নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রুদ্র মাহমুদ
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সুষুপ্ত পাঠক
  • বেহুলার ভেলা
  • নিটোল আরন্যক
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সুজন আরাফাত

নতুন যাত্রী

  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের
  • একজন সত্যিকার হিমু
  • চক্রবাক অভ্র
  • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর

আপনি এখানে

ইরফানুর রহমান রাফিন এর ব্লগ

যে মেয়েরা বিয়ে করতে যাচ্ছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে


(লেখাটি ফেসবুকে পূর্বপ্রকাশিত)

১। অতি মাত্রায় সংবেদনশীল হলে বিয়ে করবেন না।

২। আত্মমর্যাদাবোধ অত্যন্ত প্রখর হলে বিয়ে করবেন না।

৩। মেরুদণ্ড যদি টানটান হয় বিয়ে করবেন না।

৪। বিয়ে করলে শুধু ছেলে দেখে করবেন না। ফুল ফ্যামিলি দেখবেন। এই দেশে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া সব পরিবারই একান্নবর্তী, যাঁরা একসাথে থাকেন না, তাঁরাও।

ইউফোরিয়া


পার্পল সানসেটঃ যুদ্ধের বিরুদ্ধে মানুষের ভালোবাসার গল্প


জাপানি ইম্পেরিয়াল আর্মির ফ্যাসিস্ট সৈন্যরা তার চোখের সামনে তার বৃদ্ধ মাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে। সে যেই মিলিটারি ক্যাম্পে বন্দী ছিল, সেখানে মানুষের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার করার পর, তাদের লাশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেয়া হত। একবার এক লোক জীবিত আছে, এটা টের পাওয়ার পর জাপানি ফ্যাসিস্ট সৈন্যরা তাঁকে জীবিত অবস্থাতেই বস্তায় ভরে বস্তাটায় আগুন ধরিয়ে দেয়, তারপর আর্তনাদ করতে থাকা লোকটার নরকযন্ত্রণা উপভোগ করতে করতে হাসতে হাসতে বস্তার সাথে ডিনামাইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়।

ভালোবাসার গল্প নয়


গল্প নং এক. প্রেসনোট

ছেলেটাকে আমরা একটা নির্জন মাঠে নিয়ে গেলাম। মাঠের পাশে নদী। কুলকুল বাতাস বইছে। বিকেল শেষ হয়ে সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসবে। ছেলেটার হ্যাণ্ডকাফ খুলে দিয়ে বললাম, দৌড় দে। ছেলেটা জানে আমরা পেছন থেকে গুলি করি। সে আস্তে আস্তে দৌড়াচ্ছে, এটা ১৯৭১ নয়, সে একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক, তার পেছনে পড়ে থাকবে বাবা, মা, ছোটোবোন, ওর কোনো ভাই নেই, হাঁস, মুরগি, উঠান, ভোরের কুয়াশা, সাইকেলের শব্দ, যে চিঠিটা পেয়েছিল মামতো বোনের কাছ থেকে, পাড়ার দোকানদারের পাওনা ৩২৬ টাকা, গুলি ওর বুক বিদ্ধ করলো, রক্ত গড়িয়ে পড়ছে, আমরা দেখলাম, আমি স্যারের কাছ থেকে একটা সিগ্রেট নিয়ে খেলাম, এইসব মুহূর্তে আমার কেমন জানি লাগে, ছেলেটা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে, যাই হোক দেশ থেকে আরেকটা সন্ত্রাসী কমলো।

স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবিতে রাস্তায় নামার আগে


১.

একেবারে ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করি। ২০০৯-এ, আমার বয়স যখন মাত্র ১৮ বছর, আমার কিছু কাছের মানুষকে দেখতাম আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করতে। এঁরা কেউ লেফটিস্ট বা রাইটিস্ট ছিলেন না, এঁরা সেন্ট্রিস্ট মানুষ, বিএনপির রাজনীতির সমর্থক।

ট্রাম্পের মুসলিম ব্যানের ভূরাজনীতিঃ নেক্সট টার্গেট ইরান?


প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে পড়লাম, ইরাকের প্রধান শিয়া ক্লেরিক মুকতাদা আল-সদর ; আমার ধারণা ছিল তিনি মরে গেছেন, কিন্তু, একটু আগে জানতে পারলাম বেঁচে আছেন ; বলেছেন আরব দেশগুলো থেকে আমেরিকানদেরকে বের করে দেয়া উচিত। এইটাকে রিট্যালিয়েশন বলে। সোজা বাংলায় খুনের বদলে খুন আর কি।

একহাজার একশো রাতের গল্পঃ নির্বাচন সরকার গণতন্ত্র


আপনি বই পড়তে, গান শুনতে, সিনেমা দেখতে ভালোবাসেন। আমিও ভীষণ ভালোবাসি। শিল্পসংস্কৃতির প্রতি মানুষের তৃষ্ণা আদিম ও সার্বজনীন। কারণ মানুষের ভেতরে কমিউনিকেট করার আকাঙ্ক্ষা আছে। অন্যের ভেতরে নিজেকে আবিষ্কার করার আকাঙ্ক্ষাও আছে। শিল্পসংস্কৃতির নানা মাধ্যম মানুষের সেই আকাঙ্ক্ষা মেটায়। প্রাচীন পুঁথিসাহিত্য থেকে আধুনিক বিশ্বসাহিত্য, অতীতের যাত্রাপালা থেকে বর্তমান থিয়েটার, মানুষের সাথে মানুষের কমিউনিকেট করার আকাঙ্খারই সাক্ষ্য।

‘বাম ঐক্যের’ অভাব নয়, অভাবটা আপোসহীন দৃষ্টিভঙ্গির


উপমহাদেশে আজ পর্যন্ত বিপ্লব হয় নাই কেনো?

অনেকের মতো আমাকেও এই প্রশ্নটি তাড়িত করে। আমি অসংখ্যবার এই প্রশ্নটা করেছি বিভিন্ন মানুষকে। উল্লেখযোগ্য অংশের একটা মুখস্ত রাখা উত্তর আছে, “বামপন্থীরা বিভক্ত, তাই বিপ্লব হয় না।” এই উত্তরদাতাদের ভেতর বামপন্থী আছেন, অবামপন্থীও আছেন। আছেন এমনকি বামবিরোধীও। এখানে একটি পূর্বানুমান কাজ করে, জনগণ বিপ্লবের জন্য মুখিয়ে আছে, বামপন্থীরা এক হয়ে ডাক দিলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। এই অনুমানটি থেকেই সাধারণত সিদ্ধান্ত টানা হয়।

লাল ঘোড়ার প্রাসঙ্গিকতা


শহিদ কমরেডের ব্যাপারে তুমুল আগ্রহ ছিলো আমার, আগ্রহটা জন্মেছিলো সদ্যকৈশোরেই, যখন আমার সেই মায়াজড়ানো মফস্বল শহর সাভারে কালের কণ্ঠের শিলালিপিতে করে পৌঁছে গেছিলো আরিফুজ্জামান তুহিনের একটি লেখা। যদিও তাঁর ব্যাপারে কোনো পড়াশোনা ছিলো না, সম্বল অই তুহিন ভাইয়ের একটি লেখাই। বিপ্লবআকাঙ্খীদের ভেতরেও তাঁকে বছরে একদিন স্মরণ করার ব্যাপারে আগ্রহ যতো বেশি, (যেমনটা করছি আমি এখন), তাঁর লেখা ও তাঁকে নিয়ে লেখা অধ্যয়ন করার আগ্রহ ঠিক ততোটাই কম।

২০১৬র কাজঃ লাল আগস্টের গান ও সোনাবরু


২০১৬তে আমি উল্লেখযোগ্য কাজ করেছি মাত্র দুটো। দুটি গান লিখেছি। সুর করে গেয়েছে স্বরব্যাঞ্জো, তাঁদের জন্য ভালবাসা, যারা শুনেছেন এবং শোনেননি তাঁদের জন্য গানদুটি লিরিকসসহ আবার দিলাম।

পৃষ্ঠাসমূহ

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

ইরফানুর রহমান রাফিন
ইরফানুর রহমান রাফিন এর ছবি
Offline
Last seen: 20 ঘন্টা 22 sec ago
Joined: মঙ্গলবার, এপ্রিল 12, 2016 - 9:38পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর