নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনিন্দ্য
  • নুর নবী দুলাল
  • আরণ্যক রাখাল
  • রুদ্র মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

আবু মমিন এর ব্লগ

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৭ঃ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়, মানব মস্তিষ্ক, ধ্যান ও জ্ঞান


আমরা সাধারনত ইন্দ্রিয় বলতে পাঁচটি ইন্দ্রিয়কে বুঝি, যথা_চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বক_এগুলো যথাক্রমে দর্শন, শ্রবন, ঘ্রান, স্বাধ ও স্পর্শ ইন্দ্রিয়। এগুলোর মাধ্যমে আমরা জগতকে বুঝে থাকি।
আমরা যখন ঘুমাই তখন প্রায় সকল ইন্দ্রিয়ই সাধারনত নিষ্ক্রিয় থাকে। কিন্তু তখনও আমাদের দেহ কাজ করে, মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে যে তথ্য বা তথ্যসমূহ মস্তিষ্করূপ জৈবিক কম্পিউটারে ইনপুট হয় তা মস্তিষ্ক প্রক্রিয়াজাতকরন করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। মানব শরীরে যেহেতু জড়ীয় সত্তাও বিদ্যমান সেহেতু শরীর কিংবা মস্তিষ্কের অচেতন ক্রিয়া সম্পর্কে আমরা সচেতন নই। মস্তিষ্কের অবচেতন ক্রিয়া সম্পর্কেও আমরা সরাসরি সচেতন নই।

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৬ঃ বাস্তবতা কি?


জগতে যেমন পর্যবেক্ষণযোগ্য,ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য এবং অথবা পরিমাপ্য ও নির্নয়যোগ্য বস্তু/সত্তা/বিষয়ের অস্তিত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি অপর্যবেক্ষণযোগ্য অইন্দ্রিয়গ্রাহ্য,অপরিমাপ্য ও অনির্নেয় সত্তা কিংবা বিষয়ের অস্তিত্বও সমভাবে স্বীকার্য্য। উচ্চতর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের গানিতিক সমীকরন গুলো শেষোক্ত সত্তার অস্তিত্বের অনুমোদন দেয়।

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৫ঃ বিশ্বাসের ভৌত প্রভাব


বিশ্বাসের ভৌত প্রভাবঃ

১.১ মানুষের মস্তিষ্ক দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী নিয়মে চলেনা। মানুষ চালিত হয় মস্তিষ্করূপ জৈবিক কম্পিউটারে প্রোগ্রামিত কতগুলো বিশ্বাস দ্বারা।

১.২ মধ্যযুগে ইউরোপে ডাইনিতে বিশ্বাস ছিল বলেই সেখানে হাজারহাজার নারী অপমৃত্যুর শিকার হয় যদিও উইচ কিংবা ডাইনির কোন অস্তিত্ব নেই। "অস্তিত্বহীন ডাইনি বিশ্বাস"ই হাজার হাজার নির্দোষী নারীর মৃত্যুর কারন ছিল। এটা অপবিশ্বাস,এটা বিশ্বাসের ভাইরাস!

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৪ঃ প্রাকৃতিক আইন বনাম পদার্থবিজ্ঞানের আইন


প্রাাকৃতিক আইন বনাম পদার্থবিজ্ঞানের আইনঃ
.......................................................................
আমদের মহাবিশ্বের প্রাকৃতিক আইন আর পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র/নিয়ম/আইন কি একই আইন?

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৩ঃ শূন্য থেকে মহাবিশ্ব


শূন্য থেকে মহাবিশ্ব

০.০ শূন্য কি আমরা জানিনা! অসীম কি তাও আমরা জানিনা! ঈশ্বর কিংবা ব্রহ্ম কি তাও জানিনা! প্রথমোক্ত দুটি চিন্তা গানিতিক চিন্তন থেকে উদ্ভূত যা গনিত কিংবা পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত যদিও শূন্য ও অসীম চিন্তন দর্শনেরও বিষয়। আর ঈশ্বর কিংবা ব্রহ্ম চিন্তা ধর্ম ও দর্শনের প্রত্যয়।

দুইটি নৈতিক বানীঃ ১. অহিংসা পরম ধর্ম ও ২.জীব হত্যা মহাপাপ


১) অহিংসা পরম ধর্ম। ২) জীব হত্যা মহাপাপ।
__বুদ্ধ

১.১ মানুষ হলো এক কোষী প্রানী/জীব এরই বিবর্তিত কিংবা ক্রমবিকশিত রুপ।

১.২ অতএব, এক কোষী জীবও ক্রম সংকোচিত একজন বুদ্ধ মানব।

১.৩ জগতের প্রতিটি সত্তা জড়-অজড় কিংবা জীব-অজীব প্রত্যকই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক আন্ত:জালিক বন্ধনে আবদ্ধ। প্রতিটি সত্তাই(জড়, জড়-কনা, জীব, অনুজীব) একে একটি পয়েন্ট।একে বলা যেতে পারে জগতের নেটওয়ার্ক যা জগৎরূপ সুবিশাল মহা কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত।

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-২


কেউ এখন দর্শন নিয়ে পড়ালেখা করতে চায়না। সবাই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা পেশাদার বিজনেজম্যান হওয়ার শিক্ষা অর্জন করতে চায়। সমাজ সেবা নয়, সবার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য টাকা উপার্জনের জন্যে পড়া-লেখা করা। আরেক শ্রেনীর উদ্দেশ্য ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করা। মনে হয় ধর্ম নিয়ে খুব কম পড়াশোনা করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
পড়ালেখার মধ্যে ঢুকে গেছে কমার্শিয়াল চিন্তা। জ্ঞানার্জন নয়, যে বিষয়ে পড়াশোনা করলে চাকুরির বাজার ভালো সে বিষয়ের প্রতি ঝুকে পড়ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকগন।

অথচ জ্ঞানের প্রতি যার অনুরাগ তার দর্শন পড়ার কথা। দর্শন অন্যের মতের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-১


১.১ মানব ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় উৎপত্তির দিক থেকে ধর্ম আগে, দর্শন পরে, বিজ্ঞান তারও পরে।

১.২ ধর্মের প্রাথমিক সংজ্ঞা হলো অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস এবং তাকে ঘিরে আচার-অনুষ্ঠানই ধর্ম।

১.৩ সমাজ পরিবর্তন ও মানুষের জ্ঞানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধর্মেরও বিবর্তন ঘটে এবং ঘটে চলছে।

১.৫ ধর্মে অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাসের সঙ্গে পুজা-অর্চনা-অনুষ্ঠানও যুক্ত হয়।

জ্যামিতির কয়েকটি ভিন্ন পাঠ


জ্যামিতির ভিন্ন পাঠ-১

বৃত্ত একটি বহুভুজ যার বাহুর সংখ্যা অসীম যেখানে বৃত্তের পরিধির প্রতিটি বিন্দুই একেকটি বাহু।

জ্যামিতির ভিন্ন পাঠ-২

বৃত্তের ব্যাসার্ধের বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিধির বক্রতা হ্রাস পায়। অতএব অসীম ব্যাসার্ধের বৃত্তের পরিধি একটি সরলরেখা।
অন্যভাবে বলা যায় অসীম ব্যাসার্ধের বৃত্তের পরিধির যে কোন অংশকে সরলরেখা বলে।

জ্যামিতির ভিন্ন পাঠ-৩

বুদ্ধ দর্শনের শূন্যবাদঃ


বুদ্ধের শূন্যবাদ/আপেক্ষিকবাদ:[The madhamika School of Sunyavada]

১.১ বুদ্ধ ধর্মের অন্যতম অনুসারী মাধ্যমিক সম্প্রদায়ের প্রবর্তক সুপ্রসিদ্ধ বৌদ্ধ দার্শনিক নাগার্জুন। মাধ্যমিক সম্প্রদায়ের দার্শনিক মতবাদই হলো শূন্যবাদ যার অপর নাম আপেক্ষিকবাদ( The theory of relativity).এই শূন্যবাদ অনুসারে সবকিছু শূন্য।

১.২ এই শূন্যবাদ অনুসারে, জড় জগত ও মনোজগত সবই মিথ্যা। নাগার্জুনের এই শূন্যবাদ বুদ্ধের প্রতীত্য সমুৎপাদ, যে মতাবাদ অনুসারে সবকিছু শর্তাধীন তা থেকে নিঃসৃত।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

আবু মমিন
আবু মমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 3 ঘন্টা 57 min ago
Joined: রবিবার, মে 1, 2016 - 9:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর