নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা



প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার রায়ের একটা বক্তব্যে তুলকালাম হচ্ছে। উনি বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ কারো একার অবদান নয়। আমি নিজেও সেটাই মনে করি। মুক্তিযুদ্ধ সমগ্র জাতির একীভূত প্রচেষ্টার ফল। বঙ্গবন্ধু যেমন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের তীব্র প্রভাবক ছিলেন, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে সেই শিশুরও অবদান রয়েছে যে গুলির বাক্স মাথায় বহন করেছে, সেই শিল্পীরও অবদান রয়েছে যারা যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের সংগীতের মাধ্যমে উজ্জীবিত করেছিলেন। অবদান রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাবেন না কখনো, কিন্তু তারপরও মুক্তিযোদ্ধাদের নিজের জীবনের হুমকি মাথায় নিয়ে আশ্রয় ও খাদ্য সহযোগিতা দেয়া হাজার হাজার মানুষের। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তারাও কিন্তু দেশের জন্য কাজ করেছেন। সমগ্র জাতি যদি এক না হতো, প্রতিবাদী না হতো, প্রতিরোধ যুদ্ধ না করতো তবে বঙ্গবন্ধুর একার পক্ষে কাউকে সাথে না নিয়ে স্বাধীনতা এনে দেয়া সম্ভব ছিলনা। উনি ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা, তাদের মুখপাত্র, যিনি তাদের প্রাণের দাবীর কথাই বলতেন। বিচারপতি এস কে সিনহার এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। যার যতটুকু প্রাপ্য সম্মান তাকে ততটুকু দিতে হবে, তবে অন্যদের আত্মত্যাগ, অবদান অস্বীকার করে নয়। যারা তারপরও বলবেন আমাদের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর একক অবদান, আমি তাদের একটা প্রশ্ন করব। আপনারা তবে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে কিংবা স্বাধীনতা অর্জনে লাখলাখ শহীদের, মুক্তিযোদ্ধার কোনো অবদান নেই? একক অবদান নয়, রায়ের এই বক্তব্যের বিরোধীতা মানে তো এটাই হয়।

আমেরিকা - উত্তর কোরিয়ার আক্রমণাত্মক অবস্থানঃ মানবজাতির জন্য অশনিসংকেত


সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো আমেরিকার বিজয় নিশ্চিত হলেও যুদ্ধ শেষে এর প্রভাবে বিশ্ব ভুগবে দশককাল। আবার যুদ্ধ শেষ কতদিনে হবে তাও নিশ্চিত নয়। চায়না বা রাশিয়া কখনো চাইবেনা উত্তর কোরিয়ায় আমেরিকান পুতুল সরকার ক্ষমতায় আসুক বা উত্তর কোরিয়া আমেরিকান প্রভাব বলয়ে আসুক। ভিয়েতনাম বা কোরিয়ান ওয়ারের মত প্রক্সিওয়ার চলতে পারে বহুবছর যদি পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নাও হয়।

জীবন দর্শনঃ আমি ঠিক আছি, পৃথিবীও ঠিক



একবার থমাস এন্থনী হ্যারিসের "আই এম ওকে, ইউ আর ওকে" নামের একটা বইয়ের সারমর্মের একটু ঘুরানো প্যাচানো উপস্থাপন কই জানি পড়ছিলাম, মানুষ মূলত চার ধরণের হয়। যাদেরঃ

- প্রথম দল ভাবে আমিও ঠিক আছি, পৃথিবীও ঠিকঠাক আছে।
- দ্বিতীয় দলের মানুষ ভাবে, সে ঠিক আছে, কিন্তু পৃথিবী ঠিক নাই।
- তৃতীয় দলের মানুষ ভাবে, সে ঠিক নাই, কিন্তু পৃথিবী সঠিক।
- চতুর্থ দল ভাবে, সেও ঠিক নাই, পৃথিবীও ঠিক নাই।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং স্মৃতিতে "আগুনের পরশমণি"



সকালে গান খুঁজতেছিলাম, "নিশা লাগিলো রে"। ইউটিউবে দিতেই প্রথমে আসলো "আগুনের পরশমণি" সিনেমা থেকে কেটে নেয়া কনকচাঁপার গাওয়া গানটা। আমি এই গানটা প্রথম শুনি একদম ছোট থাকতে, সিনেমা হলে। গানটা ছাড়বার পর ফ্ল্যাশব্যাকের মত অনেক স্মৃতি সামনে আসলো।

আমি তখনও অনেক ছোট, ৯৪ কিংবা ৯৫ সাল হবে, খালেদা জিয়ার বিএনপির শাসনামল। ওই আমলের আবছা হয়ে যাওয়া স্মৃতির মধ্যে মনে পড়ে নিয়মিত বিরতিতে হরতালের কথা। হরতাল মানেই ছিল আনন্দের কিছু। স্কুলে যাইতে হইত না। আমি মনে প্রাণে চাইতাম রেগুলার হরতাল হোক। একসময় মনে হয় লাগাতার হরতাল দিত বিরোধীদল। লম্বা সময় স্কুলে যাওয়া লাগেনাই দেখে আমাদের সময় সারাদিন মাঠেই কাটতো, আনন্দের সময় ছিল। ওইসময় বাসায় দুইটা পেপার রাখা হইতো। একটা ইনকিলাব, আরেকটা জনকন্ঠ গোছের কিছু, ঠিক মনে নাই। তখন দেশের খবর পাওয়ার উপায়ই ছিল এই সংবাদপত্র। তাই দুইপক্ষের ভাষ্যই যাতে পাওয়া যায় তাই দুইটা পেপার রাখতো বাসায়। একবার পেপারে দেখছিলাম এক সরকারী কর্মচারীকে দিগম্বর করে দিছে বিরোধীদল। দেখে খারাপ লাগছিলো, ওই বয়সেই মনে হইতেছিল বেচারা কি লজ্জাটাই না পাইছে। পেট্রোল বোমার যুগ শুরু তো কেবল সেইদিন...

এইচএসসির ফলাফল বিপর্যয়ের পরেও এতএত জিপিএ ৫ ও গোল্ডেন জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের ভবিষ্যত কি?



এইবছর নাকি এইচএসসির ফলাফল বিপর্যয় ঘটছে। জিপিএ ফাইভ, গোল্ডেন কমে গেছে। কিন্তু যতজন গোল্ডেন আর জিপিএ ফাইভ পাইছে, তাদেরই সরকারি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ কম। তিনভাগের একভাগ হয়তো নিজের পছন্দমত ভালো কিছু পাইতে পারে, বাকিরা চরমভাবে হতাশ হবে। ভালো কোথাও ভর্তি হইতে না পারার মানসিক চাপ ওই বয়সে অনেকেই নিতে পারেনা।

কবিতাঃ মাননীয়া, আমার পরামর্শ গ্রহন করেন!


মাননীয়া, আমার পরামর্শ গ্রহন করেন!
অতীতের উদ্ভিন্ন তৃণ উপড়াইয়া ফায়দা নাই,
পিছন ফিরা আগাইলে প্রপাত ধরণীতলেই আশংকা!

অতীত রোমন্থনে আলো অপেক্ষা আঁধারই অধিক জাগে;
আমি তাই সবিনয় পরামর্শ দেই অতীত ভুইলা যান, এরপর-
আসমানে অম্বু নাজিল হইলে আপনিও বেলাগাম কাঁদেন অথবা হাসেন!
আবেগ আড়ালের নিমিত্তে এমন প্রাকৃতিক নেকাব মেলেনা চাহিবামাত্র...

আপনাকে যা দেখানো হয় আপনি কি শুধু তাই দেখবেন?



মানুষ অনেককিছু দ্বারা প্রভাবিত হয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় সম্ভবত সবচেয়ে প্রভাবশালী, ক্ষমতাশালী, বিত্তশালীরা কিসে নজর দিতেছে তা দিয়ে। এইজন্য আমরা যা দেখি, যাতে বেশি নজর দেই, তা আসলে প্রাধিকারভুক্ত হইয়া নজরদেয়ার লিস্টে সবসময় এক নাম্বারে থাকবার কথা না। যদি থাকতো, তাহলে সিরিয়া নিয়ে যেভাবে সারা বিশ্বে কথা হয় তা ইয়েমেন নিয়েও হইতো। সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় চলতেছে ওই ইয়েমেনেই। এই ইয়েমেনও এক আরব রাষ্ট্র, যেই দেশের মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ের মোটামুটি অর্ধেক।

আরবদেশ বলতেই আমরা বুঝি তেল গ্যাসের টাকা উড়তেছে। ধনী অঞ্চল। ঈশ্বর উনার সম্পদ কৃপা ওই অঞ্চলে ঢেলে দিছেন যাতে তারা সুখে সমৃদ্ধিতে থাকে। নাহ, এই কথা একদম সত্যি না। পৃথিবীর দরিদ্রতম দেশের একটা ওই আরব অঞ্চলেই। ইয়েমেন দেশকে যদি আপনারা এরাবিয়ান পেনিনসুলার অংশ হিসেবে মেনে নেন তবেই, না মানলে আপনার ইচ্ছা।

বহুবিধ পন্থা, নানা তন্ত্রমন্ত্র ও আদর্শগত ভ্রম এবং ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ



ডানপন্থী, বামপন্থী, জামাতি, বামাতি, উগ্রপন্থী, জঙ্গীবাদী, আস্তিক, নাস্তিক, মুক্তমনা, সনাতনী, হেফাজতী, নারীবাদী, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র, পুরুষতন্ত্র, জাতীয়তাবাদী, চেতনাবাদী, মানবতাবাদী এইসব নানান শব্দ এখন অনলাইনে কমন, বহুবিধ ব্যবহার হয়। অনলাইনের কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে কোন কথা বলবো না, তাহলে মান ইজ্জত সব ফ্লোরে গড়াগড়ি খাবে নিজেরও। অন্যকিছু উগড়ানোর মত না পেলে আমিও তাতে জড়িত হই। আমার ফেসবুক এক্টিভিটির অর্ধেকই সেইসব নিয়ে। সাহিত্য নির্মল ব্যাপার হবার কথা, তবে সেখানেও আছে নানা ট্যাগ, দলাদলি, তেলবাজি, গ্রুপিং ইত্যাদি ইত্যাদি। বাপরে বাপ, অনলাইন জমানায় এসে অনেককিছু দেখলাম! অনলাইন প্রেম থেকে শুরু করে অনলাইন পরকীয়া, দলবদ্ধ ক্যাচাল থেকে সঙ্গবদ্ধ আক্রমণ, অনলাইন কেন্দ্রিক জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টা থেকে অনলাইন এক্টিভিটির কারণে জীবননাশের ঘটনা সহ নানান কিছুর সাক্ষী আমি নিজে, নিজের অভিজ্ঞতাও কম না!

স্বাধীনতার পরবর্তী অগ্রগতির স্বরুপ, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ!



দেশের অগ্রগতি নিরুপণের উপায় অতে পারে তখনকার একজন মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের সাপেক্ষে বর্তমানের একজন মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের তুলনা। সেই সাথে জীবনযাপনের নানাদিকের অগ্রগতির ব্যাপারস্যাপারও চলে আসবে। প্রধাণত আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে এবং জীবনযাপনের মানকে পাশে রেখে এক কথায় উত্তর দিলে বলতে হবে উন্নতি অনেকটাই, অগ্রগতি অনেক।

ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র, প্যান ইসলামিজম এবং বাংলাদেশের অবস্থান


ভারত ভাগের আগে পুরো উপমহাদেশে একমাত্র অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশের ক্ষমতাতেই মুসলিম লীগ ছিল, নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি। পাকিস্তান সৃষ্টির পেছনেও সবচেয়ে বড় অবদান ছিল বাংলার মুসলমানদের। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই সোহরাওয়ার্দি কলকাতা ত্যাগ করেননি। উনি হিন্দুদের দ্বারা কলকাতার মুসলমানদের উপর প্রতিহিংসামূলক আক্রমণের আশংকা করছিলেন, এবং সে কারণে মহাত্মা গান্ধী সহ অনেককে কলকাতায় অবস্থান করতে অনুরোধ করেন। তিনি এবং মহাত্মা গান্ধী একই ছাদের নীচে থাকা শুরু করেন যাতে করে উনাদের অনুসারীদের একইভাবে সৌহার্দ্য নিয়ে সহাবস্থানে থাকতে অনুরোধ করা যায়। মহাত্মা গান্ধীর এ ব্যাপারে বিখ্যাত উক্তি আছে, "Adversity makes strange bed-fellows,"

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 9 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর