নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনন্য আজাদ
  • নুর নবী দুলাল
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

ব্যক্তিগত স্মৃতি, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আটকে পড়া পাকিস্তানী (বিহারী) মানুষেরা ও তাদের নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যত



বিহারিদের বেশিরভাগই আটকে পড়া পাকিস্তানী হিসেবে পরিচিত। ভারতের বিহার থেকে চলে এসেছিল ওরা। তাদের অনেকেই এখনো এইদেশের নাগরিক নয়, আবার পাকিস্তানও তাদের ফিরিয়ে নিতে রাজী নয়। তবে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, বিহারিদের যারা এদেশে থেকে যেতে চায়, তারা এদেশের নাগরিকত্ব পাবার যোগ্য। পাকিস্তান শুরুর দিকে লাখ দেড়েক বিহারিকে ফেরত নেয়, এদের বেশিরভাগই অপেক্ষাকৃত শিক্ষিত ও সম্পদশালী ছিল। ১৯৭২ সালে ১৪৯ নং প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন শান্তিকাম্পে আটক সাড়ে দশ লাখ বিহারিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্বলাভের সুযোগ প্রদান করে। তবে ৫ লাখ ৪০ হাজারের মত বিহারি পাকিস্তানে ফেরত যেতে রেডক্রসের তালিকাভুক্ত হয়। পাকিস্তান সরকার শুরু থেকেই বিহারিদের ফেরত নিতে অনীহা প্রকাশ করতে থাকে। তারা কেবল সেসকল বিহারি ও তাদের পরিবারকে গ্রহণ করতে রাজী হয় যারা ৭১ সালে পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সে যোগ দিয়েছিল ও পাকিস্তানী সেনাদের সাথে আত্মসমর্পন করেছিল। বাংলাদেশ সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে ৬ লাখের মত বিহারি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। বাংলাদেশের সূচনালগ্নে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল বিহারি সহ অবাঙালিদের ফেরত নেয়া, পাকিস্তান চাপের মুখে তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যককে ফেরত নিতে রাজী হয়।

কোন তন্ত্র, কোন নীতি মানুষের জন্য আদর্শ?



স্বাধীনতার পর দেশ এগিয়েছে, বছরে আমাদের মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার হয়েছে পড়লাম। ভেনেজুয়েলার মানুষের মাথাপিছু আয় এখনো সম্ভবত ৮-১০ হাজার ডলার। ভেনেজুয়েলাকে বিশ্ব বাতিল অর্থনীতির দেশ, ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা শুরু করেছে। অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের স্বচ্ছতার দিক থেকে আমাদের তো তাদের ধারেকাছে যেতেও অনেকটা পথ বাকি, সেটুকু পথের দূরত্ব এখনও দশক দশকের পথ যদি প্রবৃদ্ধির হার দুই অংকেও পৌঁছায়। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র এসব বাজে কথা, দেশের মানুষ আগে নিজেদের কিভাবে চালাবে সেই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র স্বচ্ছতার সাথে ঠিক করুক।

রংপুরে হিন্দুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ



এই হৃদয়বিদারক ছবিটা অনেক প্রচার পাবে, সময়ের চিহ্ন হয়ে থাকবে। এই বৃদ্ধার ছবি দেখলে বহুবছর পরেও মানুষ মনে করতে পারবে কোথায় দেখেছিল, কি হয়েছিল। কিন্তু এই বৃদ্ধার কষ্টের কথা, হাহাকারটুকু অন্য কেউ উপলব্ধি করতে পারবে না।

রংপুরের অগ্নিসংযোগের ঘটণায় আমি প্রশাসনের দোষ দেখি না, সরকারেরও সেভাবে দোষ দেয়া যায় নাকি বুঝতে পারছি না। তবে এমনটা ভাবছি, তবে এটা নিশ্চিতভাবেই বুঝতে পারছি, উপমহাদেশ ধর্মের নামে ভাগাভাগির ২৩ বছর পর ১৯৭১ সালে এসে আমরা বা আমাদের পূর্বপুরুষদের অনেকে যেমন বুঝতে পেরেছিল ধর্মের নামে জাতি বা রাষ্ট্র হয় না, তেমন এই সময়ে এসে বোঝা যাচ্ছে যে, এইদেশের মানুষের বিরাট একটা অংশ সেই ধারণা মানতে রাজী নয়। তারা সহিষ্ণু নয় এবং রাষ্ট্রের আইনীকাঠামোয় থেকে অন্যায় কিছু হলে তার বিচারের দাবীতে বিশ্বাসী নয়। তাদের জন্য আদর্শ হচ্ছে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র, যাতে অন্য যে কোনো ধর্মের মানুষের অবস্থান অনাকাঙ্ক্ষিত।

মুভি রিভিউঃ ডুব - দেখতে দেখতে ডুবে যাওয়ার কিছু নাই



বায়োপিক বানাইয়া বায়োপিক স্বীকার করতে না পারা কিংবা না চাওয়াটা ভন্ডামি। আর এইটা বা ডুব নামের সিনেমাটা যে বায়োপিকই, জনতা তা জানবার পর সিনেমা হিট খাবে না। ধরে নেই যে, ডুবের প্রধান চরিত্রকে আমরা চিনি না, আভাসও পাইনা তিনি কে ছিলেন, জীবনে কি কি করছেন, বা কিভাবে উনার জীবন চলছে মৃত্যুর আগপর্যন্ত। জাভেদ হাসানকে আমরা কেবল জানতে শুরু করি এই মুভিটা শুরু হওয়ার সাথে সাথে। তাহলে এই ডুবের কাহিনিতে ডুব দেয়া সাধারণ দর্শকের জন্য কঠিনই হবে। কাহিনির ফ্ল্যাশব্যাক, এদিকসেদিক দৌড়াদৌড়ি আর কে কি অনুভব করতেছে, কেন সমস্যা, কিসের জন্য সমস্যা এইসব বোঝা দুরুহ ব্যাপার হবে যদি প্রাক-আইডিয়া না থাকে। আপনি যদি না জানেন শাওন হুমায়ুনের মেয়ের বান্ধবী ছিলেন, গুলতেকিন আহমেদকে কিভাবে বিয়ে করছেন, কিংবা হুমায়ুন আহমেদের জীবনে কি কি ঘটছিল, তাইলে এই ডুব ছবির অর্ধেক আপনি এমনিতেই বুঝবেন না।

আতা গাছে তোতা পাখি, যানজট প্রতিযোগিতা ও অযথা বিতর্ক কুতর্ক



"আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মৌ" - ছোটবেলায় প্রিয় ছড়াগুলোর অন্যতম। আমাদের বাগানেও আতা গাছ ছিল, আতা অবশ্য আমার প্রিয় ফল না দেখে মুখে তুলতাম না। খান আতার নাম শুনছি ছোটবেলা থেকেই। তবে খান আতাকে নিয়ে এখন পক্ষে বিপক্ষে যত কাহিনী শুনছি, তার কিছুই জানতাম না। এখন ইস্যুটা মনে হয় চাপা পড়ে যাচ্ছে, এখন কিছু বলা যায়। কারও মতের বিরুদ্ধে গেলে কিছু কমে আসা আবেগ নিয়ে হামলা চালাবেন হয়ত।

তার আগে একটা প্রশ্ন, যানজট ক্রিয়েট প্রতিযোগিয়ায় জিতলো কে? হাসিনা না খালেদা? দেশে রাজনীতির অবস্থা এমন হাস্যকর হয়ে গেছে, যানজটের তীব্রতার দোহাই দিয়েও অনেকে নিজি নিজ পছন্দের নেত্রীর অধিকতর জনপ্রিয়তার দাবী করছেন। যাইহোক, আমি চাই এইদেশের সকল ভিআইপির জন্য হেলিকপ্টার সার্ভিস হোক, ছাদে ছাদে ব্যবস্থা থাকুক হেলিপ্যাডের। যানজটে আটকাইয়া থাইকা যেই টাকার তেলগ্যাস পোড়ে গাড়ির, মানুষের যে সময় অপচয় হয়, সেইটাকে টাকার অংকে কনভার্ট করলে উনাদের এই উড়াল সুবিধা দেয়ার খরচ কম মনে হবে। তথ্যমন্ত্রীকে দরকার হইলে দুইটা দেয়া হোক। আমি কিন্তু বলতে চাইতেছি না যাত্রাপথে উনার অতিরিক্ত বকবকের উনার ড্রাইভারের উন্মাদ হওয়ার দশা হইছে, কিংবা এইটাও বলতে চাইতেছি না উনার মুখ নিঃসৃত তেলেই হেলিকপ্টারগুলা চলতে পারবে বলে এই ডাবল সুবিধা। আমি উনার ভক্ত, উনাকে দুইটা দেয়ার প্রস্তাব সেই কারণেই।

নারীবাদ ও নারী অধিকারঃ স্বরুপ ও বাস্তবতা-সংশ্লিষ্ট প্রাসঙ্গিক আলোচনা



নারী অধিকার মানবাধিকারের বাইরের কিছু নয়। নারীবাদ মানে এমনকিছু হওয়া উচিত নয় যা থেকে আমরা বুঝব, সেটা হচ্ছে পুরুষ হটিয়ে কর্তৃত্ব দখল করা। নারী অধিকার মানে এমনকিছু হওয়া নয় যার মাধ্যমে পরিবারের প্রধান হবে একজন নারী, রাষ্ট্রের মাথায় বসবে একজন নারী কিংবা নারীরা তাদের সন্তানদের ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করে দিয়ে পুরুষ সঙ্গীকে ফিডার হাতে বসিয়ে সন্তানকে লালনপালনে বাধ্য করবে। পৃথিবীর প্রতিটা মানুষের অধিকার সমান, নারী হোক আর পুরুষ। সবচেয়ে ভালো পদে চাকরী সেই পাক যে সেই পদের জন্য বেশি যোগ্য। পৃথিবীতে মানবজাতি আরও কোটি বছরের বিবর্তন পার করলেও সন্তান লালনের জন্য আদর্শ হিসেবে মায়ের বিকল্প তৈরি হবে না।

সভ্য মানুষদের শোষণ ও স্বার্থের আদর্শ শিকারঃ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো



ধরেন, কোনো একটা দেশের আয়তন বাংলাদেশের আয়তনের ১৫ গুণ বেশি, জনসংখ্যা অর্ধেকেরও কম। আবার সেইদেশের আবহাওয়া ভালো, মাটি উর্বর। বনজ সম্পদ, প্রবাহমান নদী এবং অঢেল খনিজ সম্পদে ভরপুর সেই দেশ। সেইদেশের মাথাপিছু আয় কি আমাদের দেশের তিনভাগের একভাগ হবার কথা? মাথাপিছু আয় দিয়ে কোনো অঞ্চলের মানুষের জীবনধারণের মান বোঝা যায়। তবে কোনো হিসেব নিকেশেই এত সম্পদ, অনুকূল পরিস্থিতি থাকবার পরেও সেইদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানের এমন অবস্থার ব্যাখ্যা মাথায় ঢুকবার কথা নয়।

ইরাকী কুর্দিদের রেফারেন্ডামঃ নতুন মানবিক বিপর্যয় দেখবে মধ্যপ্রাচ্য?


কু্দিস্তানে মনে হয় যুদ্ধ না হলেও আবার একটা বড় ক্রাইসিস হবে। এদের হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে বিদ্রোহের পর বিদ্রোহ ছাড়া আর কিছু নাই, এরা বিদ্রোহী জাতি। মধ্যপ্রাচ্যের ডি-কলোনিয়ালাইজেশনের সময় ব্রিটেন যে কেন এদের আলাদা দেশ না দিয়ে কুর্দিদের অঞ্চলগুলো ইরান, ইরাক আর তুরস্কের মধ্যে টুকরা করে দিয়ে গেছিল কে জানে। বর্তমানে যারা সুপার পাওয়ার, এদের সবগুলোই ইতিহাসে একেকটা কালপ্রিট। সভ্যতার নামে অনাচার, অবিচারের যা নজির এরা স্থাপন অরে গেছে তার তুলনা নাই, সুপরিকল্পিত সিস্টেমেটিক ওয়েতে।

নিজের জন্য নোট - ১ (ডায়েরি এবং প্রেম)



সেই অপরিণত বয়সেই অনেকবার মনে করেছি বলা যায়, তোকে আমার পছন্দ। ভাবতাম বলি, আমার তোকে পছন্দ কিন্তু চুমু খাওয়া যাবে না, চুমু খেলে বাচ্চা হয়। সন্তান কিভাবে হয় এটা প্রথম জানি সম্ভবত ক্লাস সেভেনের পর। কিন্তু অল্প কয়বছর পর চলে যায় কল্যাণপুর। আমি ক্লাস এইট কিংবা নাইন পর্যন্ত ডায়েরীতে মাঝে মাঝেই ওর কথা লিখতাম, সেগুলোও পড়ছিলাম কিছুদিন আগে। আমার শ্যামা মেয়েতে অবসেশন শুরু মনে হয় তখন থেকে। আফসোস, জীবনে এরপর আরও কতবার প্রেমে পড়লাম, প্রেমে পড়ে হাত-পা ভাঙলাম, আহত নিহত হইলাম, কিন্তু শ্যামা মেয়ের সাথে খাপে খাপ হইল না কখনো।

চাহিদার লিস্টে প্রাপ্তিতে কিছু শূন্যতা থাকুক মানুষের



জীবনে সবাই অনেককিছু পাইতে চায়। কিন্তু সব পাওয়া তো ভাল না। যেমন চলতে গিয়ে আঘাত পাওয়া, রোজার সময় রোজাদারদের ঘুম ভাঙার পর আবার ঘুম পাওয়া হেতু সেহরী করতে না পারবার কারণে সকাল সকালই পিপাসা পাওয়া। অথবা আপনি যারে মনে মনে লাইকান, আচমকা বজ্রপাতের মত তার বিয়ের ইনভাইটেশন কার্ড পাওয়া।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর