নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

ফোর জি সেবা যেন নামেমাত্র না হয়



আমি ফোরজি নেটওয়ার্কে ডাটা ইউজ করতে থ্রিজির থেকে দশগুণ স্পিড চাই না। লাইসেন্স দেরীতে হলেও দিচ্ছে, বা এইদেশে সব ভাল দেরিতে হয় সেটাও মানা গেল। কিন্তু ভাল হবে নাম দিয়ে আসবার পর মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও চালাইলে আমার মোবাইল স্কিনে যেন গোল্লা চাক্কা ঘুরতে না থাকে অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী।

অসীম ক্ষমতাধর মানবপ্রজাতি, বন্যাপীড়িত দরিদ্র বাংলাদেশ ও দূর্ভাগা রোহিংগা জাতি



নরমাল সময়ে মায়ানমার এতবার দেশের আকাশসীমা লংঘন করলে হয়ত উত্তেজনা ব্যাপক বাড়ত বা প্রতিক্রিয়া ভিন্ন দিকে যেতে পারত। এইসময়ে আরও করলেও যাবে না। কারণ, মায়ানমার বিশ্বের নজর অন্যদিকেও নিতে চায়, এসব হয়ত তারই উস্কানী। সরকার তাই আমার মতে সতর্ক প্রতিক্রিয়াই দেখাচ্ছে। কূটনীতি কী বয়ে আনবে কে জানে, ভালকিছুর সম্ভাবনা কম। আমি যেখান থেকে দেখি একজন সাধারণ আগ্রহী মানুষ হিসেবে, সেখান থেকে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখি না, মানবিক ভবিষ্যত না তাদের অধিকাংশের জন্য। মানুষ হিসেবে আমাদের ক্ষমতা অসীম যদি পৃথিবীর সকল মানুষ মানবিক, যৌক্তিক, আদর্শ আচরণ করত। কিন্তু মানুষ উন্নত বুদ্ধিমত্তার হলেও নিজের প্রজাতির উপর জেনেবুঝে ইচ্ছাকৃত ক্ষতি একমাত্র মানুষই করতে পারে। কিছু মানুষ যদিও নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে নেয়। এই রোহিংগারা আমাদের দেশের জন্য ছোটখাট দূর্যোগ বয়ে নিয়ে আসবে, সম্ভবত তাদের জীবনেও অপেক্ষা করছে দীর্ঘকালীন দূর্যোগ, দূর্ভোগ।

কবিতাঃ বুকে লোম নাই আমার!


আমাকে অবিশ্বাস করো, বুকে লোম নাই আমার!

মংডু শহরে যেই প্রতিবেশী ছিল তার গায়ের রঙ হলুদ!
অগ্নিকে সে কেবল উনুনেই দেখেছে, গায়ে মাখে নাই,
গুলির শব্দ শুনেছে অজস্র, গুলি বিঁধে নাই তার গায়ে;
আমি তার নোবেলজয়ী অন্ধ মাকে কীভাবে বোঝাই-
আগুনে শরীর কেমন জ্বলে, কতটা বিঁধে তপ্ত সীসা?

ত্বক পুড়ে কালো, আমাকে ঘৃণা করো, মানুষ নাই আমি!
আমাকে ভয় করো, আগুনে পুড়েছে আমার সমস্ত বুক!

আমার জানা, এই দগ্ধ বুকে একটা লোমও নাই এখন!
খুবলে দ্যাখো তোমাদেরও মানবতার মানসকন্যা মাতার বুক,
দ্যাখো সেখানে কত লোম, বোঝো গরিলা তিনি; না হাঙর মাছ...

বাংলাদেশ - মায়ানমার সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা ও রোহিংগা ইস্যু প্রসঙ্গে


বাংলাদেশ - মায়ানমারের সম্ভ্যাব্য সামরিক সংঘাত নিয়ে দেশের জনতার একাংশ ব্যাপক উৎসাহী। যুদ্ধ কিংবা সামরিক সংঘাতের আশংকা না থাকলেও পারলে নিজেরা গিয়ে লাগিয়ে দেন এমন উৎসাহ তাদের। জংগী বিমান, নোউবাহিনীর জাহাজ সহ নানা সামরিক সরঞ্জাম সেখানে পাঠানো হচ্ছে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ছে দেখলাম। আরও দেখলাম তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ৭ টি নোউবহর পাঠাচ্ছেন। উনি এর আগেও পাঠিয়েছিলেন যা এখনো পৌঁছায়নি। এবারেরগুলাও পৌঁছাবে না। যাক সে কথা, কথা হচ্ছে বাংলাদেশ মায়ানমার যুদ্ধের কোন সম্ভাবনা কি সত্যিই আছে? আমার তো মনে হয় নেই, যৌক্তিক কারণেই নেই। এবং এই দুই দেশের মধ্যে কোনরুপ যুদ্ধে কারো পক্ষেই কারো বিরুদ্ধে জেতা সম্ভব নয় তা দুইদেশের সামরিক নীতিনির্ধারকেরাই জানেন। দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো এবং বন্দর অকেজো করে দেয়া ছাড়া সামান্য ভূমি দখলও একে অন্যের বিপক্ষে সম্ভব নয়।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা



প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার রায়ের একটা বক্তব্যে তুলকালাম হচ্ছে। উনি বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ কারো একার অবদান নয়। আমি নিজেও সেটাই মনে করি। মুক্তিযুদ্ধ সমগ্র জাতির একীভূত প্রচেষ্টার ফল। বঙ্গবন্ধু যেমন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের তীব্র প্রভাবক ছিলেন, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে সেই শিশুরও অবদান রয়েছে যে গুলির বাক্স মাথায় বহন করেছে, সেই শিল্পীরও অবদান রয়েছে যারা যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের সংগীতের মাধ্যমে উজ্জীবিত করেছিলেন। অবদান রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাবেন না কখনো, কিন্তু তারপরও মুক্তিযোদ্ধাদের নিজের জীবনের হুমকি মাথায় নিয়ে আশ্রয় ও খাদ্য সহযোগিতা দেয়া হাজার হাজার মানুষের। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তারাও কিন্তু দেশের জন্য কাজ করেছেন। সমগ্র জাতি যদি এক না হতো, প্রতিবাদী না হতো, প্রতিরোধ যুদ্ধ না করতো তবে বঙ্গবন্ধুর একার পক্ষে কাউকে সাথে না নিয়ে স্বাধীনতা এনে দেয়া সম্ভব ছিলনা। উনি ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা, তাদের মুখপাত্র, যিনি তাদের প্রাণের দাবীর কথাই বলতেন। বিচারপতি এস কে সিনহার এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। যার যতটুকু প্রাপ্য সম্মান তাকে ততটুকু দিতে হবে, তবে অন্যদের আত্মত্যাগ, অবদান অস্বীকার করে নয়। যারা তারপরও বলবেন আমাদের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর একক অবদান, আমি তাদের একটা প্রশ্ন করব। আপনারা তবে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে কিংবা স্বাধীনতা অর্জনে লাখলাখ শহীদের, মুক্তিযোদ্ধার কোনো অবদান নেই? একক অবদান নয়, রায়ের এই বক্তব্যের বিরোধীতা মানে তো এটাই হয়।

আমেরিকা - উত্তর কোরিয়ার আক্রমণাত্মক অবস্থানঃ মানবজাতির জন্য অশনিসংকেত


সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো আমেরিকার বিজয় নিশ্চিত হলেও যুদ্ধ শেষে এর প্রভাবে বিশ্ব ভুগবে দশককাল। আবার যুদ্ধ শেষ কতদিনে হবে তাও নিশ্চিত নয়। চায়না বা রাশিয়া কখনো চাইবেনা উত্তর কোরিয়ায় আমেরিকান পুতুল সরকার ক্ষমতায় আসুক বা উত্তর কোরিয়া আমেরিকান প্রভাব বলয়ে আসুক। ভিয়েতনাম বা কোরিয়ান ওয়ারের মত প্রক্সিওয়ার চলতে পারে বহুবছর যদি পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নাও হয়।

জীবন দর্শনঃ আমি ঠিক আছি, পৃথিবীও ঠিক



একবার থমাস এন্থনী হ্যারিসের "আই এম ওকে, ইউ আর ওকে" নামের একটা বইয়ের সারমর্মের একটু ঘুরানো প্যাচানো উপস্থাপন কই জানি পড়ছিলাম, মানুষ মূলত চার ধরণের হয়। যাদেরঃ

- প্রথম দল ভাবে আমিও ঠিক আছি, পৃথিবীও ঠিকঠাক আছে।
- দ্বিতীয় দলের মানুষ ভাবে, সে ঠিক আছে, কিন্তু পৃথিবী ঠিক নাই।
- তৃতীয় দলের মানুষ ভাবে, সে ঠিক নাই, কিন্তু পৃথিবী সঠিক।
- চতুর্থ দল ভাবে, সেও ঠিক নাই, পৃথিবীও ঠিক নাই।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং স্মৃতিতে "আগুনের পরশমণি"



সকালে গান খুঁজতেছিলাম, "নিশা লাগিলো রে"। ইউটিউবে দিতেই প্রথমে আসলো "আগুনের পরশমণি" সিনেমা থেকে কেটে নেয়া কনকচাঁপার গাওয়া গানটা। আমি এই গানটা প্রথম শুনি একদম ছোট থাকতে, সিনেমা হলে। গানটা ছাড়বার পর ফ্ল্যাশব্যাকের মত অনেক স্মৃতি সামনে আসলো।

আমি তখনও অনেক ছোট, ৯৪ কিংবা ৯৫ সাল হবে, খালেদা জিয়ার বিএনপির শাসনামল। ওই আমলের আবছা হয়ে যাওয়া স্মৃতির মধ্যে মনে পড়ে নিয়মিত বিরতিতে হরতালের কথা। হরতাল মানেই ছিল আনন্দের কিছু। স্কুলে যাইতে হইত না। আমি মনে প্রাণে চাইতাম রেগুলার হরতাল হোক। একসময় মনে হয় লাগাতার হরতাল দিত বিরোধীদল। লম্বা সময় স্কুলে যাওয়া লাগেনাই দেখে আমাদের সময় সারাদিন মাঠেই কাটতো, আনন্দের সময় ছিল। ওইসময় বাসায় দুইটা পেপার রাখা হইতো। একটা ইনকিলাব, আরেকটা জনকন্ঠ গোছের কিছু, ঠিক মনে নাই। তখন দেশের খবর পাওয়ার উপায়ই ছিল এই সংবাদপত্র। তাই দুইপক্ষের ভাষ্যই যাতে পাওয়া যায় তাই দুইটা পেপার রাখতো বাসায়। একবার পেপারে দেখছিলাম এক সরকারী কর্মচারীকে দিগম্বর করে দিছে বিরোধীদল। দেখে খারাপ লাগছিলো, ওই বয়সেই মনে হইতেছিল বেচারা কি লজ্জাটাই না পাইছে। পেট্রোল বোমার যুগ শুরু তো কেবল সেইদিন...

এইচএসসির ফলাফল বিপর্যয়ের পরেও এতএত জিপিএ ৫ ও গোল্ডেন জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের ভবিষ্যত কি?



এইবছর নাকি এইচএসসির ফলাফল বিপর্যয় ঘটছে। জিপিএ ফাইভ, গোল্ডেন কমে গেছে। কিন্তু যতজন গোল্ডেন আর জিপিএ ফাইভ পাইছে, তাদেরই সরকারি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ কম। তিনভাগের একভাগ হয়তো নিজের পছন্দমত ভালো কিছু পাইতে পারে, বাকিরা চরমভাবে হতাশ হবে। ভালো কোথাও ভর্তি হইতে না পারার মানসিক চাপ ওই বয়সে অনেকেই নিতে পারেনা।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর