নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

সরকারী চাকরীর অযৌক্তিক কোটা ব্যবস্থা এবং চাকরীতে আবেদনের বয়সসীমা প্রসঙ্গে



বাংলাদেশের সরকারী চাকরী এবং বিসিএস এর কোটার হিসাব নিম্নরুপঃ

মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ৩০%
নারী কোটা- ১০%
উপজাতি কোটা- ৫%
জেলা কোটা- ১০%
এর বাইরে প্রতিবন্ধী কোটা ১%।

দেখা যাচ্ছে যে মেধার চেয়ে কোটার প্রভাব বেশি। ৪৫% প্রার্থী মেধার মাধ্যমে যেতে পারবে সর্বোচ্চ, তবে সেখানেও টাকার খেলা, রাজনৈতিক বিবেচনা এবং স্বজনপ্রীতির কাজকারবার কারো অজানা নয়। বিএনপির আমলে পিলপিল করে ছাত্রদলের এবং জাতীয়তাবাদীরা ঢুকেছিলো, শিবিরের পোলাপানও বেশ ভালোই ঢুকে। এরপর আওয়ামী সরকারের আমলে নিরপেক্ষতা তো দুরের কথা, এই অবস্থার আরও অবনতি ছাড়া উন্নতি হয়েছে বলে কেউ দাবী করবে না।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদ্যপান্ত


বাংলাদেশের সংবিধানের মুলনীতিতে আছে,

"প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷"


বাংলাদেশের বর্তমান পতাকা

কিন্তু এটাই সবকিছু নয়। পতাকার ব্যাপারে নির্দিষ্ট আইন আছে, পতাকা উত্তোলন আর নামানোর নিয়ম আছে, ব্যবহার করবারও নিয়ম আছে, যা ভংঙ্গ করলে তা সংবিধান পরিপন্থী হবে।

হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল


জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

পাকিস্তানীরা ৭১-এ কেমন লড়েছিল?


মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ কিংবা এমন সংখ্যক বাঙ্গালী হতাহতের হিসেবের বাইরে। সম্ভবত ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ২-৩ লাখ। ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সেনা সদস্যরাও ডিসেম্বরের আগে থেকেই মুক্তিবাহিনীর অনেক অপারেশনে সাহায্য করেছে, অংশ নিয়েছে, ফায়ার সাপোর্ট এবং নির্দেশনা দিয়েছে। ডিসেম্বরে আরতীয় বাহিনীর প্রায় তিনটি কোরের ৮ ডিভিশন সেনা বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় অভিযান শুরু করে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর। শক্তিশালী নৌবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ছিল নেভাল ব্লকেড। বিমান বাহিনীর একমাত্র জঙ্গী বিমানের বহর ১৪ নং স্কোয়াড্রন এফ-৮৬ স্যাবর জেট অপারেট করতো কেবলমাত্র ঢাকা থেকে। ইন্ডিয়ানদের ছিল চতুর্দিকে প্রায় ৫ টি মেইন এয়ারবেস এবং ১০ টির বেশি জঙ্গী বিমানের স্কোয়াড্রন।

এত বিশাল ভূখন্ড দখলে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল অন্তত ১০ ডিভিশন সেনা, শক্তিশালী নো এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি, সাথে প্যারামিলিটারী বাহিনীর সদস্যদের। জনগনের কমপক্ষে ৯০ শতাংশের প্রত্যক্ষ কিংবা নীরব সমর্থন ছিল স্বাধীনতার পক্ষে। এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অস্ত্রের মুখে দমিয়ে রাখতেও দরকার ছিল বিপুল সংখ্যক সেনার।

ইসলামী ব্যাঙ্কের পরিচালনা পর্ষদের পুনঃবিন্যাসঃ সরকারের অন্যতম সফল কৌশলী সিদ্ধান্ত



স্বাধীনতার অল্প কয়বছর পর থেকেই জামাতীরা দেশে কখনোই আর্থিক সমস্যায় পরে নাই। সৌদি, কুয়েতী দাতারা তো ছিলই, পাকিস্তানীরাও তাদের অতীতের প্রকাশ্য এবং বর্তমানের গোপন তাবেদারদের হাত খুইলাই দিয়া গেছে।

আমি একসময় আমার গাড়ির কাজ করাইতাম এফ কে অটোমোবাইলসে। খুব ভালো কাজ করতো, হিসাবে ঘাপলা করতো না, চার্জ অল্প বেশি নিলেও কাজ ছিল নিখুঁত। পরে ওই গ্যারেজের ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানতে পারি পুরা নাম ফুয়াদ আল খতিব অটোমোবাইলস এর উল ফর্ম। বছর দুয়েক আগে যখন শেহবার কথা হয় ম্যানেজারের সাথে, ততদিনে ম্যানেজার নিজেই নতুন গ্যারেজ দিছেন। কারণ জিজ্ঞেস করলে জানাইলেন, সরকার জামাতী প্রতিষ্ঠান যা কিছু আছে সবগুলারে নাকি ভাতে মারতেছে। এফ কে অটোমোবাইলসও এর বাইরে যায় নাই।

কবিতাঃ আয়লানকে আমার চেনা হয়নি


আয়লানকে আমার চেনা হয়নি, প্রয়োজনও ছিল না;
যেভাবে সে শেখেনি সমুদ্রে বিরামহীন সাঁতার কৌশল!
তনুরাও আমার স্মৃতি বিস্মৃত,
ঠিক যেমন ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী প্রাচীন জনপদে-
কোনো কিশোরীর উরুসংযোগ ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে;
বেঁচে থাকলে কেউ তার হৃদয়ের-
নিরন্তর রক্তক্ষরণের খবর রাখবে না।

কিংবা আজ রমনায় যে মেয়েটা অভ্যস্ত নির্ঘুম চোখে,
বহুদিন হলো সেই মেয়েটা আর মেয়ে নেই!
অলিগলিতে পিলপিল করে হাঁটছে মানুষ,
মানুষ নয়, মানুষ নয়...

মেঘের জন্য রুপকথা!


এই গল্পটা সেই সময়ের, যখন চাঁদ দিনে উঠতো, সূর্য উঠতো রাতে। রাতে সূর্য থাকতো বলে মানুষ দিনেই ঘুমাতো আর রাতে কাজ করতো। আকাশে তখন অবশ্য একটা করে সূর্য আর চাঁদ ছিল না। দুটা করে চাঁদ আর সূর্য ছিল। একটা ছেলে এবং আরেকটা মেয়ে, এমন করে দুটা চাঁদ আর দুটা সূর্য।

এমপি লিটন হত্যাঃ দুর্বৃত্তকে মারলো কোন দুর্বৃত্ত?



যাদের মানুষ ভোট দেয় মানুষের সেবা করতে, মানুষের সুরক্ষা দিতে, তারাই যদি এমন করেন তাহলে কেমন যেন লাগে না? আর ওই ঘটনাটা তো জামাত শিবির বিএনপির বানানো না। প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটা সাধারণ পরিবারের এক শিশুর সাথে এবং সবচেয়ে আফসোসের ব্যাপার হচ্ছে শিশুটাকে চিকিৎসা দিতে নিয়ে যাবার সময়েও বাঁধা দেয়া হয়েছিল এই এমপির লোকজনদের মাধ্যমে। মানুষ খুব দ্রুতই ভুলে যায় এসব, মানুষ এখন তাই বললেই পারে, "উনি খুব ভালোমানুষ ছিলেন।"

দুঃখিত, আমি বলতে পারছি না এই বাক্যটা এই এমইর ব্যাপারে। হত্যাকে কখনোই সমর্থন করি না। কিন্তু এই এমপি সাহেব যেই রাষ্ট্রীয় সম্মান নিয় গেলেন সেটা উনার প্রাপ্য ছিল না। এটা এমন এক রাষ্ট্রের কথা বলছে সুবিচার প্রতিষ্ঠা হয়নি এখনো। আমার কাছে এই দুর্বৃত্ত এমপির অজানা দুর্বৃত্তদের কাছে মৃত্যুর ঘটনা ওই শিশুটার জনপ্রতিনিধির কাছে গুলি খাওয়ার ঘটনার কাছে তুচ্ছ।

কেমন কাটলো বাংলা ব্লগ এবং ব্লগারদের ২০১৬ সালঃ কিছু পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনা


আমার দৃষ্টিতে ২০১৬ সালটাই বাংলা ব্লগগুলোর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়, ক্রান্তিকাল পার করছে এই বছরে। যদিও এই বছর ব্লগার নাজিমুদ্দীন ছাড়া আর কাউকে হত্যা করা হয়েছে নাকি মনে পড়ছে না। হত্যার ফ্রিকোয়েন্সী হয়তো কমে গেছে কিন্তু সামগ্রিক রিস্ক ফ্যাক্টর বেড়ে গেছে বহুগুণ। প্রতিপক্ষ হিসেবে ধর্মীয় উগ্রবাদীরাই নেই কেবল, সরকারও দাঁড়িয়ে গেছে। নানা ব্লগের উপর নজরদারী এবং নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কোন ধরণের গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ ঠিক না। এমনকি জামাতি ব্লগ সোনার বাংলাও চলুক। যে যার যুক্তি মত তাদের মত প্রকাশ করুক। সোনার বাংলা ব্লগ চালু থাকলে সেখানের পোস্টে ধররে অবিশ্বাসীরা মন্তব্যে তাদের যুক্তির কথা বলবে, অসঙ্গতি দেখাবে কিংবা এখানে কঠোরভাবে ধর্ম্প্রাণ মানুষেরা। ভাবনাচিন্তার ধারা তো এভাবেই উন্নত হয়। ফেসবুকও তো ব্লগের মতই। সেটাকেও নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির উতকর্ষের এই যুগে এসবে নিয়ন্ত্রণ আরোপ হাস্যকর এবং কার্যকরী করাও সম্ভব না। অনেক অনেক সাইট, অনেক সার্ভিস ফিল্টার এবং মনিটর করতে গেলে দেশে ইন্টারনেটের গতিও হয়ে যাবে ধীর।

মুভি রিভিউঃ Dangal (দঙ্গল)


স্টোরি টেলিং স্টাইলটা ছিল অসাধারণ। এমনকি গানগুলোও প্রাসঙ্গিক। যখন কাহিনী আগাচ্ছিলো, কিংবা দর্শক যখন দেখছিলো মুভিটা, তখন কিন্তু আশেপাশে ঘটে চলা স্বাভাবিক ব্যাপারই দেখেছে দঙ্গলে। সমাজের বসবাসকালীন স্বাভাবিক সময়ে এইসব অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়না। কিন্তু দঙ্গল দেখবার সময় মনে হচ্ছিলো মানুষগুলা এমন করছে কেন? কিংবা অল্প আফসোস কাজ করছিল, মনে হচ্ছিলো, আহারে, মেয়েগুলা কি লজ্জাই না পাচ্ছে। অথবা গীতা কিংবা ববিতার স্কুলের সহপাঠীরা এমন করছে কেন? আসলে এমনই তো করে, এমনই করতো মানুষেরা। আমরাই সেই মানুষের দলভুক্ত। দঙ্গলের আলাদা ব্যাপারটাই এখানে যে দর্শক হিসেবে নিজেই মনে করছিলাম মানুষের এমন আচরণ ঠিক নয় যা স্বাভাবিক জীবনে মনে হয়না। এর কারণ হিসেবে আমি বলব শুরুতেই দর্শক আমীর খান কিবা মহাবীর সিং ফোগাতের স্বপ্নকে নিজের মনে করা শুরু করেছিল, পিচ্চি কিংবা বড় গীতা ববিতার সামান্য দুঃখ কষ্ট হাসিগুলোকে নিজের অনুভূতির সাথে মেলাতে পারছিলো।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 7 ঘন্টা 15 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 6:11পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর