নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ষঢ়ঋতু
  • এনেক্স
  • আরিফ ইউডি
  • গলা বাজ
  • হুসাইন
  • তারুবীর
  • অন্তরা ফেরদৌস
  • শেখ সাকিব ফেরদৌস
  • প্রাণ
  • ফেরদৌস সজীব

আপনি এখানে

আবু মমিন এর ব্লগ

স্বাধীনতা এক অলীক স্বপ্ন


স্বাধীনতাঃ

জগতে কোন স্বত্তাই স্বাধীন নয়। একক, গুচ্ছ, পুঞ্জ কিংবা চক্র কোন সত্তাই স্বাধীন নয়। জগতের প্রতিটি সত্তা পরস্পরের সঙ্গে এক অদৃশ্য সূতার বন্ধনে আবদ্ধ।

কোন মানুষ স্বাধীন নয়, কোন পরিবার স্বাধীন নয়, কোন সমাজ স্বাধীন নয়, কোন রাষ্ট্রও স্বাধীন নয়, পৃথিবীও স্বাধীন নয়। পৃথিবীতো অদৃশ্য সূতার বন্ধনে সৌর চক্রে আবদ্ধ। আর সোলার সিস্টেম সেটাওতো তার গ্যালাক্সির সঙ্গে বন্ধনযুক্ত!!!

আমাদের মহাবিশ্ব সেটিওতো অনিশ্চয়তার নিয়মে মাল্টিভার্সে সম্প্রসারিত_অনন্ত সংখ্যক মহাবিশ্বে বন্ধনযুক্ত!

পরিবেশ নৈতিকতাঃ ইকোলজিক্যাল ব্যালেন্স


ইকোলজিক্যাল ব্যালান্স

আপনি ও আপনার পরিবেশ। এই হলো আপনার ইকোসিস্টেম।

আপনি আপনার ইকোসিস্টেমের অংশ কিংবা সদস্য।

আপনার ইকোসস্টেমের ভারসাম্যতা বুঝা এবং সেমোতাবেক কাজ করা আপনার নৈতিক দায়িত্ব। এটা বুঝার মধ্যেই নিহিত আছে আপনার নৈতিকতা ও মানবতাবোধ।

আপনি পাহাড়কে ভালোবাসেন, নদীকে ভালোবাসেন, বনের পশু-পাখিকে ভালোবাসেন, বৃক্ষ-লতা-গুল্ম-ফুলকে ভালোবাসেন_সর্বোপরি প্রকৃতিকে ভালোবাসেন। কিন্তু কেন?

এই ভালোবাসার মধ্যেই নিহিত আছে আপনার নৈতিকতা ও মানবতাবোধ।

পুজা: একটি বিশেষ পাঠ


১.১ পূজা শব্দটি বিভিন্ন অর্থ জ্ঞাপক। পূজা মানে আত্মসমর্পন, শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন, উপাসনা, কাঙ্খিত বস্তু বা বিষয়ে প্রাপ্যতার আরাধনা ইত্যাদি।

১.২ ধার্মিক-অধার্মিক, আস্তিক-নাস্তিক-অজ্ঞেয়বাদী সবাই কমবেশী পূজারী। কেউ সাকারে, কেউ নিরাকারে পূজা করে। কেউ মূর্তি পূজক, অগ্নিপূজক কেউবা নিরাকার ঈশ্বরের পূজক ইত্যাদি ইত্যাদি।

মূর্ত কিংবা মূর্তি


মূর্ত কিংবা মূর্তিঃ

পড়লেই জানতে পারবে। জানলেই বুঝতে পারবে। বুঝতে চাইলেই মূর্তি চাই। মূর্তকে না জানলে অমূর্তকে জানা যায়না। দৃশ্যের জ্ঞান ব্যতীত অদৃশ্যের জ্ঞান সম্ভব নয়।

শিশুর বর্ন কিংবা অক্ষরের পরিচয় ঘটে ছবি থেকেই। আগে বস্তুর জ্ঞান, তারপর অবস্তুর জ্ঞান। যার বস্তুর জ্ঞান নেই, তার অবস্তুর জ্ঞানও নেই।

ঈশ্বর বলেন আর শক্তি কিংবা কার্য-কারন বলেন তা জানতে হলে আগে আপনাকে মূর্তকেই জানতে হবে।
মূর্ত থেকেই বিমূর্তের ধারনা জন্মে। আকার থেকেই নিরাকারের ধারনা জন্মে। কিছু আছে থেকে কিছুনাই এর ধারনা জন্মে।

আত্মউন্নয়নঃ ভালো লাগেনা


আত্মউন্নয়নঃ ভালো লাগেনা

ভালো লাগেনা!
ভালো লাগেনা!!
ভালো লাগেনা!!!

পারিপার্শ্বিক সবকিছু অনুকূলে থাকলেও কিংবা ভালোলাগার পর্যাপ্ত উপাদান ক্রিয়াশীল থাকা সত্ত্বেও একজন মানুষের মনে যখন ভালোলাগার অনুভূতি বিরাজ করবেনা তখন এই ভালো না লাগার অনুভূতিকে আমরা কি বলবো? ভালো না লাগার রোগ থেকে কি মুক্তির কোন পথ কি আমাদের জানা নেই? তবে কি তার ভালো লাগার অনুভূতি ভোতা হয়ে গেছে?

ভালো না লাগার অনুভূতির পেছনে কি কোন কার্যকারন নিহিত নেই? এর পেছনে রয়েছে শরীরের বিভিন্ন জৈব-রাসায়নিক ক্রিয়া-তৎপরতা। শরীরের অন্ত:ক্ষরা গ্ল্যান্ড সমূহ এই ভালো না লাগার অনুভূতিকে জিইয়ে রাখছে।

সত্য কি?


মানুষ তার অস্তিত্বের প্রশ্নে, তার কর্ম কৌশল নির্ধারন করতে গিয়েই তার চিন্তা জগতের পরিবর্তন শুরু হয়। সঠিকভাবে চিন্তা করে জ্ঞানের শুদ্ধ রুপ পেতে সৃষ্টি হলো দর্শনের। দর্শন আমাদের সুশৃংলভাবে চিন্তা করা শিখালো। আমারা পেলাম জ্ঞানের অধিকতর শুদ্ধরুপ। মানুষ অর্জন করলো বিশেষ জ্ঞান। সৃষ্টি হলো বিজ্ঞান। জ্ঞানের শুদ্ধতম রুপই হলো বিজ্ঞান।

বৈপরীত্যের সহাবস্থান


১.১ দুই বিপরীতের সহঅবস্থানই প্রকৃতির স্বাভাবিক স্পন্দন।

১.২ বিপরীতের পরস্পর অসহঅবস্থান মানেই ধ্বংস, মৃত্যু কিংবা বিশৃংখলা।

১.২ দেহ ও মনের পারস্পারিক সহঅবস্থান মানেই জীবন। আর অসহঅবস্থান কিংবা বিচ্ছিন্নতা মানেই মৃত্যু।

১.৩ প্রোটন ও ইলেকট্রন দুই পরা ও অপরা শক্তি মুক্ত বা বিচ্ছিন্ন না থেকে পরস্পর সহঅবস্থান করেই পরমানু গঠন করে_ আবদ্ধ হয়ে বস্তু গঠন করে। যদি পরা ও অপরা শক্তিদ্বয় পারস্পরিক সহঅবস্থানে না থেকে মিথোষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহন করত তবে তারা ধ্বংস হয়ে যেত_বস্তু জগত সম্ভব হতনা।

ঈশ্বরঃ আস্তিকতা,নাস্তিকতা,অজ্ঞেয়বাদীতা এবং ঈশ্বরের দার্শনিক ব্যাখ্যা


গভীর ভাবনায় আস্তিকতা ও নাস্তিকতাঃ

১.১ কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে আপনি কি আস্তিক? আমি নিরব থাকি। আবার কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে আপনি কি নাস্তিক? তখনও আমি নিরব থাকি। কারন তখন আমার মনে প্রশ্ন জাগে প্রশ্নকারী আস্তিক, নাস্তিক বলতে কি বুঝেন তা আগে আমার জানা দরকার। অধিকন্তু "অজ্ঞেয়বাদী" শব্দটিতেও একেকজন একেক অর্থ বহন করে। অতএব, আস্তিক, নাস্তিক কিংবা অজ্ঞেয়বাদী প্রশ্নে আমার নিকট এক কথায় হ্যাঁ, না কোন জবাব নেই।

কার্য-কারন সম্পর্ক ও ভবিষ্যদ্বাণী


১.১ জগতের ঘটনা সমূহের মধ্যে কার্য-কারন সম্পর্ক আছে বলেই আমরা জগতকে বুঝতে পারি। কার্য-কারন সম্পর্ক ব্যতীত আমরা জগতকে বুঝতে পারিনা।

১.২ জগতে একই ঘটনা বার বার ঘটেন। তবে সদৃশ কিংবা প্রায় অনুরুপ ঘটনা বার বার সংঘটিত হয়। জগতে সদৃশ ঘটনার অনুক্রমিতায় সদৃশ ঘটনা বার বার সংঘটিত হয়। অর্থাৎ অনুরুপ ঘটনাচক্র বার বার সংঘটিত হচ্ছে। ঘটনাচক্রের যে ঘটনা আগে ঘটে তাকে আমরা পরের ঘটনার কারন বলি। এবং পরের ঘটনাকে আগের ঘটনার কার্য বলে।

১.৩ কার্য-কারন সম্পর্ক মূলত আরোহের নীতিতেই প্রতিষ্ঠিত। সাদৃশ্যপূর্ন ঘটনার পুরাবৃত্তিই আমাদেরকে কার্য-কারন নিয়মে বিশ্বাসী করে তুলে।

আমরা সবাই কমবেশি আস্তিক কিংবা বিশ্বাসী


"শূন্য" এবং "অসীম" হলো বিজ্ঞান ও গনিতের ঈশ্বর। শূন্য ও অসীমের রুপ ভেদেই জগতের সৃষ্টি। কোয়ান্টাম শূন্যতায় কোয়ান্টাম ঘটনা প্রবাহে কোয়ান্টাম ফ্লেক্সুয়েশনের মাধ্যমে জগতের সকল ভর-শক্তি-কনা-তরঙ্গের সৃষ্টি। শূন্যই জগতের মূল এবং উৎস। শূন্য যখন অসীম রুপে মুক্তি পায় তখনই জগতের সৃষ্টি! শূন্য ও অসীমকে বুঝতে পারা মানে ঈশ্বরের মনকে বুঝতে পারা। ধর্মীয় ঈশ্বরের সাপেক্ষে যাঁরা নাস্তিক তারাই মূলত শূন্য নামীয় ঈশ্বরের সাপেক্ষে আস্তিক। ধর্মবিরোধী সকল বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী আস্তিক( ধর্ম সাপেক্ষে নাস্তিক)গন এই দলভূক্ত আস্তিক! হাঁ এই প্রকারের আস্তিকগন বিশ্বাস করেন যে, শূন্যই জগতের উৎস।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আবু মমিন
আবু মমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 2 ঘন্টা 49 min ago
Joined: রবিবার, মে 1, 2016 - 9:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর