নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ইস্টিশন মাস্টার

নতুন যাত্রী

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • জাহানারা নূরী
  • মোহাম্মদ আল আমীন
  • সজিব আহামেদ
  • সাগর সাহা
  • মাহবুব আলী
  • সাগর স্পর্শ
  • মীর মোহাম্মদ মামুন
  • শাহরিয়ার_খান_রাব্বি
  • শাহ্রিয়ার খান রাব্বি

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

সাবমেরিনের স্বপক্ষে আমার অবস্থান



***ডুবোজাহাজ নিয়া উড়া মতামত***

দেশী সাবমেরিন, তাও দুইটা! ভাবতেই ভাল্লাগে, আপনার লাগতেছে না? এইদেশের জনতার বড় একটা অংশ এখন বলতেছে এই সাবমেরিন দিয়া কী কী করা যাবে। উদাহরণ দেইঃ

১। এই সাবমেরিন দিয়া পানির তলায় ভ্রমণে যাওয়া যাবে, আন্ডারওয়াটার ক্রুজ হবে, ইয়াল্লা কী মজা, কী মজা! ভাবতেই এত্ত এত্ত ভাল্লাগতিছে। বাই দ্য ওয়ে, কাপল টিকেটের দাম কত? আমি হানিমুন সাবমেরিনে কত্তে চাই Biggrin

২। এই সাবমেরিনে রেস্তোরা খুইলা আন্ডার ওয়াটার ভোজের আয়োজন করা হবে, পর্যটক আকর্ষিত হবে, দেশের পর্যটন শিল্পের জন্য তা হবে বিশাল মাইলফলক। দেশে বিদেশি পর্যটকের আগমনের সংখ্যা লাখ থাইকা কোটির ঘরে পৌঁছাবে এই সাবমেরিন অভিজ্ঞতার আকর্ষণে।

৩। জেঃ জিয়ার খাল নেটওয়ার্কের নানা জায়গায় ফুস কইরা কুমিরের বদলে ভাইসা উঠবে সাবমেরিন। অভূতপূর্ব দৃশ্য হবে, নাঙ্গা বাচ্চাকাচ্চারা সাবমেরিনের পিঠে উইঠা লাফাবে। বড় হইয়া তারা গল্প করবে, আমাদের ছেলেবেলায় আমরা সাবমেরিনের পিঠে উইঠা লাফাইতাম।

৪। চাইনিজ সাব তো, তাই এই ১৬০০ কোটি টাকার ইস্পাত ৬ মাসের মধ্যে নিলামে উইঠা ৬ কোটি টাকার ভাঙ্গারি হিসেবে বিক্রি হইয়া বিশ্বরেকর্ড গড়বে।

থাক, আরও বেশি কথা না বাড়াই। বিনোদনের উপকরণের অভাব নাই দেশে। যেকোনো ননতুন টপিক নিয়া বিজ্ঞ মতামত পড়াও ব্যাপক বিনোদন। কিন্তু যাদের সাবমেরিনের বিপক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলি। যার জন্য আগে কিছু প্রিলিউড দরকার।

নারী দি বস !!



দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী। সংসদের পাতানো বিরোধীদলীয় নেত্রী কিংবা রাজপথে কোনো এক ঈদের পরে ক্রমাগত আন্দোলনের হুমকি দিয়ে যাওয়া শো পিস মহিলাটাও একজন নারী। আজব আমাদের দেশ, সংসদে স্পীকারও একজন নারী। মানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদে বকবক চালানোর সময় একজন নারীরই অনুমতি নিতে বাধ্য থাকবেন। মুখের উপর মাইক বন্ধ কইরা দিতে পারবেন। এতই যখন ক্ষমতা, তাইলে আলাদা নারী দিবসের দরকার কী? নারীর ক্ষমতায়ন দেইখা তো মনে হয় নারী অলরেডি ইজ দি বস...

মস্তিস্কে যখন ৭-১৪ বছর কিংবা ১ কোটির হিসাব, সর্বোপরি ৫৭ ধারা



ধরেন, আমি ভরদুপুরে মদ্যপান করিলাম, এরপর কারও উপর ঝাপাইয়া পড়লাম কিংবা মন খুইলা দুইটা খিস্তি দিলাম, বাংলাদেশের পেনাল কোডের ৫০১ নং ধারা অনুসারে শাস্তি হইলো ২৪ ঘন্টার কারাদন্ড কিংবা ১০ টাকা জরিমানা।

কিন্তু আমি যদি ঝাপাইয়া পড়ার হুমকী কিংবা ওই একই খিস্তি ফেসবুকে কারো ইনবক্সে দেই, তাইলে আইসিটি এক্ট অনুসারে শাস্তি হইলো ৭ থাইকা ১৪ বছরের কারাদন্ড কিংবা ১ কোটি টাকা জরিমানা কিংবা উভয়দন্ড।

কিংবা কাউরে যদি লাঠি দিয়া পিটাইয়া আহত করি, তাইলে বাংলাদেশের পেনাল কোডের ১৪৭ ধারা অনুসারে শাস্তি হইলো দুই বছরের জেল। কিন্তু আইসিটি এক্টের ৫৭ ধারা অনুসারে সহিংসতা উস্কাইতে নিলেও আপনার ওই একই শাস্তি। এই কথাগুলা মাথায় রাইখেন, ৭-১৪ বছর, এক কোটি।

পাগল এবং শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয় - (প্রসঙ্গঃ ইলেকশন কমিশন)



ম্যাডাম পিঙ্কি একসময় বলছিলেন, "শিশু আর পাগল ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ না।" বাটে পইরা উনার দল এবং শরীক জোটের প্রধান দাবী এখন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। নিরপেক্ষ ইসির এই ব্যাপারটাই হাস্যকর। গোলাপি ম্যাডামের কথার দাম দিতে গেলে ইসিতে বসাইতে হইতো পাগল অথবা শিশুদের। যাক, তাও ভালো যে সরকার উনার কথার মূল্য দেয় না। নাইলে কোনো স্বীকৃত পাগল নাইলে শিশুরে বসাইতে গিয়া ইতিহাস তৈরি কইরা ফেলতো আমাদের দেশ।

আজ বন্ধু দিবস নয়ঃ আলাদা করে বুঝি না নামাঙ্কিত দিবসের মানে



বন্ধুত্ব দিবসে নির্দিষ্ট করে রাখবার মতো কোনো ব্যাপার নয়, দিন তারিখের হিসেব করে বন্ধুত্ব হয় না। আমার বন্ধু সংখ্যা খুব কম, কিন্তু বন্ধুভাগ্য খুব ভালো। তাদের কেউ আমার এই আইডির কথা জানে না, এই তুচ্ছ পোস্ট পড়বার সম্ভাবনাও নেই, তাই লেখাটাও সহজ হয়ে গেল। কোথাও না কোথাও এই কথাগুলো না লিখে যেতে পারলে অপরাধ হতো।

মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী, ইমাম শেখের হঠাৎ চাকরি, একটি ঐতিহাসিক ভ্যান এবং অঢেল তেল



যখন কেউ গ্রামের বাড়ি যায়, তার ইচ্ছা করতেই পারে একটূ ঘুরে দেখতে, হেঁটে বেড়াতে। অনেক স্মৃতি থাকে আশেপাশে। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতেও ভালোলাগে। প্রতিটা স্বাভাবিক মানুষই তা করে। আর প্রধানমন্ত্রী এক কিলোমিটার হেঁটেছেন এটা কী এমন বিশাল ব্যাপার হয়ে গেল কে জানে? উনি পুকুরে নেমে দুটা ডুবও দিতে চাইতে পারতেন কিংবা বলতে পারতেন, আমি এক টাকার বাতাসা খাব। এইসবই একটা স্বাভাবিক মানুষের স্বাভাবিক আচরণ হবার কথা। এমন করলে এই স্বাভাবিক এবং তুচ্ছ মানবিক ব্যাপারস্যাপার নিয়ে চিল্লাচিল্লি করে তাকে আরও অতিমানবী, ভীনগ্রহের এলিয়েন বানিয়ে দেয়া হতো সম্ভবত। এইসব ঠিক না, একেবারেই ঠিক না...

মুভি লইয়া প্যাচালঃ Raees - রইস


একনজরে "Raees"

পরিচালকঃ রাহুল ঢোলাকিয়া

অভিনয়েঃ শাহরুখ খান, নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী এবং মাহিরা খান (মুখ্য চরিত্রে)

সঙ্গীতঃ আমার কেবল "জালিমা" গানটা ভাল্লাগছে। বাকীগুলা টাইনা গেছি। সানি আপার একটা ওল্ড রিমেক আইটেম সং-ও আছে।

আইএমডিবি রেটিংঃ 8.1/10 (7-7.5 এ নাইমা আসবে মনে হয় ধীরে ধীরে)
আমার রেটিংঃ 6.5/10

সরকারী চাকরীর অযৌক্তিক কোটা ব্যবস্থা এবং চাকরীতে আবেদনের বয়সসীমা প্রসঙ্গে



বাংলাদেশের সরকারী চাকরী এবং বিসিএস এর কোটার হিসাব নিম্নরুপঃ

মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ৩০%
নারী কোটা- ১০%
উপজাতি কোটা- ৫%
জেলা কোটা- ১০%
এর বাইরে প্রতিবন্ধী কোটা ১%।

দেখা যাচ্ছে যে মেধার চেয়ে কোটার প্রভাব বেশি। ৪৫% প্রার্থী মেধার মাধ্যমে যেতে পারবে সর্বোচ্চ, তবে সেখানেও টাকার খেলা, রাজনৈতিক বিবেচনা এবং স্বজনপ্রীতির কাজকারবার কারো অজানা নয়। বিএনপির আমলে পিলপিল করে ছাত্রদলের এবং জাতীয়তাবাদীরা ঢুকেছিলো, শিবিরের পোলাপানও বেশ ভালোই ঢুকে। এরপর আওয়ামী সরকারের আমলে নিরপেক্ষতা তো দুরের কথা, এই অবস্থার আরও অবনতি ছাড়া উন্নতি হয়েছে বলে কেউ দাবী করবে না।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদ্যপান্ত


বাংলাদেশের সংবিধানের মুলনীতিতে আছে,

"প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷"


বাংলাদেশের বর্তমান পতাকা

কিন্তু এটাই সবকিছু নয়। পতাকার ব্যাপারে নির্দিষ্ট আইন আছে, পতাকা উত্তোলন আর নামানোর নিয়ম আছে, ব্যবহার করবারও নিয়ম আছে, যা ভংঙ্গ করলে তা সংবিধান পরিপন্থী হবে।

হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল


জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 7 ঘন্টা 27 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 6:11পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর