নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নাসিম হোসেন
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক

নতুন যাত্রী

  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র

আপনি এখানে

ইরফানুর রহমান রাফিন এর ব্লগ

অমিতাভ রেজা চৌধুরীর আয়নাবাজিঃ বিদীর্ণ দর্পনে মুখ


বৃষ্টির ভেতরে বসে একটি ছেলে অঝোরে কাঁদছে। ছেলের নাম আয়না। সে তার মায়ের জীবন বাঁচাতে পারে নি।

স্বদেশী আন্দোলনের মূল্যায়নে রবীন্দ্রনাথ কি ভুল করেছিলেন?


কৈফিয়তঃ স্বদেশী আন্দোলনের পক্ষে বিপক্ষে মেলা যুক্তি শুনেছি, এর দু দিকেই আবার আছে অনেক ফেরকা, সরলভাবে ইতিহাস জিনিশটা জানা যায় না সম্ভবত। এ বিষয়টা অনেকদিন ধরে আমার মাথা কামড়াচ্ছে। মাথায় নতুন চিন্তা আসলে শেয়ার করার জন্য পাগল হয়ে যাই, অপরাধ কবুল করছি, এই লেখাটা আমি এক বৈঠকে লিখে ফেলেছি।

পটভূমি

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বনাম সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন


২০১৩র সেপ্টেম্বরে সুন্দরবন লংমার্চে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিলো, কখনো হয়তো সেই স্মৃতিচারণ করা যাবে। এবার যেতে পারলাম না আম্মার অসুস্থতার কারণে। মার্চ ১০ ২০১৬ থেকে শুরু হওয়া জাতীয় কমিটির চারদিন ব্যাপী জনযাত্রার সহযোদ্ধাদের সাথে হৃদয় থেকে সংহতি প্রকাশ করছি। ঘরে বসে সর্বোচ্চ যেটা করতে পারি আমি, সুন্দরবন নিয়ে সরকার আসলে কি করছে, সে সম্পর্কে যাঁদের এখনো সুস্পষ্ট কোনো ধারণা নেই অথবা সরকারি অপপ্রচারে যাঁরা বিভ্রান্ত হয়ে আছেন তাঁদের জ্ঞাতার্থে কিছু লিখতে পারি।

একটি আষাঢ়ে গল্প


“মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” অগণতান্ত্রিকভাবে ‘৭২এর সংবিধান প্রণয়ন করেছিলো। “মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” ‘৭৩এর ইলেকশনে ভোট ডাকাতি করেছিলো। “মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” ‘৭৩এর নববর্ষে ছাত্র ইউনিয়নের ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী মিছিলে গুলি চালিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজনকে ছাত্রকে হত্যা করেছিলো। “মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” ‘৭৪এর দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিলো যাতে ১৭৭০ আর ১৯৪৩এর মতোই অগণিত মানুষ না খেয়ে মরে যায় আর তৎকালীন হোটেল ইন্টারকনটিনেন্টালের একটু দূরেই হাড়হাভাতে মানুষরা ছাপড়া তৈরি করে থাকে। “মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” ‘৭৪র মাঝামাঝি (জুন ৩০, ১৯৭৪) সরকারসৃষ্ট দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে হরতাল ডাকার অপরাধে মৌলানা ভাসানিকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইলের সন্তোষে রেখে এসেছিলো আর শেষদিকে (ডিসেম্বর ২৮, ১৯৭৪) ইমার্জেন্সি জারি করেছিলো। “মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” ‘৭৫এর নববর্ষে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির নেতা ও কমিউনিস্ট মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ সিকদারকে এক্সট্রা-জুডিশিয়ালি খুন করেছিলো। “মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি আওয়ামি লিগের ভেতরে ঢুকে শেখ মুজিবকে বিব্রত করার জন্য” রক্ষীবাহিনী ও বাকশাল গঠন করেছিলো।

একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়ঃ প্রবেশিকা


“পূর্ব পাক ইসলামী ছাত্র সংঘের নবনিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক মীর কাশেম আলী তার বক্তৃতায় বলেন, পাকিস্তানীরা কোন অবস্থাতেই হিন্দুদের গোলামি করতে প্রস্তুত নয়। তিনি বলেন আমরা শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও দেশের ঐক্য ও সংহতি অক্ষুন্ন রাখবো। সমাবেশ শেষে এক জঙ্গি মিছিল বাহাদুর শাহ পার্কে শেষ হয়।” (দৈনিক সংগ্রাম, নভেম্বর ০৮ ১৯৭১) [পৃষ্ঠা ১২১]

শাহবাগসমগ্র


"কে যেনো প্রাচীর থেকে ডেকে ওঠে, যোশেফ, যোশেফ!
রাজার স্বপ্নের মানে বলে দেবে তুমিই সে-লোক?
না আমি যোশেফ নই, না জানি না ফ্যারাও কে, স্রেফ
নিজেরই রক্তের দাগে লাল করে রেখেছি দুচোখ..."

উৎসর্গ
ইমন জুবায়ের
বাংলা ব্লগের প্রাণরসায়নঃ অন্ত্যজ বাঙালি, আতরাফ মুসলমান

ফেব্রুয়ারিঃ আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুন হব

০৫

যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশঃ স্বপ্নভঙ্গের সূচনালগ্নের এক ধূসর পাণ্ডুলিপি


ইংরেজিতে কথা আছেঃ Morning shows the day. অর্থাৎ দিনটি কেমন যাবে সকালেই জানা যায়। একটি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও নিশ্চয়ই এই কথাটি প্রযোজ্য। কেমন ছিলো বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের প্রথম বছরগুলো? এই প্রশ্নের জবাব পেতে বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন। যা আজ অবধি হয় নি বলেই জানি। তবে গবেষণার জন্য যে ঐতিহাসিক তথ্যউপাত্ত লাগে, তা পাওয়া যাবে সেই সময়ের কিছু সংকলনে, বদরুদ্দীন উমরের যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ তেমনই একটি অতুলনীয় প্রবন্ধ সংকলন।

Turkey's Reaction: For Your (Fascinated) Eyes Only


Some quick points on Turkey's reaction regarding the recent death penalty of war criminal Matiur Rahman Nizami:

1. I am no nationalist, I refuse to join the jingoist bandwagon against 'the Turkish nation' as a whole for a specific diplomatic crime of the AKP government. Mr. Erdogan is Nizami's brother in ideology. Justice and Development Party of Turkey, Muslim Brotherhood of Egypt and Syria, and Jamaat E Islami of Bangladesh share the same political belief.

2. I love Turkish poet Nazim Hikmet's poems. I love Turkish writer Orhan Pamuk's novels. Without any apology.

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

ইরফানুর রহমান রাফিন
ইরফানুর রহমান রাফিন এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 11 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, এপ্রিল 12, 2016 - 9:38পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর