নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নাসিম হোসেন
  • মিঠুন সি দাস
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক

নতুন যাত্রী

  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

মস্তিস্কে যখন ৭-১৪ বছর কিংবা ১ কোটির হিসাব, সর্বোপরি ৫৭ ধারা



ধরেন, আমি ভরদুপুরে মদ্যপান করিলাম, এরপর কারও উপর ঝাপাইয়া পড়লাম কিংবা মন খুইলা দুইটা খিস্তি দিলাম, বাংলাদেশের পেনাল কোডের ৫০১ নং ধারা অনুসারে শাস্তি হইলো ২৪ ঘন্টার কারাদন্ড কিংবা ১০ টাকা জরিমানা।

কিন্তু আমি যদি ঝাপাইয়া পড়ার হুমকী কিংবা ওই একই খিস্তি ফেসবুকে কারো ইনবক্সে দেই, তাইলে আইসিটি এক্ট অনুসারে শাস্তি হইলো ৭ থাইকা ১৪ বছরের কারাদন্ড কিংবা ১ কোটি টাকা জরিমানা কিংবা উভয়দন্ড।

কিংবা কাউরে যদি লাঠি দিয়া পিটাইয়া আহত করি, তাইলে বাংলাদেশের পেনাল কোডের ১৪৭ ধারা অনুসারে শাস্তি হইলো দুই বছরের জেল। কিন্তু আইসিটি এক্টের ৫৭ ধারা অনুসারে সহিংসতা উস্কাইতে নিলেও আপনার ওই একই শাস্তি। এই কথাগুলা মাথায় রাইখেন, ৭-১৪ বছর, এক কোটি।

পাগল এবং শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয় - (প্রসঙ্গঃ ইলেকশন কমিশন)



ম্যাডাম পিঙ্কি একসময় বলছিলেন, "শিশু আর পাগল ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ না।" বাটে পইরা উনার দল এবং শরীক জোটের প্রধান দাবী এখন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। নিরপেক্ষ ইসির এই ব্যাপারটাই হাস্যকর। গোলাপি ম্যাডামের কথার দাম দিতে গেলে ইসিতে বসাইতে হইতো পাগল অথবা শিশুদের। যাক, তাও ভালো যে সরকার উনার কথার মূল্য দেয় না। নাইলে কোনো স্বীকৃত পাগল নাইলে শিশুরে বসাইতে গিয়া ইতিহাস তৈরি কইরা ফেলতো আমাদের দেশ।

আজ বন্ধু দিবস নয়ঃ আলাদা করে বুঝি না নামাঙ্কিত দিবসের মানে



বন্ধুত্ব দিবসে নির্দিষ্ট করে রাখবার মতো কোনো ব্যাপার নয়, দিন তারিখের হিসেব করে বন্ধুত্ব হয় না। আমার বন্ধু সংখ্যা খুব কম, কিন্তু বন্ধুভাগ্য খুব ভালো। তাদের কেউ আমার এই আইডির কথা জানে না, এই তুচ্ছ পোস্ট পড়বার সম্ভাবনাও নেই, তাই লেখাটাও সহজ হয়ে গেল। কোথাও না কোথাও এই কথাগুলো না লিখে যেতে পারলে অপরাধ হতো।

মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী, ইমাম শেখের হঠাৎ চাকরি, একটি ঐতিহাসিক ভ্যান এবং অঢেল তেল



যখন কেউ গ্রামের বাড়ি যায়, তার ইচ্ছা করতেই পারে একটূ ঘুরে দেখতে, হেঁটে বেড়াতে। অনেক স্মৃতি থাকে আশেপাশে। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতেও ভালোলাগে। প্রতিটা স্বাভাবিক মানুষই তা করে। আর প্রধানমন্ত্রী এক কিলোমিটার হেঁটেছেন এটা কী এমন বিশাল ব্যাপার হয়ে গেল কে জানে? উনি পুকুরে নেমে দুটা ডুবও দিতে চাইতে পারতেন কিংবা বলতে পারতেন, আমি এক টাকার বাতাসা খাব। এইসবই একটা স্বাভাবিক মানুষের স্বাভাবিক আচরণ হবার কথা। এমন করলে এই স্বাভাবিক এবং তুচ্ছ মানবিক ব্যাপারস্যাপার নিয়ে চিল্লাচিল্লি করে তাকে আরও অতিমানবী, ভীনগ্রহের এলিয়েন বানিয়ে দেয়া হতো সম্ভবত। এইসব ঠিক না, একেবারেই ঠিক না...

মুভি লইয়া প্যাচালঃ Raees - রইস


একনজরে "Raees"

পরিচালকঃ রাহুল ঢোলাকিয়া

অভিনয়েঃ শাহরুখ খান, নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী এবং মাহিরা খান (মুখ্য চরিত্রে)

সঙ্গীতঃ আমার কেবল "জালিমা" গানটা ভাল্লাগছে। বাকীগুলা টাইনা গেছি। সানি আপার একটা ওল্ড রিমেক আইটেম সং-ও আছে।

আইএমডিবি রেটিংঃ 8.1/10 (7-7.5 এ নাইমা আসবে মনে হয় ধীরে ধীরে)
আমার রেটিংঃ 6.5/10

সরকারী চাকরীর অযৌক্তিক কোটা ব্যবস্থা এবং চাকরীতে আবেদনের বয়সসীমা প্রসঙ্গে



বাংলাদেশের সরকারী চাকরী এবং বিসিএস এর কোটার হিসাব নিম্নরুপঃ

মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ৩০%
নারী কোটা- ১০%
উপজাতি কোটা- ৫%
জেলা কোটা- ১০%
এর বাইরে প্রতিবন্ধী কোটা ১%।

দেখা যাচ্ছে যে মেধার চেয়ে কোটার প্রভাব বেশি। ৪৫% প্রার্থী মেধার মাধ্যমে যেতে পারবে সর্বোচ্চ, তবে সেখানেও টাকার খেলা, রাজনৈতিক বিবেচনা এবং স্বজনপ্রীতির কাজকারবার কারো অজানা নয়। বিএনপির আমলে পিলপিল করে ছাত্রদলের এবং জাতীয়তাবাদীরা ঢুকেছিলো, শিবিরের পোলাপানও বেশ ভালোই ঢুকে। এরপর আওয়ামী সরকারের আমলে নিরপেক্ষতা তো দুরের কথা, এই অবস্থার আরও অবনতি ছাড়া উন্নতি হয়েছে বলে কেউ দাবী করবে না।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদ্যপান্ত


বাংলাদেশের সংবিধানের মুলনীতিতে আছে,

"প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷"


বাংলাদেশের বর্তমান পতাকা

কিন্তু এটাই সবকিছু নয়। পতাকার ব্যাপারে নির্দিষ্ট আইন আছে, পতাকা উত্তোলন আর নামানোর নিয়ম আছে, ব্যবহার করবারও নিয়ম আছে, যা ভংঙ্গ করলে তা সংবিধান পরিপন্থী হবে।

হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল


জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

পাকিস্তানীরা ৭১-এ কেমন লড়েছিল?


মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ কিংবা এমন সংখ্যক বাঙ্গালী হতাহতের হিসেবের বাইরে। সম্ভবত ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ২-৩ লাখ। ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সেনা সদস্যরাও ডিসেম্বরের আগে থেকেই মুক্তিবাহিনীর অনেক অপারেশনে সাহায্য করেছে, অংশ নিয়েছে, ফায়ার সাপোর্ট এবং নির্দেশনা দিয়েছে। ডিসেম্বরে আরতীয় বাহিনীর প্রায় তিনটি কোরের ৮ ডিভিশন সেনা বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় অভিযান শুরু করে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর। শক্তিশালী নৌবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ছিল নেভাল ব্লকেড। বিমান বাহিনীর একমাত্র জঙ্গী বিমানের বহর ১৪ নং স্কোয়াড্রন এফ-৮৬ স্যাবর জেট অপারেট করতো কেবলমাত্র ঢাকা থেকে। ইন্ডিয়ানদের ছিল চতুর্দিকে প্রায় ৫ টি মেইন এয়ারবেস এবং ১০ টির বেশি জঙ্গী বিমানের স্কোয়াড্রন।

এত বিশাল ভূখন্ড দখলে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল অন্তত ১০ ডিভিশন সেনা, শক্তিশালী নো এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি, সাথে প্যারামিলিটারী বাহিনীর সদস্যদের। জনগনের কমপক্ষে ৯০ শতাংশের প্রত্যক্ষ কিংবা নীরব সমর্থন ছিল স্বাধীনতার পক্ষে। এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অস্ত্রের মুখে দমিয়ে রাখতেও দরকার ছিল বিপুল সংখ্যক সেনার।

ইসলামী ব্যাঙ্কের পরিচালনা পর্ষদের পুনঃবিন্যাসঃ সরকারের অন্যতম সফল কৌশলী সিদ্ধান্ত



স্বাধীনতার অল্প কয়বছর পর থেকেই জামাতীরা দেশে কখনোই আর্থিক সমস্যায় পরে নাই। সৌদি, কুয়েতী দাতারা তো ছিলই, পাকিস্তানীরাও তাদের অতীতের প্রকাশ্য এবং বর্তমানের গোপন তাবেদারদের হাত খুইলাই দিয়া গেছে।

আমি একসময় আমার গাড়ির কাজ করাইতাম এফ কে অটোমোবাইলসে। খুব ভালো কাজ করতো, হিসাবে ঘাপলা করতো না, চার্জ অল্প বেশি নিলেও কাজ ছিল নিখুঁত। পরে ওই গ্যারেজের ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানতে পারি পুরা নাম ফুয়াদ আল খতিব অটোমোবাইলস এর উল ফর্ম। বছর দুয়েক আগে যখন শেহবার কথা হয় ম্যানেজারের সাথে, ততদিনে ম্যানেজার নিজেই নতুন গ্যারেজ দিছেন। কারণ জিজ্ঞেস করলে জানাইলেন, সরকার জামাতী প্রতিষ্ঠান যা কিছু আছে সবগুলারে নাকি ভাতে মারতেছে। এফ কে অটোমোবাইলসও এর বাইরে যায় নাই।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 32 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 6:11পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর