নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • কাঠমোল্লা
  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

কাঠমোল্লা এর ব্লগ

যাদেরকে আমি মা-বাবা ডাকি , তারাই যে আমার প্রকৃত জন্মদাতা , সেটা কি আমি নিশ্চিত ?


মুমিনদেরকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় , আল্লাহ যে আছে তার প্রমান কি ? মুহাম্মদ যে নবী তার প্রমান কি ? প্রায়ই দেখা যায় মূর্খ ও উন্মাদ মুমিনরা তোতাপাখির মত উক্ত প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করে। আর ভাবে , এই প্রশ্ন করেই বোধ হয় জিতে গেল । যাইহোক , এবার তাদেরকে উত্তর দেয়া হবে।

আই এস কর্তৃক আগ্রার বিখ্যাত তাজমহল ধ্বংসের হুমকি: ইহা কি ইসলামিক ?


সম্প্রতি আই এস( ইসলামিক স্টেট) ভারতের আগ্রার বিখ্যাত তাজমহল ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছে। তা শুনে অনকে কথিত মডারেট মুসলমান বলছে ,তা নাকি একটা বর্বর কাজ। কোন হিন্দু কর্তৃক এই তাজমহল তৈরী হলে এসব মডারেট মুসলমানরা কি বলত কে জানে , কিন্তু তাজমহল তো তৈরী করেছে মুঘল সম্রাট শাহজাহান ,যে নাকি একজন মুসলমান। সুতরাং একজন মুসলমান সম্রাট কর্তৃক নির্মিত তাজমহল কেউ ধ্বংস করার কারনেও তাদের মনোকষ্ট হতে পারে। কিন্তু আসলে এ বিষয়ে ইসলাম কি বলে ?

বিবাদ বা দ্বন্দ্ব কে আগে শুরু করেছিল ? মুহাম্মদ , নাকি কুরাইশরা ?


মুমিনরা অভিযোগ করে কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার সাথীদের ওপর অত্যাচার করে মক্কা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। যদিও কোন সহিহ দলিল থেকে সেটা তারা প্রমান করতে পারবে না , এটা নিছকই গত ১২০০ বছর ধরে প্রচারিত একটা মিথ্যা প্রপাগান্ডা। তারপরেও ধরে নিলাম মক্কার কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার সাহাবিদের ওপর অত্যাচার করেছিল। কিন্তু সেটার সূত্রপাত প্রথম কে করেছিল , কুরাইশরা , নাকি মুহাম্মদ ?

মুহাম্মদ ছিল আসলে মুর্তাদ বা ইসলাম ত্যাগী


যারা ইচ্চাকৃতভাবে কোরানের বিধান লংঘন করে , তারা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে মুর্তাদে পরিনত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে না হলে , পরে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে মাফ চেয়ে তওবা করে মুসলমান থাকা যায়। দেখা যায় , মুহাম্মদ সম্পূর্নভাবে জেনে শুনে বুঝে , শুধুমাত্র তার যৌনলালসা চরিতার্থ করার জন্যে আল্লাহর বিধান লংঘন করেছিল। এভাবে আল্লাহর বিধান লংঘন করে মুহাম্মদ হয়ে গেছিল মুর্তাদ বা ইসলাম ত্যাগী। বিষয়টা এবার খোলাসা করা যাক।

মুহাম্মদ কি প্রকৃত নবী , নাকি ভন্ড নবী ?


৭ম শতাব্দিতে মক্কা মদিনায় কুরাইশ পৌত্তলিক, সাবিয়ান, ইহুদি ও খৃষ্টানরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ন সহাবস্থান করত। পৌত্তলিক ও সাবিয়ান ধর্মের কোন নবী রসুল ছিল না , কিন্তু ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্মের ভিত্তি ছিল নবী রসুল। ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্মকে বলা হয় আব্রাহামিক ধর্ম কারন এসবের মূল প্রতিষ্ঠাতা ছিল ইব্রাহিম নবী। পৌত্তলিক গোত্রে জন্মগ্রহন করে মুহাম্মদ নিজেকে আব্রাহামিক ধারায় নবী দাবী করে , পরীক্ষা করে দেখা যাক , মুহাম্মদ আসলেই সেই ধারা মোতাবেক নবী ছিল কি না।

মুহাম্মদ কি জড় পুজারি ছিল ? ইসলাম কি জড় পুজা ?


মুহাম্মদ তার প্রাথমিক যুগে মক্কায় ইসলাম প্রচারে সুবিধা করতে না পেরে , মদিনায় চলে যায় তার দলবল সহ। পরে ৬ হিজরীতে মক্কায় হজ্জ করার জন্যে দলবল সহ রওনা দিলে, হুদায়বিয়া নামক স্থানে মক্কাবাসীরা তাকে আটকায় সেখানে হুদায়বিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়। উক্ত চুক্তির আওতায় মুহাম্মদ নবী হিসাবে নয়, বরং সাধারন মানুষ হিসাবে হজ্জ করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। এর পরের বছর ৭ হিজরীতেই মুহাম্মদ মক্কায় হজ্জ করতে যায়, তখন কাবা ঘরের মধ্যে ছিল কাল পাথর সহ ৩৬০টা মুর্তি। ৯ হিজরীতে মুহাম্মদ মক্কা দখল করে কাবা ঘর থেকে সেই ৩৬০টা মুর্তি সরায়।

ওরা সাহায্যের জন্যে আল্লাহকে ডাকছে, কিন্তু আল্লাহই ...


বাংলাদেশের নারীরা সৌদিতে গৃহকর্মি হিসাবে কাজ করতে গিয়ে, সৌদি পুরুষদের ধর্ষনের শিকার হয়ে , তাদের নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছে। কিন্তু হতভাগীরা জানে না , সেই আল্লাহই তাদের মত গৃহকর্মিকে ধর্ষন করতে বলেছে। বিষয়টা শোনার সাথে সাথেই অনেকেই চমকে উঠতে পারে , কিন্তু না , চমকানোর কোন কারন নেই। বিষয়টা সবিস্তারে আগে জানুন , তারপর চমকে উঠুন।

যে বন্দিনী নারী ধর্ষন করবে না , সে সহিহ মুমিন না


অনেক মুমিন বলে - ঠিক মতো রোজা নামাজ করলে , সে সহিহ মুমিন। আবার অনেকেই আছে যারা তাবলিগ জামাত করে , আর ভাবে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিলেই খাটি মুমিন হওয়া গেল। বস্তুত: এরা কেউই কোরান হাদিস ভাল মত পড়ে ইসলাম পালন করে না , সবাই আসলে শুনে মুসলমান আর নিজেদের মনমত ইসলামের একটা বিশ্বাস ও বিধান তারা মনে মনে রচনা করেছে আর ভাবে সেটাই খাটি সহিহ ইসলাম। কিন্তু কোরন- হাদিস বলছে ভিন্ন কথা।

বদর-যুদ্ধ কি যুদ্ধ ছিল, নাকি ডাকাতি


বদর যুদ্ধের কথা শোনে নি , এমন কোন মুসলমান নেই। বলা বাহুল্য, সবাই জানে মক্কাবাসীরা মুহাম্মদ ও ইসলামকে ধ্বংস করার জন্যে ১৩০০ জনের এক বাহিনী নিয়ে মদিনা আক্রমন করতে যাচ্ছিল, বদর প্রান্তরে মুহাম্মদ মাত্র ৩১৩ জন সৈন্য নিয়ে মক্কাবাসীদেরকে মুকাবিলা করে তাদেরকে পরাস্ত করে , আর তার ফলেই ইসলাম ও মুহাম্মদ দুইটাই রক্ষা পায়। কিন্তু প্রকৃত ঘটনাটা কি ?

মুহাম্মদের কোন দোষ নাই, সে ডাকাতও নয়।


কোরান হাদিস সিরাত ঘাটলে দেখা যাবে , ইসলাম অমুসলিমদেরকে প্রচন্ড ঘৃনা করতে , তাদেরকে নিকৃষ্ট জীব মনে করতে শেখায়। আর সেই কারনেই দুনিয়ার প্রতিটা মসজিদে জুম্মার নামাজের পর অমুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে ও অভিশাপ দিয়ে খুতবা দেয়া হয়। এ ধরনের নিকৃষ্ট প্রানীদের ধন সম্পদ জোর করে কেড়ে নেয়ার জন্যে কোরান হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশ বিদ্যমান আর সেটাই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদকে বলেছে , সে নির্দেশ পালন করতে গিয়েই মুহাম্মদ হয়ে গেছে দুনিয়ার শ্রেষ্ট ডাকাত।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Online
Last seen: 30 min 8 sec ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর