নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম সৈকত এর ব্লগ

আনন্দ উৎসব থেকে সমকামী যুবক গ্রেফতার: মানবাধিকারে ওপর চপেটাঘাত!


গত ১৮ মে ২০১৭ ইং তারিখ দিবাগত রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি কমিউনিটি সেণ্টারে অনুষ্ঠিত আনন্দ সমাবেশ/উৎসব থেকে ২৭ জন সমকামী যুবক গ্রেফতারের ঘটনায় যৌন প্রবৃত্তিগত সংখ্যালঘু সমকামী সম্প্রদায় আজ বড় বেশী উদ্বিগ্ন। যদিও কৌশলে আইনশৃংখলা বাহিনী তাদের দণ্ডবিধির ৩৭৭ নং ধারায় গ্রেফতার না দেখিয়ে মাদক দ্রব্য রাখার অপরাধে গ্রেফতার দেখিয়েছে, যেন কেউ প্রশ্ন করলে তাদের সমকামীতার অপরাধে নয়, আর দশটি নিয়মিত অপরাধে গ্রেফতার করেছে বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংঠন এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও দেশসমূহকে ঘোড়াবুঝ দিতে পারে!

সমকামী ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠায় যোগযাকার্টা প্রিন্সিপলস!


জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণাপত্র ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক কভিন্যান্টের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে সকল রাষ্ট্রের শুধুমাত্র যৌন প্রবৃত্তি ও লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের হাত থেকে সকল নাগরিকের সুরক্ষা প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ব্যবস্থার মাধ্যমে যৌন প্রবৃত্তি ও লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে মানবাধিকার লংঘনের প্রতিকার সাধনে অসামঞ্জস্য ও অপর্যাপ্ততা লক্ষ্য করা যায়।

সমকামী ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠায় যোগযাকার্টা প্রিন্সিপলস


শুধুমাত্র যৌন প্রবৃত্তি ও লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা সারা বিশ্বে আজ গুরুত্বর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যৌন প্রবৃত্তি ও লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার, যৌন নির্যাতন ও ধর্ষন, গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ, স্বেচ্ছাচারী আটক, চাকুরী ও শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যসহ অন্যান্য মানবাধিকার উপভোগে গুরুত্বর বৈষম্য এখন নৈমত্তিক ব্যপার। এ সকল মানবাধিকার লংঘন, ঘৃনা, বৈষম্য ও বর্জন প্রায়শ জাতি, বয়স, ধর্ম, অক্ষমতা, বা অর্থনৈতিক, সামাজিক বা অন্যান্য অবস্থা অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। বিশ্বের অনেক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রথা, আইন ও জুলুমের দ্বারা ব্যক্তির উপর লিঙ্গ ও যৌন প্রবৃত্

দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা: সংবিধানের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী!



আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আইন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান, যা ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত আর পাঁচ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সংবিধান আমাদের কাছে মহান এবং অনেক পবিত্র একটি আইন গ্রন্থ,যা লংঘন করা জাতির অস্তিত্বকে অস্বীকার করার সমতুল্য একটি অপরাধ।

এই বাংলাদেশ-ই-কি আমরা চেয়েছিলাম!


স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও আজ আমরা যেন পরাধিনতার শিকলে আবদ্ধ। এখনো প্রতিনিয়ত ভুলন্ঠিত হচ্ছে মানবতা। প্রতিটি সেক্টরে চলছে ঘুষ, দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার, শোষন, বৈষম্য আর নির্যাতন। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে গুম, খুন আর নির্যাতন যেন নিত্য নৈমত্যিক ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিগত বছরগুলোর খতিয়ান দেখলে একথা নি:সন্দেহে বলা যায় যে দিনে দিনে দেশের আইনশৃংখলা আর মানবাধিকার পরিস্থিতির শুধু অবনতিই হয়নি চরম আকার ধারন করেছে।

জাত গেল জাত গেল…


জাত গেল জাত গেল……….গানটি প্রখ্যাত গীতিগুরু লালন শাহ্ সমাজে যাদের প্রতি বৈষম্য দৃষ্টিগোচর হওয়ায় আজ থেকে বহু বছর আগে বিবেকের তাড়নায় লিখেছিলেন, সমাজের সেই অস্পৃশ্য দলিত শ্রেনীর মানুষ আজ এই একাবিংশ শতাব্দীতে এসেও তার প্রতিবেশী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্রসহ সকল জায়গায় বৈষম্যের শিকার হয়ে চলেছে। সরকারের অনেক অর্জন ও ভাল অনুশীলনের মধ্যেও দলিতদের প্রতি বৈষম্য বিলোপ এবং সংবিধান সংরক্ষিত মানবাধিকারসমূহের নিশ্চয়তা প্রদানে বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত তেমন কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি। বেশ কিছু বাঁধা ও চ্যালেঞ্জ দলিত সম্প্রদায়ের অধিকার ও মৌলিক মানবাধিকার উপভোগের সমসুযোগ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বির

কোনটি বেশি লজ্জার?


গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ এলাকার সাঁওতাল-অধ্যুষিত মাদারপুর ও জয়পুর গ্রামে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার প্রত্যক্ষ ইন্ধনে পুলিশ ও স্থানীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক আদিবাসী কৃষককে গুলি করে হত্যা, বাড়িঘরে লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ ও বসতবাড়ী থেকে জোড়পূর্বক উচ্ছেদের ঘটনার ১ মাস ৬ দিন পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক মহোদয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল সরেজমিনে প্রিদর্শন করে আদিবাসীদের ওপর অন্যায় হয়েছে বলে তিনি দেখতে পেয়েছেন।

দলিতের প্রতি বৈষম্যের কি কোন প্রতিকার নেই?


অধিকাংশ মানবশিশু অসীম সম্ভাবনা নিয়ে জন্ম গ্রহন করে। এমন কি গড়ীব পরিবারে যে শিশু জন্ম গ্রহন করে সেও তার পিতা মাতার আর্থিক অবস্থার চেয়ে উন্নতর অবস্থা অথবা অন্তত তা থেকে অন্য অবস্থায় জীবন ধারনের স্বপ্ন দেখার অধিকার রাখে। কিন্তু বাংলাদেশের দলিত পরিবারের সন্তানের ক্ষেত্রে সে স্বপ্ন আকাশ কুসুম কল্পনা বলে মনে হয়। যদি কোন শিশুর পিতা ঝাড়ুদার হয় তবে সে শিশুটিও যে বড় হয়ে ঝাড়ুদার হবে এটাই যেন কার চরম নিয়তি। তেমনি নাপিতের ছেলেকে বড় হয়ে নাপিত এবং মুচির ছেলেকে বড় হয়ে মুচি হিসেবে দেখতে পাবেন।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

অ্যাডভোকেট শাহা...
অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম সৈকত এর ছবি
Offline
Last seen: 4 months 1 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 24, 2016 - 11:00পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর