নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মলি
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • দ্বিতীয়নাম
  • নীল কষ্ট
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • অনন্ত দেব দত্ত

নতুন যাত্রী

  • মাষ্টার মশাই
  • লিটন
  • অনন্ত দেব দত্ত
  • ইকরামুল হক
  • আবিদা সুলতানা
  • ইবনে মুর্তাজা
  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • ঝিলাম নদী
  • কিশোর ফয়সাল
  • উসাইন অং

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

নতুন জমানার বাংলা নাটক অভিজ্ঞতা



৯৫% নাটক প্রেমের। প্রেম ছাড়া মনে হয় বর্তমান যুগ অচল। লাখ লাখ ভিউ ইউটিউবে। কমেন্টগুলা পড়াও চমৎকার অভিজ্ঞতা, চখাম, চরম বিনোদন। বেশিরভাগ নাটকই আবার টাইনা দেখা যায়, কারণ ৩৫-৪০ মিনিটের নাটকে গান থাকে, যেইটা টানা যায়। ফ্ল্যাশব্যাক থাকে, কি কি ফ্ল্যাশব্যাকে আসবে ২-৪ মিনিট ধইরা তাও তো জানাই থাকে। আবার কিছু অংশের ধীরে হাঁটা, কথাবার্তা ছাড়াই হালকা মিউজিকের লগে স্লো-মোশনে মুভমেন্ট, টাইনা দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ। সময় অমূল্য সম্পদ...

অনেক নাটকের গল্পেরই আবার কাহিনির শেষ নাই, শুরু ভাল, কাহিনিও খারাপ আগায় না, জাস্ট শেষে গিয়া মনে হয় যে থামলো কই? কিংবা থামলোই বা কেন? সমস্যা হইলো তামিল তেলেগু মুভির শুরুর অংশ, শেষের অংশ কিংবা কোনো না কোনো অংশ থেকে প্রেমের পার্ট মেরে দিয়ে ওইটাই নাটকের কাহিনি বানায় ফেলছে। অংশবিশেষে তো এন্ডিং থাকে ন, আর যে স্ক্রিপ্ট লিখছে, তার নিজের কল্পনা শক্তিতে শেষ করতে পারেনাই বইলাই মনে হয় এন্ডিং নাই। যেমন, একটায় দেখলাম দুইজনে (একটি পুলা আর একটি মাইয়া) প্রেম করছে, মাঝে ঝগড়া কইরা ব্রেকআপ করছে, এরপর মাইয়া অভিমান কইরা বিয়ার সিদ্ধান্ত নিয়া বিয়াও কইরা ফেলছে। এরপর বিয়া হওয়ার পর দুইজন দুইদিকে বইসা কানতেছে, আর কান্নার দৃশ্য ৫ মিনিট দেখাইয়া কাহিনি শেষ। একজন এই কাহিনি দেইখাও কমেন্ট দিছে, "আমি জীবনে কোনো নাটক দেইখা এইভাবে কান্দিনাই এইটা দেইখা যেমন কানছি..."। ক্রন্দন মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, ক্রন্দন মানুষরে টানে বেশি, বাঙালিতো আবার এমনেই বেশি ইমোশনাল, যে যেইটা খাইতে চায়, তাই খাওয়ায় আরকি...

অদ্ভুত চাইল্ড সাইকোলজি এবং নতুন প্রজন্মের শিশু



প্রতি প্রজন্মের কাছে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম বেয়াদব, দুর্ভাগা কিংবা পরবর্তী বা নতুন প্রজন্ম ধরেই পারলে অযোগ্য ঘোষণা করেন দেন অনেকে। আমার নানা দাদারা আমার মামা চাচাকে এভাবেই বলে আসছেন, আমার বাপ চাচারা আমাদের অনেককেই এভাবেই বলে আসছেন। কিন্তু আমার মনে হয় প্রতিটা প্রজন্মই তার সময়ের জন্য পারফেক্ট। সাবার আজকের অনেকটা দুর্বোধ্য অক্ষরে, আনমনে লিখে যাওয়া ঘটণাপ্রবাহ আমার কাছে সেই বিশ্বাসের স্বপক্ষে অকাট্য প্রমাণ...

আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই


আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই,
পতনে নেই জনৈকা বিবি হাওয়ার কারসাজি...

এইসব প্রাক-কথন আপাতত অলিখিত থাক,
বর্তমানে বাঁচি, তাই যা হতে দিতে চাই বা হতে পারে-
সেটা লিখে যাওয়াতেই দেয়া যাক বিশেষ প্রাধিকার।

গল্পের এই অধ্যায়ে এখন গ্রীষ্মের দুপুর,
যখন বাগানের হাস্নাহেনার মৃদু সুবাস আরও ফিকে লাগে!
যদিও হাস্নাহেনার ঝোপে আজকাল সাপখোপ থাকেনা;
তবু ধরে নেয়া যাক এক আজাদাহাই লুকোনো সেখানে,
উত্তাপ এবং আর্দ্রতা বেশি বলে খুব বেশি নড়ছে না,
তবে আশেপাশেই তার নিশ্চিত অবস্থান...

গল্পে আগে বলিনি, কেউ জানে না যে-
তার প্রতি আমার গভীর অনুরাগ, আকর্ষণ বেশ অকল্পনীয়,
আর সে আবেগ সম্পর্কে অনবগত বলেই মারাত্মক হিংস্র!

আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য!
আমার আরাধ্য আজাদাহা অবশ্যই স্ত্রী লিঙ্গ, যেহেতু গল্পই-
তাই মানব দেহধারী ও আজাদাহা নারীর সম্পর্কও অসম্ভব নয়।
আমি এই পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলতে বেছে নিতে পারি সেই উক্তি,
"জীবে দয়া করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর!"
আমি নিজেকে দয়া করতে চেয়ে বসেছি সহিংস তাকেই, বুঝিয়েছি নিজেকে,
তার এই হিংস্র আচরণ নিতান্তই আবেগ সম্পর্কে অজ্ঞতাপ্রসুত।
প্রেম কি দয়ার মহৎতম রূপ নয়?

আমার গল্পের গায়ে বাবা আদমের গন্ধম নেই,
পতনে নেই জনৈকা বিবি হাওয়ার কারসাজি...
আমার গল্পের আমি আদম লোভ করে বসেছি সেই আজাদাহা হাওয়ার,
সুযোগ পেলে আদমেও যার লোভ, স্বভাবসুলভ; অন্য কারসাজি নেই...

আমার গল্পের রচয়িতা আমি, কাহিনি অসমাপ্ত...

নর্থ কোরিয়ান ফ্যাক্টস, নট ফিকশন!



এইটা সেই দেশের মিলিটারী প্যারেড, যেই দেশের রাজধানীতেই বিদ্যুতের অভাবে ঘরের বাতি জ্বলে না। ফ্রিজ কিনতে লাইসেন্স লাগে, ইলেকট্রিক কেতলি ইউজ কইরা ধরা খাইলে বহুবছর জেল। যেই দেশের মানুষ সরকার অনুমোদিত ১০-১৫ টা হেয়ারকাটের বাইরে হেয়ারকাটও নিতে পারে না। যেইদেশে ধর্মগ্রন্থ্য রাখা মারাত্মক অপরাধ, যাদের দেশে প্রতি হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র ১ টা গাড়ি। অনাহারে লাখ লাখ মানুষ মরা যেইদেশে প্রতিবছরের স্বাভাবিক ঘটনা, রাষ্ট্রের ফাউন্ডিং ফাদার কিংবা তার উত্তরসূরীদের মরণ দেইখা কিংবা স্মমুখে দেইখা আবেগে না কান্নাকাটি করলে কিংবা সেই কান্নারেও যথাযথ মনে না হইলেও বিচার হয়, যেই দেশের রাজধানীর ভিতরেও এলিট এরিয়া আছে যার সীমানা পাহারা দেয় সৈন্যরা যাতে গরীব কেউ না আসতে পারে, যেই দেশে রাজধানীতে বসবাস কিংবা আসবার জন্য অনুমতি লাগে। বিশাল হাইওয়েতে যেইখানে ঘন্টায় গোটাদশেক গাড়ির দেখা পাওয়া দুস্কর। দেশে যতগুলা প্রাইভেট কার আছে তার চেয়ে সম্ভবত ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বেশি এবং তারা প্রায় সকলেই আকর্ষণীয়া নারী।

'বাংলা নববর্ষ', 'পহেলা বৈশাখ', 'বাঙালি এবং বাংলাদেশীদের প্রাণের উৎসব' এবং 'বঙ্গাব্দ অথবা বাংলা সন' এর আদ্যোপান্ত! (রিপোস্ট)


বাংলা দিনপঞ্জীর সঙ্গে হিজরী ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক পার্থক্য হলো হিজরী সন চাঁদের হিসেবে এবং খ্রিস্টীয় সন ঘড়ির হিসেবে চলে। এ কারণে হিজরী সনে নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনে, ইংরেজি দিন শুরু হয় মধ্যরাতে। আর বাংলা সনের দিন শুরু হয় ভোরে, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে।

“আর সে কারণেই বলা যায়, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় বাঙালির পহেলা বৈশাখের উৎসব।“

তবে ঐতিহ্যগত ভাবে সূর্যোদয় থেকে বাংলা দিন গণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমি এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২.০০টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু করে। যদিও ভারত সহ অন্যান্য দেশে এই রীতির পরিবর্তন হয়নি এবং এখনো বাঙালি এবং বাংলাভাষার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো অনুষ্ঠান সূর্যোদয়ের পরেই শুরু হয়।

ইলিশ কথনঃ পহেলা বৈশাখে ইলিশ 'হ্যা' নাকি ইলিশ 'না'! (একটি পু.পু ওরফে পুরান পোস্ট)



বর্তমান সময়ে এই বঙ্গদেশে যদি কোন পয়গম্বরের আবির্ভাব ঘটে তাহলে উনার বেহেস্তের বর্ণনায় থাকতে পারে,

"তোমরা যদি আমার উপর বিশ্বাস স্থাপন করো তাহলে তোমাদের জন্য মৃত্যুর পরে অপেক্ষা করছে অনন্ত উপভোগের জীবন। যেখানের নদীতে প্রবাহিত হয় ঝাঁকে ঝাঁকে তিন কেজি ওজন বিশিষ্ট পেটে ডিম আসি আসি করা দরিয়া-ই-পদ্মা ফ্লেভারের তেল চুপচুপে ইলিশ মাছ! চাহিবামাত্র যাহা তোমাদের সম্মুখে মুচমুচে ভাঁজা অবস্থায় অথবা সর্ষে বাটা দিয়ে উপাদেয় রুপে পরিবেশিত অবস্থায় পাইবে এবং গলধঃকরণের সময় সেই মাছের টুকরোগুলো হবে কন্টকমুক্ত!"

আমি আমার ভাস্তিকে কিছুক্ষণ আগে জিজ্ঞেস করছিলাম, তুই কি পহেলা বৈশাখে ইলিশ মাছ 'হ্যা' নাকি ইলিশ মাছ 'না'?

সে আমাকে নির্দ্বিধায় উত্তর দিলো, 'হ্যা'!

আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'কেন'?

সে উত্তর দিলো,

"আমার যেকোনো সময় খেতে ভালোলাগে। ছোটবেলা থেকেই তো খাই, তো বৈশাখের আনন্দের দিনে পছন্দের খাবার খাবো না?"

ব্রেকিং সংবাদঃ হাসিনার জন্য ভেটকি, মোদিকে বেগুনভাজা


৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মিডিয়ার আকর্ষণ খালি খাবার আর পানিতে। কী চুক্তি হইলো, কী ফায়দা হইলো দেশের, এইসব নিয়া আলোচনা কই? সামরিক সহযোগিতা চুক্তি লইয়া এত আলাপ প্রলাপ, ওইটার ভিত্রে কি কি আছে তার তথ্য কই? তিস্তায় নাকি পানি নাই, আসলেই নাই নাকি তা নিয়া ওইভাবে পর্যালোচনা কই?

রুপকথাঃ জেনে নিন পহেলা বৈশাখের প্রচলনের পিছনে মুসলমান নির্যাতনের করুণ ইতিহাস


যেইসব ধর্মপ্রাণ মানুষ মনে করেন ১লা এপ্রিল মুসলমানদের জন্য একটি বেদনাবিধুর দিন, তাদের জন্য আমার সমবেদনা রইলো। অঢেল বেদনা বুকে ধারণ কইরা চলা মানুষগুলারে দেখলে মায়াই লাগে।

না, তাদের আমি গর্ধব কিংবা নির্বোধ ভেড়া বলব না; তাদের বিশ্বাস সরল। সরলতা কিংবা সরল মনে ধারণ করা বিশ্বাস নিয়া উপহাসের কিছু নাই। আমার কৈশোরে আমিও সরলমনে এই কাহিনি বিশ্বাস করে ফেলছিলাম, একে তাকে বলছিও। ধীরে ধীরে চিন্তাভাবনা জটিল হইলো, গালগল্পগুলা আসলেই কী সেইটা নিজেই জানার চেষ্টা করতে গিয়ে বুঝলাম মোল্লারা সাহিত্যের রূপকথা উপধারায় খুবই দক্ষ। আমার আবার রুপকথারে সবসময় গাঞ্জাখুরি লাগে, আমারই মানসিক সমস্যা।

অপারেশন সার্চলাইটঃ প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা এবং মূল ঘটণাপ্রবাহ (রিপোস্ট)



এই খানে পটভুমিটা নানা পাকিস্তানী সুত্র থেকে নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হল। যদিও এসব সুত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে ইয়াহিয়া খানের আলাপের ব্যাপারে অনেক কথা থাকলেও ভুট্টোর ব্যাপারে সেভাবে কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না। যদিও বাঙালি সবাই জানে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের ব্যাপারে ভুট্টোর সরাসরি ইন্ধন এবং রাজনৈতিক সমর্থন ছিলো। বঙ্গবন্ধুও ৭ই মার্চের ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন,

“উনি আমার কথা শুনলেননা, উনি শুনলেন ভুট্টো সাহেবের কথা।“

পাকিস্তানী এক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিদ্দিকী, যিনি আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক ছিলেন সেই সময়ে, তার কথার সুত্র ধরে এবং নিজ পঠিত নানা আর্টিকেল এবং বিবরণীর সূত্র ধরে আমার নিজের মনে হয়েছে যে, অপারেশন সার্চ লাইটের বীজ রোপিত হয়েছিলো ১৯৬৯ সালেই, যখন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান নিজের পীঠ বাঁচাতে জনতার আন্দোলনের মুখে গোল টেবিল বৈঠক ডাকেন। কিন্তু সিদ্দিকী সাহেবের মতে, ইয়াহিয়া তার গুরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন তারও আগেই। তার মতে, ইয়াহিয়া গোপনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন এবং তার দাবীতে অনড় থাকতে বলেন, এবং আরও নিশ্চয়তা দেন যে, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সেনাবাহিনী কোন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

সাবমেরিনের স্বপক্ষে আমার অবস্থান



***ডুবোজাহাজ নিয়া উড়া মতামত***

দেশী সাবমেরিন, তাও দুইটা! ভাবতেই ভাল্লাগে, আপনার লাগতেছে না? এইদেশের জনতার বড় একটা অংশ এখন বলতেছে এই সাবমেরিন দিয়া কী কী করা যাবে। উদাহরণ দেইঃ

১। এই সাবমেরিন দিয়া পানির তলায় ভ্রমণে যাওয়া যাবে, আন্ডারওয়াটার ক্রুজ হবে, ইয়াল্লা কী মজা, কী মজা! ভাবতেই এত্ত এত্ত ভাল্লাগতিছে। বাই দ্য ওয়ে, কাপল টিকেটের দাম কত? আমি হানিমুন সাবমেরিনে কত্তে চাই Biggrin

২। এই সাবমেরিনে রেস্তোরা খুইলা আন্ডার ওয়াটার ভোজের আয়োজন করা হবে, পর্যটক আকর্ষিত হবে, দেশের পর্যটন শিল্পের জন্য তা হবে বিশাল মাইলফলক। দেশে বিদেশি পর্যটকের আগমনের সংখ্যা লাখ থাইকা কোটির ঘরে পৌঁছাবে এই সাবমেরিন অভিজ্ঞতার আকর্ষণে।

৩। জেঃ জিয়ার খাল নেটওয়ার্কের নানা জায়গায় ফুস কইরা কুমিরের বদলে ভাইসা উঠবে সাবমেরিন। অভূতপূর্ব দৃশ্য হবে, নাঙ্গা বাচ্চাকাচ্চারা সাবমেরিনের পিঠে উইঠা লাফাবে। বড় হইয়া তারা গল্প করবে, আমাদের ছেলেবেলায় আমরা সাবমেরিনের পিঠে উইঠা লাফাইতাম।

৪। চাইনিজ সাব তো, তাই এই ১৬০০ কোটি টাকার ইস্পাত ৬ মাসের মধ্যে নিলামে উইঠা ৬ কোটি টাকার ভাঙ্গারি হিসেবে বিক্রি হইয়া বিশ্বরেকর্ড গড়বে।

থাক, আরও বেশি কথা না বাড়াই। বিনোদনের উপকরণের অভাব নাই দেশে। যেকোনো ননতুন টপিক নিয়া বিজ্ঞ মতামত পড়াও ব্যাপক বিনোদন। কিন্তু যাদের সাবমেরিনের বিপক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলি। যার জন্য আগে কিছু প্রিলিউড দরকার।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 ঘন্টা 46 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর