নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জলের গান
  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ সিদ্দিকী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

নবী মুহাম্মদ ও শয়তানের বানী, পর্ব-১


নবী মুহাম্মদ তার আল্লাহর নামে যে বানী প্রচার করতেন , তাকে তিনি নাম দেন কোরান। দুর্ভাগ্যক্রমে , ইসলামের প্রাথমিক যুগের আলেম ও ইতিহাসবিদরা বলে গেছেন , মুহা্ম্মদ শয়তানের বানীও পেতেন, যা কোরান সংকলিতও আছে। সুতরাং প্রশ্ন উঠতেই পারে , কোরানের কোন বানী আল্লাহর আর কোন বানী শয়তানের। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো - আল্লাহর প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ট নবীকে আল্লাহ শয়তানের হাত থেকে বাঁচাতে পারে নাই। তাহলে তার প্রচারিত ইসলাম কিভাবে সত্য ধর্ম হয় ?

মোহাম্মদ সমাচার


অবশেষে মুহাম্মদ নিজেই নিজেকে কুকুর প্রমান করেছিল।দু:খিত, আমি না, সহিহ হাদিসই সেটা প্রমান করেছে। মুহাম্মদ তার নিজের বলা বিধান দ্বারাই প্রমান করেছে যে সে নিজে একটা কুত্তা। তাই দয়া করে , আমাকে দোষ দেবেন না। আমি শুধুমাত্র মুহাম্মদের বলা কথাগুলোই এখানে তুলে ধরছি। তো প্রথমেই দেখা যাক নিচের হাদিস ---

জাকির নায়েক যে একটা নিকৃষ্ট মিথ্যাবাদী, ভন্ড ও মুনাফিক , তার প্রমান


অনেকেই আছে যারা মনে করে , দুনিয়াতে জাকির নায়েকের চাইতে ইসলাম আর ভাল কেউ জানে না। ইসলাম নিয়ে কোন বিষয়ে বিতর্ক উঠলেই তারা জাকির নায়েকের রেফারেন্স দেয়। আর ১০০% নিশ্চিত থাকে যে , বিতর্কিত বিষয়ে জাকির নায়েক নিশ্চিতভাবেই যুক্তি সঙ্গত উত্তর দিয়েছে। তাদেরকে আজকে প্রমান করব , জাকির নায়েক হচ্ছে একটা নিকৃষ্ট ভন্ড , মিথ্যাবাদি ও মুনাফিক।প্রকাশ্য জনসভায় কিভাবে যে বুক ফুলিয়ে মিথ্যা কথা বলে , তা না দেখলে বিশ্বাসই হয় না।

আমাদের নবী মুহাম্মদের কোন দোষ নেই, সব দোষ আল্লাহর


মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে, নবী মুহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র। তারা এটা বিশ্বাস করে কোরান হাদিস সিরাত না পড়েই। আসলে তাদের সামনে শৈশব থেকে এরকমভাবেই মুহাম্মদের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়। অর্থাৎ শুনে শুনেই তারা মুহাম্মদ সম্পর্কে এমন বদ্ধ মূল ধারনা করে। তারা কখনই কোরান , হাদিস , সিরাত , তাফসির এসব পড়ে মুহাম্মদের চরিত্রকে জানে নি , জানার চেষ্টাও করে নি। এখন আমরা যদি কোরান হাদিস পড়ি দেখা যাবে , মুহাম্মদের এমন কিছু কাজ কারবার আছে , যা তাকে সর্বকালের শ্রেষ্ট মানুষ তো দুরের কথা , বর্তমান সময়ে মুহাম্মদ তার যে কোন একটা কাজ করলে , আজকের এই মুমিনরাই তাকে ফাঁসিতে ঝোলাত , না হয় যাবজ্জীবন কারা দন্ড দিত।

মহানবীর মেরাজ গমন ও আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব


একদা মহানবী মুহাম্মদ কাউকে কিছু না জানিয়ে সাত আসমান পাড়ি দিয়ে আল্লাহর সকাশে যান।কথিত আছে তিনি বোরাক নামক এক ডানাওয়ালা গাধা সদৃশ জন্তুর পিঠে চড়ে , মক্কা থেকে প্রথমে জেরুজালেম যান , সেখানে বায়তুল মোকাদ্দসে ১,২৪,০০০ নবীর সাথে নামাজ পড়েন যার ইমামতি করেন তিনি নিজে। এরপর সেখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন আসমান পর্যবেক্ষন শেষে আল্লাহর সাথে দেখা করেন , নানা কথা বার্তা বলে তারপর ফিরে আসেন। ফিরে এসে তিনি দেখেন আল্লাহর আরশে যাওয়ার আগে ওজু করার জন্যে যে পানি তিনি ব্যবহার করেছিলেন , তা তখনও গড়িয়ে পড়ছে।

হে মুমিন , আসো , কোরান থেকে বিজ্ঞান শিখি আর ইহুদি নাসারাদের বিজ্ঞান বর্জন করি


কোরান হলো বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। কোরানের মধ্যেই আছে সব বিজ্ঞান।অথচ ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা কোরান বহির্ভুত বিজ্ঞান প্রচার করে , আমাদের ইমান নষ্ট করতে চায়। যেমন রাতের আকাশে আমরা যে আগুনের গোলার মত জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যেতে দেখি,তা আসলে জ্বীনদেরকে দাবড়ানোর জন্যে নিয়োজিত, কিন্তু ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা বলে ভিন্ন কথা।

ইসলাম কি আসলে পাথর পুজা ? শয়তানকে পাথর মারাটা কি জিনিস ?


হিন্দুরা তাদের দেব দেবীর প্রতিমা গড়ে পুজা দেয়, মুমিনরা সেটাকে বলে মূর্তি পুজা। কিন্তু সেই একই যুক্তিতে পাপ মোচনের আশায় মুসলমানরা কাবা ঘরের কাল পাথরকে চুম্মা খায় , সেটা কিন্তু পাথর পুজা না। পুরো বিষয়টা বুঝতে গেলে প্রথমে জানতে হবে পুজা জিনিসটা কি। আর তাহলেই বোঝা যাবে হিন্দুদের পুজাটা মূর্তি পুজা কি না , আর মুসলমানদের কাল পাথর চুম্বন পাথর পুজা কি না। তাহলে দেখা যাক।

মুমিনরা তাদের প্রকৃত চেহারা খুব দ্রুতই প্রকাশ করে ফেলল


কিছুদিন আগে , ইসলাম রক্ষার নামে ব্রাহ্মনবাড়ীয়ার নাসিরনগরে নিরীহ হিন্দুদের ২০০/৩০০ বাড়ী পোড়ান হয়েছিল, তখন আলেম সমাজ , ধর্মপ্রান মুসলমানরা সবাই চুপ ছিল , কোন প্রতিবাদ করে নি। বরং ভাবখানা ছিল , তারা যেন খবরটা জানে না। বর্তমানে মায়ানমারে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর হামলা চালাচ্ছে , আমাদের দেশের মুমিন মুসলমানরা তার বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দিচ্ছে , ভাবখানা - এখনই তারা যুদ্ধে যাবে , রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে। এই দুটা ঘটনার দ্বারা মুমিনদের কোন চেহারাটা প্রকাশ পেল ?

শিশু আয়শা ও বুড়া মুহাম্মদের স্বর্গীয় প্রেম কাহিনী


আবু বকর নবী মুহাম্মদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার কারনে ও আবু বকর ইসলাম গ্রহন করার কারনে , মুহাম্মদ প্রায়ই তার বাড়ীতে যাতায়াত করত , আর তখনই আল্লাহ মুহাম্মদের মনে শিশু আয়শার প্রতি স্নেহের পরিবর্তে রোমান্টিক প্রেমের জোয়ার তৈরী করে। মুহাম্মদ সেই ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী রূপে কল্পনা করতে থাকে। আল্লাহর অশেষ রহমতে , সেটা ছিল এক বেহেস্তী প্রেম কাহিনী। সেটাই বলা হবে আজকে।

যীশু সম্পর্কে কোরান স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়ে , কোরান কি নিজেই নিজের পতন ঘটিয়েছে?


মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করে ঈশা বা যীশু হলো একজন নবী। যীশুর শিক্ষা তার অনুসারীরা ঠিক মত অনুসরন না করাতে আরবের মরুভূমিতে নবী মুহাম্মদের আগমন ঘটে , আর সে দাবী করে , সে হলো শেষ নবী।পক্ষান্তরে খৃষ্টানরা বিশ্বাস করে , যীশু হলো ঈশ্বরের পূত্র রূপে স্বয়ং ঈশ্বর। অর্থাৎ মুসলমানরা যখন যীশুকে শুধুই একজন মানুষ রূপে বিশ্বাস করছে , খৃষ্টানরা তখন যীশুকে স্বয়ং ঈশ্বরের মানব রূপ হিসাবে বিশ্বাস করে। এখন দেখা যাক , কোরান যীশুকে নিয়ে কি বলছে।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 31 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর