নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • শহরের পথচারী
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • অলীক আনন্দ
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • তা ন ভী র .
  • কেএম শাওন
  • নুসরাত প্রিয়া
  • তথাগত
  • জুনায়েদ সিদ্দিক...
  • হান্টার দীপ
  • সাধু বাবা
  • বেকার_মানুষ
  • স্নেহেশ চক্রবর্তী
  • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

আপনি এখানে

ইরফানুর রহমান রাফিন এর ব্লগ

লিপস্টিক ফ্যাসিজম / সামান্থা মিলার


ছবিঃ লানা লকতেফ, সুইডেনের স্টকহোমে একটি আইডেনটারিয়ান আইডিয়াজ কনফারেন্সে

যখনই তারা [দি লেফট] আলট্রা-রাইটের ব্যাপারে কথা বলে, তারা এমনভাবে কথাটা বলে যেনো স্রেফ বেইজমেন্টে থাকা কিছু ব্যাটাছেলের ব্যাপারে কথা বলছে। তারা সংযুক্ত করে না যে এই লোকগুলার বৌ আছে — সমর্থনশীল বৌ, যারা এইসব মিট-আপ আর কনফারেন্সে যায় — যারা সেখানে আছে — সুতরাং আমি মনে করি ডানপন্থী নারীদের জন্য নিজেদেরকে প্রদর্শন করা খুব ভালো। আমরা আছি এখানে। তোমরা ভুল। - লানা লকতেফ, রেড আইস টিভির কো-হোস্ট

মানুষের গল্পঃ ইজরায়েলি ফিল্মমেকার উদি আলোনির ফরগিভনেস


ইজরায়েলি ফিল্মমেকার উদি আলোনির একটা সিনেমা আছে। সিনেমার নাম ফরগিভনেস। একটা বিশেষ কারণে এই সিনেমাটা আমার প্রিয়, কারণটা এখন বলবো না, আমি সেটা বলবো এই লেখার শেষদিকে।

ইতিহাসের ভয়ংকরতম পারফরমেন্সঃ মারিনা আব্রামোভিচের রিদম জিরো


মারিনা আব্রামোভিচকে পারফরমেন্স আর্টের গ্র্যাণ্ডমাদার বলা হয়। এটা অতিকথন নয়। ৪০ বছর ধরে এই যুগোশ্লাভ আর্টিস্ট চিন্তা উসকানো ইন্টারঅ্যাকটিভ ইন্সটলেশন মঞ্চস্থ করে চলেছেন।

তার সবচে ভয়ংকর কাজ ছিলো ছয় ঘণ্টা ধরে চলা রিদম জিরো, যা ইতালির নেপলসএ, মঞ্চস্থ হয় ১৯৭৪এ। এই কাজটা মানুষের মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যে বা যারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না, চুপচাপ সহ্য করে, তাঁদের পরিণতি প্রতীকীভাবে প্রকাশ পেয়েছে এই কাজে।

ঈপ্সিতার জন্য রূপকথা


এক দেশে ছিলো, মেয়ে, রাজকন্যা এক
সে কেমন বুঝতে তোর আম্মুকে দ্যাখ
আমি তাকে ছুঁয়ে গেছি পশুরের জলে
সুন্দরী বৃক্ষের পাশে রাত্রির কাজলে
নাম তার ইরাবতি, সাকিন দক্ষিণ
যে আমার নাম দিয়েছিলো অর্বাচীন

আমি তো ভেবেছি পাবো চিরকাল তাকে
যেভাবে বৃষ্টির ফোঁটা মাটি ছুঁয়ে থাকে
যেভাবে শৈশব কাটে হাওয়াই স্যাণ্ডেলে
তেমনি ভেবেছি তাকে পাবো অন্ত্যমিলে

তারপর সংবাদ এলো একদিন হঠাৎ
বানিয়ার দল এসে গেছে অকস্মাৎ
গরিবের বৌ নাকি সকলের ভাবি
দুঃখটুঃখ করলো বলে আমরা অভাবী
উন্নয়ন করতে দেবে স্বল্পসুদে ঋণ
হাসিমুখে বললো সেই বেহায়া প্রাচীন

নির্জন সাক্ষর - ।১।২।৩।


১.

লালমাটিয়ায় একজন সাবেক সচিবের বাসায় উঠলাম আমরা। কয়েক মাসের জন্য। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই, কৈশোর কাটিয়েছি যে মফস্বলে সেখান থেকে ঢাকায় এসে কোচিং করা কঠিন। লালমাটিয়া থেকে ওমেগা কাছেই, এই কারণেই স্থানান্তর। বাসাটা বাবার বন্ধুর, তিনি অবশ্য অনেক বছর আগেই মরে গেছেন, সেখানে তাঁর স্ত্রী থাকেন তাঁর দুই কন্যাসহ। ভদ্রমহিলার পুত্রসন্তান নেই, কন্যাদের একজন বয়সে আমার চেয়ে অনেক বড়ো আর অন্যজন অনেক ছোটো, তাই তিনি নিশ্চিন্তে একটি আঠারো-বছর-বয়সী ছেলে আর তার মাকে আশ্রয় দিয়ে চিরকৃতজ্ঞ করেছেন। আমাদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে বাসার একটি ঘর।

যে মেয়েরা বিয়ে করতে যাচ্ছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে


(লেখাটি ফেসবুকে পূর্বপ্রকাশিত)

১। অতি মাত্রায় সংবেদনশীল হলে বিয়ে করবেন না।

২। আত্মমর্যাদাবোধ অত্যন্ত প্রখর হলে বিয়ে করবেন না।

৩। মেরুদণ্ড যদি টানটান হয় বিয়ে করবেন না।

৪। বিয়ে করলে শুধু ছেলে দেখে করবেন না। ফুল ফ্যামিলি দেখবেন। এই দেশে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া সব পরিবারই একান্নবর্তী, যাঁরা একসাথে থাকেন না, তাঁরাও।

ইউফোরিয়া


পার্পল সানসেটঃ যুদ্ধের বিরুদ্ধে মানুষের ভালোবাসার গল্প


জাপানি ইম্পেরিয়াল আর্মির ফ্যাসিস্ট সৈন্যরা তার চোখের সামনে তার বৃদ্ধ মাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে। সে যেই মিলিটারি ক্যাম্পে বন্দী ছিল, সেখানে মানুষের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার করার পর, তাদের লাশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেয়া হত। একবার এক লোক জীবিত আছে, এটা টের পাওয়ার পর জাপানি ফ্যাসিস্ট সৈন্যরা তাঁকে জীবিত অবস্থাতেই বস্তায় ভরে বস্তাটায় আগুন ধরিয়ে দেয়, তারপর আর্তনাদ করতে থাকা লোকটার নরকযন্ত্রণা উপভোগ করতে করতে হাসতে হাসতে বস্তার সাথে ডিনামাইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়।

ভালোবাসার গল্প নয়


গল্প নং এক. প্রেসনোট

ছেলেটাকে আমরা একটা নির্জন মাঠে নিয়ে গেলাম। মাঠের পাশে নদী। কুলকুল বাতাস বইছে। বিকেল শেষ হয়ে সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসবে। ছেলেটার হ্যাণ্ডকাফ খুলে দিয়ে বললাম, দৌড় দে। ছেলেটা জানে আমরা পেছন থেকে গুলি করি। সে আস্তে আস্তে দৌড়াচ্ছে, এটা ১৯৭১ নয়, সে একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক, তার পেছনে পড়ে থাকবে বাবা, মা, ছোটোবোন, ওর কোনো ভাই নেই, হাঁস, মুরগি, উঠান, ভোরের কুয়াশা, সাইকেলের শব্দ, যে চিঠিটা পেয়েছিল মামতো বোনের কাছ থেকে, পাড়ার দোকানদারের পাওনা ৩২৬ টাকা, গুলি ওর বুক বিদ্ধ করলো, রক্ত গড়িয়ে পড়ছে, আমরা দেখলাম, আমি স্যারের কাছ থেকে একটা সিগ্রেট নিয়ে খেলাম, এইসব মুহূর্তে আমার কেমন জানি লাগে, ছেলেটা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে, যাই হোক দেশ থেকে আরেকটা সন্ত্রাসী কমলো।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ইরফানুর রহমান রাফিন
ইরফানুর রহমান রাফিন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 18 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, এপ্রিল 12, 2016 - 3:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর