নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দীব্বেন্দু দীপ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • হাইয়ুম সরকার
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • তা ন ভী র .
  • কেএম শাওন
  • নুসরাত প্রিয়া
  • তথাগত
  • জুনায়েদ সিদ্দিক...
  • হান্টার দীপ
  • সাধু বাবা
  • বেকার_মানুষ
  • স্নেহেশ চক্রবর্তী
  • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

অকবিতাঃ হিপোক্রেট!


- "plus ei kotha alochona korar por amake dorod dekhaile hypocrisy lage amar"

মাননীয়া,
হিপোক্রেট আজকাল গাছেও ধরে, আমার গৃহে বসবাস।

রসুলপুরের আনারস বাগানে আমি দেখিয়াছি-
কিভাবে বেওকুফ চাষীরা হরমোন বাস্প ছিটায়,
তাহারাও আনারস খায়।
দেখিয়াছি বাথানে পালিতপশুদের কিভাবে গেলানো হয়
চিটাগুড় আর ইউরিয়া সার মাখানো খড় সম্ভার!
আর হৃষ্টপুষ্ট করিবার ইনজেকশন?
মামার খামারে হাড্ডিসার নিরীহ দেশি গো-প্রজাতির উপর-
চলিতে দেখিয়াছি, দেখিয়াছি আমি সেই কঠিন অত্যাচার।
আমার ছোটমামা সেই, নিজেই হার্টের অসুখের দাবীদার,
তিনিও বকরী ঈদ আসিলে গোগ্রাসে মাংস গিলেন আবার...

সংযমের মাসের দেশীয় অসংযত কালচার!


্যগুলা দেখি। কিন্তু এইসবই ফলো করা হয়না। গরীব রাস্তায় বের হইলে বুঝতে পারে সে কতটা গরীব। ভূইফোড় ব্যবসায়ীরা আরও কিছু ফুলে যায়। কিন্তু এমন তো হবার কথা না। বঞ্চিতের কষ্ট বোঝাটাই যেখানে আসল উদ্দেশ্য, তাদের বেদনা অনুভব করা, সাহায্য করা, নিজেকে সংযত করা, ভালো আচরনের দিকে বদলানো, সেইটা আর আসেনা এইদেশে, অন্তত এই মাসে। শহরের মোড়ে মোড়ে সুস্বাদু খাবারের পশরা, মশল্লার ঘ্রাণ অনেক মানুষকে সম্ভবত এই অনুভূতি দেয় যে এইসব নজর দেওয়ার সামর্থ্য তাদের নাই। ছোলা মুড়িই ভরসা থাকে তাদের, কিন্তু সেইগুলাও তাদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যেই কিনতে হয়। কোথাও নিয়ন্ত্রণ থাকে না... অন্তত দ্রব্যমূল্যের দিকে তাকাইলে, এইমাসে ভোগপণ্যের সামগ্রিক চাহিদার দিকে তাকাইলে সংযমের লক্ষণ পাওয়া দুস্কর।

দেশের কোণে কোনে স্থাপিত হোক মৃণাল হকের ভাস্কর্য্যের অবিকল প্রতিরুপ!



মৃণাল হকের ভাস্কর্য্যকে আর জায়গামত নেবার কোন উপায় নেই। কিন্তু আমার মনে হয় যারা ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছেন না, তারা সহিংস না হয়ে অন্য পদক্ষেপও নিতে পারেন। যেমন, দেশের নানা স্থানে বানানো যেতে পারে শত সহস্র অবিকল একই ভাস্কর্য্য ওরফে হেফাজতীদের মতে দেবী থেমিসের মূর্তি ওরফে দেশের উচ্চপদে থাকা কারো কারো মতে গ্রীক দেবী থেমিসের দেশি ভার্সন অদ্ভুত মূর্তি। ভাস্কর্য্য কিংবা মূর্তি কোথাও স্থাপন দেশের আইনানুসারে এখনো অবৈধ নয়। হেফাজতীদের দাবী মানতে গেলে তখন দেশের আইন পালটে মূর্তি ও ভাস্কর্য্যই নিশিদ্ধ করতে হবে। আর সেটাই যদি হয়, তখনই দেশের মানুষ জাগবে। কারণ, এমন অসহিষ্ণু দেশ দেশের নাগরিকদের সিংহভাগই চায়না।

কবিতাঃ রানিয়ার বুক অলক্ষ্যেও ছুঁই নাই আমি


রানিয়ার রাঙা গালে আমি ওষ্ঠ ছুঁই নাই,
সেই ছুতোয় সে কাঁদে নাই শিউলি আড়ালে!
বিউলির ডালের মত সুঘ্রাণ তার লালাঝোলে-
আঙুল ডুবাইনি বলে তাকায়ওনি অভিমানে...

স্মৃতিকোষ থেকে শবে বরাতের একাল সেকাল



কৈশোরের শবে বরাত ভাল ছিল। মাসখানেক আগে থাইকা মোররা কিংবা মরিচাবাতি (আতশবাজির মত, লোকাল প্রোডাকশন) বানানোর প্রস্তুতি চলতো। গরুর ঝিল্লি, পটাশ, ছররা, বড়ইয়ের ডালের কয়লা ইত্যাদি ইত্যাদি ছিল রসদ। ইলেক্ট্রিক মোররা বইলাও একটা জিনিস ছিলো, ওইটা লুঙ্গি কিংবা শাড়ি ভেদ কইরা যাইতে সক্ষম ছিল। কারেন্টের স্পার্কের মত আগুন দিয়া ছুইটা যাইতো। পাতি মোররাও উড়তো, কিন্তু দাপট থাকতো কম। শতশত পাতি আর ইলেকট্রিক মোররা বানাইয়া মজুদ করতাম, শবে বরাতের অনেকদিন আগে থেকে শুকাইয়া শুকাইয়া সন্ধ্যায় একটা দুইটা টেস্ট রান দিতাম। বিজনেসও হইতো, গুড়াগুড়া পিচ্চি ছোটভাইরা ৫ টাকা ১০ টাকার মোররা কিনতো, ওইটায় মোররা বানানোর বিনিয়োগ উইঠা যাইতো। প্রতি শবে বরাতে কোনো না কোনো চাচা খালার শাড়ি লুঙ্গির বারোটা বাজতো। নিজেদের জামাকাপড়ও বাদ যাইতো না। পাতি হাতবোম বানাইছিলাম একবারই, কিন্তু লাল পটাশ, সাদা পটাশ একলগে ডলা দিতে গিয়া হাত প্রায় উড়াইয়া ফেলতে নিছিলো পায়েল ভাই, ওই কাহিনির পরে কেউ আর সাহস করিনাই। মোররা বানানো রিস্ক ফ্রি ছিল, কেবল জ্বালাইলেই যা সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হইতো। একবার গ্যাস লাইনের উপর পইড়া আগুন লাগছিলো। মেইন পাইপলাইনে লিকেজ ছিল, গ্যাস বাইর হইতো, ওইখানে আগুন ধইরা গেছিলো। মাটির তলে পাইপ ছিল, দেখলাম ঘাসের উপর হুদাই আগুনের বুদবুদ। বালু ছালা পানি দিয়া সবাই মিলা নিভাইছিলাম। ওই জায়গা এড়াইতাম পরে।

প্রসঙ্গঃ প্রভাবশালীর পুত্রদের দ্বারা বনানীর হোটেলে ছাত্রী ধর্ষণ


ধরেন, আপনি ইউনাইটেড স্টেটস অফ নিউক্যালির মুভি চাটগাইয়া সাবটাইটেল সহকারে উপভোগ করতে গেলেন, কিন্তু আপনি জন্ম থাইকা শুইনা বড় হইছেন প্রমিত বাংলা। আলটিমেটলি প্রায় হিব্রু ক্যাটাগরির ভাষায় যা শুনবেন, অঙ্গভঙ্গিতে যা দেখবেন, সাবটাইটেলে যা পড়বেন, সবকিছু যোগ কইরা আপনি বুঝবেন অর্শ্বডিম্ব, ১৮০ ডিগ্রী বিপরীত কিছু।

মুভি রিভিউঃ বাহুবলী-২ (দ্য কনক্লুশন)


এই মুভির ইতিহাস বইলা লাভ নাই, সবাই মোটামুটি জানে কত বাজেট, কারা আছে চরিত্রে কিংবা আগের পার্ট কেমন ব্যবসা করছিলো, এইসব হাবিজাবি। স্টার্টিং আমার কাছে অল্প একটু স্লো লাগতেছিল, কিন্তু মুভি দেখতে গেলে সবারই একটা ব্যাপার হয়, শুরুতে মন বসেনা ঠিকমত, এরপর একটু সময় গেলে মাথায় কেবল ওইটাই থাকে। আমারও তাই হইছিল। আজকাল অবশ্য বলিউডের অনেক মুভির স্টার্টীং হয় দুর্দান্ত। কেবল শুরুর জন্য বাকীটা গিলে ফেলা যায়। এই পার্টটা মানুষ এমনিতেই গিলতো, কারণ, কাট্টাপ্পা কেন সিনিয়র বাহুবলীরে মারছিল তা জানার ব্যাপক আগ্রহ ছিল সবার মধ্যেই। ওইখানেও প্রথম পর্বের স্বার্থকতা।

আজাইরা প্যাচালঃ কাট্টাপ্পা বাহুবলীর আব্বা বাহুবলীরে মারছিল কেন??



"কাঁটে" মুভিটা মনে হয় ছিল সাসপেন্স থ্রিলার। একটা গ্যাং এর ভিতরে মনে হয় কেউ ফেউ ছিল আর সেইটাই ছিল আসল রহস্য। কিন্তু ওই মুভিটা আমি আজপর্যন্ত দেখিনাই। আমার বন্ধু বাউয়া শাওন (লেফট হ্যান্ডেড ছিল দেখে) ওরফে বাউস মুভিটা আগেই দেইখা বলছিল, "দেখবিনা কাঁটে? লাকি আলী কিন্তু পুলিশ"। নাহ, আর দেখিনাই। আগেভাগে জাইনা গেলে মুভি দেখার মজা কই?

যেই কারণে এত্তকিছু বলা। তা হইল আজকে "বাহুবলী-২ঃ দ্য কনক্লুশন" মুক্তি পাইছে। কাটাপ্পা কেন বাহুবলীর আব্বা বাহুবলীরে মারছিল তা এখন জানা। এই জানাটা যদি গণহারে জানাইতে চাইয়া আমি মুহূর্মুহু স্ট্যাটাস দিতে থাকি যে, " কাটাপ্পা অমুক কারণে বাহুবলীর আব্বা বাহুবলীরে মারছিলো।" তাইলে কে কিভাবে নিবে?

নতুন জমানার বাংলা নাটক অভিজ্ঞতা



৯৫% নাটক প্রেমের। প্রেম ছাড়া মনে হয় বর্তমান যুগ অচল। লাখ লাখ ভিউ ইউটিউবে। কমেন্টগুলা পড়াও চমৎকার অভিজ্ঞতা, চখাম, চরম বিনোদন। বেশিরভাগ নাটকই আবার টাইনা দেখা যায়, কারণ ৩৫-৪০ মিনিটের নাটকে গান থাকে, যেইটা টানা যায়। ফ্ল্যাশব্যাক থাকে, কি কি ফ্ল্যাশব্যাকে আসবে ২-৪ মিনিট ধইরা তাও তো জানাই থাকে। আবার কিছু অংশের ধীরে হাঁটা, কথাবার্তা ছাড়াই হালকা মিউজিকের লগে স্লো-মোশনে মুভমেন্ট, টাইনা দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ। সময় অমূল্য সম্পদ...

অনেক নাটকের গল্পেরই আবার কাহিনির শেষ নাই, শুরু ভাল, কাহিনিও খারাপ আগায় না, জাস্ট শেষে গিয়া মনে হয় যে থামলো কই? কিংবা থামলোই বা কেন? সমস্যা হইলো তামিল তেলেগু মুভির শুরুর অংশ, শেষের অংশ কিংবা কোনো না কোনো অংশ থেকে প্রেমের পার্ট মেরে দিয়ে ওইটাই নাটকের কাহিনি বানায় ফেলছে। অংশবিশেষে তো এন্ডিং থাকে ন, আর যে স্ক্রিপ্ট লিখছে, তার নিজের কল্পনা শক্তিতে শেষ করতে পারেনাই বইলাই মনে হয় এন্ডিং নাই। যেমন, একটায় দেখলাম দুইজনে (একটি পুলা আর একটি মাইয়া) প্রেম করছে, মাঝে ঝগড়া কইরা ব্রেকআপ করছে, এরপর মাইয়া অভিমান কইরা বিয়ার সিদ্ধান্ত নিয়া বিয়াও কইরা ফেলছে। এরপর বিয়া হওয়ার পর দুইজন দুইদিকে বইসা কানতেছে, আর কান্নার দৃশ্য ৫ মিনিট দেখাইয়া কাহিনি শেষ। একজন এই কাহিনি দেইখাও কমেন্ট দিছে, "আমি জীবনে কোনো নাটক দেইখা এইভাবে কান্দিনাই এইটা দেইখা যেমন কানছি..."। ক্রন্দন মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, ক্রন্দন মানুষরে টানে বেশি, বাঙালিতো আবার এমনেই বেশি ইমোশনাল, যে যেইটা খাইতে চায়, তাই খাওয়ায় আরকি...

অদ্ভুত চাইল্ড সাইকোলজি এবং নতুন প্রজন্মের শিশু



প্রতি প্রজন্মের কাছে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম বেয়াদব, দুর্ভাগা কিংবা পরবর্তী বা নতুন প্রজন্ম ধরেই পারলে অযোগ্য ঘোষণা করেন দেন অনেকে। আমার নানা দাদারা আমার মামা চাচাকে এভাবেই বলে আসছেন, আমার বাপ চাচারা আমাদের অনেককেই এভাবেই বলে আসছেন। কিন্তু আমার মনে হয় প্রতিটা প্রজন্মই তার সময়ের জন্য পারফেক্ট। সাবার আজকের অনেকটা দুর্বোধ্য অক্ষরে, আনমনে লিখে যাওয়া ঘটণাপ্রবাহ আমার কাছে সেই বিশ্বাসের স্বপক্ষে অকাট্য প্রমাণ...

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর