভুক্ত হইয়া নজরদেয়ার লিস্টে সবসময় এক নাম্বারে থাকবার কথা না। যদি থাকতো, তাহলে সিরিয়া নিয়ে যেভাবে সারা বিশ্বে কথা হয় তা ইয়েমেন নিয়েও হইতো। সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় চলতেছে ওই ইয়েমেনেই। এই ইয়েমেনও এক আরব রাষ্ট্র, যেই দেশের মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ের মোটামুটি অর্ধেক।

আরবদেশ বলতেই আমরা বুঝি তেল গ্যাসের টাকা উড়তেছে। ধনী অঞ্চল। ঈশ্বর উনার সম্পদ কৃপা ওই অঞ্চলে ঢেলে দিছেন যাতে তারা সুখে সমৃদ্ধিতে থাকে। নাহ, এই কথা একদম সত্যি না। পৃথিবীর দরিদ্রতম দেশের একটা ওই আরব অঞ্চলেই। ইয়েমেন দেশকে যদি আপনারা এরাবিয়ান পেনিনসুলার অংশ হিসেবে মেনে নেন তবেই, না মানলে আপনার ইচ্ছা।

বহুবিধ পন্থা, নানা তন্ত্রমন্ত্র ও আদর্শগত ভ্রম এবং ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ



ডানপন্থী, বামপন্থী, জামাতি, বামাতি, উগ্রপন্থী, জঙ্গীবাদী, আস্তিক, নাস্তিক, মুক্তমনা, সনাতনী, হেফাজতী, নারীবাদী, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র, পুরুষতন্ত্র, জাতীয়তাবাদী, চেতনাবাদী, মানবতাবাদী এইসব নানান শব্দ এখন অনলাইনে কমন, বহুবিধ ব্যবহার হয়। অনলাইনের কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে কোন কথা বলবো না, তাহলে মান ইজ্জত সব ফ্লোরে গড়াগড়ি খাবে নিজেরও। অন্যকিছু উগড়ানোর মত না পেলে আমিও তাতে জড়িত হই। আমার ফেসবুক এক্টিভিটির অর্ধেকই সেইসব নিয়ে। সাহিত্য নির্মল ব্যাপার হবার কথা, তবে সেখানেও আছে নানা ট্যাগ, দলাদলি, তেলবাজি, গ্রুপিং ইত্যাদি ইত্যাদি। বাপরে বাপ, অনলাইন জমানায় এসে অনেককিছু দেখলাম! অনলাইন প্রেম থেকে শুরু করে অনলাইন পরকীয়া, দলবদ্ধ ক্যাচাল থেকে সঙ্গবদ্ধ আক্রমণ, অনলাইন কেন্দ্রিক জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টা থেকে অনলাইন এক্টিভিটির কারণে জীবননাশের ঘটনা সহ নানান কিছুর সাক্ষী আমি নিজে, নিজের অভিজ্ঞতাও কম না!

স্বাধীনতার পরবর্তী অগ্রগতির স্বরুপ, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ!



দেশের অগ্রগতি নিরুপণের উপায় অতে পারে তখনকার একজন মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের সাপেক্ষে বর্তমানের একজন মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের তুলনা। সেই সাথে জীবনযাপনের নানাদিকের অগ্রগতির ব্যাপারস্যাপারও চলে আসবে। প্রধাণত আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে এবং জীবনযাপনের মানকে পাশে রেখে এক কথায় উত্তর দিলে বলতে হবে উন্নতি অনেকটাই, অগ্রগতি অনেক।

ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র, প্যান ইসলামিজম এবং বাংলাদেশের অবস্থান


ভারত ভাগের আগে পুরো উপমহাদেশে একমাত্র অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশের ক্ষমতাতেই মুসলিম লীগ ছিল, নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি। পাকিস্তান সৃষ্টির পেছনেও সবচেয়ে বড় অবদান ছিল বাংলার মুসলমানদের। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই সোহরাওয়ার্দি কলকাতা ত্যাগ করেননি। উনি হিন্দুদের দ্বারা কলকাতার মুসলমানদের উপর প্রতিহিংসামূলক আক্রমণের আশংকা করছিলেন, এবং সে কারণে মহাত্মা গান্ধী সহ অনেককে কলকাতায় অবস্থান করতে অনুরোধ করেন। তিনি এবং মহাত্মা গান্ধী একই ছাদের নীচে থাকা শুরু করেন যাতে করে উনাদের অনুসারীদের একইভাবে সৌহার্দ্য নিয়ে সহাবস্থানে থাকতে অনুরোধ করা যায়। মহাত্মা গান্ধীর এ ব্যাপারে বিখ্যাত উক্তি আছে, "Adversity makes strange bed-fellows,"

অকবিতাঃ হিপোক্রেট!


- "plus ei kotha alochona korar por amake dorod dekhaile hypocrisy lage amar"

মাননীয়া,
হিপোক্রেট আজকাল গাছেও ধরে, আমার গৃহে বসবাস।

রসুলপুরের আনারস বাগানে আমি দেখিয়াছি-
কিভাবে বেওকুফ চাষীরা হরমোন বাস্প ছিটায়,
তাহারাও আনারস খায়।
দেখিয়াছি বাথানে পালিতপশুদের কিভাবে গেলানো হয়
চিটাগুড় আর ইউরিয়া সার মাখানো খড় সম্ভার!
আর হৃষ্টপুষ্ট করিবার ইনজেকশন?
মামার খামারে হাড্ডিসার নিরীহ দেশি গো-প্রজাতির উপর-
চলিতে দেখিয়াছি, দেখিয়াছি আমি সেই কঠিন অত্যাচার।
আমার ছোটমামা সেই, নিজেই হার্টের অসুখের দাবীদার,
তিনিও বকরী ঈদ আসিলে গোগ্রাসে মাংস গিলেন আবার...

সংযমের মাসের দেশীয় অসংযত কালচার!


্যগুলা দেখি। কিন্তু এইসবই ফলো করা হয়না। গরীব রাস্তায় বের হইলে বুঝতে পারে সে কতটা গরীব। ভূইফোড় ব্যবসায়ীরা আরও কিছু ফুলে যায়। কিন্তু এমন তো হবার কথা না। বঞ্চিতের কষ্ট বোঝাটাই যেখানে আসল উদ্দেশ্য, তাদের বেদনা অনুভব করা, সাহায্য করা, নিজেকে সংযত করা, ভালো আচরনের দিকে বদলানো, সেইটা আর আসেনা এইদেশে, অন্তত এই মাসে। শহরের মোড়ে মোড়ে সুস্বাদু খাবারের পশরা, মশল্লার ঘ্রাণ অনেক মানুষকে সম্ভবত এই অনুভূতি দেয় যে এইসব নজর দেওয়ার সামর্থ্য তাদের নাই। ছোলা মুড়িই ভরসা থাকে তাদের, কিন্তু সেইগুলাও তাদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যেই কিনতে হয়। কোথাও নিয়ন্ত্রণ থাকে না... অন্তত দ্রব্যমূল্যের দিকে তাকাইলে, এইমাসে ভোগপণ্যের সামগ্রিক চাহিদার দিকে তাকাইলে সংযমের লক্ষণ পাওয়া দুস্কর।

দেশের কোণে কোনে স্থাপিত হোক মৃণাল হকের ভাস্কর্য্যের অবিকল প্রতিরুপ!



মৃণাল হকের ভাস্কর্য্যকে আর জায়গামত নেবার কোন উপায় নেই। কিন্তু আমার মনে হয় যারা ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছেন না, তারা সহিংস না হয়ে অন্য পদক্ষেপও নিতে পারেন। যেমন, দেশের নানা স্থানে বানানো যেতে পারে শত সহস্র অবিকল একই ভাস্কর্য্য ওরফে হেফাজতীদের মতে দেবী থেমিসের মূর্তি ওরফে দেশের উচ্চপদে থাকা কারো কারো মতে গ্রীক দেবী থেমিসের দেশি ভার্সন অদ্ভুত মূর্তি। ভাস্কর্য্য কিংবা মূর্তি কোথাও স্থাপন দেশের আইনানুসারে এখনো অবৈধ নয়। হেফাজতীদের দাবী মানতে গেলে তখন দেশের আইন পালটে মূর্তি ও ভাস্কর্য্যই নিশিদ্ধ করতে হবে। আর সেটাই যদি হয়, তখনই দেশের মানুষ জাগবে। কারণ, এমন অসহিষ্ণু দেশ দেশের নাগরিকদের সিংহভাগই চায়না।

কবিতাঃ রানিয়ার বুক অলক্ষ্যেও ছুঁই নাই আমি


রানিয়ার রাঙা গালে আমি ওষ্ঠ ছুঁই নাই,
সেই ছুতোয় সে কাঁদে নাই শিউলি আড়ালে!
বিউলির ডালের মত সুঘ্রাণ তার লালাঝোলে-
আঙুল ডুবাইনি বলে তাকায়ওনি অভিমানে...

স্মৃতিকোষ থেকে শবে বরাতের একাল সেকাল



কৈশোরের শবে বরাত ভাল ছিল। মাসখানেক আগে থাইকা মোররা কিংবা মরিচাবাতি (আতশবাজির মত, লোকাল প্রোডাকশন) বানানোর প্রস্তুতি চলতো। গরুর ঝিল্লি, পটাশ, ছররা, বড়ইয়ের ডালের কয়লা ইত্যাদি ইত্যাদি ছিল রসদ। ইলেক্ট্রিক মোররা বইলাও একটা জিনিস ছিলো, ওইটা লুঙ্গি কিংবা শাড়ি ভেদ কইরা যাইতে সক্ষম ছিল। কারেন্টের স্পার্কের মত আগুন দিয়া ছুইটা যাইতো। পাতি মোররাও উড়তো, কিন্তু দাপট থাকতো কম। শতশত পাতি আর ইলেকট্রিক মোররা বানাইয়া মজুদ করতাম, শবে বরাতের অনেকদিন আগে থেকে শুকাইয়া শুকাইয়া সন্ধ্যায় একটা দুইটা টেস্ট রান দিতাম। বিজনেসও হইতো, গুড়াগুড়া পিচ্চি ছোটভাইরা ৫ টাকা ১০ টাকার মোররা কিনতো, ওইটায় মোররা বানানোর বিনিয়োগ উইঠা যাইতো। প্রতি শবে বরাতে কোনো না কোনো চাচা খালার শাড়ি লুঙ্গির বারোটা বাজতো। নিজেদের জামাকাপড়ও বাদ যাইতো না। পাতি হাতবোম বানাইছিলাম একবারই, কিন্তু লাল পটাশ, সাদা পটাশ একলগে ডলা দিতে গিয়া হাত প্রায় উড়াইয়া ফেলতে নিছিলো পায়েল ভাই, ওই কাহিনির পরে কেউ আর সাহস করিনাই। মোররা বানানো রিস্ক ফ্রি ছিল, কেবল জ্বালাইলেই যা সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হইতো। একবার গ্যাস লাইনের উপর পইড়া আগুন লাগছিলো। মেইন পাইপলাইনে লিকেজ ছিল, গ্যাস বাইর হইতো, ওইখানে আগুন ধইরা গেছিলো। মাটির তলে পাইপ ছিল, দেখলাম ঘাসের উপর হুদাই আগুনের বুদবুদ। বালু ছালা পানি দিয়া সবাই মিলা নিভাইছিলাম। ওই জায়গা এড়াইতাম পরে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর